Yoga সাথে ফ্যাট লসের গ্যারান্টি | 10 Yoga for Fat loss in bengali

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুজাই বিশ্বের 1.9 বিলিয়ন মানুষ যাদের বয়স ১৮ বছরের উপর তারা Overweight এবং এদের মধ্যে প্রায় বেশি ভাগ মানুষ মেদবৃদ্ধি  obesity সমস্যাতে ভুগছেন।

2018 আর একটি পরিসংখান অনুজাই 40 মিলিযান বাচ্ছা যাদের বয়স 5 বছরে নিচে তারাও obesity বা শরীরে জমা extra Fat এর শিকার।

বর্তমানে এই পরিসংখানের বেশির ভাগ মানুষের অকাল মৃতুর কারন হয়ে দাড়ছে  overweight এবং obesity।

এছাড়াও আছে রোজ কার বাড়তে থাকা স্ট্রেস, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হীন জীবন ও খুব কম পরিমাণে টাটকা ফল মূল ও সবুজ শাক সবজি খাওয়া অভ্যাস ।

তাই প্রতিটি মানুষের বয়স অনুজাই নিজের বডির ওজন জেনে নেওয়া উচিত সঠিক BMI চার্ট অনুজাই।   

প্রতিটি মানুষ যাদরে ওজন বেশি তাদরে সবার আগে সতর্ক হওয়া উচিত্‍, রোজ কম বেশি শারিরীক অ্যাক্টিভিটি করা উচিত না হলে পরিণাম খারাপই হবে।

তাই আজ আমার বিশেষ 10টি যোগ আসনের কথা বলব যা ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘাটতি কম করে ও ফ্যাট লস করতে সাহায্য করবে।


1.  নটরাজ আসন (Natarajasana):

নটরাজ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=TXNgRNsqcPo

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর নিজের বড়িকে ব্যালান্স রেখে ডান পা হাটু থেকে ভাজ করে ব্যুকের কাছে আনুন।

এর পর ডান হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরে, ডান হাতের সাহায্য নিয়ে পা কে পিঠের দিকে নিয়ে যান, বডি কে ব্যালান্স রাখতে আপনি নিজের বাম হাত সামনের দিকে লম্বা করে রাখতে পারেন।  

এবার পা কে ছেড়ে দিয়ে মাথার উপর দিয়ে 2টি হাত কে ঘুরিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ের পাতা স্পস করুন বা ধরুন।

যদি আপনার ব্যালান্স করতে অসুবিধা হয় আপনি বাম হাত সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখতে পারেন বা কোন দেওয়াল স্পর্শ করে সাপোর্ট নিতে পারেন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।    

নটরাজ আসন উপকারিতা:

এই আসনটি আপনার তল পেট, থাই ও পায়ের পেশী কাছে জমে থাকা extra ফ্যাট কে কমায় ও পেশী গুলির মধ্যে নমনীয়তা আনে।

এই আসন শরীরে মধ্যে তৈরি হওয়া স্ট্রেস হরমোন কে কমায় এবং ইনসুলিন লেভেল কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন।


2. নবাসন (Navasana):   

নবাসন আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

নবাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায়।

এবং পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি ন্নিষ্কাশন করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।   


3. ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব। একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

ত্রিকোণ আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমরে দুই পাশে হাতের মধ্যে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।


4. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=MGj1eknWWTo

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

ফলকাসন উপকারিতা:

শরীরের মেদ বা চর্বি কমানর জন্য এই আসনের মত উপকারী আসন দ্বিতীয় কিছু নেই।

এই আসন সারা পেট, কোমর, হাত ও পায়ের থাই এবং পেটের ও বুকের দুই পাশে জমা চর্বি বা ফ্যাট কে দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই আসন।    


5।  বীরভদ্রা আসন (Virabhadrasana):

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

বীরভদ্রা আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে থাই ও পেটের নিচের দিকে সমস্থ ফ্যাট কমতে, শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।    


6.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


7. উস্তাসন পদ্ধতি (Ustrasana):

উস্তাসনপদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উস্তাসন উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


8. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


9. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

ধনুর আসন উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।         


10. চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

চক্রাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও পেটের চর্বি কমাতে এবং শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


আর পড়ুন : meditation ও উপকারিতা, আর পড়ুন : yoga nidra কী ?


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আশা করি আমি আপনাদের উত্তর দিতে পারেছি , আপনার মূল্য বান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে পারেন। ধন্যবাদ


রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় | 5 Ayurvedic herbs for boost immunity

আজ আপনাদরে প্রধান ৫টি আয়ুর্বেদিক গুণ যুক্ত খবরের কথা বলব যা প্রতিটি মানুষের রান্না ঘরেই মজুত থাকে, এবং যা সঠিক মাত্রায় সেবনে শরীরের Immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বাড়ানো যায়।    

1. হলুদ (Turmeric):

হলুদের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে antioxidant ও anti-inflammatory গুণ যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তলে।

হলুদ মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান bacteria সংক্রমন কমায় ও শরীরে কোনো স্থানে আঘাত বা কোনো ক্ষত থাকে তাকে খুব তাড়াতরি সারিয়ে তলে।

প্রকৃতি গত ভাবে হলুদ সবচেয়ে বেশি উপকারী উপাদান রয়েছে যেমন beta-carotene, ভিটামিন-C, ক্যাল্সিয়াম, flavonoid, ফাইবার, আয়রন, niacin, potassium, zinc ও অন্যও প্রচুর উপাদান।

প্রতিদিন একটি সুস্থ adult মানুষের ৫০০ থেকে ১০০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হলুদ গ্রহণ করতে পারেন। এর চেয়ে বেশি পরিমাণ প্রয়োজন নেই বলেই চলে।     


2. রসুন (Garlic):

রসুন মধ্যে Anti-bacterial এবং  Anti-parasitic গুনাগুন আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বিশেষত জর সর্দি কাশি ঠান্ডা লাগা ক্ষেত্রে।   

কারন রসুনের মধ্যে Allicin নামে একটি enzyme থাকে যা আমাদের শরীরে সাথে মিশে গিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তলে।

এবং রসুন ভিতর থাকা sulfur শরীরে মধ্যে দূষণ থেকে প্রবেশ করা heavy metal Toxicity থেকে হওয়া অঙ্গ হানি পরিমাণ কম করে।  

এছাড়া একটি বৈজ্ঞানিক রিসার্চ জানা গিয়েছে রসুন আমাদের ব্লাড প্রেসার কমায় এবং হার্ট এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও রক্ত প্রবাহের ধমনী কে শক্ত করে।

এছাড়াও রসুনের মধ্যে আছে ভিটামিন B1, B2, B3, B6, আয়রন, মেগনেসিয়াম, phosphorous  সোডিযাম ও zinc।

প্রতিদিন ১ থেকে ২ কোয়া অর্থাত্‍ ৪ গ্রাম পর্যন্ত রসুন শরীরের জন্য উপকারী, এর চেয়ে বেশি শরীরের জন্য হানিকারক।  


3. আদা (Ginger) :

আদার মধ্যে আছে Antioxidant compounds যা আমাদরে শরীরে toxins কমায় ও immunity বা রোগ প্রতি রোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

আদার মধ্যে আছে মেটাবলিক প্রোসেস কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করার  এবং শরীরে জমে থাকা toxins বা বজ্র পদার্থ গুলিকে শরীর থেকে বার করার ক্ষমতা।

এছাড়া আদাতে থাকা antibacterial গুণের জন্য ছোয়াচে রোগ গুলির সংক্রমন থেকে শরীর কে প্রোটেক্ট করে ভিতর থেকে।

এছাড়াও শরীরের স্ট্রেস হরমোন কে ব্যালান্স করে এবং হাত ও পায়ের  যন্ত্রনা arthritis,  nausea মত রোগের হাত থেকে শরীর কে রক্ষা করে।

প্রকৃতি গত ভাবে আদার মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন B3 ও B6 Iron Potassium,  ভিটামিন  C, Magnesium, Phosphorus, Zinc Folate Riboflavin এবং Niacin প্রতিটি জিনিস আমদের শরীরে জন্য উপকারী।

একটি সুস্থ মানুষের দৈনিক ফ্রেশ ২-৫ গ্রাম পর্যন্ত আদা গ্রহণ করতে পারেন, তার চেয়ে বেশি না করাই ভালো।  


4. দারুচিনি (Cinnamon):

দারুচিনি হল সবচেয়ে বড় antioxidant  যা বডির মধ্যে হওয়া inflammation কে কমায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।   

দারুচিনি শরীরের মধ্যে glucose ও ইনসুলিন লেভেল কে ব্যালান্স করে যাতে carbohydrate পরিপাক সহজ হয়।

এছাড়া দারুচিনি হল এমন এক উপাদান যা আমাদের মধ্যে insulin এবং glucose imbalances থেকে হওয়া সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় ও শরীরে মধ্যে অক্সিজেন যুক্ত রক্তের প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে বজায় রাখে।

প্রকৃতি গত ভাবে দারুচিনিতে Calcium, Potassium, Magnesium, phosphorus,  Vitamin K এবং Vitamin A সম্ভার রয়েছে।

একটি সুস্থ মানুষ দৈনিক ১ থেকে ২ টেবিল চামচ পর্যন্ত দারুচিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর চেয়ে বেশি না খাওয়াই ভালো।  


আর পড়ুন: ১১ টি Yoga যা immunity বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে

5. মধু (Honey):

মধুকে আয়ুরবেদে অমৃত বল হয় কারণ শরীরের সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মধুর চেয়ে উপকারী উপাদান দ্বিতীয় আর কিছু নেই।

কারন মধু মধ্যে আছে Antibacterial and Antifungal উপাদান যা শরীর কে সুস্থ রাখতে, এনার্জি বজায় রাখতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ও শরীরের ক্ষত স্থান সরাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়া মধুর মধ্যে আছে fructose, glucose, maltose, trisaccharides, carbohydrates,  minerals, বিভিন্ন enzymes ।

এবং  ভিটামিন  Thiamin, Riboflavin, Niacin, pantothenic acid, ভিটামিন B-6, ভিটামিন B-12,  Folate, ভিটামিন C, ভিটামিন A, ভিটামিন D, ভিটামিন E, ভিটামিন K ও  Potassium, Sodium,  Zinc Antioxidants সমূহ।  

প্রতিটি সুস্থ মানুষ যদি দৈনিক ২ থেকে 4 টেবিল চামচ মধু যথেষ্ঠ। যদি সুগার থাকে কোন মানুষে তার ১ চমচের একটু কম মধু সেবন করতে পারেন।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আপনাদের যদি কারোর জটিল কোন রোগ থাকে তবে অবশই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এ গুলি খাবেন। ও যার সুস্থ তার সমস্থ কিছু পরিমাণে সেবন করবেন কারন অল্প মাত্রায় যা অমৃত তাই অধিক মাত্রায় বিষে পরিণত হয়।     

যোগ আসনের সাথে ইমিউনিটি বড়ানোর উপায় | 11 Yoga For Immunity in Bengali

আমাদের immunity প্রয়োজন কেন ?

আজ প্রতিটি মানুষের বোঝার সময় এসে গেছে যে আজ আমরা যুদ্ধের গুলি মিসাইল বোমার হাতিয়ারের কম, নিজের মধ্যে immunity Problem ও ভাইরাস জনিত সংক্রমনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

এত মেডিকাল সায়েন্স এত উন্নতির পরেও, মানুষের জীবন আজ বিপন্ন কারন মানুষের শরীরে immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই কমে গেছে ছন্ন ছাড়া লাইফ স্টাইলের জন্য।  

এখন সময় এসে গেছে এই ব্যপারে গুরুত্ত দিয়ে চিন্তা ভাবনা করার, কারন আমার বাহিরের প্রকৃতি গত সমস্যা গুলি কনট্রোল করতে না পারলেও আমাদের আভ্যন্তরীণ শারিরীক অবস্থার স্থিতি নিজেরাই কনট্রোল করতে পারি।  

এখন প্রশ্ন হল আমরা কী ভাবে এটি করতে চাই? Starter, Main course বা Dessert মত সময় সমযে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে?

না কী naturally যোগ ব্যয়াম, প্রাণায়ামmeditation মধ্যমে নিজেকে শরীর কে ভিতর থেকে সুস্থ সবল ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে?

তাই আজ আমাদরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ 11টি  Yoga বা যোগ অভ্যাস কথা বলব যা আমরা রেগুলার বাড়িতেই নিজে ও আপনজনের সাথেই প্র্যাক্টিস করতে পারেন।


11 Yoga for Immunity

1. ভুজঙ্গ আসন (bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

 এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


2. শিরশাসন (Sirsasana) :

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

শিরশাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।এই অবস্থায় হোল্ড করুন সুবিধা মত ও তার পর আস্তে আস্তে পা নবিয়ে নিন।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, adrenalin ইত্যাদি প্রোব্লেম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এই আসন আমাদের  lymphatic সিস্টেমের উপর প্রভাব ফেলে যার জন্য শরীর বিভিন্ন কোষের মধ্যে জমা বজ্র পদার্থ শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।


3. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে। এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


4.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


5. উস্তাসন (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


6. শিশু আসন (Shishuasana)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।

পেটের বিভিন্ন সমস্যার উপর এই আসন দুর্দান্ত প্রভাব ফেলে, ও এই আসন শরীর কে detox করতে সাহায্য করে।


 7. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

https://www.youtube.com/watch?v=YyFcNzSlI9A

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে হোল্ড করুন এই পজিশনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন  ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক  করতে সাহায্য করে ও আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


8.  পশ্চিমত্তান আসন  (paschimottanasana)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন খাদ্য পরিপাকের সমস্থ হরমোন গুলি সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে, ও লিভারের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


9. বক্রাসন (vakrasana):

বক্রাসন পদ্ধতি:

প্রথমে সমতল যায়গা উপর একটি ম্যাট উপর বসুন, ও নিজের দুটি পা সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর ডান পা হাটু থেকে বেন্ড করে নিজের বুকের কাছে টেনে আনুন, লক্ষ রাখতে হবে পা যেন থাই থেকে দূরে না চলে যায়।

এর পর বা হাত হাটুর ডান ডিকে থেকে ঘুরিয়ে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বা পায়ের হাটুয়ে নিচে ধরুন।  

এবার আপনার ডান হাত পিঠের সমানে রাখুন ও নিজের মাথা স্টেচ করে ডান দিকে নিয়ে যান ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন হোল্ড করুন। আবার হাত ও পা কে পাল্টে একই ভাবে প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পেটের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে ও শরীর কে detox করতে সাহায্য করে। বডির ব্লাড সুগার লেভেল কে কনট্রোল করতে ও পাকস্থলীর মধ্যে থাকা acid কে ব্যালান্স করে ও যারা ফ্যটি লিভারের সমস্যা ভুগছেন তাদের জন্য অন্যতম উপকারী আসন এটি।  


১০. গোমুখ আসন(Gomukhasana):

গোমুখ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=-qbPrlf1oxE

প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।

লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।

তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।

উপকারিত:

এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর করে এই আসন।

এছাড়াও এই আসন পেটের সমস্যা যেমন হজম না হওয়া গ্যাস অম্বল অ্যাসিড এর সমস্যা সমাধান করে এই আসন।


11. বিপরীত করণি:

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে cortisol লেভেল কমায় এবং শ্বেত রক্ত কণিকার প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।এছারও শরীরে স্ট্রেস হরমোন ও সুগার জন্য ইনসুলিন হরমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।  


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার জীবন পরিবর্তন করি শ্রেষ্ঠ ৫১টি বাণী | 51 Life Changing Quotes In Bengali

Life Changing Quotes in Bengali:

Quote 1

আপনি যদি একশ জন লোককে আহার না পারেন তবে কেবল একজনকে হলেও আহার করান মাদার তেরেসা

Quote 2

“দুর্দান্ত কাজ করার একমাত্র উপায় হল আপনি যা করেন তা ভালবাসা। আপনি এখন যদি ভালোবাসার কাজ না পেয়ে থাকেন, তবে খোঁজ চালিয়ে যান পেয়ে ঠিক যাবেন।” –স্টিভ জবস

Quote 3

 একটি মোমবাতি থেকে হাজার হাজার মোমবাতি আলোকিত করা যায়, এতে মোমবাতির জীবন ছোট হয় না। তেমনি  সুখ সবার মধ্যে ভাগ করলে কখনো কমে না।-গৌতম বুদ্ধ

Quote 4

দয়ালু শব্দগুলি সংক্ষিপ্ত এবং বলতে সহজ হতে পারে তবে তাদের প্রতিধ্বনিগুলি সত্যই অন্তহীন। –মাদার তেরেসা

Quote 5

জীবনে লক্ষ্য নিছক বেঁচে থাকার নয়, বরং সাফল্য অর্জনের এবং কিছু আবেগ, কিছু মমতা, কিছু হাস্যরস দিয়ে উপভোগের।

  মায়া অ্যাঞ্জেলু

Quote 6

স্বাস্থ্য হল সর্বাধিক উপহার, সন্তুষ্টি সর্বাধিক সম্পদ, বিশ্বস্ততা সর্বোত্তম সম্পর্ক। –গৌতম বুদ্ধ

Quote 7

আমি প্রতিমিনিটে করা নিজের ট্রেনিং কে ঘৃণা করি, কিন্তু আমি হাল ছারিনী। কারণ আমি জানি এখনই ভোগ করা কষ্ট চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাকী জীবন বাঁচার সুযোগ দেবে। –মোহাম্মদ আলী

Quote 8

অন্ধকার মুহুর্তগুলির মধ্যেই আমাদের অবশ্যই আলো দিশা খুজে পাওয়া লক্ষ্য হওয়া উচিত। –অ্যারিস্টট্ল

Quote 9

 আপনার হৃদয় একটি বিশাল সমুদ্রের আকারের,তাই সময় দিন এর লুকানো গভীরতায় সন্ধান করার জন্য এখানেই লুকিয়ে আছে আপনার সফলতার ছবি কাঠি । – রুমী

Quote 10

আপনার দিশা সর্ব কষ্ট মধ্যেও একমাত্র সফলতার কিরণের দিকে রাখুন – দেখবেন আপনার দুঃখ ছায়া মত আপনার পিছনে মিলিয়ে যাবে। -ওয়াল্ট হুইটম্যান

Quote 11

জীবনে বক্তব্য উত্থাপন করুন, কণ্ঠস্বর নয়। কারন জানবেন বৃষ্টি থেকে ফুল সৃষ্টি হয়, বজ্রপাতের থেকে গর্জন কিন্তু নয়।  -রুমী

Quote 12

আমাদের অবশ্যই পরিকল্পিত জীবনটি ধরণে ছেড়ে দেওয়া উচিত, যাতে আমাদের জন্য অপেক্ষা করা সম্ভাবনা গুলি আমার গ্রহণ করতে পারি। -জোসেফ ক্যাম্পবেল

Quote 13

প্রত্যেকের ভিতরে বিশ্ব পরিবর্তনের একটি সম্বাবনা রয়েছে। এই সম্বাবনা  কতটা মহান তা নিরভর করছে আপনার বিচার বুদ্ধির উপর। -অ্যান ফ্র্যাঙ্ক

Quote 14

অন্যের জীবেনে গল্প শুনে সন্তুষ্ট না হয়ে, নিজের সফলতার কাহিনী সৃষ্ঠী কর কারন গল্প শুনে সময় নস্ট করার মত সময়েই কম জীবনে

Quote 15

কেউ আজ সফলতার ছায়ায় বসে আছে কারণ তিনি বহু কাল আগে সফলতার বীজ পুতে ছিলেন জীবনে। -ওয়ারেন বাফেট

Quote 16

 আপনি যদি অন্যের নেতিবাচকগুলির প্রত্যাশাগুলি গ্রহণ করেন তবে আপনি কখনই জীবনে সফল হতে পারবেন না। -মাইকেল জর্ডন

Quote 17

আমরা আমাদের জীবন কে  নিজের ইচ্ছায় পরিবর্তন করতে পারি তার জন্য শুধু সেই প্রচণ্ড প্রচেষ্ঠা ও উদ্যম প্রয়োজন।  -টনি রবিনস

Quote 18

একটি ছোট আসার কিরন ও আপনার জীবনে সমস্থ দুঃখ কে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ঠ” – wisdomcue

Quote 19

নিজেকে এতটা সমর্থ করে তুলুন আপনার পরিচয়ের চেয়ে আপনার কর্ম এই সৃষ্ঠীর কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হয়। -wisdomcue  

Quote 20

জীবনে আপনার স্বপ্ন গুলি পূরণের জন্য বয়সের প্রয়োজন হয়না,  প্রয়োজন শুধু একটু প্রচেষ্ঠার। -wisdomcue

Quote 21

যে চেষ্টা করবে তার পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।-দ্য  আলেকজান্ডার

Quote 22

একবার যদি আমরা নিজের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি তবে জীবনে সঠিক সম্ভাবনার কোনো অভাব হবে না। -wisdomcue  

Quote 23

এটি কত আশ্চর্যজনক যে বিশ্বের উন্নতি জন্য কোনো বিশেষ মুহূর্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই এখনি শুরু সম্ভব। -অ্যান ফ্র্যাঙ্ক

Quote 24

আগামীকালের সেরা প্রস্তুতিটি আজ আপনার করা সর্ব সেরা কাজটি করছে। -জ্যাকসন ব্রাউন জুনিয়র

Quote 25

আপনার সফলতার জন্য যা দরকার তা হল পরিকল্পনা, এবং পরিকল্পনা মানচিত্র এবং আপনার গন্তব্যে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। -আর্ল নাইটিংগেল

Quote 26

আমাদের জীবন প্রতিছবি, আমাদের কাজের শ্রেষ্ঠ স্মৃতিসর্বদা অন্যদের মনের মধ্যে একমাত্র অব্যাহত থাকবে।  -রোজা পার্ক

Quote 27

একমাত্র অসম্ভবের বাইরে গিয়ে কেবল সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে। -আর্থার সি ক্লার্ক

Quote 28

সুযোগ যদি আপনার দরজায় নক না করে তবে হতে আপনিই সুযোগের দরজা গিয়ে নক করুন। -মিল্টন বার্ল

Quote 29

আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার জীবনের সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করে না, তারা কেবল আপনি কোথায় শুরু করবেন তার দিশা নির্ধারণ করে। -নিডো কিউবেইন

Quote 30

আপনি যা চান তা সবই একটি প্রশ্নের অপেক্ষায়। তবে আপনাকে এই প্রশ্ন খুজে পেতে হবে সফলতার জন্য। -জুলস রেনার্ড

Quote 31

কর্মে পূরণের লক্ষ্যে স্থির মানুষের মনের কাছে, পুরো মহাবিশ্ব আত্মসমর্পণ করে। -লাও তজু

Quote 32

জীবনে সুরক্ষা বেশির ভাগই অংশ কুসংস্কার মাত্র। হয় আপনার জীবন একটা দুঃসাহসিক অভিযাত্রা অথবা কিছুই না. – হেলেন কেলারের

Quote 33

আমরা সবাইকে সাহায্য করতে পারি না, তবে প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে সাহায্য করতে পারে শুধু আপনার ইছার প্রয়োজন। -রোনাল্ড রেগান

Quote 34

আপনি যেখানে আছেন যে পরিস্থিতিতে আছেন সেখানে আপনার সামান্য কিছু হলেও সবার জন্য ভাল কিছু করুন করুন, এটি সেই ছোট্ট ছোট্ট ভাল কাজ গুলি একসাথে সারা বিশ্বকে অভিভূত করবে -ডেসমন্ড টুট

Quote 35

কী সঠিক এবং কোনটি ভুল তা খুজে দেখার জন্য ইচ্ছার চেয়ে সাহসের অভাব বেশি। – কনফুসিয়াস

Quote 36

জীবনে প্রতিকুলতা কষ্ট না পার করলে সফলতার স্বাদ পাওয়া অসম্ভব। ব্রুস লি।

Quote 37

যতক্ষণ আপনি অন্যদের নিজের সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করবেন ততক্ষণ আপনি আপনার সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতি গুলিকে দূর করতে একদমই পারবেন না

Quote 38

যদি মনে কর তুমি পারবে, কিংবা মনে কর তুমি পারবেনা, দুই ক্ষেত্রেই তোমার বিশ্বাস সঠিক ভূমিকা পালন করবে । – হেনরি ফোড।

Quote 39

যারা প্রত্যেক বস্তুরই দাম জানেন কিন্তু কোনও বস্তুরই জীবনে প্রকৃত মূল্য জানেন না তারাই শ্রেষ্ঠ সমালোচক।

Quote 40

প্রতিটি মানুষের জীবনে একটি সময আসে যখন মনে হয় জীবনের সব ভরসা শেষ কেবল নিজের হৃদ স্পন্দন ছাড়া, বন্ধু জীবনে সফল হতে ভরসা নয় নিজের যোগ্যতার প্রয়োজন।

Quote 41

সময় অতি অমূল্য বিষয়, আপনি এটির মালিক না তবে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন, জমিয়ে রাখতে পারবেন না, তবে আপনি এটি বুদ্ধি মনের মত ব্যয় করতে পারেন।  হার্ভে ম্যাকে

Quote 42

আপনি যদি জীবনকে ভালোবাসেন, সময় নষ্ট করবেন না, কারন আমাদের জীবন সময়ের সৃষ্ঠী । ব্রুস লি

Quote 43

সময় অনেকটি বালির দানার মত, হাত থেকে বেরিয়ে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায় না। রবিন সর্মা।

Quote 44

আপনি নিজের সময় কোথায় বিনিয়োগ করছেন তা সর্বদা বিশেষ লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন,কারন সময় নষ্ট করা  অর্থের অপচয়ের চেয়েও শত গুনে খারাপ।

Quote 45

জীবনে সফল হতে নিজের সময় কোন অলস বক্তির সাথে অযথা ব্যায় করতে নেই, কারন সফলতা ও অলসতা একে অপরের শত্রু।

Quote 46

নিজের কাজ কে কখনো অন্য কে বোঝতে যেও না কারন লোকে সেটাই শুনবে যেটা তারা শুনতে চায়।  

Quote 47

আপনার ক্ষতটি সেই জায়গা যেখান থেকে আশার আলো আপনার জীবনে প্রবেশ করে। – রুমী

Quote 48

যারা আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ অবদানের নিজের প্রাপ্তি মানুষ কে বিলিয়ে দিছেন কেবল তারাই জীবনের গভীর আনন্দ সত্যর পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে।-টনি রবিনস

Quote 49

আমরা যদি সচেতন ও সক্ষম হয়ে সমস্ত জিনিস করি তবে আমরা নিজের কর্ম ফলে হতবাক হয়ে যাব। -টমাস এ এডিসন।

Quote 50

আপনার আজকের সিদ্ধান্তই এক মুহুতে আপনার কালকের ভাগ্য রুপান্তরিত করতে পারে, তাই সিদ্ধান্ত বুদ্ধির সাথে নিন। -টনি রবিনস

Quote 51

রাগ, অনুশোচনা, উদ্বেগ এবং ক্ষোভে রেখে আপনার সময় নষ্ট করবেন না, কারন জীবন বৃথা কষ্টের জন্য খুবই ছোট.- রায় টি বেনেট

আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতা মত আমদের কমেন্ট এর মাধ্যমে জানতে ভুলবেন না । সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার যদি স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান থেকে মুক্তি ও মানসিক শান্তি পেতে চান মেডিটেসনের মাধ্যমে তবে যোগা যোগ করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বেরে।


6টি শ্রেষ্ঠ প্রাণায়াম সুগার নিয়ন্ত্রণের জন্য | 6 Pranayama for Diabetes in Bengali

আজকের দিনে বিশ্বে সবচেয়ে  বড় সমস্যার মধ্যে Diabetes বা সুগার হল অন্যতম। হয়তো জানলে অবাক হবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) রিপোর্ট অনুজাই আজ 422 million বেশি মানুষ আজ সুগরে আক্রান্ত। এবং অবাক করা বিষয় প্রতি বছর প্রায় 1.7 million মানুষ এই রোগে মারা যায়

তাই এই রোগ কে কনট্রোল করা খুবই গুরুত্ত পূর্ণ,  আজকের দিনে যেমন মেডিসিন সুগার কমাতে গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন্ করে।

তেমনি natural ভাবে প্রাণায়াম, Yoga এবং বিশেষ কিছু Meditation সুগারের ক্ষেত্রে একটি বিরাট বড় ভূমিকা পালন করে যা আজ বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত।   

তাই আজ জেনে নেব 6টি শ্রেষ্ঠ প্রাণায়াম যা সুগার কে কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

1.  কপাল ভাতি প্রাণায়াম (KapalBhati pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের বডির মধ্যে এনার্জি ও ফ্রেশনেস বজায় রাখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে এবং এই প্রাণায়াম হল সুগারের এর যম বলা হয়।

এছারাও এই প্রাণায়াম আমাদরে ব্রেনের প্রতিটি কোষের মধ্যে অক্সিজেন সঞ্চালন এর মাত্রা থাকে স্ট্রেস লেভেল কমানো সবেতে সাহায্য করে।

কপাল ভাতি প্রণালী:

https://www.youtube.com/watch?v=1d3erUbB3uw

প্রথমে একটি সমান যায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে। এবার বা হাত হাটুয়ে উপরে ও ডান হাত পাটের নাভির উপর রাখুন।

এর পর নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে বায়ু পেটের মধ্যে নিন ও পেট কে চাপ দিয়ে নিশ্বাস বাহিরে ছারুন। মনে রাখবেন আপনার শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন আপনার পেট ও কানেক্ট করতে পারে।

এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত করুন যত টা সমভব, এটি 4 থাকে 5 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই।


2. অনুলোম বিলোম  (Anulom vilom):

 অনুলোম বিলোম শরীরের  মধ্যে থাকা দুটির প্রধান নাড়ির উপর সমতা আনার চেষ্টা করি যাতে আমদের শরীরের শক্তির মধ্যে ব্যালান্স বজায় থাকে।

এর ফলে শরীরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন হরমোন সমস্যা দূর হয় যেমন ইনসুলিন। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন যুক্ত রক্তের প্রবাহের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও শরীরের মধ্যে এনার্জি অভাব কে একদম দূর করে।  

অনুলোম বিলোম প্রণালী : 

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন।  তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

আপনার বা হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, তার পর ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন খুব জোরে নয় আস্তে যাতে নিশ্বাস না নিতে পারেন।

তার পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ৫ সেকেন্ড হোল্ড করুন। তার পর ডান হাত টা বা দিকের নাকের উপর আনুন ও ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।

এবার ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন আবার হাত পাল্টে বা দিক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন। এই রকম ভাবে 4 থাকে 5 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত।


3. ভ্রামরি প্রাণায়াম (Bhramari pranayama) :  

এই ভ্রমরি শব্দটি ভোমর বা মৌমাছির থেকে নেওয়া এই ভ্রমরি শব্দরে অর্থ হল হল ভোমরের বা মৌমাছির মত শব্দ সৃষ্ঠী যা অনেকটা aum বা ॐ প্রকৃতির।

এই প্রাণায়ামের সাহায্যে আমদের ব্লাড সুগার থেকে শুরু করে cholesterol, thyroid প্রতিটি সমস্যার সমাধান প্রদান করে। শরীরের স্ট্রেস হরমোন কমায় instantly কমায় এবং মাইন্ড কে শান্ত ও focused বানায়।  

ভ্রমরি প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন সুখাসনে, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন। তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।এবার দুটি হাত তর্জনীর দিয়ে দুটি কান বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

এবার চোখ বন্ধ করুন ও মুখ না খুলে গভীর নিশ্বাস নিয়ে aum বা ॐ উচারন করুন যত খন না নিশ্বাস শেষ হছে।

এই ভাবে 5 থেকে 6 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মতো প্রয়োজন অনুজাই সময় আপনি বাড়াতে ও পারেন।  


আর পড়ুন: 10টি শ্রেষ্ঠ যোগ আসন যা সুগার বা Diabetes কনট্রোলের  জন্য।  

4. ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম (Bhastrika pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের স্ট্রেস ও সুগার থাকে শুরু করে শরীরের ঝিমুনি ভাব কমাতে সাহায্য করে এবং আমাদের pancriyas থাকা বিটা cells গুলি কে পুনরায় উজীবিত করে।  

এছাড়া এই প্রাণায়াম কে শরীর ও মনের এনার্জি প্রদান করে ও শরীরের স্ট্রেস বিনাশ করি প্রাণায়াম ও বলে।

ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম প্রণালী :

প্রথমে সমতল জায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে ও মাথা সামান্য উপরে দিকে তুলুন। এবার নিজের হাত দুটি ধ্যান মুদ্রায় দুই হাটুর উপর রাখুন ।

এর পর গভীর ভাবে কয়েকটি নিশ্বাস নিন, তার পর এমন ভাবে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন যাতে শ্বাস বায়ু আপনার বুকের মধ্যে জমা হয়।

যখন নিশ্বাস ছাড়বেন তখন বুকের উপর চাপ দিয়ে ছারুন। আসল বেপার  হল শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন চেষ্ট বা বুক কানেক্ট হয়।এই প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব হয় ততটা দ্রুত করা যায় ততটা করুন ও আপনার সুবিধা অনুজাই।


5. উজাই প্রাণায়াম (Ujjayi Pranayama) :  

এর অপর নাম হল সমুদ্র-শ্বাস বায়ু। এই প্রাণায়াম আমাদের ফুসফুস এর মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার ও বিভিন্ন হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

এই প্রাণায়াম আমদের শরীরের মধ্যে জমে থাকা দূষিত টকসিন বা বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে, যাতে শরীর মধ্যে কোন রোগ সৃষ্ঠী না হয়।

উজাই প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে। দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত। প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে।

দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত।  

আর পড়ুন: 12টি শ্রেষ্ঠ যোগ আসন যা ব্লাড প্রেসার কনট্রোল করে।  

6. চন্দ্রবেদী প্রাণায়াম (Chandra Bhedi Pranayama):

এই প্রাণায়াম কে চন্দ্র বেদি বলা হয় কারণ এই প্রাণায়াম আমাদের চন্দ্র কেন্দ্রিক শক্তি কে ব্যালান্স করে। যার ফলে আমদের শরীরে nerve এর প্রোব্লেম থাকে শুরু করে সুগার, হাই ব্লাড প্রেসার , মানসিক চিন্তা বা স্ট্রেস ও ভয় সবকিছু থাকেই বডিকে সংরখিত করে।  

এছার আপনি যদি রাগ বা মানসিক উত্তজনায় ভোগেন তবে এই প্রাণায়ামটি করুন এতে এক মিনিটে আপনার রাগ কমে যাবে নিশ্চিত।

চন্দ্রবেদী প্রণালী:

প্রথমে আপনি সুখাসন বা সবচেয়ে ভাল পদ্মাসন বসুন যেন মেরুদণ্ড একদম সোজা থাকে । মাথা একটু উপরের দিকে তুলে রাখুন এর পর আপনার ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন।

যেন ডান দিক দিয়ে নিশ্বাস না নিতে পারেন। এর পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন 5 সেকেন্ড ও ছেড়ে দিন।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

যদি আপনার Yoga বা Meditation শিখতে চান তবে এখুনি কল করুন এই +91-9433-657-349 এই নাম্বাবে বা আমাদরে মেল করতে পারেন contact@wisdomcue.com মধ্যে।  

ব্লাড প্রেসার জন্য শ্রেষ্ঠ যোগ আসন | 12 Yoga for Control Blood Pressure in Bengali

Hypertension কী ?

WHO Created Video

আমরা সবাই জানি হার্ট আমাদের সারা শরীরের অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় Nutrient ও ব্লাড সাপ্লাই করে বিভিন্ন রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে।

এই রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে  রক্ত প্রবাহিত হয় একটি নির্দিষ্ট পার্ষচাপে যা মাপা হয় সিস্টলিক (120 mmHg) ও ডায়াষ্টলিক (80mmHg)মাধ্যমে।    

যখন এই পার্ষচাপ (120/80 mmHg) থেকে ক্রমাগত পরিমানে বেশি থাকে দীর্ঘ দিন ধরে তখন তাকে hypertension বা ব্লাড প্রেসার বলে।

বর্তমানে (WHO) পরিসংখান অনুজাই 1.13 Billion মানুষ আজ Hypertension বা ব্লাড প্রেসার ভুগছেন ও প্রতিবছর এই সংখা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়ে চলেছে।

এই (WHO) রিপোর্ট অনুজাই যে সব মানুষ এই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন তাদের হার্ট, ব্রেন, কিডনী সমস্যা ও অন্য নানা প্রান ঘাতী রোগ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ।

গত কয়েক বছরে দেখা গেছে hypertension বা ব্লাড প্রেসার মানুষের অকাল মৃত্যু বা premature death  এর  সবচেয়ে বেশি বড় কারন হয়ে দাড়িয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে।  

 “তাই ডাক্তারা Hypertension কে রোগের মধ্যে সাইলেন্ট কিলার নাম দিয়েছেন ।”  

এই Hypertension  বা ব্লাড প্রেসার থেকে বাচতে WHO ও বিভিন্ন Government সংস্থা বিভিন্ন উপায় দিয়েছেন সেগুলি হল

  • দৈনিক নুন বা লবণ গ্রহনের পরিমাণ কমান (5g daily) 
  • রোজ তাজা ফল ও তাজা সবুজ শাক সবজি খান
  • প্রতিদিন নিজকে ফিট রাখতে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি যেমন যোগ বা Yoga, প্রাণায়াম, কার্ডিও বা ব্যয়াম ইত্যাদি করুন।
  •  ধূমপান থেকে সম্পুর্ন ভাবে বিরত থাকুন।
  • মদ্য পান যত না করবেন তত ভাল ব্লাড প্রেসারের ক্ষেত্রে।
  • খবরের মধ্যে Trans fats সম্পুর্ন ভাবে এড়িয়ে চলুন।
  • প্রতিদিন এমন্ কিছু বিশেষ অ্যাক্টিভিটি করুন যাতে শরীরে স্ট্রেসের পরিমান কমে যেমন Meditation ।  
  • ফাস্ট ফুড ও তৈলাক্ত খাবার সম্পুর্ন বর্জন করুন ।
  • প্রতিদিন নিজের ব্লাড প্রেসার লেভেল চেক করুন ।

তাই আজ আমরা বিশেষ 12টি Yoga সাথে শিখেনেব কিভাবে নিজের ব্লাড প্রেসার কে কনট্রোল করা যায়।  এবং যার  scientific ভাবে পরীক্ষার রিপোর্টার আছে।  


1. পশ্চিমত্তান আসন (Paschimottanasana) :

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

https://www.youtube.com/watch?v=KCNIcT5DDdA

প্রথমে একটি সমতল জায়গায় নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।         

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে ব্লাড প্রেসার প্রয়োজনীয় হরমোন ও  স্ট্রেস-ডিপ্রেসান নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এই আসন আমাদের লিভার, কিডনী ও পেটের digestion প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।


2. বীরাসন (virasana ):

বীরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। এর পর নিজের ডান পা কে হাটু থাকে ভাজ করে থাই এর পাস থাকে উল্টো অবস্থা বেন্ড করুন্।

একই রকম ভাবে নিজের বা পাকে বেন্ড করে নিজের বা থাই এর পাশে নিয়ে যান। এবার নিজের দুটি হাত নিজের দুটি হাটুর উপর রাখুন। প্রয়োজনে নিজের চোখ বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পায়ের ও থাই এর সমস্থ পেশীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও আমাদরে স্পাইন বা মেরুদণ্ডের aliment সঠিক করে।


3. বিপরীত করণি (viparita karani):

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে Codesol লেভেল কমায় এবং রক্তের প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।


4. বদ্ধ কোনাসান (Baddha konasana):

বদ্ধ কোনাসান পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে মেরুদণ্ড সোজা করে একদম নরমাল ভাবে বসুন।এর পর দুটি এক অপরের পায়ের মাথায় স্পর্শ করান, ও নিজের দিকে টেনে আনুন।

এবার আপনার দুটি পায়ের হাটুর উপর বা পায়ের উপর নিজের হাত দুটি রাখুন ও ধীরে ধীরে নিজের শরীর কে সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করুন যতটা সম্ভব।  

উপকারিতা:

এই আসন মাইন্ড ও বডির কানেকশেন তৈরি থাকে ও বডি স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় । এই আসন বডির মধ্যে নমনীয়তা আনে ও বডির বিভিন্ন পেশী যেমন হাত , পিঠ, কোমর ইত্যাদি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  


5. শিরশাসন (Sirsasana):

 আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, Adrenalin ও cortisol ইত্যাদি প্রোব্লেম যা আজকের দিনে খুব কমন টা থেকে রক্ষা করে।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


 6. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন । এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ৩০-৪০ সেকেন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও ৫ থেকে ৬ বার রিপিট করুন এই আসন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


7. ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):

এই আসনটি সর্প থেকে অনুপ্রাণিত তাই এই আসনের নাম ভুজঙ্গ আসন, এই আসন শরীরের নমনীয়তা থেকে শুরু করে হরমোন সমস্যার সমাধান ও  নানান  উপকার সাধন করে।

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স ও সঠিক ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।   


8.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান । লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


9. উস্তাসন (ustrasana)

  উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


 10. রাজকপত আশন (Rajakapot Asana):

রাজকপত আশন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান। এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

উপকারিতা: 

পা এর সব পেশীকে শক্ত করে , যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,  শারিরীক দুর্বলতা ও স্ট্রেস দূর করে এবং  মারুদণ্ড সোজা ও মজবুত করে এই আসন।

এছাড়া আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য এই আসন অন্যতম।


11. শিশু আসন (Shishuasan)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান। দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে।    

এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাকে, এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সর্ব প্রকার কার্যকারী কারণ এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায়। এই আসন শরীরে কমজোর ভাব কাটায় ও শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose)

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও  Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।   


এই 12টি আসন ছাড়াও আর নানা আসন আছে যা খুবই উপকারী তবে শুরু করার জন্য এই 12টি প্রধান গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যোগ আসন ছাড়াও আছে বিশেষ Meditation, প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস, অকুপ্রেসার পয়েন্ট  এবং আয়ুর্বেদিক নানা উপাদান যা এই  hypertension বা ব্লাড প্রেসার সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে।

আপনার যদি প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস সম্পর্কে ও meditation নিয়ে জানতে চান নিচে দেওয়া লিঙ্ক এর মধ্যে ক্লিক করুন ( Meditation ) I (প্রাণয়াম )

এছাড়া যদি আপনার Meditation শিখতে চান অনলাইনে বাড়িতে বসে বা আমাদের সেন্টারে এসে তবে দেরি না করে এখনি phone করুন +91-9433-657-349 এই নাম্বারে ও বূক করে ফেলুন নিয়ের সিট।   

Yoga সাথে সুগার কে হারানোর পদ্ধতি | 9 Yoga for Diabetes in Bengali

Diabetes বা সুগার কী ধরনের রোগ ? 

Diabetes বা সুগার হল এক ধরনের ক্রনিক (Chronic illness) রোগ, অর্থাত্‍ এটি বাহিরের কোন জীবাণু বা bacteria দ্বারা ঘটিত রোগ নয়। এটি শরীরের মধ্যে তৈরি একটি ছোট রোগ। এই Chronic illness তখনি সৃষ্ঠী হয় যখন শরীরের গঠন তন্ত্র নিজের মধ্যে ভারসাম্য হীন হয়ে পরে। 

তবে এই সব রোগের ক্ষেত্রে Medical Treatment করার Problem হল সুগারের বর্তমান পরিস্থিতি উপর ওষুধের সাহায্যে সামান্য কন্ট্রোলের করা।

কিন্তু এতে সমস্যার মূলে পৌছে তার চির সমাধান হয় না, শুধু কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতির সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আনা হয়।  

তাই এই সব সমস্যার মূলে পৌছে পূর্ণ সমাধানের জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যেমন Yoga, pranayam, meditation ইত্যাদি।  

বর্তমানে নানা দেশী ও বিদেশী মেডিকেল সংগঠন নানা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মধ্যমে এই বাপরে সম্মতি ও দিয়েছেন।

ডাক্তারা দেখেছেন যে সব্ মানুষের 6 সপ্তাহ ধরে যোগ অভ্যাস করছে তাদের শরীরে সুগার লেভেল একদম নরমাল এবং pancreas ফাংশান অনেক ভাল বিনা কোন বিশেষ ঔষধে ও কোন পার্স প্রতিক্রিয়ায। 

তাই আজ জেনে নেবো 9টি বিশেষ যোগ আসন সম্পর্কে যা সুগারের জন্য অন্যতম।

9 Yoga For Diabetes :

1. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন অর্থাত্‍ ধনুকের আকৃতিতে বডির স্ট্রেচ, সধারণত এই আসন টি একটু শক্ত তবে কিছু দিন অভ্যাস মাধমে সরল হয়ে যায় এই আসন।

এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।         

আসন পদ্ধতি:

dhanurasana

প্রথমে একটি সমতল  যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন। তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

যারা দীর্ঘ দিন সুগার নিয়ে ভুগছেন ও হাতে পায়ে জোর পান না কাজের সময় তারা এই আসনটি করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন।  

এই আসন শরীরের প্যাংক্রিয়াস(pancreas) এর হরমোন উত্‍পাদন ব্যালান্স ঠিক রাখে , শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শরীরে নমনীয়তা আনে।

2. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana ):  

যোগীরা বলেছেন এই  গুপ্ত-পদ্মাসন সর্বরোগ নিরাময় আসন। যা শরীরের সুগের লেভেল, ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি থাকে শুরু করে শরীরের  cholesterol সব কিছুর ব্যালান্স সঠিক করে।

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসন বসুন তারপর  হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনে দিকে টানুন যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার  চিবুক মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।  

মেঝেতে পুরোপুরি লম্বা আসন অবস্থায এবং পুরো শরীরটি রিল্যাক্স  করার চেষ্টা করুন। নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন।  

আস্তে আস্তে শ্বাস  নিন এবং এই অবস্থানটি কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড এর জন্য তারপরে আস্তে  আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন।

উপকারিতা: এই আসন ইনসুলিন থেকে শুরু করে অদ্রিনালিন, কোডেসল হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে.   

3. অর্ধ মৎসেন্দ্র (Ardha Matsyendrasana):

আসন পদ্ধতি:

Ardha Matsyendrasana

প্রথমে এয়াকটি সমতল যায়গা তে বসুন। গভীর ভাবে ৫টি নিশ্বাস নিন। তার পর পা জোর করে বসুন , তার পর সুবিধা মত ডান পা একই অবস্থা রেখে বা পা ডান হাটুর কাছে নিয়ে যান।

এবার নিজের শরীর কে বা দিকে twist করুন ও আপনার ডান হাত বা পায়ের হাটু তে রাখুন ও বা হাত মাটিতে রাখুন ।

যতটা সমভব মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও গভীর নিশ্বাস নিন। তার পর আবার পা ও হাত পাল্টে এআই আসন টি ৫ থেকে ৬ প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা :

এই আসন আমাদের সুগার কনট্রোল করেতে ও বডির স্ট্রেস হরমোন নরমাল রাখতে সবচেযে বেশি সাহায্য করে।এর ফলে শরীর যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের ভারসাম্য বজায় রাখে নির্দিষ্ট ভাবে।

4. চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

Chakrasana

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  

যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। এবং এই পজিশনে 20 তাকে 30 হোল্ড করুন বডিকে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে  স্ট্রেচ  করতে ও শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  এই আসন সুগার থেকে হাত ও পায়ের কমজোর ভাব ও শরু হয়ে  যাওয়া সমস্যা কাটাতে খুব সাহায্য করে বিনা কোন ওষুধে।  

5. হ্যালাসন (Halasana) :

যোগর মধ্যে সবচেয়ে এফেক্টিভ আসন হ্যালাসন এই সুগার লেভেল থেকে শুরু করে গ্লুকোষে বার্নিং রেট সমস্থ কিছু কনট্রোল করে।

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

হ্যালাসন পদ্ধতি:

Halasana

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে। দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান । লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন পেটের সমস্থ অংশ কে স্ট্রে্‍চ করে যাতে হরমোন উত্‍পাদন থেকে শুরু শরীরের প্রয়োজন অনুজাই হরমোন ব্যালান্স করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।    

6. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

এই আসনের নাম সেতু বন্ধন কারণ এই আসন আমাদের মাইন্ড ও বডির কানেকশেন ও স্ট্রেস মেনেজর জন্য সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

আসন পদ্ধতি:

Setubandh asana

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন নিজের সুবিধা মত।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের মধ্যে ইনসুলিন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

7. উর্ধ্ব-পদ্মাসন (Urdhva-Padmasana): 

সুগারের জন্য অন্যতম আসন উর্ধ্ব-পদ্মাসন, এই আসন সুগার থেকে হওয়া শারিরীক কমজোরি দূর করে এবং হাত রোগ হয়ে যাওয়া সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।  

আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=Pup8xhAx7jE&t=2s
Urdhva padmasana

সবার প্রথমে একটি পরিষ্কার যায়গা খুজে বার করুন ও সমান ভাবে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন। ও কোমর থেকে নিচের অংশ কে ভাজ করে মুক্ত-পদ্মাসন  এর মত একটি পা অন্য পা এর উপর রাখুন। এবার হাতের উপর ভর দিয়ে পা গুলিকে উপরের দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন।   

উপকারিতা:

আপনার রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও কোমরের ব্যথার  সমসা  থাকে চির মুক্তি দেয়। এর সাথে বডি কোডেসল লেভেল ও ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে।

8. ভুজঙ্গ আসন:

এই আসনটি সর্প থেকে অনুপ্রাণিত তাই এই আসনের নাম ভুজঙ্গ আসন, এই আসন শরীরের নমনীয়তা থেকে শুরু করে হরমোন সমস্যার সমাধান ও  নানান  উপকার সাধন করে।

Bhujangasana

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

 এই আসন করলে আপনার lungs এর ক্ষমতা বারে। বুকের  বা বুকের পাজর শক্ত করে যাতে আকার গত ভাবে সঠিক হয়।

এছাড়া শরীরে  ইনসুলিন হরমোন ব্যালান্স করে, সর্দি কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।

আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও এই যোগ আপনাকে জীবনে লক্ষ স্থির করতে ও সবচেয়ে বেশি  সাহায্য করে ।

9. কূর্মাসন:  

এই আসন নাম কূর্মাসন কারণ ,এই আসনে আপনাকে দেখতে খোলস থাকা ক্ছপ  এর আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির কূর্মাসন।

কূর্মাসন পদ্ধতি:

Kurmasana

প্রথমে পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে দিন, পা কে এবার ডিম্বাকৃতি করুন।আস্তে আস্তে কোমর থাকে শরীর কে ভাজ করে আপনার মাথা পা এর পাতার কাছে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ঠেকান যত টা সম্ভব ।

এবার পা এর তলা দিয়ে দুটি হাত বার করে কোমর এর পিছনে নিয়ে গিয়ে প্রণাম ভঙ্গিমাতে নিজে কে হোল্ড করুন।

উপকারিতা: 

 আপনার গাস্টিক, আলসর, কিডনি তে পাথর হওয়া হাত থাকে মুক্তি দেয় এই আসন।আপনার বডির সুগার ও সমস্থ স্ট্রেস হরমোন কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন ।  এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন থাকে শুরু করে মাইন্ড ও বডির কানেকশেন জন্য Meditation খুবই উপকারী।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার যদি স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান থেকে মুক্তি ও মানসিক শান্তি পেতে চান মেডিটেসনের মাধ্যমে তবে যোগা যোগ করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বেরে

যোগ নিদ্রার অর্থ কী ? Yoga Nidra in Bengali

Yoga nidra:

যোগ নিদ্রা পধুতির সৃষ্ঠী কর্তা স্ব্মি সত্যনন্দ সরস্বতী, যিনি হলেন ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ যোগ শাস্ত্রবিদের এক জন। যোগ নিদ্রা হল শরীর ও মনকে বিশেষ নিদ্রার অবস্থা উপনীত করার পক্রিয়া।

যার সাহায্যে আমরা চেতনার এবং  ঘুম মধ্যে আছন্ন বিশেষ স্তরে পৌছাই। যেখানে মানুষের চেতনা, আবেগ ও শরীরের নানা বিষয় দ্রুত আরোগ্য সাধন সম্ভব হয়।

কারণ যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মধ্যমে আমরা ব্রেনের THETA ওয়েভ Stage (4-7.5Hz) পৌছই। এই স্টেজে আমাদের ব্রেনের সমস্থ বিষয় নিয়ে চলতে থাকা চিন্তা একে বারে কমে যায় ও বাহিরে জগত থাকে আমরা ডিসকানেক্ট হয়ে যাই

এই Theta ওয়েভ স্টেজে মানুষে জীবনে কে পরিবর্তণ করতে পারেন। কারণ ব্রেনের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভিন্ন কাজের neural pathways গুলি নতুন করে পরিবর্তন করতে পারে ।

সঠিক জ্ঞান থাকলে এই স্টেজে দ্বারা আমরা হ্যাবিট থেকে শুরু করে মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ সাধন করতে পারি।


যোগ নিদ্রা প্রণালী:

যোগ নিদ্রা প্র্যাক্টিস জন্য সবার প্রথমে আপনাকে নির্দিষ্ট সংকল্প প্রয়োজন। সংকল্প অর্থাত্‍ কোন বিশেষ জিনিস প্রাপ্তি বা কোন কষ্ট থাকে মুক্তি যেমন ধরুন কনফিডেন্স প্রাপ্তি আবার ধরুন জীবনের অর্থ কষ্ট ও স্ট্রেস থাকে মুক্তি।

আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত পূর্ণ প্রয়োজনীয়তা অনুজাই আপনার সংকল্প নির্ধারন করুন সবার প্রথমে । এর পর যোগ নিদ্রা অভ্যাসের সুর করার জন্য হালকা ও comfortable জামা কাপড় পড়ুন, সবচেয়ে ভাল সূতির জামা কাপড়।

তার পর একটি সমতল যায়গা খুজে নিন একদম নির ভাবনায় শুয়ে পড়ার জন্য, আপনি চাহিলে আপনার বিছানা ব্যবহার করতে পারেন। এবার শুয়েই শরীর কে শবাসন ভঙ্গি নিয়ে আসুন। হাত দুটি একটু বডির থাকে দূরে রাখুন, একই ভাবে পা গুলো একটু রাখুন।

হাতের তালু যেন উপরের দিকে থাকে ও প্রতিটা আঙ্গুলের মাঝে যেন একটু গ্যাপ থাকে।এবার ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন, ও এমন ভাবে করুন যাতে চোখের মনি গুলো একটু উপরের দিকে থাকে, তা না করলে আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন খুব সহজে।

এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও প্রতিটি নিশ্বাস ৫ সেকেন্ড করে হোল্ড করুন ও তার পর ছারুন।  তার পর ধীরে ধীরে নিজের পর নিজের পায়ের পাতা ও  আঙ্গুলের উপর ফোকাস করুন সময় নিয়ে যত ক্ষণ না 10টি আঙুল উপর অনুভুতি পাছেন।

এর পর আস্তে আস্তে  পায়ের পাতার উপর ও হাটুর নিচের অংশের সমস্থ পের্শীর উপর ফোকাস করুন। ও তার পর হাটুয়ে উপরের অংশের থাই পর্যন্ত সমস্থ পেশীর উপর নিজের ফোকাস নিয়ে যান।

নিজের বডি কে রিল্যাক্স করুন ও বডির উপরের অংশে কোমর থেকে শুরু  বুক পর্যন্ত অংশে ফোকাস করুন, নিজের শরীরের প্রতিটি অংশে নিজের চেতনা কে নিয়ে যান।  তার পর আস্তে আস্তে নিজের গলা সাথে মুখ ও মাথার দিকে ফোকাস বা চেতনা কে নিয়ে যান।

শেষে নিজের ফোকাস কে দুটি চোখের মাঝখানে নিয়ে আসুন। এবার আপনার পূর্ব নির্ধারিত্‍ সংকল্পটি মনের মধ্যে প্রাণবন্ত ভাবে Visualize করুন। ও ভাবুন আপনার চোখ খোলার সাথেই আপনার সংকল্প পূরণ হয়েছে বাস্তবে, দেখুন আপনি কেমন ফ্রীল করছেন কতটা খুশি এই সংকল্প পূরণে ।

সর্ব শেষে নিজের হাতের দুটি তালু ঘসুন ও নিজের মুখের উপর ধীরে ধীরে বুলিয়ে নিন ও আস্তে আস্তে নিজের চোখ খুলুন ও উঠে বসুন। যদি আপনি কোন সংকল্প না করেন তবে এর পর আপনি নিজের নিশ্বাস কে কাউন্ট করতে পারেন।  

বা নিজের ফোকাস কে উপর থাকে নিচে নিযে যেতে পারেন যাকে বডিস্ক্যান meditation বলে। যদি আপনি ডিপ্রেসানে, স্ট্রেস বা কোন বাজে হ্যাবিটে ভোগেন তার guided meditation প্র্যাক্টিস করতে পারেন।  

এছাড়া এই সব সমস্যার জন্য আমাদের পুরো বাংলাতে তৈরি Meditation ও প্র্যাক্টিস করতে পারেন click here। এবং আমাদের সুপ্রভি Meditation করতে পারেন একদম বিনমূল্যে। Click Here or (+91-9433-657-349)

যোগ নিদ্রার উপকারিতা :  

1. Creative ক্ষমতা বৃদ্ধি: যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংকল্প দারা মনের গভীরে বা subconscious মাইন্ড এর মধ্যে জীবনে গুরুত্ত পূর্ণ জিনিস যা যেমন ক্রীয়েটিভিটি ও অ্যাব্স্ট্রাক্ট thinking এর মত প্রয়োজনীয়ও জিনিসের বিকাশ ঘটানো সম্ভব।

2. স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি শক্তির বিকাশ:  যোগ নিদ্রার মধ্যে করা ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন এর মাধমে আপনি আপনার কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধির ব্যপক বিকাশ করতে পারেন।

কারণ যোগ নিদ্রা এমন এক বিশেষ পক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি চেতনার ডিপে বা Theata WAVE স্তরে পৌছন ও যেখানে নিজের ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন মাধমে আপনি নিজের কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি চির পরিবর্তণ করতে পারেন।

এছাড়াও  যোগ নিদ্রা ব্রেনের দুটি  hemisphere মধ্যে তলমেল সৃষ্ঠী করে ও ব্রেনের মধ্যে থাকা corpus callosum কে আর শক্ত করে।

3.  স্ট্রেস কমায়: যোগ নিদ্রা আপনার জীবনে ফিসকাল, ইমোশনাল ও মেন্টাল স্ট্রেস কে কমায় মাত্র 7 দিনের মধ্যে, আমাদের প্রয়োজন সঠিক সংকল্প ও সঠিক yoga nidra পধুতির।

4. ইছা শক্তির বৃদ্ধি: জীবনে সাফল্যের জন্য অদম্য ইছা শক্তি প্রয়োজন, বিনা ইছা শক্তিতে জীবনের কোনো কাজ সম্ভব না।  

এবং এক মাত্র আপনি নিজে ছাড়া জীবনে আপনাকে অন্য কেউ ইছে শক্তি প্রদান করতে পারবে না। তাই  Yoga Nidra এই সংকল্প আপনাকে জীবেনে সর্ব ক্ষেত্রের ইছা শক্তি প্রদান করতে সাহায্য করবে।

5. মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ:   মানুষের  মধ্যে হওয়া সমস্থ রকমের শারিরীক ও মানসিক disorder গুলি নির্দিষ্ট সংকল্পর মাধমে পরিবর্তণ সম্ভব।

কারণ অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়াতে শরীর neural path গুলি পরিবর্তণ  করে নতুন path সৃষ্ঠী করে।  


যোগ নিদ্রার প্রয়োজনীয়তা:

বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষের লাইফ স্টাইল খুবই আনব্যালান্স, বেশির ভাগ মানুষ আজ ঘুম, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ও হরমোন, নানা নার্ভের সমস্যতে ভূগছেন।

একটি গবেষণা বলা হয়েছে শতকরা 40% ভাগ মানুষ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া থেকে শুরু করে নানা শারিরীক সমস্যা তে দীর্ঘ দিন ভুগছেন। তার কারণ মানুষের নিজের অকারণ ও অযৌক্তিক মানসিক চিন্তা এবং স্ট্রেস ।    

স্ট্রেস এবং অযৌক্তিক মানসিক চিন্তার থেকে মুক্তির পাওয়ার জন্য মানুষ নয় ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করেন বা ন্যাচারাল যোগ আসন, meditation, প্রাণায়াম, যোগ নিদ্রা অভ্যাস করেন।তবে আজের দিন এই ন্যাচারাল প্রক্রিয়া গুলি করার জন্য বেশির ভাগ্ মানুষ সময় করে উঠতে পারেন না।

তবে যোগ নিদ্রা এমন এক প্রক্রিয়া যা রাতে ঘুমানর আগে করা যায় বিনা সমস্যায । যাতে মনের মধ্যে চলতে থাকা দুশ্চিন্তা গুলি বন্ধ হয় ও শরীর গভীর ভাব রেস্ট পায়।

যোগ নিদ্রা জন্য না কোন বিশেষ সামগ্রীর বা বিশেষ কোন পক্রিয়া প্রয়োজন হয় না, খুবই সোজা এই পক্রিয়া।

৮ থাকে ৮০ যে কোন বয়সের মানুষ এই প্রক্রিয়াটি করতে পারেন। শুধু আপনাকে আপনার জীবনের সঠিক সংকল্প নির্ধারন ও তা যোগ নিদ্রার মধ্যে নিজেকে উপস্থাপন করতে দিতে হবে ।

যদি আপনি স্ট্রেস , depration , ঘুম না হওয়ার সমস্যা তে ভুগছেন তবে আপনাদের জন্য আছে আমাদের Spacial Mediation Course বিশদ জানতে click করুন এই link এ বা call করুন +91-9433-657-349 নাম্বারে।

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

যোগের 9টি গুরুত্তপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর | 9 Common Questions About Yoga in Bengali

1. যোগ শিক্ষার জন্য কী নমনীয় শরীর প্রয়োজন ? Do I have to be flexible to practice yoga? 

না, Yoga শিখতে নমনীয় শরীর প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন প্র্যাক্টিসের সাথে শরীর ধীরে ধীরে নমনীয় হয়ে উঠবে।

আসল বেপার হল যোগ প্র্যাক্টিস এর জন্য ভাল টীচার বা গুরুর, যিনি আপনার শারিরীক গঠন অনুজাই যোগ অভ্যাস করবেন।  

2. গর্ভবতী মহিলারা কী Yoga করতে পারেন? Can and pregnant women do yoga ?

হ্যা, গর্ভবতী মহিলার যোগ অভ্যাস করতে পারেন তবে বিশেষ নিয়ন্ত্রনে খুব লিমিটেড কিছু আসন।

গর্ভাবস্থায় বডির নমনীয়তা উপর নয় আপনার আবেগ, চেতনা ও শরীরের সক্রিয়তার উপর কাজ করেন যোগ আসন। যা মা ও তার সন্তানের জীবন সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

3. আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কী যোগ অভ্যাস করা উচিত? What if I have an injury or physical condition?

না, আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কখনো বিনা ডাক্তারী পরামর্শে যোগ অভ্যাস উচিত না। না হলে আপনি নিজের সাথে অন্যের বিপদ ডেকে আনবেন।

যদি আপনার শারিরীক সমস্য থাকে সবার আগে যোগার টীচারকে বলুন ও পরামর্শ নিন এতে আপনারই মঙ্গল।

4. যোগ কী ওজন কমাতে সাহায্য করে? Can yoga help me lose weight?

হ্যা, যোগ আপনার ওজন কমাতে খুবই সাহায্য করে।যোগ বডিকে detox থেকে শুরু করে fat কমানোর মত নানা রোগের সমাধান প্রদান করে।

5. আমরা কী অনলাইন যোগ শিখতে পারি শুরুতে ? Can I learn yoga online as a beginner? 

যখন আপনি শুরু প্রথম Yoga করছেন তখন অনলাইন ভিডিও থেকে প্র্যাক্টিস না করাই ভাল, এতে বড় injury হবার চান্স বেশি।

ভুল আসন দীর্ঘ দিন করলে শরীরের উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় তাই কোন yoga class শেখাই ভাল।

6. যোগ শিক্ষার সময় কী টীচার আমাকে স্পর্শ করবে ? Is the teacher going to touch me?

হ্যা স্পর্শ করবে, প্রতিটি আসন একদম ঠিক ভাবে করার জন্য টাচ করা কিছুটা প্রয়োজন। তবে এতে যদি আপনি uncomfortable ফিল করেন তবে সাথে সাথে টীচারের সাথে কথা বলুন। সবচেয়ে ভাল ছেলেরা পুরুষ টীচার ও মেয়েরা মহিলা টীচারের থেকে যদি  শেখেন।

7. শুরুতে কী ধরনের যোগ আসন করা উচিত? What yoga style should I practice?  

দেখুন যোগ পধুতির নানা ভাগ আছে যেমন হঠ যোগ, নাদা যোগ, কুণ্ডলিনী ইত্যাদি, নামের মায়াতে শুরুতে না জড়িয়ে বেসিক যোগ আসন প্রথমে শিখুন কোন সঠিক যায়গা থাকে।
 
কারণ বয়স, শারিরীক গঠন, নমনীয়তা ও লিঙ্গ অনুজাই বিশেষ কিছু আসন করা প্রয়োজন, সব রকম আসন সবার জন্য নয়। সঠিক যোগ গুরুর নির্দেশে ও উপস্থিতিতে যোগ আসন শুরু করুন।

8. যোগ আসনের জন্য কোন ধরনের গুরুর প্রয়োজন ? How do I find a yoga teacher?

প্রথম ব্যাপার হল যোগ শিক্ষা সর্বদা কোন বয়জেষ্ঠ গুরুর কাছে শেখা প্রয়োজন, যার অনুভব বা জ্ঞান আছে যোগ শাস্ত্রের উপর।

যোগ কোন stretching নয়, প্রতিটা আসনের নির্দিষ্ট কারণ আছে তাই Yoga টীচার সেই রকম ভাবেই সিলেক্ট করবেন যিনি আপনাকে কারণ সম্মত ভাবে yoga শেখাবেন।    

9. যোগ আসনের আগে কিছু খাওয়া উচিত ? Can I eat before yoga practice?

না Yoga অভ্যাস সম্পুর্ন খালি পেটে করা উচিত, যদি কিছু হালকা খান তার অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা পরে ও ভারি কিছু খেলে ৬-৭ ঘণ্টা পরে Yoga প্র্যাক্টিস করা উচিত।

চক্র মেডিটেশন কী | What is Chakra Meditation In Bengali?

Chakra Meditation:

Chakra বা চক্র হল আমাদের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন প্রান শক্তির কেন্দ্রবিন্দু বা বিভিন্ন নাড়ির সংযুক্ত কেন্দ্রবিন্দু। এবং এই নাড়ী হল আমদের শরীরের প্রাণ শক্তি বা এনার্জি প্রবাহী নালিক।

যখন এই নাড়ী গুলির যখন তিনটি একত্রে মিলিত হয় তখন সৃষ্ঠী হয় নির্দিষ্ট গুন সুমপূর্ন একটি চক্র। অবাক বিষয় তিনটি নাড়ী সর্বদা মিলিত হয় ত্রিকোন আকারে ও বিশেষ এনার্জি রূপে।

আমরা মনে করি চক্রে মানে গোলাকার আকৃতি বিশিষ্ঠ তা নয়, চক্র হল ত্রিকোণ আকৃতির। এই চক্র সর্বদা নিদিষ্ট ক্ষমতা বা এনার্জি পূর্ন হয় ও বিজ্ঞান অনুজাই এনার্জি সঞ্চারিত হয় গোল আকারে, এই বিশেষ স্থানকে চক্র বল হয়।

আমাদরে শরীরের মধ্যে ১১৪ টি প্রধান চক্র আছে, যার মধ্যে ২টি দেহের বাহিরে ও ৪টি সয়ং নিষ্ক্রিয় যা বাকি ১০৮ টি প্রকৃতির সাথে যুক্ত এবং এই 6টি বাদ দিলে পরে থাকে ১০৮ টি।     

১০৮টি চক্রই ১০৮টি ধরনের ভিন্ন ধ্যান প্রণালীর সাথে যুক্ত। আমরা প্রতিটি প্রণালীতেই আত্ম জ্ঞান প্রাপ্ত করতে পারি বা পরম জ্ঞান প্রাপ্ত করতে পারি। প্রতিটিই চক্র এক একটি বিশেষ চেতনা ও জ্ঞানের স্তর উন্মুক্ত করে তলে সময়ের সাথে।

এর মধ্যে জীবন ও চেতনা স্তরে প্রয়োজন প্রধান ৭টি চক্রের উপর আমরা কাজ করি। এই ৭টি হল মুলাধার চক্র, স্বাধিষ্ঠান চক্র , মণিপূরক চক্র, অনাহতা চক্র, বিশুদ্ধি চক্র, অঞ্জনা চক্র ও সহস্ররার চক্র         


মুলাধার চক্র:

Muladhara chakra

মুলাধার হল শরীরের প্রথম বুনিয়াদ ভিত্তি স্থাপন ও এনার্জির কেন্দ্রবিন্দু বা উত্‍স । এই চক্রটি আপনার মেরুদণ্ডের একদম নিচের অংশে অবস্থিত যা বলা হয় শরীরের চক্রের সূচনা বিন্দু।

এই মুলাধার চক্রের রং হল রক্তিম লাল, এই চক্রটি আপনার প্রতিদিনের বেসিক চাহিদা যেমন খাওয়া দাওয়া , ঘুম বা অলসতা, সম্ভোগ ইত্যদি নিয়ন্ত্রণ করে।

মুলাধার চক্রের সাধনা করলে আপনি জীবনের সমস্থ বেসিক চাহিদা গুলি থেকে মুক্তি পেয়ে পাবেন। যোগে বলা হয় যত দিন না আপনি বেসিক প্রয়োজনীয়তা উপরে আস্তে পারছেন তত দিন পশু ভিত্তিক অচরণের মধ্যেই আটকে চেতনা ও জীবন।

এই মুলাধার চক্রের বীজ মন্ত্র হল “লাম-LAM”,এই মন্ত্র উচরণে এই চক্রকে কিছুটা ব্যালান্স করে। তবে পূর্ণ রূপে জগরণের জন্য সাধন বা নির্দিষ্ট ধ্যান পধুতির প্রয়োজন।


স্বাধিষ্ঠান চক্র:

Swadhisthana chakra

দ্বিতীয় চক্র স্বাধিষ্ঠান হল শরীরের তৃপ্তি বা সন্তোষ সাধন ও চিন্তা শক্তির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি নাভির একটু নিচের দিকে অবস্থিত ও এই চক্রের রং হল কোমলা।

ঋষিরা বলেছেন এই চক্রটি আমাদের রোজকার জীবনে চিন্তা ভাবনা থেকে শুরু করে শারিরীক ও মানসিক পরিতৃপ্তি নিয়ন্ত্রণ কর।

স্বাধিষ্ঠান চক্রের সঠিক সাধন করতে পারেন আপনি জীবনে প্রাণবন্ত ভাবে মানুষ বাচতে পারবে। পুরাণের মতে যদি আপনি মুলাধার চক্র ও স্বাধিষ্ঠান চক্রর ব্যালান্স আনতে পারেন তবে জীবনে 70 ভাগ শরীরীরক সমস্যা থাকে মুক্তি পায়ে যাবেন।

এই স্বাধিষ্ঠান চক্রের বীজ মন্ত্র হল “ভাম-VAM”, এই মন্তের 108 বার সঠিক উচরনে এই চক্রটি কিছুটা  ব্যালান্স হয় তবে সাধনা ছাড়া পূর্ণ জাগরণ সম্ভব না।   


মণিপূরক চক্র:

Manipura chakra

তৃতীয় চক্র মণিপূরক হল জীবনে কর্মের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি আমাদের নাভিতে অবস্থিত।

মণিপূরক চক্রের রঙ হল হলুদ বা ইয়েলো কালারের, ঋষিরা বলেছেন চক্রটি আমাদের বিন কোন আবেগ  মায়াতে না জড়িত হয়ে কর্ম করার ক্ষমতা ও শক্তি প্রদান করে এছাড়াও এই চক্রের ইত্যাদি বহু গুণ আছে ।

তাই মণিপূরক চক্রের সাধন খুবই কঠিন কিন্তু সবচেয়ে প্রয়োজন প্রতিটি মানুসের্ জীবনে। সাধক দের মতে কর্মের বন্ধন থেকে মুক্তি না পাওয়া গেলে মানব জিবনে সুখ ও শান্তির অবভাব চির কাল থাকবে।

পূরণ অনুযাই মণিপূরক চক্রের বীজ মন্ত্র হল “রাম-RAM”, এই বীজ মন্ত্রটি নির্দিষ্ট সাধনার সাথে করা হলে এই চক্র ব্যালান্স করা সম্ভব।


অনাহতা চক্র:

Anahata chakra

চতুর্থ চক্র অনাহতা হল জীবনে প্রেম ও ক্রিয়েটিভ শক্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি আমাদের বুকের একটু নিচের দিকে অবস্থিত।

এই অনাহতা চক্রের রঙ হল সবুজ, এবং এই চক্রটী আমদের সমস্থ ইমোশনের বহি-প্রকাশ থেকে শুরু করে শরীরীর সমস্থ হরমোন প্রোব্লেম ও ক্রিয়েটিভ সক্ষমতা উপর ব্যালান্স প্রদান করে।

অনাহতা চক্রের সাধন পৃথিবীর সমস্থ জিনিসের সাথে প্রেম ও বাকি না প্রকাশ পাওয়া ইমোশান জীবনে পুনরায় প্রতিস্থাপন করে। ঋষিরা বলেন মানুষ কে পশুর থাকে আলাদা করে এই ইমোশন ও প্রেম, বিন এই দুই জিনিসে মানব জীবন অসফল।  

এই চক্রের বীজ মন্ত্র হল “য়াম-YAM”, এই মন্ত্রটি নির্দিষ্ট রীতিতে সাধনা করলে আমদের এই চক্রকে ব্যালান্স করে।


বিশুদ্ধি চক্র:

Vishuddha chakra

পঞ্চম চক্র বিশুদ্ধি হল আমদের শরীরের বিশ বা নেগেটিভ এনার্জি ফিল্টার, এই চক্রটি আমাদের গলার মধ্য অবস্থিত।

বিশুদ্ধি চক্রের রং হল গাড় নীল বা ডীপ নীল, এই চক্রটি নেগেটিভ চিন্তা, নেগেটিভ বিচার বা মন্তব্য ও সর্ব প্রকার নেগেটিভ শক্তি থেকে নিজের অন্তরের পজিটিভ ক্ষমতা কে রক্ষা করে। এই চক্রটি ব্যালান্স থাকলে সর্ব দিক থকে প্রবল ক্ষমতা শালি হয়ে উঠবেন।

বিশুদ্ধি সাধন কোন সাধারণ সাধন না এর জন কঠিন সাধন প্রয়োজন। তবে এই যদি এই চক্র ব্যালান্স আমদের মানসিক ও শারিরীক দুই দিক থেকে প্রবল ক্ষমতা শালি করে তলে।

এই চক্রটির বীজ মন্ত্র “হ্যাম-HAM”। এই চক্রটির পূর্ণ ব্যালান্স এর জন্য বিশেষ সাধনা ও গভীর ধ্যান শক্তির প্রয়োজন।


অঞ্জনা চক্র:

ষষ্ঠ হল অঞ্জনা চক্র এবং এটি সনাতন ও বিনা আবেগ মিশ্রিত চেতনা ও শান্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি দুই চোখের মধ্যবর্তি স্থানে অবস্থিত তাই চক্রকে ত্রিনেত্র বলে।

এছাড়া এই চক্রের রং সাদা বা রঙ হীন কারণ, সাদা এমন এক রঙ যার মধ্যে অন্য রঙের স্পর্শ নেই। এই চক্রটি আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত কে বিনা কোন আবেগ ও অনুভূতিতে জড়িত হয়ে সঠিক ভাবে বোঝার ক্ষমতা প্রদান করে।

ঋষিদের মতে অঞ্জনা চক্রের সাধন জীবনে প্রতিটি জিনিসের পরম সত্যতা মানুসের কাছে তুলে ধরে, সত্যর বোধ মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্ত পূর্ণ।

ও পূরণ মতে এই চক্রটির বীজ মন্ত্র “সাহ্যাম-SHAM” এই বীজ মন্ত্রটি এই চক্রটি ব্যালান্স আনতে সাহায্য করে।


Sahasrara chakra

সহস্ররার চক্র:

এই চক্রটি পরম জ্ঞান ও পরম আনন্দ শক্তির প্রধান উত্‍স । এই চক্রটি আমদের মাথার ব্রহ্ম তালু তে অবস্থিত।

ও এই চক্রের রঙ বেগুনি বর্ণের হয়।ঋষিদরে মতে মানুষ নিজের জীবনের শান্তিকে পরম লক্ষ ভাবে, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারনা। এই চক্রটি ব্যালান্স হলে জীবনে সর্ব সময় আমরা পরম জ্ঞান ও আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।          

পুরাণে বলা হয় এই চক্রের সাধন সবচেয়ে কঠিনও তম বিষয়, যতখন না বাকি সমস্থ চক্র ব্যালান্স হছে এই সহস্ররার চক্রে পৌছ্নর কোন পথ নেই এবং যোগেও এই সহস্ররার ব্যালান্স করার কোন সহজ উপায় বলা নেই।

কারণ এই চক্র হল সৃষ্ঠীর পরম জ্ঞানের দ্বার তাই এই ব্যালান্স কোন সহজ বিষয় নয়। এই চক্রের বীজ মন্ত্র “আউম-AUM” যার থেকেই সমস্থ জ্ঞানের সূচনা।


Chakra Meditation :

এই প্রধান 7 ক্ষমতা প্রদান করি চক্র গুলির মধ্যে সমতা সৃষ্ঠীর বিশেষ উপায় হল চক্র Meditation । এটি বিশেষ সাধনা প্রণালী যার সাহায্যে জীবন কে পূর্ণ রুপান্তরন ও পূর্ণ মানব জীবন প্রণালী সম্ভব।


আসা করি অপনদরে সঠিক ইনফরর্মেশন দিতে পড়েছি । যদি কেউ Online বা Offline এ meditation শিখতে চান তবে +91 9433-657-349 নাম্বার call করুন

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

Exit mobile version
0