Argha Kundu is a Entrepreneur, Lawyer and also a Life Coach working with many children and youths in Kolkata and the surrounding area, and frequently travels to Local communities to offer training in mindfulness. He enjoy to teach young ones because he believe this is an invaluable life-long skill. His goal as a Life Coach is to empower others to practice a mindful lifestyle.
কুণ্ডলিনী শব্দের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ভারতীয় উপনিষদ শাস্ত্রের মধ্যে যায় প্রধান অর্থ হল জীবন প্রদান কারি সৃষ্ঠীর বুনয়াদি শক্তির সক্রিয়তা।
মানব দেহ এই বুনয়াদি শক্তির অনেক গুলি লেয়ের দ্বারা তৈরি যার ৯৯ ভাগই নিষ্ক্রিয় রূপে স্থিত। এই শক্তির বা এনার্জির বুনিয়াদি সর্ব নিম্ন স্তরের প্রকাশ হল জীবন বা প্রাণ।
এই ৯৯ ভাগ নিষ্ক্রিয় অবস্থা থাক শক্তির শক্তির জাগরণ ও সঠিক রূপে দেহের মধ্যে স্থাপনের পদ্ধতি হল কুণ্ডলিনী। এই কুণ্ডলিনী শক্তি আমাদের মেরুদণ্ডের ঠিক নিচে মুলাধার চক্রের মধ্যে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় স্থিত।
কুণ্ডলিনী সাধনার সময়ে এই নিষ্ক্রিয় শক্তি কে ধীরে ধীরে সর্ব নিম্ন চক্র থেকে উপরে সহস্রার চক্রের মধ্যে শক্তি স্থাপন করা।
মুলাধার চক্র থেকে ষষ্ঠ অগনা চক্র পর্যন্ত শক্তির স্থাপন তুলনা মূলক ভাবে সোজা এবং অসংখ্য পথ বিদ্যমান, কিন্তু ষষ্ঠ চক্র থেকে সপ্তম চক্র পর্যন্ত শক্তির সাধন পথ কোন পুরাণেই বর্ণিত না থাকায় ষষ্ঠ চক্র ভেদ সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন।
কিন্তু এই কুণ্ডলীনি শক্তি প্রকাশ ও সাধন কে যোগীর বিষধর সর্প দ্বারা চিত্রিত করেছেন, কারণ কুণ্ডলিনী শক্তি যেমন অসীম ক্ষমতাশালি ঠিক এক রকম ভাবে অতি ভয়ংকর এবং বিধংসি।
কারণ যে শক্তি আমাদের জীবনের সমস্থ স্থিতি কে এক নিমেষে পরিবর্তণ করার ক্ষমতা ধারন করে, ঠিক একই রকম বিনা আত্ম নিয়ন্ত্রনে এই শক্তি যে কোনো মানুষের ভয়ংকর মৃত্যুর জন্য যথেষ্ঠ।
পূরণ এবং কিছু লোক কাহিনীতে উল্লেখ পাওয়া গেছে অনেক বড় সাধক ও যোগীরা এই শক্তি প্রভাবে কেউ উন্মাদ হয়ে গেছেন আবার অনেকে মারা ও গেছেন।
কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরনেরে নিয়ম:
সবার প্রথমে বোঝা দরকার কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণ কোন সাধারণ প্রক্রিয়া নয়, কুণ্ডলীনি শক্তি জাগরণ জন্য প্রথম ধাপ সাংসারিক জীবন থেকে সম্পুর্ন রূপে বিরত থাকা।
কারণ কুণ্ডলীনি শক্তির জাগরণের জন্য আমাদের গভীর অনুশাসন ও বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা অতি প্রয়োজন, যা সাংসারিক রূপে পালন করা কোন প্রকারে সম্ভব না।
দ্বিতীয় হল কুণ্ডলিনী জাগরণের প্রক্রিয়া সাথে অবগত সঠিক গুরু guidance ও observation। যিনি আপনার আভ্যন্তরীণ পরিবর্তণ কে একটি দিশা প্রদান করবে।
তৃতীয় ধাপ হল কুণ্ডলীনি শক্তি জাগরনের জন্য ধীরে ধীরে সঠিক শারিরীক স্থিতি সৃষ্টি করা, যা এই অসীম শক্তিকে নিয়ন্ত্রনের সঠিক স্থিতি প্রদান করতে সক্ষম।
চতুর্থ ধাপ হল গুরু প্রতি বিশ্বাস ও সঠিক ভাবে সাধনা প্রণালী পালন।
কুণ্ডলিনী জাগরণের উপায়:
ভারতীয় ঋষিদের মতে কুণ্ডলিনী শক্তি জাগরণের জন্য ১১২টি পথ বর্তমান রয়েছে। এই 112টি পদ্ধতি কেবল 2টি ধাপে পূর্ণ করা যায়, এর প্রথম ধাপ হল শরীর কে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ আনা ও শরীরকে নির্দিষ্ট বাতাবরণ প্রদান করা এবং দ্বিতীয় ধাপ হল শরীর কে উত্তেজনার চরম সীমায় নিযে যাওয়া যার দ্বারা এক মুহুতে কুণ্ডলিনীর জাগ্রত করা।
কুণ্ডলিনী জাগরণের ক্ষেতে কোন গুরুই দ্বিতীয় পথ অবলম্বনের কথা কোন দিন বলবেন না, কারণ বিনা সঠিক নিয়ন্ত্রণের স্থিতিতে এই শক্তির জাগরণ মৃতুর সমান।
সাবধানতা:
আজকের দিনে কুণ্ডলিনী একটি ব্যবসা হয়ে দারিয়েছে, প্রায় 99 ভাগ গুরু যারা কুণ্ডলিনী সাধন শেখাছেন তার নিজারই কোন দিন কুণ্ডলিনী সাধনা করেননি। কুণ্ডলিনীর নামে শুধুই ভুল ভাল সাধন পদ্ধতি শেখান, বিশেষত ভাবে বিদেশী গুরুরা।
কুণ্ডলীনি বিনা সঠিক গুরু guidance ছাড়া প্র্যাক্টিস করার অর্থ নিজের বিপদ নিজে ডেক আনা বা মৃত্যু কে আহ্বান করা।
নিয়ন্ত্রণ ছাড়া যে কোন চক্রে শক্তির প্রবাহ শরীর ও মানসিক ভারসাম্য কে চিরতরে নষ্ঠ করতে সক্ষম।বিনা জ্ঞানে কুণ্ডলিনী জগরণের কোন চক্রের স্থিতি গণ্ডগোল হলে তা সারা জীবনের জন্য কুপ্রভাব প্রদান করবে।
কুণ্ডলিনী জাগরেনের পর অতি মাত্রায় ক্ষমতা নিয়ন্ত্রনে জন্য আত্ম নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর ভাবে সাংসারিক অবস্থার মধ্যে থেকে কখনোই কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণের প্রয়াস করা উচিত না।
আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্স এর মধ্যে জানান ও আমাদের নতুন নতুন পোস্ট গুলির আপডেট পেতে উপরে থাক Bell icon ক্লিক করুন ধন্যবাদ।
আপনার যদি অনলাইন বা offline মেডিটেশন শিখতে চান তবে দেরি না করে কল্ল করুন আমদের +91 -9433 -657 -349 নাম্বারে। বা মেল করুন Contact@wisdomcue.com
যে কোন ধরনের মেডিটেশন করার বা শেখার ক্ষেত্রে 6টি নির্দিষ্ট ধাপ সম্পুর্ন করা অবশই প্রয়োজন। যা সম্পুর্ন রুপে ধাপে ধাপে নিচে দেওয়া রহিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।
1. শারিরীক স্থিতি:
মেডিটেশনের প্রথম ধাপ হল হল শারিরীক স্থিতির সঠিক মূল্যায়ন। কারণ যোগ গুরু ও সিদ্ধ মুনি ঋষিরা বলছেন ধ্যান প্রক্রিয়া কোন সাধারন ক্রিয়া নয়।
প্রতিটি কাজের মত ধ্যান সাধনার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা জরুরী। ধ্যান ক্রিয়ার জন্য উত্তম অবস্থা হল প্রথম অহার পূর্বের অবস্থায় বা খালি পেটে থাকা অবস্থা।
কারণ ভরা পেটে শরীর শুধু মাত্র খাদ্য হজম স্থিতি কে প্রাধান্য দেয় যা আমাদের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শারিরীক পুষ্ঠী সাধন করে। তাই মেডিটেশন শুরু করার আগে নিজের শারিরীক স্থিতির কথা ভাবা অতি গুরুত পূর্ণ।
2. সঠিক আসন:
দ্বিতীয় ধাপ হল সঠিক আসন দ্বারা ধ্যান প্রক্রিয়া অবলম্বন করা। যার দ্বারা মেরুদণ্ড সোজা ও নির্দিষ্ট স্থিতি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।তাই মেডিটেশনের জন্য কিছু বিশেষ আসন গ্রহণ করা আবশ্যক হল পদ্মাসন, সুখাসন ও বজ্রাসন ইত্যাদি।
যা মেডিটেশন বা ধ্যান প্রক্রিয়া নিজের সম্পুর্ন রূপে শরীর কে সমর্পণ করতে সাহায্য করে ও নির্দিষ্ট আসনে মনের অস্থিরতা স্থির হয়ে ওঠে।
কারণ যোগ গুরু ও ঋষিদের মতে ধ্যানের অনুসরণের জন্য নির্দিষ্ট আসন অবশই প্রয়োজন।
3. শ্বাস গ্রহণ প্রণালী:
তৃতীয় হল শ্বাস প্রণালী, মেডিটেশন করার সময় সম্পুর্ন গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন, কিছু ক্ষন হোল্ড করুন ও আস্তে আস্তে ছারুন যাতে সম্পুর্ন chest ও lungs engage হয়।
কারণ ভিন্ন ভিন্ন নিশ্বাস প্রণালী শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভ করে যাতে মন খুব সহজে শান্ত ও শরীর এবং মনের সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করে।
4. সঠিক মুদ্রা বা হাতের অবস্থান ভঙ্গি :
চতুর্থ ধাপ হল সঠিক মুদ্রা ধারন করা, যা ধ্যান বা মেডিটেশন প্রক্রিয়ায় মন সংযোগে সাহায্য করে, এবং শরীরের মধ্যে ধ্যান প্রক্রিয়া অবলম্বনের সঠিক স্থিতি প্রদানে সাহায্য করে।
বিধি গত নিয়ন অনুসারে মুদ্রার মধ্যে ধ্যান মুদ্রা ও জ্ঞান মুদ্রা অন্যতম, এছাড়াও আছে বায়ু মুদ্রা, প্রাণ মুদ্রা ও সূর্য মুদ্রা। প্রতিটি মুদ্রাই নির্দিষ্ট গুণ সম্পন্ন যা ধ্যান প্রক্রিয়ায় অসামান্য ভূমিকা পালন করে।
ধ্যান মুদ্রা প্রক্রিয়া:
প্রথমে নিজের ডান হাত কোলের উপর রেখে তার উপর নিজের বাম হাত লম্বা লম্বি ভাবে রাখুন দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি মাথা এক অপরের সাথে যুক্ত করলে ধ্যান মুদ্রা তৈরি হবে।
জ্ঞান মুদ্রা প্রক্রিয়া:
প্রথমে নিজের দুটি হাত দুটি পায়ের হাটুর উপর রাখুন্, এর পর হাতের সমস্থ আঙুল লম্বা লম্বি ভাবে রেখে শুধু বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনী এক সাথে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্ঞান মুদ্রা।
প্রতিটি মুদ্রাই নির্দিষ্ট কিছু গুণ সম্পন্ন যা ধ্যান প্রক্রিয়ায় অসামান্য ভূমিকা পালন করে।
5. মন সমর্পণ:
পঞ্চম ধাপ হল পূর্ণ মন সমর্পণ যার দ্বারা একমাত্র ধ্যান মগ্ন হওয়া প্রক্রিয়া সম্ভব, বীনা মন সমর্পণে মেডিটেশন করা কোন ভাবেই সম্ভব না।
মন্ সমর্পণ অর্থ হল মন কে পর্ণ রূপে একটি মাত্র কাজে সম্পুর্ন রূপে কেন্দৃভূত করা ও পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে সমগ্র প্রক্রিয়া গ্রহণ করা।
এক মাত্র মনে পূর্ণ একাগ্রতা ও স্থিরতা দ্বারা মন সমর্পণ সম্ভব। এবং অবাক করা বিষয় হল মেডিটেশন আগে 2টি ধাপ অর্থাত্ সঠিক আসন ও সঠিক শ্বাস প্রণালী আমাদের মন সমর্পণ অনেক খানি সাহায্য করে।
6. মেডিটেশন বা সাধনা প্রণালী অনুসরণ:
ষষ্ঠ ধাপ হল নির্দিষ্ট সাধনা প্রণালী অনুসরণ, অর্থাত আমরা কোন প্রকারের মেডিটেশন ধরনের প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করছি।
যেমন হল Guided Meditation, Gratitude meditation, Body Scan meditation, Yoga Nidra meditation ইত্যাদি হল প্রথম কিছু সহজ ধরনের মেডিটেশন যা সবাই খুব সহজে অভ্যাস করতে পারেন।
আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতা মত থাকলে তা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান॥ আর মেডিটেশন সম্পর্কিত আরও অজানা তথ্য জানার জন্য উপরে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন।
Meditation বা ধ্যান খুবই প্রচলিত অভ্যাস, তবে কিছু প্রাথমিক ভুলের জন্য বেশির ভাগ মানুষ মেডিটেশন করলেও এর উপকার থেকে সম্পুর্ন বঞ্চিত । তাই আজই জেনে নেব মেডিটেশন করার ১০টি নিয়ম যা থেকে ছোট ছোট না জানা ভুলগুলিকে কে শুধরে নেওয়া সম্ভব
1. প্রস্তুতি পদ্ধতি:
প্রথম নিয়ম প্রস্তুতি পদ্ধতির ক্ষেতে বা মেডিটেশন শুরু করার আগে নিজেকে রিল্যাক্স বা সঠিক স্থিতিতে আসার সময় দেওয়া অতি প্রয়োজন।
এর কারণ অস্থির মন আপনাকে ধীরে ধীরে অধৈর্য ও মন অতি চঞ্চল করে তুলবে প্রতি মিনিটে, এ অবস্থায় ধ্যান প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেও পূর্ণ শান্তি, সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব না।
তাই অবশই নিজের বডি রিল্যাক্স ও ব্যালান্স করার প্রতি সবার প্রথমে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। যার দ্বারা সহজে বিনা কোন সমস্যা মন স্থির বা কেন্দৃভূত করা সম্ভব।
নিজের বডিকে রিল্যাক্স ও ব্যালান্স করার সবচেয়ে সরল সমাধান হল গভীর ভাবে শ্বাস গ্রহণ করা
2. বিশ্বাস:
ধ্যান বা মেডিটেশন থেকে শুরু করে সমস্থ রকমের সাধনা ও আধ্যাতীক পদ্ধতির ভীত হল বিশ্বাস। কারণ আমাদের সম্পুর্ন বিশ্বাস ছাড়া কোন কাজের পূর্ণতা অর্জন কোন প্রকারে সম্ভব না।
এবং ধ্যান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে মানুষ যে বড় ভুলটি করেন তা হল অবিশ্বাস সাথে রোজ মেডিটেশন প্র্যাক্টিস করা, যা আসলে করা আর না করা সমান।
তাই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল যখনই ধ্যান বা মেডিটেশন প্র্যাক্টিস শুরু করুন না কেন সম্পুর্ন বিশ্বাস ও ভরসার দ্বারাই করুন , তবেই ধ্যান প্রক্রিয়া স্বয়ং সম্পুর্ন রূপে সফল হবে এবং তার সম্পুর্ন উপকার পাওয়া সম্ভব হবে ।
3. সঠিক ভাষার প্রক্রিয়া:
ধ্যান বা মেডিটেশন বেশির ভাগ মানুষ প্রথম যে বড় ভুলটি হল নিজের দৈনন্দিন বলার ভাষা বাংলা কে ছেরে অন্য ভাষায় মেডিটেশন প্রক্রিয়া অভ্যাস শুরু করা।
অন্য ভাষার প্রক্রিয়াতে ভুল কিছু নেই, সমস্যা হল মস্তিষ্কের চিন্তা ও গ্রহণ শক্তির উপর যা নিজের ভাষা কে যত খুব সহজে গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
এটি অন্য ভাষার প্রক্রিয়ার সাথে অতটা সহজ হয়না কারণ মস্তিষ্ক সহজে তাল মিলিয়ে উঠতে পারে না, যা ধ্যান কেন্দ্রে বাধা হয়ে দাড়ায়। তাই সব সময় যে ভাষা আপনি ভাল বোঝেন সেই ভাষাতে মেডিটেশন কোর্স শিখুন।
4. সময় সীমা:
মেডিটেশন প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই, কারণ সম্পুর্ন প্রক্রিয়াটি আপনার উপলব্ধির উপর নির্ভরশীল।সবার উপলব্ধি মাত্রা ও উপলব্ধির গভীরতা সমান হতে পারে না, তাই ধ্যান প্রক্রিয়ার সময় সীমা নির্ধারন করা সম্ভব না।
এবং তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল নিজের ধ্যান বা মেডিটেশন অভ্যাসের কোন বাধা ধরা সময় একদমই নির্ধারন না করা, কারণ
সঠিক ভাবে ধ্যানের বা মেডিটেশন গভীরে প্রবেশ করলে, সময় সীমার অনুভুতি বিলীন হয়ে যায় তাই এই বিষয় নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।
5. দেহ ভঙ্গি বা আসন:
আমাদের শরীর ধরে নিন অনেকটা জলের পাইপের মত, যদি পাইপের মাঝে কোন ব্লক বা বাধা থাকলে জল যেমন এক দিক থেকে আরেক দিকে পৌছতে পারে না।
ঠিক একি রকম ভাবে ভুল ভঙ্গিতে মেডিটেশন করার সময় শরীরে এনার্জি প্রবাহ রুদ্ধ হয়, এবং শরীরের সর্বত্র এনার্জি পৌছতে পারে না।
আর এই এনার্জি প্রবাহের বড় মাধ্যম হল মানুষের মেরুদন্ড, যাকে মেডিটেশনের ভিত বলা হয় যার উপর নির্ভর করে ধ্যান প্রক্রিয়ার গভীরতা ও উপলব্ধি । তাই মেডিটেশনের সময় নিজের মেরুদণ্ড কে সম্পূর্নূ কোন সাপোর্ট ছাড়া সোজা করে রাখা উচিত।
এবং মেডিটেশন বা ধ্যান নির্দিষ্ট আসন দ্বারা সম্পুর্ন করা উচিত, যেমন – সুখাসন, পদ্মাসন এবং বজ্রাসন ইত্যাদি যা গভীর রূপে ধ্যানস্ত হতে সাহায্য করে।
6. হতের অবস্থান বা মুদ্রা:
মেডিটেশনের সময় হাত ও গুরুত্তপূণ ভূমিকা পালন করে যা অনেকেই জানেন না, যার ফলে না জেনেই একটি ভুল করে বসেন হাত কে ভুল স্থিতিতে রেখে।
কারন আমাদের হাত বা হাতের ভঙ্গি আমাদের শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভ করতে সক্ষম, এবং সঠিক ভঙ্গি দ্বারা আমাদের ধ্যানের গভীরতা কে দিগুন করা সম্ভব।
সঠিক নিয়ম অনুজাই মেডিটেশন বা ধ্যানের সময় নিজের হাত কে ধ্যান বা জ্ঞান মুদ্রায় রাখা বা উপুড় করে হাতে তালু কে উপরের দিকে করে রাখা উচিত। এতে নিশ্বাস প্রশ্বাস ব্যালান্স হয় ও শরীরের মধ্যে সঠিক ভাবে এনার্জি প্রবাহিত হয়।
7. অনুভব ও অনুভুতি:
ধ্যান বা Meditation কোন কাল্পনিক বা দৈব কোন জগতের অনুভুতি প্রাপ্তি নয়। মেডিটেশনের মূল লক্ষ্য বর্তমান ও অভ্যন্তরীন বাস্তবীক স্থিতিকে অনুভব করার স্ব্য়ং সম্পুর্ন প্রচেষ্ঠা পদ্ধতি।
তাই বাস্তবীক জীবনের বাহিরে কাল্পনিক কিছুর অনুভব প্রচেষ্ঠা শুধুই সময় নষ্ট মাত্র।
8. অন্বেষণ বা এক্সপ্লোর:
ধ্যান প্রক্রিয়ার অন্যতম নিয়ম হল নির্দিষ্ট guidance দ্বারা ধ্যান প্রক্রিয়া কে explore করা। দেখুন মেডিটেশন কোন অঙ্কের বই এর ফর্মুলা নয়, এটি আত্ম অনুসন্ধান ও উপলব্ধির পথ।
এই পথে প্রতীক কে নিজেকে ও নিজের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা সমস্থ সম্ভাবনা কে এক্সপ্লোর করতে সঠিক guidance ও সঠিক গুরুর প্রয়োজন।
Meditation প্রথম স্তর যেমন শেখা ওএর দ্বিতীয় ধাপ হল নিজেকে এক্সপ্লোর করতে ভয় না পাওয়া, কারণ সত্য কে উপলব্ধির জন্য সময় মানুষের কাছে খুবই সীমিত।
9. মোবাইল ও হেড ফোন কম ব্যবহার:
আমরা আমাদের অনলাইন মেডিটেশনের শেখার প্রথম পর্যায়ে মোবাইল ও হেড ফোন ব্যবহার করে থাকি, কিন্তু সমস্যা হল এই ধ্যান একটি অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া যা সম্পুর্ন যা বাহিরে উদীপনা থেকে বিছিন্ন প্রক্রিয়া ।
তাই নিয়ম অনুজাই ধ্যান অভ্যাসে ক্ষেতে প্রথমের দিকে মোবাইল ও হেড ফোন ব্যবহার করা হলেও পরের দিকে এক দম না ব্যবহার করাই ভাল। এতে একমাত্র সম্পুর্ন রূপে এফেক্ট পাবেন।
10. চিন্তা শূন্য প্রচেষ্টা:
মেডিটেশন মানে অনেকে ভাবেন মস্তিষ্ক কে চিন্তা শূন্য করার প্রচেষ্ঠা ও এই বৃথা প্রচেষ্টা প্রতি দিন করে চলেছেন বহু মানুষ, যা সম্পুর্ন সময় নষ্ট ।
মেডিটেশন একটি দিক হল নিজের চিন্তা ভাবনা গুলিকে সঠিক দিশা প্রদান করা, চিন্তা শূন্য করা নয়। তাই চিন্তা শূন্য প্রচেষ্টা ছেড়ে নিজের মেডিটেশন প্রক্রিয়ার সাথে নিজের চিন্তা গুলি সঠিক দিশা দেওয়া।
আপনার মূল্যবন্য সময় দিয়ে এই ব্লগটি পড়ার জন্য Wisdomcue.com টীমের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
আপনার Meditation সম্পর্কে কোন Guidance প্রয়োজন হলে বা কোন প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফোন বা Whatsapp করুন +91-9433-657-349 এই নুম্বেরে।
আপনারা যদি কেউ অনলাইনে বাংলাতে সম্পুর্ন সঠিক মেডিটেশন শিখতে চান তবে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।
বিশদ জানতে Call করুন +91-9433-657-349 বা Email করুন Contact@wisdomcue.com
Yoga বা যোগ অভ্যাস শুধু ব্যায়ামের বা স্ট্রে্চ নয়, এটি নিজের বিকাশের একটি সুঘঠিত প্রক্রিয়া।যা শারিরীক ও মনসিক অবস্থার উপর নিজস্ব নিয়ন্ত্রনে আনার বিশেষ পদ্ধতি।
Yoga health benefits ও প্রচুর এবং সমস্থ কিছুই বিজ্ঞান সম্মত্ত ভাবে প্রমানিত সত্য, তাই এরকম 20টি বিশেষ উপকারিতা বিষয় আজ আপনাদের বলব।
1. শারীরিক নমনীয়তা বৃদ্ধি:
যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরে স্টিফনেস কম করে ও সমস্থ পেশী কে পূর্ণ রূপে স্ট্রে্চ করে, যাতে প্রতিটি পেশী সম্পুর্ন রূপে বিকশিত ও নমনীয় হয়।
2. প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি :
যোগ অভ্যাস বা Yoga আমাদের মাইন্ড ও বডির মধ্যে ব্যালান্স তৈরি করে যার ফলে আমরা আমাদরে প্রোডাক্টীভিটি কে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিতে পারি।
যার ফলে আমরা কোন কাজ নর্মাল গতির চেয়ে 2 গুণ গতিতে ও মন সংযোগ সহকারে সম্পাদন করা সম্ভব।
3. এনার্জি সিষ্টেম ব্যালান্স:
Yoga বিভিন্ন আসন নির্দিষ্ঠ প্রক্রিয়াতে শারিরীক ও মানসিক প্রয়োজন অনুজাই বডির এনার্জি মধ্যে সমতা সৃষ্টি করে। যার ফলে শরীর রিল্যাক্স ও প্রয়োজনে অ্যাক্টিভ ভাবে সমস্থ কাজ কর্ম করতে পারে।
4. শারিরীক ঘঠন:
Yoga আমাদের মেরুদণ্ডের ঘঠন থেকে শুরু করে বুকের পাজরের আকৃতি, কধের অসমতা বা রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম, পায়ের ঘঠন শরীরিক ঘঠন কে সঠিক সমতায় আনতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরের সমস্থ রকম toxin দূর করতে ও স্কিনের উজ্জলতা বজায় রাখতে ও নতুন Skin cells তৈরি করতে সাহায্য করে যার ফলে শরীরের উপর বয়সের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়।
6. Flexible Joints:
সুস্থ শরীরের জন্য Flexible Joints খুবই জরুরী, Yoga আমাদের শরীরে বিভিন্ন Joint এবং তার আসে পাশের সমস্থ পেশী গুলির স্ট্রে্চ করে। যাতে প্রতিটি Joint এর flexibility বারে এবং arthritis জাতীয় রোগের সম্ভনা কমে যায়।
7. Core Strength:
শরীর মধ্যে বেশি ব্যবহৃত কিন্তু গঠন গত ভাবে কমজোর পেশী গুলির মধ্যে একটি হল Core মাসেল।
Yoga এই মাসেল গুলিকে শক্ত সমর্থ করতে সাহায্য করে যাতে বডি ব্যালান্স ঠিক থাকে এবং পিঠ ও কোমরের যন্ত্রনা সমস্যা না হয়।
8. স্ট্রেস রিলিফ:
যোগ অভ্যাসের সবচেয়ে উপকারী গুণের মধ্যে একটি হল স্ট্রেস রিলিফ, কারন Yoga শরীরের মধ্যে তৈরি হওয়া codesol, Adrenalin, ইত্যাদী স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় ও Serotonin, Dopamine হরমনের প্রভাব বৃদ্ধি করে।
আমাদের প্রতিটি কাজের জন্য সঠিক মানসিক স্থিতির বা মুড গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ আমাদের মানসিক স্থিতি আমাদের কাজের মধ্যমে ফুটে ওঠে, খারাপ মুড বা মানসিক স্থিতি দ্বারা কোন কাজের ভাল পরিণাম আসা করা সমভব নয়।
এই স্থিতি উপর নিয়ন্তন পেতে Yoga সবচেয়ে বেশি হেল্প করে যাতে আপনি আপনার মুড দ্বারা কম নিজের ইচ্ছার দ্বারা সমস্থ কর্ম করতে পারেন।
10. মাইন্ড ফোকাস:
আজকের দিনে মাইন্ড কে নিজের ঈচ্ছায় নিজের নিয়ন্ত্রনে আনা ও একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়, যার জন্য আমার হইত অনেক কিছু করে থাকি কিন্তু লাভ হয় না।
তাই যোগ হল এমন এক প্রক্রিয়া যা শরীরের সাথে মনের তালমেল সৃষ্ঠী করে ও মন কে নির্দিষ্ঠ দিশা প্রদান করে যাতে খুব সহজ কে নিজের মাইন্ড ফোকাস নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়।
11. সেলফ ডিসিপ্লিন:
একটি সফল মানুষের প্রতীক হল সেলফ ডিসিপ্লিন, যোগ অভ্যাস আমাদের শরীর ও মন ডিসিপ্লিন তৈরি করতে সহজ্য করে বিভিন্ন আসনের মধ্যমে।
কারণ যোগ আসন সম্পুর্ন করতে মানসিক ও শারিরীক স্থিতির এক সাথে মেল বন্ধন্ হওয়া প্রয়োজন। যার থেকে শরীর ও মনরে উপর সেলফ ডিসিপ্লিন সৃষ্ঠ।
12. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:
যোগ আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি জন্য গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ যোগ আসন বা Yoga আমাদের ব্রেনের মধ্যে অক্ষজেন ও nutrient যুক্ত ব্লাড পরিমাণ বাড়ায়।
ফলে পুরোন নিউরন গুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও নতুন নিউরন তৈরি হয় যা নতুন জিনিস শেখার ক্ষমতাকে ও বিচার শক্তিকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তলে।
13. ইম্যুনিটি বৃদ্ধি :
সুস্থ শরীরের ও সঠিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ইম্যুনিটির খুবই প্রয়োজন, এই ন্যাচারাল ইম্যুনিটি তৈরি জন্য বডি কে সঠিক অবস্থায উপনীত করার পদ্ধতি হল Yoga ।
কারন যোগ শরীরের গঠন তন্ত্র থেকে শুরু করে এনার্জি সিষ্টেম ও প্রয়োজনীয় হরমোন গুলির মধ্যে সঠিক ব্যালান্স তৈরি করে যা immunity বাড়াতে সাহায্য করে।
যোগ অভ্যাসের আমাদের শরীরের মধ্যে ব্লাড systolic ও diastolic ব্লাড প্রেসারে মাত্রা ব্যালান্স করে ও ব্লাড প্রেসার থেকে হওয়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতির পরিমাণ কে কমায়।
সারা দিন ১০০ ভাগ প্রোডাক্টিভ ভাবে কাজ করতে হলে সম্পুর্ন নিদ্রার খুবই প্রয়োজন, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষের জীবনে ঘুমের ঘাটতি থেকেই কোন না কোন ভাবে থেকেই যায়।
Yoga নিদ্রা ঘাটতি স্থিতি কে ব্যালান্স করে ও স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব ও নেগেটিভ দুশ্চিন্তা কমায় যাতে গভীর ভাবে নিদ্রা সম্পুর্ন হয়।
যারা অত্যাধিক ঘুমের সমস্যাতে ভূগছেন তার যোগ নিদ্রা ও meditation অভ্যাস করতে পারেন এতে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
সঠিক ভাবে digestion বা পরিপাক শরীরের সম্পুর্ন পুষ্টি গুণের আবশ্যক। যার জন্য Yoga আমাদের সঠিক হরমোন ও সুস্থ সবল digestion সিষ্টেম মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।
18. Toxins কমায় :
যোগ আসন আমাদের Lymphatic সিষ্টেম কে বুস্ট করে যার জন্য আমাদের শরীরে জমে থাকা বজ্র পদার্থ এবং Extra fluid কে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যাতে শরীরে প্রতিটি কোষ সুস্থ ও রোগের হাত থেকে সুরখিত থাকে।
19. Thyroid ব্যালান্স:
যোগ আসন আমাদের thyroid গ্রন্থির প্রভাব আনে যাতে শরীরের মধ্যে thyroxine হরমোনের মাত্রা ব্যালান্স হয়।
Yoga রক্তের মধ্যে থাকা লোহিত কণিকার উত্পাদন মাত্র সঠিক ভাবে বজায় রাখে যাতে অনিমিয়া জাতীয় রোগ না হয় ও শরীর সম্পুর্ন সুস্থ ও স্বভাবিক থাকে।
এছাড়াও আছে অজস্র নানা ধরনের উপকার যা বলে শেষ করা যাবে না। আসা করি আপনাদের এই article ভাল লেগেছে।
আমাদের নতুন ব্লগের আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া বেল icon ক্লিক করুন।
আপনার যদি কোনও মতা মত থাকে তবে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না। এছাড়া আপনি যদি অনলাইন Meditation শিখতে চান তবে এখুনি CALL করুন +91 9433-657-349 নাম্বারে।
Yoga বা যোগ আসন প্রতিটিই বাছাদের শারিরীক ও মনসিক পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে এক অসাধারণ প্রক্রিয়া।
যা প্রতিটি বাচ্ছাদের শারিরীক নমনীয়তা থেকে শুরু করে সমস্ত পেশীর সুষম বিকাশ ও মনসিক স্থিতিশীলতা প্রদান করে।
এছাড়াও সঠিক ধরনের Yoga বাচ্ছাদের পড়াশুনার competition থেকে হওয়া স্ট্রেস, ডিপ্রেশান কাটিয়ে উঠে সাহায্য করে।
এবং ব্রেন কে ফোকাস করতে ও নিজের মধ্যে পজিটিভ attitude তৈরি করতে সাহায্য করে।
ছোট বয়স থেকেই বাচ্ছাদের যোগ অভ্যাসের সাথে যুক্ত করা অর্থ হল বাচ্চাদের সুস্থ ভবিষ্যতের ভিত সৃষ্ঠী এবং Yoga benefits আছে প্রচুর।
11 Yoga Asana For Kids
ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :
ত্রিকোণআসন প্রণালী:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।
নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।
ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসনটি প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা:
এই আসন প্রতিটি বাছাদের মেরুদণ্ড শক্ত করে, হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।
কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন। এছাড়াও বাচ্চাদের মেন্টাল ফোকাস কে বাড়াতে ও শরীরের স্ট্রেস লেভেল কে কমাতে সাহায্য করে।
2. সেতুবন্ধন আসন (Setubandhasana):
সেতুবন্ধনআসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।
এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
সেতুবন্ধন আসন বাচ্চাদের বডিকে Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে flexibal সাহায্য করে।
এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও চুলের পরা কমে।
3. মত্স আসন (Matsyasana):
মত্স আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল জায়গা বেছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।এবার ধীরে ধীরে কোনুই থেকে হাত কে বেন্ড করে কোমর কে মাটি তে ঠেকিয়ে চেষ্ট কে stretch করে উপরে তুলুন।
ও ধীরে ধীরে মাথা কে পিছনের দিকে বেন্ড করে মাটিতে ঠেকান যাতে আর্চ আকার হয় পিঠের কাছে।এই অবস্থায় বডি কে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যতটা সম্ভব।
উপকারিতা:
এই আসন বাচ্চাদের মস্তিষ্কে ব্লাড ও nutrient প্রভাহ সঠিক করতে সাহায্য করে, চেষ্ট মাসেল কে সঠিক ভাবে স্ট্রে্চ করে।
এই আসন মাইন্ড কে ফোকাস করতে ও শরীরের বাচ্ছাদের শরীরে মধ্যে সারা দিন সঠিক মাত্রায় এনার্জি লেভেল কে বজায় রাখতে সাহায্য করে।
উষ্ট্রাসন (Ustrasana) :
উষ্ট্রাসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU
সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।
তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন বাচ্চাদের কম ফাইবার খাওয়া থেকে হওয়া খুবই কমোন কোষ্ঠ কাঠিন্য সমস্যা কে দূর করতে সাহায্য করে।
এছাড়া ফাস্ট ফুড খাওয়া থেকে হওয়া গ্যাস, অম্ল বা বদ হজম সমস্যা দূর করে ও পেটের ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।
এবং শরীরের অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে এই আসন।
5. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Ardha pincha mayurasana):
অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসনপদ্ধতি:
প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।
এবার দুটি হাত কাছে এনে হাতের 10টি আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।
এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।
যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের concentration ও মেমারি বাড়াতে এবং ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন করতে সাহায্য করে এবং কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।
এছার এই আসন বাচ্চাদের হাতের ও কাধের পেশীর কে সুগঠিত করে যাতে বাচ্ছাদের রাউন্ড শোল্ডার (Round Sholder) সমস্যা না হয়।
6. উথানপদ আসন (Uttanpadasana):
উথানপদ আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, ও হাত গুলি দুই পাশে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন এমন ভাবে যেন শরীরের মধ্যে কোন গ্যাপ না থাকে।
এবার দুটি পায়ের পাতা কে সাথে ঠেকিয়ে গভীর নিশ্বাস নিয়ে এক সাথে বিন হাটু ভাজ করে হাতের উপর জোর দিয়ে 45 ডিগ্রি অঙ্গেলে তুলুন।
এই অবস্থায শরীর কে লক করুন হোল্ড করুন্ যতটা সম্ভব।
উপকারিতা:
এই আসন বাচ্চাদের পেটের সমস্যা যেমন গ্যাস, অম্ল, বধহজম কে কমায় ও digestion সিষ্টেম কে ক্ষমতাশালি করে তলে।
এছাড়া পায়ের ও কোমরে সমস্থ পেশী কে মজবুত করতে ও বিভিন্ন হরমোন কে ব্যালান্স করতে এই আসন্ খুবই উপকারী।
7. নবাসন (Navasana) :
নবাসনআসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU
প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।
এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।
যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা:
এই আসন ছোটদের Core Strenth বাড়াতে ও পায়ের পিছনের দিকের সব পেশী গুলি কে শক্ত করতে সহজ্য করে।
এছাড়া পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায় ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
8. ধনুর আসন (Dhanurasana):
ধনুরআসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।
তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।
এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।
এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।
উপকারিতা:
এই আসন ছোট দের মেরুদণ্ড কে মজবুত করতে ও আপার বডি স্ট্রে্চ করতে সাহায্য করে।
এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের স্ট্রেস হরমোনের উপর সমতা আনতে সাহায্য করে।
9. চক্রাসন (Chakrasana):
চক্রাসনআসন পদ্ধতি:
প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।
এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।
এবং হাতের তালুর সাহায্যে কোমর থেকে স্ট্রে্চ করে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।
যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন।
উপকারিতা:
এই আসন ছোট দের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ করতে এবং বডির এনার্জি লেভেল বজায় রাখতে সাহায্য করে।
এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং lungs এর ও হজমের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই আসন।
10. পবন মুক্ত আসন(Pavanamuktasana) :
পবন মুক্ত আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, হাত ও পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে।
এর পর দুটি পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বুকের কাছে আনুন ও দুটি হাত এবর উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে আঙুল গুলি interlock করুন।
এর পর গভীর নিশ্বাস নিন ও নিজের ঘাড় কে স্ট্রে্চ করে হাটুর কাছে নিয়ে যান ও হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদরে শরীরের স্ট্রেস হরমোন ও পেটের সমস্থ সমস্যা দূর করে এবং বডি স্ট্রে্চ করতে সাহায্য করে।
কারন শরীরের হরমোন ইমব্যালেন্স থাকে তবে শরীরে সঠিক ভাবে কোন গঠন মূলক কাজ করতে পারে না তাই এই আসনটি খুবই গুরুত্ত পূর্ণ।
11. বৃক্ষাসন (Vriksasana) :
বৃক্ষাসন আসন পদ্ধতি:
প্রথমে সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়াতে হবে, এর পর নিজের দুটি হাত কে নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনুন ।
তার পর বডির ব্যালান্স রেখে নিজের ডান পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বা পায়ের হাটুর উপর আনুন।
ও ধীরে ধীরে মেরুদণ্ড সোজা রেখে নিজের হাতকে নমস্কার ভঙ্গিতে সমান ভবে মাথার উপর নিয়ে যান ও হোল্ড করুন।
এবং আবার নরমাল অবস্থা ফিরে আসুন ও পা বদল করে একি ভবে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মত।
উপকারিতা:
এই আসন পায়ের পেশী ও ligament সমস্যা দূর করে, বডির মধ্যে ব্যালান্স আনে ও মন কে একই দিকে ফোকাস করতে সাহায্য করে এই আসন। এর পর বাচ্চাদের সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে সূর্য নমস্কা র্আসন।
আসা করছি আপনাদের পোস্ট টি ভাল লেগেছে। যদি আপনার কোনও বিশেষ মতামত থাকে তবে আমদের কমেন্ট বক্সের মধ্যে জানতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ
Mediation বা ধ্যানবাংলায় প্রকৃত অর্থ হল সাধনা। তবে আমাদের জানলে খুবই অবাক লাগবে শুধু চোখ বন্ধ করে বসলেই ধ্যান করা সম্ভব না।
কারন ধ্যান বা Meditation অনেকটা গাছের পরিপূর্ণ ফলের মত, একটি গাছ পরিপূর্ণ ফলের জন্য যেমন রোদ, জল, ও পুষ্ঠীর প্রয়োজন।
তেমনি মেডিটেশনবা ধ্যান এর জন্য আপনার মন, শরীর ও নিজের আবেগ বা অনুভুতির একটি সঠিক অবস্থার প্রয়োজন।
যখন সব উপাদান গুলি সঠিক মাত্রায় উপস্থিত থাকে, তখন ধ্যান বা Meditation নিজে থেকেই আপনার মধ্যে দিয়ে সম্পূর্নূ হবে।
কারন ধ্যান বা meditation অনেকটা আমাদের হৃদ স্পন্দনের মত যা সঠিক অবস্থায নিজে থেকেই সম্পন্ন হয়।
সম্পুর্ন সঠিক ভাবে ধ্যান বা Meditation করার জন্য আমাদের শারিরীক, মানসিক ও আবেগ বা অনুভুতির মধ্যের সমতা আনা প্রয়োজন।
সম্পুর্ন সঠিক ভাবে ধ্যান বা Meditation করার জন্য আমাদের শারিরীক, মানসিক ও শারিরীক আবেগ বা অনুভুতির মধ্যের সমতা আনা প্রয়োজন।
এই সমতা সৃষ্ঠী একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া, যা বেশির ভাগ মানুষ উপেখা করে চলেন।
তবে আজকের দিনের আসল চাহিদা হল একদিনেই মেডিটেশন শিখে ফেলা যা অনেকটা মাটিতে একটা বীজ পুতেই ফলের আসা করা সমান।
Meditation করা মনে চোখ বন্ধ করে কোন চিন্তা করা, কাল্পনিক কোন গল্প সৃষ্ঠী বা গায়ের জোরে মন কে চিন্তা শূন্য করা নয়।
যার ফলে বেশির ভাগ মানুষ নিজের সাথে কিছু দিন লড়াই করে ধ্যান বা meditation শিখে প্র্যাক্টিস বন্ধ করে দেন।
অনেক নামি দামী কোর্স এবং নামি দামী meditation টীচারাও এই বেপারে সম্পুর্ন তথ্য গোপন করেন যা একদমই উচিত না।
শরীর, মন ও আবেগ বা অনুভবের সমতা সৃস্থির পদ্ধতি:
শরীর সমতায় আনার পদ্ধতি:
আমাদরে শরীর একটি অসাধারণ নির্ভুল যন্ত্র, যার থেকে অসম্ভব কাজ ও সম্ভব।কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এই শরীর কে অলসতার জন্য ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে শরীরের বেশির ভাগ কার্য ক্ষমতা হ্রাস পায়।
তাই এই শারিরীক সমস্যা কে কাটিয়ে উঠতে ও নিজের শরীর কে ধ্যানের জন্য প্রয়োজনীয়ও সঠিক সমতায় আনতে হলে প্রতিদিন আমাদের Yoga বা যোগ অভ্যাস করা প্রয়োজন।
সঠিক যোগ অভ্যাস আমাদরে শারিরীক সমস্থ প্রতিবন্ধকতা সহজে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।
এবং Yoga আমাদের সমস্থ spiritual বা আধাত্তিক কাজের জন্য একটি স্থিতিশীল ভীত প্রদান করে যার উপর ভিত্তি করে জীবনে সমস্থ কর্ম কে এগিযে নিয়ে যাওয়া যায়।
মনের উপর সমতা সৃষ্ঠীর পদ্ধতি:
মানুষের মন সাধারনত খুবই চঞ্চল প্রকৃতির ও সর্বদা অস্থির আমরা সবাই জানি।কিন্তু নিজের মনের উপর ভারসাম্য রাখা জীবনের প্রতিটিই ক্ষেত্রে খুবই জরুরী।
কারন ভারসাম্য হীন মন নিজেই নিজের ক্ষতির কারন ও নিজের বিকাশের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়।
তাই মনের উপর সম্পুর্ন স্থিরতা সৃষ্ঠীর জন্য প্রতিদিন আমাদের শান্তি, আনন্দ, স্থিরতা ও সকলের প্রতি ভালোবাসা বজায় করি কোন না কোন কাজ করা বা অন্তর থেকে শুভ পার্থনা করা উচিত।
যার উপর মন কেন্দ্রীভূত হয়ে নিজের মধ্যে স্থিরতা ও সঠিক ভারসাম্য সৃষ্ঠী হয় যার দ্বারা যে কোন কাজ সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।
আবেগ বা অনুভূতির উপর সমতা সৃষ্ঠীর পদ্ধতি:
আবেগ ও অনুভূতির উপরই মানুষের জীবনের শান্তি, ভালোবাসা, আনন্দ, সুখ দুঃখ ও সব কিছুই নির্ভর করে।
শরীর ও মনের বিনা স্থিরতায সবই ক্ষনস্থায়ী ও মূল্য হীন, তাই স্থিরতা ও সমতা প্রয়োজন অনস্বীকার্য।
তাই আবেগ বা অনুভূতির উপর সমতার সৃষ্ঠীর জন্য আমাদের প্রতিদিন আত্ম অনুসন্ধানের পথ ও সত্য কে জানার প্রচেষ্ঠার করা জরুরী।
যার থেকে আমাদের সত্য ও মিথ্যার মধ্যে বিভেদ সৃষ্ঠী সম্ভব এবং চেতনার বিকাশ সম্ভব।এই বিভেদ আমাদের আবেগ ও অনুভূতির উপর সর্ব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমতা সৃষ্ঠী করে।
এছারও আছে আর ছোট বড় নানা জিনিস যা ধ্যান বা Meditation এর ক্ষেত্রে প্রবল লাভ দায়ক।
আপনার যদি বাংলায় মেডিটেশন শিখতে চান তবে যোগা যোগ করুন আমাদের +91-9433-657-349 নাম্বারে অথবা নিচের দেওয়া লিঙ্ক ক্লিক করুন
বিশদ জানতে Call করুন +91-9433-657-349 বা Email করুন Contact@wisdomcue.com
-আসা করছি আপনাদের ব্লগটি ভাল লেগেছে, আপনাদের কেমন লাগলো আমাদেরে কমেন্ট মধ্যে জানতে ভুলবেন না । আপনাদের যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে +91 9433 657 343 করতে পারেন বা আমাদের মেল করতে পারেন Contact@wisdomcue.com মধ্যে। ধন্যবাদ
আজকের দিনে প্রতি ১০ জন মানুষরে মধ্যে ৬ জন মানুষ রাউন্ড শোল্ডারের সমস্যায় ভুগছেন।না জানতে হইত আপনি বা আপনার বাড়ির ছোট বা বড় যে কোন সদস্যরা এই সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু হইত বুঝতেও পাছেন না।
তবে দীর্ঘ দিনের এই সমস্যার ফলাফল খুবই মারাত্মক, এই round shoulder প্রোব্লেম থেকে আপনার হতে পারে –
ঘাড়ের পিঠের ও কোমরের টান লাগা ও যন্ত্রনা, রোজই প্রায় মাথার যন্ত্রনা, Arthritis, Disc Herniation বা ঘাড়ের ডিস্ক এর সমস্যা , স্পাইনাল কর্ডের সমস্যা, back Pain, osteoarthritis ও সব সময় এনার্জি কম ভাব ইত্যাদি।
রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেমের সৃষ্টির কারণ কী?
বেশি smart phone বা tablet ব্যবহার করা
বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করা
সারা দিন একই ভাবে গাড়ি চালানো
chair এর মধ্যে half বসা ও half শুয়ে থাকা অবস্থা বসা
অতিরিক্ত ওজন বহন করা
হাটা সময় কাধ কে সামনের দিকে ঝুকিয়ে রাখা
মাথা নিচু করে হাটা
অনেক ক্ষণ ঘাড় কে নিচু করে বা হেলিয়ে mobile এর মধ্যে কথা বলা
বুক ফুলিয়ে শরীর কে সামনে হেলিয়ে হাটা ও আরও অনেক কিছু।
নরমাল আপনি এখন যে ভেবে বসে আছে এই ভাবে বডি কে একই জায়গায় ফিক্স করে রাখুন।দেখুন আপনার দুটি কান কাধের সাথে এক সরল রেখা বরাবর আছে নাকি এগয়ে আছে কিছুটা।
যদি এক সরল রেখায় যদি কান না থাকে তবে বুঝে নিতে হবে আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম রয়েছে।
দ্বিতীয় উপায়:
একটি দেওয়ালের সামনে পিঠ ঠেকিয়ে দাড়ান, এর পর নরমাল ভাবে থাকেন সেই posture এ দাড়ান।দেখুন আপনার মাথা পিঠ ও কোমর কী এক সরল রেখায় আসছে কিনা যদি না থাকে তবে জানবেন আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম আছে।
উপরে দেওয়া দুটি উপায় থেকে যদি বুঝতে পারেন এই problem আছে তবে এই 6টি যোগ অভ্যাস রোজ বাড়িতে করুন ভাল হতে।
8 Yoga To Fix Rounded Shoulders:
1. ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):
ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:
সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।
পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদরে cuff rotator muscles এর position ঠিক করে যাতে কধের বক্র ভাব কম হয়।
এছাড়া এই আসন আমাদরে lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট কে ব্যালান্স করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
গোমুখ আসন (Gomukhasana):
গোমুখ আসন পদ্ধতি:
https://youtu.be/-qbPrlf1oxE
প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।
লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।
তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।
উপকারিত:
এই আসন আমাদরে lower pec muscle কে শক্ত করতে যার ফলে কধের ও মাথার পজিশন সঠিক হয় শরীরের সাথে।
এছাড়াও এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর সাহায্য করে।
3. চক্রাসন (Chakrasana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।
এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।
এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদরে বুকের ও পিঠের ঘটন গত ভাবে প্রয়োজনীয় পেশী গুলিকে শক্ত করে।
এছাড়া এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
4.. হ্যালাসন (Halasana) :
হ্যালাসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw
সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।
এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যতটা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান।
লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।
উপকারিতা:
এই আসন পিঠের ও ঘরের নিচে সমস্থ পেশী গুলি কে শক্ত ও নমনীয় করতে সাহায্য করে যাতে কধের ও মাথার alinement সঠিক ভাবে হয়।
এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
5. মার্জারি আসন (Marjaryasana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে হাত ও পায়ের উপর ভর দিয়ে হামগরি দেওয়ার পজিশানে আসুনমেরুদণ্ড সোজা রেখে। এর পর মাথা কে উপরের দিকে তুলে পিঠকে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন যতটা সম্ভব।
আবার নরমাল পজিশানে ফিরে মাথাকে নিচের দিকে নামিয়ে পিঠকে উপরের দিকে তুলে স্ট্রেচ করুন ও কিছু খন হোল্ড করুন।
উপকারিতা :
এই আসন আমাদের বুকের ও পিঠের upper muscles কে পুরোপুরি ভাবে স্ট্রেচ করতে এবং দুর্বল ও গঠন গত ভাবে জরুরী পেশী গুলি কে শক্ত করতে সাহায্য করে।
ও স্পাইনাল কর্ডের গঠন গত ত্রুটি, পিঠের ও ঘরের ব্যথার সমস্যা কে খুব সহজে দূর করে।
6. ধনুর আসন (Dhanurasana):
ধনুর আসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।
তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।
এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।
এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের upper ও lower pec muscle কে stretch করে ও কাধের গঠন গত আকার সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।
এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা সৃষ্ঠী হয়।
7. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।
এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে সাহায্য করে।
এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে।
8. রাজকপত আশন (Rajakapotasana) :
রাজকপত আশন পদ্ধতি
https://www.youtube.com/watch?v=U2oimBogB4k
প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান।
এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।
এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।
উপকারিতা:
এই আসন আপনার পিঠের কমজোর পেশী যেমন Upper Traps কে শক্ত করতে সাহায্য করে যাতে বুকের শক্ত হয়ে থাকা পেশী গুলি নরম হয় ও রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।
এছাড়া এই আসন পায়ের পেশীকে শক্ত করে, যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শারিরীক দুর্বলতা দূর করে।
আসা করছি আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি যাতে আপনাদের উপকার হয়। আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদরে Email করতে পারেন contact@wisdomcue.com এর মধ্যে। ধন্যবাদ
আমাদের সমস্থ ব্লগ আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া bell icon ক্লিক করুন ধন্যবাদ ।
Hyperthyroidism রোগের ক্ষেত্রে thyroid গ্ল্যান্ড প্রয়োজনাতিরিক্ত পরিমানে thyroxine হরমোন ক্রোম গত উৎপাদন করে।
যার ফলে আমাদরে শরীরের metabolism রেটকে সাধারণের তুলনায় অনেক বেড়ে ওঠে।এর ফলে অত্যাধিক পরিমানে শরীরের ওজন কমতে থাকে ও হার্ট রেটের মধ্যে অনিয়মি দেখা যায়।
এবং শরীরের সর্দি কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে ওজন বৃদ্ধি, ডিপ্রেশন ও নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্ঠী হয়।
Goiter বা গলগণ্ড রোগের ক্ষেত্রে thyroid গ্রন্থিটি ফুলে ওঠে ও যা গলার কাছে জমে থাকা মাংস পিন্ডোর মত লাগে।
যার ফলে আপনার শ্বাস নিতে কষ্ট ও খাবার খেতে কষ্ট হয় বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে Thyroid Cancer পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়াও এই 3টি ক্ষেত্রে নের্ভের প্রোব্লেম, সহজে মেজাজ পরিবর্তন, ক্রমাগত দুশ্চিন্তা, রুক্ষ ত্বক, চুল ওঠা ও ঘুমের সমস্যার মত নানা সমস্যা দেখা যায়।
সাধারনত এই 3টি রোগের ক্ষেত্রেই treatment হল ওষুধ ব্যবহার ও radioactive iodine ব্যবহার এবং কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে operation।
তবে ওষুধ এই রোগের কোন স্থাই সমাধান নয়, কারন ওষুধ হল Synthetic Hormone যা কিছু ক্ষনের জন্য এই রোগ কে suppress করে।
এবং দীর্ঘ দিন ধরে ওষুধের ব্যবহার করলে শরীরের মধ্যে নানা রোগ সৃষ্ঠী হয় যেমন নার্ভের প্রবলেম, ঘুম না হওয়া, মাথা ব্যথ্যা ও দুর্বল ভাব ইত্যাদি।
তাই আজ আপনাদের বলব 7 টি বিশেষ Yoga যা Thyroid গ্রন্থিকে ও Thyroxine হরমোন কে ব্যালান্স করতে সাহায্য করবে।
1. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):
সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।
এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alignment ঠিক করতে সাহায্য করে।এই আসন আমাদের Thyroid গ্ল্যান্ড এর হরমোন উত্পাদন মাত্রাকে ব্যালান্স করে।
এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে।
2. ভুজঙ্গ আসন(Bhujangasana):
ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:
সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।
পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।
উপকারিতা:
ভুজঙ্গ আসন শরীরের thyroid এর ফলে সৃষ্ঠী কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই উপকারী।
এই আসন thyroid গ্রন্থির ফুলে থাকা ভাব কমাতে ও সঠিক মাত্রায় thyroxine হরমোন উত্পাদনে সাহায্য করে।
এছাড়া এই আসন আমাদরে lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট ব্যালান্স করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
3. চক্রাসন (Chakrasana):
চক্রাসন আসন পদ্ধতি:
প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।
এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন thyroxine হরমোন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও নের্ভের সমস্থ সমস্যা কে দূরে রাখে।
এছাড়া এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
4. হ্যালাসন (Halasana) :
হ্যালাসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw
সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।
দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।
এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যতটা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।
উপকারিতা:
এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ওস্ট্রেস হরমোনকনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
5. ধনুর আসন (Dhanurasana):
ধনুর আসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।
এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।
এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন, thyroxine ও নানা হরমোনের সমতা সৃষ্ঠী হয়।
এছাড়া এই আসন আমাদরে thyroid থেকে হওয়া ডিপ্রেসান ও অনিদ্রার সমস্যা কে দূর করে।
6. বিপরীত করণি(Viparitakarani):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।
এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে।এবং এছার শরীরে স্ট্রেস হরমোন ও thyroxine এর হরমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
7. মার্জারি আসন(Marjariasana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে হাত ও পায়ের উপর ভর দিয়ে হামগরি দেওয়ার পজিশানে আসুন মেরুদণ্ড সোজা রেখে।
এর পর মাথা কে উপরের দিকে তুলে পিঠকে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন যতটা সম্ভব।আবার নরমাল পজিশানে ফিরে মাথাকে নিচের দিকে নামিয়ে পিঠকে উপরের দিকে তুলে স্ট্রেচ করুন ও কিছু খন হোল্ড করুন।
উপকারিতা :
এই আসন thyroid গ্রন্থির কাছে ব্লাড সারকুলেসান কে বাড়িয়ে তলে ও শরীরের স্ট্রেস হরমোন কে কম করতে সাহায্য করে এই আসন।
আপনার যদি কোন জটিল রোগ বা সমস্যা থাকে তবে অব্যশই নিজের Doctor এর মতা মত নিন ও সেই অনুজাই Yoga করুন।
সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন
আসা করছি আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি , Blog টি পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্স এর মধ্যে। আপনার যদি মেডিটেশন শিখতে চান তবে যোগ যোগ করুন (+91 9433 657 349) নাম্বারে ধন্যবাদ, আপনার দিনটি শুভ হোক ।
আপনার হয়তো জানেন বর্তমানে Back pain আর lower Back pain খুবই কমন সমস্যা হয়ে দরিয়েছে ১০০ মধ্যে ৬০ ভাগ মানুষের মধ্যে।
বিশেষত এই প্রোব্লে দেখা যায় চাকরি জীবী মানুষ, স্কুল স্টুডেন্ট ও ওয়েট লিফিটিং করা প্লেয়ার দের মধ্যে বেশি।
তবে এক গবেষনায় মাধ্যমে জানা গেছে এর মুখ্য কারন গুলির মধ্যে হল ভুল পজিশনে বসে ডিস্ক আলাইনমেনন্ট নষ্ট করা।
ও ভুল ভাবে অতিরিক্ত ওজন বহন করা বা কোন গুরুতর আঘাত এবং শরীরের ক্যাল্সিয়াম অভাব।
তবে এই সমস্যার চিকিতসা গুলির মধ্যে আছে রেগুলার মেডিসিন বা খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশানে অপারেশন।
কিন্তু এ ছাড়াও আমার Yoga ও বিশেষ কিছু ব্যায়াম মধ্যমে ও নিজের Body Alignmentঠিক করে আমার গোরা থেকে এই সমস্যা কে নির্মূল করতে পারি।
তাই আজ শিখে নেবো ১৮ টি যোগ আসন্ যা আপনার back pain এর সমস্যা থেকে চির মুক্তি দেবে।
1. নবাসন (Navasana):
আসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU
প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।
এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।
এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।
যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের Core strength কে বৃদ্ধি করে যাতে কোমরে alignment সঠিক থাকে ও মেরুদণ্ডের শক্ত ও নমনীয় হয়।
এছাড়া এই নবাসন কোমরের পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি নিষ্কাশন করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
2. বীরভদ্রা আসন Virabhadrasana :
বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4
প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।
এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।
এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের পিঠের সমস্থ পেশী গুলি কে সুগঠিত করে ও বিশেষ করে lower Back নির্দিষ্ট alignment বজায় রাখে।
যার ফলে কোমর ও পিঠের নিচের দিয়ে হওয়া সমস্থ ব্যথা গোরা থেকে নির্মূল হয়ে যায়।
এবং এছাড়াও এই আসন আমাদরে শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও শরীরে বিভিন্ন পেশীর মধ্যে অক্সিজেন প্রবাহ মাত্র ঠিক করে।
3. ফলকাসন (Phalakasana):
ফলকাসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।
এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।
শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।
উপকারিতা:
এই আসন পিঠের ব্যথা থেকে শুরু করে কাধের alinement ঠিক করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
এবং L1 থেকে L5 সমস্থ vertebrae গুলির সঠিক ভাবে বিন্যাস বজায় রাখে যাতে পিঠের যন্ত্রনার কষ্ট কিছুটা কমে।
এছাড়াও এই আস দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
4. ভুজঙ্গ আসন(Bhujaga asana):
ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:
সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।
পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।
উপকারিতা:
ভুজঙ্গ আসন শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই করে এই আসন।
এছাড়া এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।
এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে পা কে ধীরে ধীরে শরীরের উপরে দিকে তুলুন যতক্ষণ না পা মাথার পিছনের দিকে পৌছছে, এই হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alinement ঠিক করতে সাহায্য করে।
এছাড়া এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করে।
এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
6. হ্যালাসন (Halasana) :
হ্যালাসন পদ্ধতি:
https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw
সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।
দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।
এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান ।
লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।
উপকারিতা:
এই হ্যালাসন আমাদরে L1 থেকে L5 পর্যন্ত সমস্থ ডিস্ক গুলি ঠিক ঠাক align করতে ও পিঠের পেশী গুলি শক্ত করে।
এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
7. ধনুর আসন (Dhanurasana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।
এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।
এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।
এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।
8. উস্ত্রসনা পদ্ধতি (Ustrasana):
https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU
সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।
তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।
এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
9. শিশু আসন (Shishuasana):
শিশু আসন পদ্ধতি :
সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।
দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক।
এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।
উপকারিতা:
এই শিশু আসন কোমরের, পিঠের ও ঘাড়ের স্ট্রেচ করতে ও মেরুদণ্ড নমনীয় করতে সাহায্য করে।
এবং এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের কমজোর ভাব কাটায় এবং নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।
10. বৃশ্চিকাশন (Vrischik asana):
বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি:
সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।
এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।
বৃশ্চিকাশন উপকারিতা:
এই আসন ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক করতে সাহায্য করে ও আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।
যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
11. পশ্চিমত্তান আসন (PASHCHIMOTTAN ASANA)
পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :
প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।
এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।
এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।
লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।
একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন সারা পিঠের ও কোমরের পেশী গুলির স্ট্রেচ করে ও নমনীয় করে যাতে পিঠের ব্যথার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।
12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):
অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :
প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।
এবার দুটি হাত কাছে এনে হাতের 10টি আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।
এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।
যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের কোমরের পেশী গুলি কে শক্ত করতে ও সারা পিঠের সমস্থ অংশ কে স্ট্রেচ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।
13. চক্রাসন (Chakrasana):
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।
এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
এছাড়াও বডির ইনসুলিন সোম সমস্যা ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।
14॰ ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :
আসন প্রণালী:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।
নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।
এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।
ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা:
এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন।
15. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana):
আসন প্রণালী:
প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসনের মতো করে বসুন। তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনের দিকে টানুন।
তারপর যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুককে মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।
মেঝেতে পুরোপুরি সমান হয়ে এই আসনে কিছুক্ষন বসে থাকুন এবং পুরো শরীরটিকে রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন।
তারপর নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন ও আস্তে আস্তে শ্বাস নিন।
এবং এই অবস্থানটিকে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন।
উপকারিতা:
এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।
আপনার যদি কোন বিশেষ শরীরিক সমস্যা থাকে তবে অব্যসই আপনার Doctor এর সম্মতি নিয়েই যোগ আসন গুলির প্র্যাক্টিস করুন ।
আসা করছি আপনাদেরে সঠিক ইনফর্মেশন দিতে পেরেছি। পোস্টটি সম্পুর্ন পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্সে । আমাদের সমস্থ নতুন আর্টিকেলের সবার প্রথমে আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell icon ক্লিক করুনধন্যবাদ
বুদ্ধ শব্দের অর্থ হল যিনি মন ও বুদ্ধির উর্ধে উঠে পরম সত্য কে প্রাপ্ত করেছেন।যে সব মানুষরা এই আধ্যাতিক পথের পথিক তারা গৌতম বৌধনাম শোনেন নি এটি হওয়া প্রায় অসম্ভব।
তারই সৃষ্ঠী প্রক্রিয়ার মাধমে, তিনি তৈরি করে ছিলেন প্রতিটি মানুষের আধ্যাতিক জাগরনের এক সুবিশাল পথ।তাই আজ আপনাদের বলব আধ্যাতিক ও সুন্দর জীবনের জন্য তারই বিশেষ কিছু বানী যা আপনার জীবন কে বদলে দেবে।
79 spiritual Quotes of Gautama Buddha
“মানুষের অহংকার কোন দিন সত্য কে গ্রহণ করতে দেয় না, তাই অহংকার করা কখনো উচিত না।”
গৌতম বুদ্ধ
Buddha quotes 2
“ভাল কর্মের জন্য বিশেষ কিছু সময় আমাদের সান্ত ও হাসি মুখে পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়া শেখা প্রয়োজন।”
Buddha quotes 3
“অন্যের আচরনে যেন কোন দিন ভিতরের শান্তিকে নষ্ট না করে।”
Buddha quotes 4
“জীবনে যদি আমরা ভাল জিনিস ভাবি তবে আমাদরে সাথে ভালোই হবে, তেমনি খারাপ ভাবলে খারাপই হবে।”
Buddha quotes 5
“জীবনে নিয়ম হল সর্বদা ভুল মানুষ গুলোই আপনাকে সঠিক শিক্ষা দেবে, যা আপনাকে গ্রহণ করতে হবে।”
Buddha quotes 6
“নিজের মনকে যেকোন পরিস্থিতিতে শান্ত রাখতে শেখা।”
Buddha quotes 7
“মানুষের অহংকার কোন দিন সত্য কে গ্রহণ করতে দেয় না, তাই অহংকার করা কখনো উচিত না।”
Buddha quotes8
“সকল পরিস্থিতিতে আমরা ক্ষমতাবান না হযেও সাহসী হয়ে নিজের কর্ম সম্পুর্ন করতে পরি।”
Buddha quotes9
“জীবনে সব কিছুর নির্দিষ্ট সময় আছে, তাই ধৈর্য ধর ও কৃতজ্ঞ হও জীবনের প্রতি।”
Buddha quotes10
“মানুষের কোন পরিস্থিতিই ভাগ্যরে জোরে পরিবর্তন হয় না, একমাত্র পরিবর্তন সম্ভব আমাদের কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে।”
Buddha quotes11
“জীবনে যে তোমাকে বিশ্বাস করে তাকে মিথ্যা বলো না, যে মিথ্যা বলে তাকে বিশ্বাস করো না।”
Buddha quotes12
“আমাদের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রতিটি মানুষ কে সমান ভাবে সাহায্য করা বিনা তার কাছে পরিবর্তে কিছু আশা করায়।”
Buddha quotes13
“তুমি যদি অন্যের জীবনে আসার প্রদীপ জালাও তবে সেই আলোই তোমার চলার পথ কে দ্বিপ্ত করবে।”
Buddha quotes 14
“কাইকে সত্য বলে কষ্ট দাও কিন্তু মিথ্যা সান্তনা দিয়ো না।”
Buddha quotes15
“যেখানে সমস্থ প্রতাশা শেষ সেখানেই জীবনে শান্তির শুরু।”
Buddha quotes16
“যখন জীবনে কিছু শেষ হয় তক্ষুনি নতুন কিছু উদ্ভাবন হয়।”
Buddha quotes 17
“হাজারটি সুন্দর মুখের চেয়ে একটি দয়ালু মন বেশি সুন্দর।”
Buddha quotes18
“যদি কারোর কাছে সম্পুর্ন পরিবার থাকে, ভজনের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও বাসস্থান থাকে তবে সেই মানুষ কখনই গরীব হতে পারে না।”
Buddha quotes19
“নিজেকে কখনো অন্যের সাথে তুলনা করতে নেই, কারন সূর্য ও চন্দ্র তার নিজস্ব সঠিক সময় জগত কে আলো প্রদান করে।”
Buddha quotes20
“পৃথিবীতে কোন বিষ নেই যা কোন পসিটিভ মানুষ্ কে ক্ষতি করে, ও এমন কোন অমৃত নেই যা কোন নেগেটিভ মানুষ কে সুস্থ করে।”
Buddha quotes21
“জীবন কোন ভাল মানুষকে ঠোকানো মনে, হীরের খনিতে পাথর কুড়িয়ে ফিরে আশা।”
Buddha quotes23
“জীবনে পাওয়া কষ্ট গুলোই আমাদের শ্রেষ্ঠ উপহার যেখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পরি।”
Buddha quotes24
“আমাদের অহংকারের সাথে করা সঠিক কাজের চেয়ে বিনম্রতার সাথে ভুল করা অনেক ভাল।”
Buddha quotes25
‘হাজারটি যুদ্ধ জেতার চেয়ে নিজের মন কে জেতা অনেক ভ্যাল।”
Buddha quotes26
“এক মূহুর্তে একটি দিন পাল্টে যেতে পারে, এক দিনে একটি জীবন পাল্টে যেতে পারে, একটি জীবন বিশ্ব পাল্টে দিতে পারে।”
Buddha quotes27
‘জীবেন অন্যের সমাপ্ত করা কর্মকে দেখে লাভ নেই, দেখ কী বাকি আছে তাকে সম্পুর্ন কর।”
Buddha quotes28
“মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা হল তার কাছে এখনো অনেক সময় বাকি আছে।”
Buddha quotes29
“মানুষের মুখের কথা অনেকটা ধারালো চুরির মত, যা মানুষকে বাহিরে থেকে কম ভিতর থেকে ক্ষত বিক্ষত করে।”
Buddha quotes30
“মানুষ বড়ই বোকা কারণ সে নিজে রাগ ও অহংকারের বিষ পান করে অন্যের মৃত্যুর কামন করে।”
Buddha quotes31
“আপনি যদি ভুল করার পর মানুষ দিক পরিবর্তন না করেন তবে সে সেখানেই যাচ্ছে যেখানে শুরু করেছিল।”
Buddha quotes32
“তোমার ক্রোধের জন্য তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না, কারন তোমার ক্রোধই তোমায় শাস্তি দেবে।”
Buddha quotes33
“যার শুরু রয়েছে তার শেষ ও আছে, ভয়ের কোন কারণ নেই যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজের ভিতরে শান্তি স্থাপন করুন সবকিছুই ঠিকঠাক হবে।”
Buddha quotes34
“আপনি আধ্যাত্মিক যাত্রা পথে আপনাকে সমর্থন করার মতো কেউ না থাকে তবে নিজের পথ নিজই ঠিক করুন।”
Buddha quotes35
“শান্তি তার কাছেই বিরাজমান, যে খুবই অল্পে সন্তুষ্ট।”
Buddha quotes36
“মানুষের অবাধ্য মনের মত অস্থির জিনিস যেমন কিছু নেই তেমনি স্থির মনের মত শান্ত জিনিস পৃথিবীতে নেই।”
Buddha quotes37
“উপায়ের পথ আকাশে দিকে নেই। উপায় পথ আছে আমাদের হৃদযে।”
Buddha quotes38
“অতীত যতই কঠিন হোক না কেন,প্রতিদিনই এক নতুন সম্ভবনার শুরু।”
Buddha quotes39
“জীবনে আমাদের গন্তব্যে পৌছতে কেউ সাহায্য করতে পারবে না কারন নিজের কর্ম ছড়া কর্মফলের আসা করা বৃথা।”
Buddha quotes40
“অন্যের ভরসায় না বসে থেকে নিজেই নিজের আলো সন্ধান করা ভাল।”
Buddha quotes41
“কোন কাজ অন্যের কথা শুনে বিনা নিজের বিবেচনায় করা উচিত না।”
Buddha quotes42
“আমরা যদি একটি ছোট্ট ফুলের আদি ও অন্তের অলৌকিক ঘটনাটি বুঝতে পারতাম তবে আমাদের পুরো জীবনটাই বদলে যেত।”
Buddha quotes43
“আপনি কী বা আপনি কে তার উপর সুখ নির্ভর করে না। এটি সম্পূর্ণরূপে আপনি কী ভাবেন তার উপর নির্ভর করে “
Buddha quotes44
“জীবনে আনন্দ কোন প্রস্তুত জিনিস নয়, এটা আপনার নিজের কর্ম থেকে আসা কর্ম ফল।”
Buddha quotes45
“অতীতে বাস করে, ভবিষ্যতের স্বপ্ন না দেখে, শুধুই বর্তমান মুহুর্তে মনকে একাগ্র করুন তবেই সঠিক ভাবে জীবন কে উপভোগ করতে পারবেন।”
Buddha quotes46
“আপনি যদি সত্যই নিজেকে ভালোবাসতেন তবে আপনি কখনই অন্যকে আঘাত করতে পারবেন না “
Buddha quotes47
“বিশ্বে তখনই শান্তি সম্ভব, যখন আপনার মনের ভিতর শান্তি প্রতিষ্ঠিত।”
Buddha quotes49
“পছন্দ এবং অপছন্দ, আবেগ এবং ইচ্ছা, সংবেদনশীলতা এবং লালসা, শোক এবং ভয় ছাড়িয়ে যান, নিজেকে সংযুক্তি থেকে মুক্ত হল জীবন।”
Buddha quotes 50
“নিজের বিবেকের কাছে ভুল কোন কাজকে কখনো করা উচিত না।”
Buddha quotes 51
“মানুষের দ্বারা করা সমস্ত অন্যায় কাজ নিজের মনের বিকারের কারণেই ঘটে, যদি মনকে আমরা সঠিক দিশা দিতে পারি অন্যায় নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।”
Buddha quotes 52
“জ্ঞানী মানুষের কখনো মৃত্যুকে ভয় পায় না, বরং সন্মান করে।”
Buddha quotes 53
“একটি নিয়মনিষ্ঠ মনই জীবনে সুখ বার্তা নিয়ে আসে।”
Buddha quotes 54
“জীবনে 3টি জিনিস লুকনো সম্ভব নয়, চন্দ্র, সূর্য এবং সত্য।”
Buddha quotes 55
“আপনি যদি যথেষ্ট শান্ত থাকেন তবে আপনি মহাবিশ্বের প্রবাহ শুনতে পাবেন। আপনি এর ছন্দ অনুভব করবেন।”
Buddha quotes 56
“স্বাস্থ্য ব্যতীত জীবন কে জীবন বলা যায় না, এটি কেবল নিগ্রাহ ও যন্ত্রণার একটি অবস্থা ও মৃত্যুর চিত্র সরূপ।”
Buddha quotes 57
“আপনার নিজের জীবন তবে অন্য কেউ আপনাকে কেন সুখী বা দুঃখি করবে?”
Buddha quotes 58
“কষ্ট গুলো অনেকটা পাথরের মত যত আপনি এটি নিযে ভাববেন তত আপনার ভার বাড়বে।”
Buddha quotes 59
“বিন্দু বিন্দু থেকে যেমন সাগর সৃষ্ঠী হয় তেমনি ভাল মানুষ হতে বিন্দু বিন্দু করে সত জ্ঞান প্রয়োজন।”
Buddha quotes 60
“বিনা সুখ দুঃখে একশো বছর বেঁচে থাকার চেয়ে একদিন সুখ দুঃখের সাথে বেঁচে থাকা ভাল।”
Buddha quotes 61
“কোন নিরীহ জীবের ক্ষতি করে নিজেকে মহান পুন্যবান ভাবা উচিত না, কারন প্রতিটি জীবই ঈশ্বরের প্রতি রূপ। গৌতম বুদ্ধ”
Buddha quotes 62
“পৃথিবী সমস্ত কিছুই যখন ক্ষণস্থায়ী তবে কিভাবে মানুষের দুঃখ কষ্ট গুলি চিরস্থাযী তা গুরুত দিয়ে বোঝার বিষয়।”
Buddha quotes 63
“জীবনে যা প্রয়োজন তা আজিই সমুর্ণ করো, কারন কাল হইতো মৃতুই তার কাজ কে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবে।”
Buddha quotes 64
“বিশাল মহাসাগর গুলির জলে আছে একটি নুনের স্বাদ, তেমনি জীবনে শিক্ষা ও অনুশাসনের একটি স্বাদ আছে, মুক্তির স্বাদ।”
Buddha quotes 65
“জীবনে প্রতি আসক্তি আমাদরে দুঃখের কারন।”
Buddha quotes 66
“পবিত্রতা ও অপবিত্রতা শুধুই মানুষ মন্যুসত্য ও তার চিন্তার উপর নির্ভর করে।”
Buddha quotes 67
“যদি মনে কামনা বাসনা অতিরিক্ত পরিপূর্ন না হয়, তবেই মানুষ জীবনে আনন্দের স্বাদ থাকবে।”
Buddha quotes 68
“যা তোমার নয় তা নিয়ে দুঃখ করে কোনো লাভ নেই, ভুলে যাও যা চলে গেছে। অপেক্ষা করো তুমিও বুঝবে এটি তোমারি ভালোর জন্যই হয়েছে।”
Buddha quotes 69
“প্রকৃতি কে ও নিজের মা কে সর্বদা সন্মান করো, তাদের থেকেই সব কিছুর সৃষ্ঠী আবার তাদের পায়েই সব শেষ।”
Buddha quotes 70
“জীবনে আপনি নিজে প্রথিক না হওয়া পর্যন্ত আপনি লক্ষের কোন পথই খুজে পাবেন না।”
Buddha quotes 71
“আমাদের শরীর হল সর্ব মুল্যবান সম্পদ ও এটি দ্বারাই পূর্ণতার সম্ভব, তাই শরীরকে যত্নের সাথে ব্যবহার করুন।”
Buddha quotes 72
“জীবনে সর্বদা সত্যের পথে চল, প্রতিটি মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়াও ও কোন প্রতিদানের আশা রেখো না।”
Buddha quotes 73
“যদি কোন কাজ কে করার প্রয়োজন মনে করো নিজের মন প্রান বিলীন করে কর সফল তুমি হবেই।”
Buddha quotes 74
“আপনার শত্রুর চেয়ে আপনার খারাপ চিন্তা গুলিই আপনার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।”
Buddha quotes 75
“জীবনে কোন জিনিস একই রকম থেকে যাবার আশা করা মূর্খমি ছাড়া আর কিছুই না।”
Buddha quotes 76
“বিশ্বাস ও ভরসা চোখে দেখা না গেলও এই দুই জিনিস সব কর্ম সাধন করতে পারে।”