মেডিটেশনের ১৩টি বৈজ্ঞানিক উপকারিতা | Scientific-Benefits-of-Meditation

মেডিটেশন বা ধ্যানের ১৪টি বৈজ্ঞানিক উপকারিতা:

মেডিটেশনের মধ্যে কিছু আশ্চর্যজনক উপকারিতা বিদ্যমান যা একটি সুস্থ, সুখী ও সার্থক জীবনের প্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং একই সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রভাব বিস্তারকারী ক্রিয়া।  বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈজ্ঞানিক তথ্য দেওয়া হল:

1) মস্তিষ্কের কাঠামোগত পরিবর্তন:

  • গ্রে ম্যাটার বৃদ্ধি: নিয়মিত ধ্যান মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটারের ঘনত্ব বাড়ায়, যা জ্ঞান, স্মৃতি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত। এবং একই সাথে  ধ্যান মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (BDNF) এর উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। (BDNF) বিডিএনএফ একটি প্রোটিন যা নতুন নিউরনের বৃদ্ধি এবং পুরাতন নিউরন সঠিক সংযোগে সহায়তা করে। 
  •  অ্যামিগডালার আকার হ্রাস: অ্যামিগডালা মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেমের একটি মূল অংশ, যা আবেগ প্রক্রিয়াকরণের জন্য দায়ী, বিশেষ করে ভয় ।  ধ্যান অ্যামিগডালার আকার এবং প্রতিক্রিয়াশীলতাকমায়, যা উদ্বেগ ও ভয় প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স শক্তিশালীকরণ: মেডিটেশন প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (PFC) এর জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা ও আত্ম-নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত ও যা ধ্যানের মাধ্যমে উন্নত হয়

2) হরমোন ভারসাম্য:

  • কর্টিসল হ্রাস: ধ্যান স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমায়, যা দীর্ঘমেয়াদী স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
  • মেলাটোনিন বৃদ্ধি: ধ্যান মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়ায়, যা ভাল ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয়।
  • সেরোটোনিন নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ধ্যান সেরোটোনিন স্তর নিয়ন্ত্রণ করে, যা মেজাজ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

3) জেনেটিক প্রভাব:

  •  টেলোমিয়ার সংরক্ষণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে ধ্যান টেলোমিয়ারের দৈর্ঘ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীর করতে পারে।
  • জিন এক্সপ্রেশন পরিবর্তন: ধ্যান কিছু জিনের এক্সপ্রেশন পরিবর্তন করতে পারে, যা ইনফ্লামেশন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

4) কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা:

  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ধ্যান রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
  •  হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ: ধ্যান হৃদস্পন্দনের হার কমায় ও হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

5) ইমিউন সিস্টেমের উপকারিতা:

  • NK সেল বৃদ্ধি (Natural killer cells) : ধ্যান ন্যাচারাল কিলার (NK) সেলের সংখ্যা ও কার্যকারিতা বাড়ায়, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শরীরের সংক্রামিত কোষ এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস কে ধ্বংস করে।  
  •  ইনফ্লামেটরি মার্কার হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান C-reactive protein সহ বিভিন্ন ইনফ্লামেটরি মার্কারের মাত্রা কমায়  যা সুস্থ শরীরের জন্য উপযোগী ।

6) ব্যথা নিয়ন্ত্রণ:

  • ব্যথার অনুভূতি পরিবর্তন: ধ্যান মস্তিষ্কের ব্যথা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলির কার্যকলাপ পরিবর্তন করে, যা ব্যথার অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে।
  • এন্ডোরফিন নির্গমন: ধ্যান শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক এন্ডোরফিনের নির্গমন বাড়ায়। যা  আনন্দ, সুস্থতার অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং ব্যথা উপলব্ধি হ্রাস করে।

7) কগনিটিভ ফাংশন উন্নয়ন:

  • কার্যকরী স্মৃতি বৃদ্ধি: গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ধ্যান কার্যকরী স্মৃতি ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • মস্তিষ্কের তরঙ্গ পরিবর্তন: ধ্যান আলফা ও থিটা তরঙ্গের কার্যকলাপ বাড়ায়, যা শান্তি ও একাগ্রতার সাথে সম্পর্কিত।

8) বয়স-সম্পর্কিত অবক্ষয় প্রতিরোধ:

  • নিউরোপ্লাস্টিসিটি বৃদ্ধি: ধ্যান মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়ায়, যা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • কগনিটিভ ডিক্লাইন হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান বয়স-সম্পর্কিত কগনিটিভ অবক্ষয়ের গতি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

9) একাগ্রতা ও মনোযোগের বৃদ্ধি: 

ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সেই অংশগুলিকে শক্তিশালী করে যেগুলি একাগ্রতা ও মনোযোগের সাথে সম্পর্কিত। এর ফলে:

  • মনোযোগ বৃদ্ধি : মেডিটেশন আপনার মন কে শান্ত করে তুলতে সাহায্য করে, শরীরের স্ট্রেস হরমোন ও দুশ্চিন্তা বা অস্বাভাবিক উত্তেজনা এবং বিরক্তি মনোভাব কমাতে সাহায্য করে, ফলে আপনি যে কোন কাজে সহজ ও দীর্ঘ মেয়াদি মননিবেশ করতে পারেন। ছাত্র ছাত্রী দের জন্য মেডিটেশন অভ্যাস বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এটি তথ্য গ্রহণ ও ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • বর্তমান মুহূর্তে থাকা: ধ্যান আপনাকে ‘মাইন্ডফুলনেস’ বা সচেতন উপস্থিতি অনুশীলন করতে শেখায়, যা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে পূর্ণভাবে উপভোগ করতে সাহায্য করে।

10) শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব:

 ধ্যান শুধু মানসিক নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়। এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব:

  • হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান রক্তচাপ কমায় এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং Heart Rate Variability উন্নত করে, (HRV) হল হৃদস্পন্দনের মধ্যে সময়ের ব্যবধানের তারতম্যের একটি পরিমাপ, যা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার হৃদয়ের ক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে, উচ্চতর HRV ভাল কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের সাথে যুক্ত, মেডিটেশন আমাদের HVR উন্নত করতে সাহায্য করে
  • ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালীকরণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে মেডিটেশন বা ধ্যান শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে , যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং শরীরের কোষগুলিকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফলে শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমে  তৈরিতে সাহায্য করে।
  • ঘুমের মান বৃদ্ধি: মেডিটেশন শরীরের রিলাক্স করতে করতে সাহায্য করে, প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের ব্যালান্স করতে সাহায্য করে যা আমাদের বিশ্রাম এবং হজমের জন্য দায়ী। 

11) আত্ম-উপলব্ধি ও ব্যক্তিগত বিকাশ:

 নিয়মিত ধ্যান আপনাকে নিজেকে গভীরভাবে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে:

  • আত্ম-সচেতনতা বৃদ্ধি: আপনি নিজের চিন্তা, আবেগ ও আচরণের প্যাটার্ন সম্পর্কে আরও সচেতন করতে সাহায্য করে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: নিজের সম্পর্কে গভীর বোধ আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
  • সৃজনশীলতার বিকাশ: ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সৃজনশীল অংশকে উদ্দীপিত করে, যা নতুন ধারণা ও সমাধান খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

13) জীবনের গুণগত মান উন্নয়ন:

ধ্যানের সব উপকারিতা একত্রিত হয়ে আপনার সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নত করে:

  • সুখ ও সন্তোষ বৃদ্ধি: ধ্যান আপনাকে জীবনের ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করতে শেখায়।
  • তাৎপর্যপূর্ণ জীবন: আপনি জীবনের গভীর অর্থ ও উদ্দেশ্য খুঁজে পাবেন।
  • ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন: কাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত সময়ের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন।

14)মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি: 

ধ্যান বা মেডিটেশন আপনার মনকে শান্ত, স্থির ও সন্তুলিত করতে অত্যন্ত কার্যকর, এটি উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমানোর একটি প্রমাণিত পদ্ধতি। আধুনিক জীবনের অবিরাম চাপ ও দ্রুত গতির মধ্যে, ধ্যান একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

  • উদ্বেগ হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সেই অংশগুলিকে শান্ত করে যেগুলি উদ্বেগের সাথে যুক্ত, যার ফলে আপনি দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জগুলি আরও ভালভাবে মোকাবেলা করতে পারেন।
  • অবসাদ দূরীকরণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে ধ্যান সেরোটোনিন ও ডোপামিনের মতো ‘সুখের হরমোন’ উৎপাদন বাড়ায়, যা অবসাদের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে।
  • মানসিক স্থিতিস্থাপকতা: নিয়মিত ধ্যান আপনার মানসিক শক্তি বাড়ায়, যা আপনাকে জীবনের নানা চড়াই-উতরাই আরও সহজে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে।

এই বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলি প্রমাণ করে যে ধ্যান শুধুমাত্র একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন নয়, বরং এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনের মাধ্যমে, আমরা আমাদের জীবনের সামগ্রিক মান উন্নত করতে পারি এবং একটি সুস্থ, সুখী ও দীর্ঘ জীবন উপভোগ করতে পারি।

আপনি কি এই বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলি জানতেন? আপনার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় এই উপকারিতাগুলির কোনটি অনুভব করেছেন? আপনার মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা কমেন্টে শেয়ার করুন।

শ্রী কৃষ্ণের শাশ্বত বানীর সমাহার | Sri Krishna Bani In Bengali

শ্রী কৃষ্ণ হলেন প্রভু বিষ্ণুর অষ্টম অবতার এবং তার থেকে পাওয়া কিছু শাশ্বত উপদেশের সংকলন রহিল আপনাদের জন্য

জন্মদাতা পিতা মাতা পিতা বাসুদেব এবং মাতা দেবকী
পালন কর্তা পিতা মাতা পিতা নন্দ ঘোষ এবং মাতা যশোদা
কৃষ্ণের জন্ম দিন ৩২২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের ১৯ থেকে ২১ জুলাই মধ্যে
কৃষ্ণের জন্ম স্থান মথুরা বৃন্দাবন
শ্রী কৃষ্ণের নগরী দ্বারকা
শ্রী কৃষ্ণের প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ভগবত গীতা

Quote No: 1

জীবনে লক্ষ্য স্থির রাখা আবশ্যক, কারণ লক্ষ্য হীন জীবন মানুষ কে ভুল পথে চালিত করে ।

By Sri Krishna

Quote No: 2

লোভ কোর্ধ হিংসা পরম শত্রু যার উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে মানুষের মৃত্যু অনিবার্য ।

শ্রী কৃষ্ণের বাণী

Quote No: 3

 ইন্দ্রিয় থেকে প্রাপ্ত আনন্দ প্রথমে অমৃতের মতো মনে হলেও শেষ পর্যন্ত এটি বিষের ন্যায় ক্ষতি কারক হয়ে ওঠে যা কেবল মানুষরে জীবন কে পাপে পরিপূর্ণ করে ।

প্রভু শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 4

মানুষের কামনা ও বাসনাই হল প্রভূত দুঃখের প্রধান কারণ ।

By Sri Krishna

Quote No: 5

Sri Krishna Quotes

জন্মের সাথেই মানুষের মৃত্যু নির্ধারিত, তাই নিজের কর্ম করো যা অনিবার্য তার জন্য দুঃখ করো না ।

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 6

জীবন ধারণে জন্য প্রয়োজন কর্ম অবশই সম্পাদন কর তবে বিনা অহংকারে বিনা লালসায়, বিনা হিংসায় কারণ সঠিক কর্ম করা উচিত ভালবাসা, সহানুভূতি, নম্রতা এবং ভক্তি  সাথে ।

By lord Krishna

Quote No: 7

জীবনে কর্ম করে যাও ফলের আসা করো না ।

শ্রী কৃষ্ণের বানী

Quote No: 8

মনের স্থিরতার জন্য শান্তি, ভদ্রতা, নীরবতা, আত্মসংযম এবং পবিত্রতা শিক্ষা গ্রহণ করা আবশ্যক ।

Sri Krishna

Quote No: 9

কেবল মাত্র সার্থ ত্যাগই হল আনন্দ ও সংতুষ্টির এক মাত্র সহজ পথ ।

By Sri Krishna

Quote No: 9

সময় হল সর্ব শক্তিমান, তাই কখন সময় নষ্ঠ করো না ।

শ্রীমদ্ভাগবত গীতার বাণী

Quote No: 10

জড় বস্তূ গত সুখ সর্বদা খন স্থায়ী, কেবল ঈশ্বেরের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং ভক্তিই হল অনন্ত সুখরে একমাত্র পথ ।

ভগবান শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 11

যা হয়েছে তা ভালই হয়েছে, যা হছে তা ভালই হছে, যা হবে তা ভালই হবে তাই ভবিষ্যতে কী হবে তাই নিয়ে ভেবে লাভ নেই বর্তমান নিয়ে পরম আনন্দে বাচতে শেখ ।

Sri Krishna

Quote No: 12

নিজের মন কে সর্বদা কর্মের উপর স্থির কর, কর্ম ফলের উপর নয় ।  

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 13

লোভ ক্রোধ হিংসা হল মানুষের প্রধান শত্রু যা নিজের অজান্তে  জীবনে  সবচেয়ে বেশি মুলবান জিনিস সময়ের ক্ষতি করে, কারণ সময় হল পরম ক্ষমতাবান যা কারোর জন্য থেমে থাকে না ।

Sri Krishna

Quote No: 14

জীবনে অমরত্ব পেতে সন্মান অর্জন করতে শেখ , কারণ জীবন খন স্থায়ী কিন্তু ব্যক্তির অর্জিত সন্মান চিরস্থায়ী।

Lord Krishna

Quote No: 15

সর্বদা মনে রাখবে জীবনে যত কঠিন পরিস্থিতি মধ্যে দিয়ে যাবে তোমার ব্যক্তিত্ব ততই প্রখর হবে ।

Lord Sri Krishna

Quote No: 16

প্রতিটি কর্মের আগে আমাদের কর্মের প্রতি সঠিক মনোভাব গড়ে তোলা অব্যশক তবে সেই কর্ম কে আনন্দের সাথে সম্পুর্ন করা সম্ভব ।  

শ্রী কৃষ্ণের বাণী

Quote No: 17

সঠিক উদ্দেশ্য নিয়ে সঠিক কাজ সম্পুর্ন করাই হল আমাদের জীবনের পরম সাফল্য।

Lord Sri Krishna

Quote No: 18

বৈষয়িক জগৎ মানুষের কাছে প্রথমে আনন্দ ও সংতুষ্ঠী যেমন নিয়ে আসে ঠিক তেমনি সময়ের সাথে বহু দুঃখ কষ্ট বয়ে নিয়ে আসে। কারণ বৈষয়িক সম্পত্তি পাওয়ার চেয়ে তা হারিয়ে ফেলার ভয় ও উদ্বেগ মানুষের মধ্যে বহু গুণ বেশি। 

শ্রীমদ্ভাগবত গীতার বাণী

Quote No: 19

বিবেক ও বুদ্ধি হল মানুষের পরম সম্পদ যা সঠিক সময় জীবনে সঠিক দিশা বেছে নিতে সাহায্য করে।

Sri Krishna

Quote No: 20

প্রজ্বলিত অগ্নি যেমন জ্বালানি কাঠ কে ছাইতে পরিণত করে ঠিক একি ভাবে আমাদের জ্ঞান আলো আমাদের মনের মধ্যে থাকা আত্ম অহংকার কে ছাইতে পরিণত করে।

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 21

যে ব্যক্তির মন তার শত্রু এবং বন্ধুদের মধ্যে সম্পুর্ন ভেদাভেদ হীন কেবল মাত্র তিনি পরম শান্তির অধিকারি ।  

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 22

মানুষের মনের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকলে সেই স্থিতিতে মন কে বলা হয় আমাদের পরম বন্ধু ঠিক এই ভাবে মনের উপর যদি নিয়ন্ত্রণ না থাকে তবে সেই স্থিতিতে মন হয়ে ওঠে আমাদের পরম শত্রু।  

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 23

Sri krishna quotes in bengali

ষড়রিপু উপর প্রভূত নিয়ন্ত্রণই হল এক জন সফল মানুষের প্রধান পরিচয়।

শ্রী কৃষ্ণ বাণী

Quote No: 24

অন্ধকার ময় সময় হল জীবনে সঠিক আশার আলোর পথ প্রদর্শক।

Sri Krishna

Quote No: 25

সততার সাথে কর্ম করতে জীবনে বহু বাধা সম্মুখীন হতে হবে, ধৈর্য থাকলে অবশেষে গর্বের সাথে জয় তোমারই হবে ।

Sri Krishna

Quote No: 26

নিজের সাথে সর্বদা অপরের তুলনাই হল মানুষের দুঃখের প্রধান কারণ ।  

Sri Krishna

Quote No: 27

নিস্বার্থ সেবার মাধ্যমে, আপনি সর্বদা ফলপ্রসূ হবেন এবং আপনার সমস্ত আকাঙ্ক্ষার পূর্ণতা পাবে।

Lord Sri Krishna

আরো পড়ুন : রামকৃষ্ণ ৪৫টি প্রধান উপদেশ ও বাণী

Quote No: 28

যা হয়েছে জগতের ভালোর জন্য হয়েছে, যা হচ্ছে জগতের ভালোর জন্যই হচ্ছে। যা হবে তা জগতের ভালোর জন্যই হবে।

ভগবান শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 29

একজন জ্ঞানী ব্যক্তি  পরিচয় নিজের শত্রুর থেকে ঘৃণার বদলে তাকে ভালোবাসা ফিরিয়ে দেন।

Sri Krishna bani

Quote No: 30

যে ব্যাক্তির মধ্যে অহংকার মাত্রা যত বেশি সেই ব্যক্তির জ্ঞানের পরিধি ততই কম।

Sri Krishna

Quote No: 31

একজন বুদ্ধিমান ব্যাক্তি যে কোন সমস্যার সমাধান করতে পারেন, ঠিক তেমনি জ্ঞানী ব্যাক্তিরা সমস্যা কে পূর্ণতা এড়িয়ে যেতে সক্ষম।  

Sri Krishna

Quote No: 32

যে ব্যক্তির তার সমস্ত জীবন শ্রী কৃষ্ণের চরণে উত্‍সর্গ করেন  তিনি কেবল সমস্ত কর্ম বন্ধন থেকে মুক্ত  ।

Sri Krishna

Quote No: 33

যতক্ষণ না আমরা আমাদের কষ্ট থেকে শিক্ষা না গ্রহণ করছি কষ্টের পথ কখনো শেষ হবে না।

By Sri krishna

Quote No: 34

সফল ব্যাক্তি কেবল মাত্র তিনি হতে পারেন যিনি প্রতিকুলতার কাছে কোন পরিস্থিতিতে পরাজয় শিকার করেননি।

Quote No: 35

Sri krishna bani in bengali

সুখের এক মাত্র চাবি কাঠি হল নিজের কামনার উপর নিয়ন্ত্রণ

Quote No: 36

ক্রোধ – বুদ্ধিকে গ্রাস করে, লোভ – মনুষ্যত্বকে গ্রাস করে, চিন্তা – আয়ুকে গ্রাস করে, অহংকার – মনুষ্যত্বকে গ্রাস করে।    

প্রভু শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 37

তোমার কর্ম যদি সঠিক হয়, পৃথিবীর সমস্ত মানুষ তোমার বিপক্ষে হলেও জানবে ইশ্বের তোমার পক্ষে ।  

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 38

মানব জীবনের চিরন্তন সত্য হল মৃত্যু, যা প্রতিটি মানুষ জীবনে নির্ধারিত

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 39

জীবনে ভয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা আবশ্যক কারণ ভয় হল এমন এক অনুভুতি যা মানুষকে জীবনের প্রতিটি প্রয়াসে বাধা সৃষ্টি করে।

ভগবান শ্রী কৃষ্ণের অমৃত বাণী

Quote No: 40

আমিই সৃষ্টি আমিই পানল কর্তা আমিই এই সৃষ্টির সংহারক এ জগতের প্রতিটিই বস্তূ আমার থেকে সৃষ্টি ও আমার মধ্যেই শেষ।

Sri krishna quotes in bengali

Quote No: 41

সঠিক সময় সঠিক শব্দ চয়ন যেমন অচেনা মানুষ কে পরম আত্মীয়তার সম্পর্কে আবদ্ধ করতে পারে ঠিক তেমনি ভুল শব্দ চয়ন মানুষকে পরম আত্মীয় কে পরম শত্রু তে পরিণত করতে পারে।

শ্রী কৃষ্ণ

Quote No: 42

সমস্যা মনেই জীবনে থেমে যাওয়া নয় সমস্যার অর্থ হল নতুন কিছু শিখে সমাধানের পথ খুজে বার করা

ভগবান শ্রী কৃষ্ণের বাণী

আপনার যদি বাড়িতে বসে meditation শিখতে চান তবে এখনি Call করুন এই নম্বরে 9163760782 বা মেল করতে পারেন Contact@wisdomcue.com ।

আসা করছি আপনাদের এই পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার আপনাদের মুল্যবান মতামত জানতে পড়েন আমাদের এই মেল আইডি তে Contact@wisdomcue.com

রেইকি বা রেইকি হিলিং কী | Reiki in Bengali

Reiki বা রেইকি অর্থ কী:

Reiki হল খুবই জনপ্রিয় একই সাথে বহু প্রাচীন এক ধরনের জাপানী এনার্জি হিলিং থেরাপি যার সৃষ্টিকর্তা হলেন “Mikao Usui” নামের এক মহান বৌদ্ধ সন্নাসি। এই থেরাপির সৃষ্টির প্রধান উদ্দেশ্য হল শরীর ও মনের মধ্যে থাকা বিভিন্ন জটিল দুরারোগ্য সমস্যার দ্রুত ও সঠিক সমাধান করা।

আশ্চর্য বিষয় হল Reiki শব্দটির মধ্যে রয়েছে এর চিকিত্‍সার আসল অর্থ, যার মধ্যে “Rei” শব্দের অর্থ হল Universal বা মহাজাগতিক স্থিতি বা  ক্ষমতা  এবং “Ki” শব্দের অর্থ হল প্রাণ শক্তি বা জীবন প্রদান করি Energy ।

সহজ ভাষায় বলতে হলে এই মহাজাগতিক স্থিতির সাথে নিজের শরীরের প্রাণশক্তির মিলন ও প্রবাহ কে ব্যালান্স করার সঠিক এবং নির্ভুল পদ্ধতি হল এই রেইকি


Reiki Treatment

রেইকি চিকিৎসাব্যবহার: 

Reiki  গুরুরা মনে করেন প্রাণ শক্তির সঠিক প্রবাহ হল আমাদের সুস্থ শরীর, সুস্থ  মন এবং অভিনব চেতনার বিকাশের প্রধান উপাদান। যদি কোন অনিবার্য কারণবশত মানুষের শরীরে প্রাণশক্তি প্রবাহে দীর্ঘ দিন বাধা সৃষ্ঠী হয় তার ফল সরূপ শরীরের মধ্যে সৃষ্টি হয় নানান ধরনের জটিল রোগ ও নানাবিধ অস্থিরতা ।

তাই এই ধরনের সমস্যার সমাধানের এক মাত্র সহজ উপায় হল শরীরের মধ্যে প্রাণশক্তির প্রবাহের সঠিক স্থিতির পুনর্স্থাপন করা ও এনার্জি ব্লক গুলি দূর করা, যা আমাদের সাধারনত গতানুগতিক চিকিত্‍সা দ্বারা কখনো সম্ভব না । তাই আমাদের প্রয়োজন রেইকি মত এনার্জি হিলিং থেরাপির যা শরীরের প্রাণ প্রবাহ কে নির্ভুল ভাবে ব্যালান্স সমর্থ ।

এবং এই প্রাণ প্রবাহের সঠিক স্থিতির সাথে আমরা আমাদের শরীরের নানা জটিল সমস্যা যেমন ব্লাড প্রেসার, ব্লাড সুগার, thyroid, অনিদ্রা থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন ব্যথা বেদনা এবং মানসিক দুচিন্তা, মন কষ্ট, অস্থিরতা, হতাশার মত দীর্ঘস্থায়ী রোগের দ্রুত নির্মূল করতে পারি


Reiki Healing Stones

রেইকি থেরাপি সঠিক পদ্ধতি:

রেইকি চিকিত্‍সার ক্ষেত্রে প্রথম ধাপ হল শরীরে মধ্যে বিভিন্ন কারণে তৈরি হওয়া এনার্জি ব্লকের গুলি খুজে বার করা। এবং তার সঠিক স্থিতির নির্ধারন করা যার উপর ভিত্তি করে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করে শরীরের মধ্যে প্রাণ প্রবাহ সচল করা।

এর পরের ধাপ হল বিভিন্ন ক্রিয়ার সাথে শরীরের নানা ধরনের এনার্জি কে এক এক করে ব্যালান্স করা, এবং এর সাথে সাথে বিভিন্ন এনার্জি ব্লক গুলি দূর করা ও শরীরের মধ্যে প্রাণশক্তির প্রবাহ স্থিতি কে ব্যালান্স করা। 

এই সম্পুর্ন রেইকি প্রক্রিয়াটি হতে পারে বিভিন্ন ধাপের মাধ্যমে যা হতে পারে নির্দিষ্ট পার্থনার মধ্যমে বা স্পর্শ অনুভূতির সাহায্যে বা বিশেষ কিছু পাথরের মধ্যমে, নিজের Aura ক্ষমতা পরিশুদ্ধির মাধ্যমে ইত্যাদী পথ অবলম্বন করে মানুষের সমস্যা অনুযায়ী এই থেরাপির জন্য বিভিন্ন ভবে প্রয়োগ করা হয়।   

এই প্রাণশক্তি বা এনার্জি প্রবাহ সঠিক স্থিতি ফিরে আসলে শরীর ও মনের দুরারোগ্য সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং যে কোন ধরণের সমস্যা নিরাময় করা প্রতিটি মানুষের কাছেই সম্ভব।

রেইকি সম্পর্কে আরো বিষদে জানতে আপনারা পড়তে পারেন বাংলায় এই বইটি: https://amzn.to/3wuRTyD


Reiki healing

রেইকি হিলিং প্রয়োজনিয়তা:

মানুষের জীবনের বহু শারিরীক ও মানসিক সমস্যা রয়েছে, যা গতানুগতিক চিকিত্‍সার দ্বারা নির্মূল করা সম্ভব নয়। কারণ যে কোন সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজন আমাদের সমস্যার মূল কারণ খুজে বার করা ও মূল থেকে তাকে নির্মূল করা।

সাধারণ চিকিত্সা পদ্ধতি বিভিন্ন রোগ বা সমস্যার উপর কিছু সময়ে জন্য নিয়ন্ত্রণ আনতে সহজ্য করলেও গোরা থেকে রোগ নির্মূল করতে অসমর্থ। তাই রোগের স্থিতি ও কারণ অনুজাই কিছু বিশেষ ধরনের চিকিত্‍সা পদ্ধতি অবলম্বন করা অতি প্রয়োজন।     

এই রকমের একটি চিকিত্‍সা পদ্ধতি হল রেইকি হিলিং, যার সবচেয়ে বড় গুণ হল মানুষ কে ভিতর থেকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে ও নানা সমস্যা কে গোরা থেকে নির্মূল করতে সাহায্য করে।

সঠিক রেইকি ক্রিয়ার সাথে সাথে আমরা আমাদের দীর্ঘ দিনের সমস্যা যেমন সুগার ব্লাড প্রেসার Thyroid ইত্যাদী সমস্যা গুলির উপর সঠিক নিয়ন্ত্রণ আনতে পারি। এমনকি রেইকি সাহায্যে আমরা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পর্যন্ত বাড়াতে পারি। তাই আমাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক রেইকি গুরুর থেকে পরামর্শ নেওয়া একবার হলেও প্রয়োজন।


রেইকি সাবধানতা:

আজকের দিনে রেইকি চিকিত্‍সা  মানুষের কাছে চিকিত্‍সা কম 70%  ব্যবসায় পরিণত হয়েছে,  কারন বেশির ভাগ Reiki মাস্টার এনার্জি থেরাপি সম্পর্কে সঠিক ভাবে অবগত নয় এবং অভিজ্ঞতার এনাদের খুবই কম।   

Reiki থেরাপি জন্য প্রথমে বোঝা প্রয়োজন শরীরের Energy Block বা প্রাণ শক্তি প্রবাহের বাধা সম্পর্কে তার উপর ভিত্তি করে সম্পুর্ন রেইকি চিকিত্‍সা।

রেইকি বা এনার্জি healing therapy সঠিক জ্ঞান স্পষ্ট ধারনা ছাড়া কোন ব্যাক্তির   উপর রেইকি ক্রিয়ার ব্যবহার করলে প্রাণশক্তি অধিক প্রবাহের শরীরের মধ্যে এনার্জি ইমব্যালান্স সৃষ্টি হয়, যা কারণে চিকিত্‍সা কম শরীরের ক্ষতি পরিমান আরও বেশি হবে।


আসা করি আপনাদের সঠিক information দিতে পড়েছি যদি আপনাদের রেইকি সম্পর্কে আর কিছু জানার থাকে তবে আমাদের Call করুন 9433657349 এই নম্বরে বা mail করুন contact@wisdomcue.com মধ্যে

Aura কী | কিভাবে Aura পরিশুদ্ধি সম্ভব | Aura in Bengali

Aura কী?

Aura বা দেহজ্যোতি,  যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় electromagnetic field বা এনার্জি বডি বলা হয়, যা সাধারণত খালি চোখে সহজে দেখা সম্ভব না। তবে Krilian Photography নামে এক বিশেষ ফটোগ্রাফি পদ্ধতির সাহায্যে  আমরা নিরভুল ভাবে  Aura প্রতিফলন দেখতে পাই। 

এই Aura বা electromagnetic field সৃষ্ঠীর সমস্ত জীব ও জর বস্তুর এক বিশেষ বৈশিষ্ঠ যা প্রতি বস্তুর বাহিরের স্তরে এক বিশেষ এনার্জির বেষ্ঠনীর আকারে আবধ্য।

অবাক করা বিষয় হল এনার্জি বডির বা Aura ভিন্ন ভিন্ন রঙের প্রতিফলনের উপর ভিত্তি করে সহজে যে কোন মানুষের শারিরীক মানসিক ও চারিত্রিক স্থিতি থেকে শুরু করে তার কর্ম এবং অতীত ও বর্তমান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা করা সম্ভব।  

সৃষ্টির বিভিন্ন বস্তুর Energy Body বা Aura মধ্যে কয়েক লক্ষ রঙের প্রতিফলন দেখা যায় তবে মানুষের ক্ষেত্রে Aura প্রতিফলনের সর্বোচ সীমা হল সাদা এবং কালো।

যার মধ্যে সাদা positive শক্তির প্রকাশ বলা হয়, এই করনেই অনেক লক্ষ্য করে থাকবেন সাধু বা পুণ্যাত্মা ছবির পিছনে সাদা রঙের প্রতিফলন লক্ষ করা যায় যাকে দেব গুণ ক্ষমতা সম্পন বলা হয়। এবং এর বিপরীত হল কালো রঙ কে ঋণাত্বক শক্তি না নেগেটিভ এনার্জি সম্পন্ন ক্ষমতা বলা হয়।

তবে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে Aura বা এনার্জি বডির মধ্যে 7টি প্রকার রঙ্গের প্রতিফলন বেশি লক্ষণীয়। যা সাধারণত হল লাল, কোমল, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি, ইত্যাদী।      

Aura প্রতিটি রঙের সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকলে আমার নিজের ও যে কোন মানুষ গতি প্রকৃতি সহজ ও  নির্ভুল  ভাবে বিচার করা সম্ভব।


Energy Body বা Aura দেখার উপায়:

আমাদরে চোখ কোন বস্তু কে দেখার ক্ষেত্রে আমরা চোখের দুই ধরনের Vision ব্যবহার করে থাকি যা হল central vision ও peripheral vision।

সাধারণত দিনের 90 ভাগ সময় দেখার ক্ষেত্রে সেন্ট্রাল Vision ব্যবহার করে থাকি। তবে peripheral vision বা side Vision আমাদের গতিশীল অবস্থায় থাকা কোন বস্তু বা স্থানের অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে একিই সাথে দেখার ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তোলে।

আমরা peripheral vision এর সাহায্যে Aura কে দেখতে পাই, তবে দৃষ্টি শক্তি দুর্বল মানুষের ক্ষেত্রে এটি দেখা সহজে সম্ভব নয়।      

Aura দেখার ক্ষেত্রে প্রথমে নির্দিষ্ট এই বিন্দুটির দিকে তাকান ও ফোকাস করুন এই বিন্দুটির ফোকাস রেখে peripheral vision এর সাহায্যে বাহিরের দিকে দেখার চেষ্টা করুন, আপনি দেখতে পাবেন একটি নির্দিষ্ট রঙ সম্পন্ন আলোর রেখার বেষ্ঠনী যাকে আমরা Aura বলে থাকি।


Aura Colors in Bengali

Aura প্রধান 7টি রঙের অর্থ:

মানুষের Aura বা আভা আভ্যন্তরীণ স্থিতি প্রতিফলন, তবে মানুষের Aura বা আভা মধ্যে 7টি রঙের প্রতিফলন বিশেষ ভাবে লক্ষণীয় যা হল লাল, কোমল, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি।  

লাল : যে সব ব্যক্তির Aura বা আভা রঙ লাল তাদের নেতৃত্ব ও সাহসীকতা প্রবল পরিমাণে বর্তমান একি সাথে এরা পর-উপকারী আবার জেদি ও অল্পে প্রচণ্ড রাগী উগ্র সভবের মানুষ হয়ে ওঠেন। এছাড়াও এরা বন্ধু প্রিয় আপনজনের প্রতি দ্বায়িত্বশীল এবং বিশ্বস্ত প্রকৃতির মানুষ হয়ে থাকেন।

কমলা : যে ব্যক্তির Aura বা আভা রঙ কমলা হয় তারা খুবই ক্রিয়েটিভ, আত্ববিশ্বাসী এবং আনন্দ ময় ব্যক্তির হয়ে থাকেন, এই ধরনের মানুষ বেশির ভাগ বিনোদন গান বাজনা নিয়ে খুব আগ্রহী হয়ে থাকেন।   

হলুদ :  হলুদ aura অর্থ হলই প্রাণবন্ত ও বন্ধুত পরায়ণ মানুষ, এই সব ব্যক্তির খুবই কঠোর পরিশ্রমী ও উদার মনের মানুষ হয়ে থাকেন এই ধরনের ব্যক্তির অন্তঃস্থ  বুদ্ধিমত্তা সাধারণ মানুষের থেকে বেশি হয়ে থাকেন।   

সবুজ : সবুজ Aura বা আভার অর্থ হল ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতীক, এই ধরনের মানুষেরা ভাবুক প্রকৃতির হয়ে থাকেন ও একা থাকতে বেশি পছন্দ করেন। এছারও এই ব্যক্তিরা যে কোন কর্মের সুষ্ঠ ভাবে সম্পুর্ন করতে এবং সব কিছু নিজের মত গুছিয়ে নিতে ভালোবাসেন।  

নীল : নীল Aura অর্থাত্‍ ক্ষমতার প্রতীক, যে সব ব্যক্তির Aura বা আভার রঙ নীল হয়ে থাকে শরীর ও মনের ব্যালান্স অসাধারণ হয় এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ঠ সাধারণ মানুষের থেকে বহু গুণে শ্রেষ্ঠ হয়ে থাকে। এই ধরনের ব্যক্তিরা সাধনা ও বিভিন্ন তন্ত্র মন্ত্রে শিক্ষার প্রতি সবচেয়ে আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।

বেগুনি: বেগুনি Aura রম জ্ঞান ও পরম আনন্দ শক্তির প্রধান উৎস, যে সব ব্যক্তির Aura বা আভার রঙ বেগুনি হয়ে থাকে তাদের মধ্যে প্রাণ চঞ্চল ভাব সর্বদা বিরজমান এবং প্রতিটিই মানুষের প্রতি এরা ভক্তি শ্রদ্ধাবান হয়ে থাকেন।


Aura পরিশুদ্ধি প্রয়োজনীয়তা :

আমাদের আভ্যন্তরীণ স্থিতি যা প্রতিক্ষণে পরিবর্তনশীল তারই বহি:প্রকাশ হল Aura, যার সঠিক স্থিতি এবং পরিশুদ্ধি জীবনের প্রতিটি স্তরের উপর গভীর প্রভাব বিস্তার করে এবং প্রাণ শক্তির সমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কারণ প্রতিটি মানুষের সংস্পর্শে সাথে আমার কিছুটা এনার্জি এক্সচেঞ্জও করে থাকি যার ফলে এটি কমোন ব্যাপার আপনি নিজের অজান্তে অন্য কোন বাক্তির স্ট্রেস বা নেগেটিভ এনার্জি নিজের Aura মধ্যে বহন করে চলেছি। আর এর ফলে আপনি কোন কারণ ছাড়াও রাগী অধৈর্য বদমেজাজি দুশ্চিন্তা যুক্ত ও  নানা রোগ গ্রস্ত হয়ে উঠছেন। 

তবে Aura পরিশুদ্ধির সাহায্যে শারিরীক ও মানসিক নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এবং Aura মধ্যে জমে থাকা কর্ম বন্ধন ও নেগেটিভ এনার্জি সহজে দূর করতে পারি।

Aura বা আভার পরিশুদ্ধির 3টি সহজ উপায় :    

নিম স্পর্শ: Aura পরিশুদ্ধির ক্ষেত্রে নিম পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কারণ নিমের পাতার মধ্যে উচ্চ মাত্রায় প্রাণিক স্পন্দন লক্ষ করা যায়। তাই নিমের পাতা বালিশের তলায় রেখে শুলে Aura মধ্যে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জি সহজে দূর হয়।

স্নান: ভাবতে অবাক লাগবে স্নান আমাদের Aura কে পরিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে,   তবে স্নানের সময় যদি আমরা খুব অল্প পরিমাণে নুন বা লবণ জলের সাথে মিশিয়ে স্নান করি তবে খুব সহজে আমরা নিজের Aura মধ্যে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জি কে দূর করতে পারি।

মেডিটেশন:   মানুষের মানসিক স্থিতি উপর সঠিক নিয়ন্ত্রনের সহজ উপায় হল ধ্যান বা মেডিটেশন, মানসিক স্থিতির উপর নির্ভর করে শারিরীক সুস্থতা সজীবতা ও দৈনন্দিন ক্রিয়াকলাপ যার প্রভাব সম্পুর্ন রূপে লক্ষ করা যায় মানুষের আভা বা Aura ভিন্ন রঙের প্রতিফলনের মধ্যমে। সঠিক ধরনের মেডিটেশন মানুষের Aura শুদ্ধিকরনের ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা পালন করে।

মাটির স্পর্শ:  খালি পায়ে মাটির উপর বা ঘাসের উপর দিয়ে হাটি যাতে পা যদি সম্পুর্ন মাটি কে স্পর্শ করে তাহলে কিছুটা হলেও আমাদের Aura মধ্যে জমে থাকা নেগেটিভ এনার্জি দূর হয় এবং শরীরের হরমোন ইমব্যালেন্স থেকে শুরু নানা সমস্যার দূর করতে সাহায্য করে।

পঞ্চভূতশুদ্ধি ক্রিয়া : পঞ্চ ভূত অর্থ হল সৃষ্টির পাঁচটি বুনিয়াদি শক্তি অর্থাত্‍ অগ্নি, জল, বায়ু, আকাশ ও মাটি যার দ্বারা আমাদের শরীর গঠিত। এই পাচটি তত্বের সঠিক অবস্থা আমাদের সুস্থ ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে।

 সঠিক গুরু দ্বারা ভূতশুদ্ধি ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা মানুষের বহু সমস্যা সমাধানে সক্ষম হয়ে থাকে এবং নিজের Aura মধ্যে জমে থাকা কর্ম বন্ধন ও নেগেটিভ এনার্জি দূর করতে সাহায্য করে।  

এছাড়াও আমাদরে Aura শরীরের হরমোন ইমব্যালেন্স থেকে শুরু করে স্ট্রেস ডিপ্রেশনের অনিদ্রার মত সমস্যা গুলি কমায় এবং শরীর ও মন কে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

আসা করছি আপনাদের সঠিক তথ্য দিতে পেরেছি যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তবে আমাদরে মেল করুন Contact@wisdomcue.com 

তন্ত্র সাধনা কী | Tantra Sadhana in Bengali

তন্ত্র কী?

“তন্ত্র শব্দের অর্থই হলো কৌশল বা পদ্ধতি” যার দ্বারা বিশেষ ধরনের প্রভাব সৃষ্টি করা সম্ভব যা সাধারণ বোধ বুদ্ধি বিবেচনার ও অনুভবের উর্ধে।

অর্থাত্‍ তন্ত্র হল এমন এক প্রণালী যার সঠিক জ্ঞানের সাহায্যে আমরা নিজের শারিরীক ও মানসিক স্থিতির এমন কিছু ক্রিয়া সম্পাদন করতে পারি, যা সাধারনের তুলনায় যে কোন মানুষকে বহু গুণ ক্ষমতাশালি করে তুলতে সক্ষম।

আসলে তন্ত্র মানেই কখনো বিশাল ভয়ংকর মন্ত্র পাঠ বা পৈশাচিক ক্রিয়াকলপ নয়, তন্ত্র প্রধানত নিজের শরীর ও মনের উপর চরম নিয়ন্ত্রণ এবং অনুশাসন স্থাপন পদ্ধতি, যার উপর ভিত্তি করে সম্পুর্ন প্রক্রিয়া।

এই প্রক্রিয়া আমাদের কর্মের সাথে কোন না কোন প্রকারে গভীর ভাবে জড়িত।  যেমন মেডিটেশন, যোগ অভ্যাস ও প্রাণায়াম মত শারিরীক ও মানসিক ক্রিয়া যা হইত দেখত খুবই সাধারণ তবে এর মূল স্তম্ভ হলই তন্ত্র।  এছাড়া তন্ত্র কে যোগ শাস্ত্রের একটি ভাগ “তন্ত্র যোগ” বলা হয়।

এই কারণে ঋষিরা বলে গেছেন বীনা তন্ত্রে বা বীনা কৌশলে সমস্থ প্রকার অধ্যাতিক প্রক্রিয়া অসম্পুর্ন

Tantra Murti in Bengali

তন্ত্র শক্তির ব্যবহার:  

তন্ত্র ক্ষমতা ব্যবহারের দ্বারা যোগী ও সিধ্য পুরুষেরা দেবতার মূর্তি মধ্যে প্রাণ প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে শক্তির আবদ্ধিকরণ, শক্তিশালী যন্ত্রম সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষমতার সিদ্ধি লাভের জন্য ব্যবহার করে থাকেন।

খুব অবাক করা বিষয় হল কিছু বিশেষ প্রকৃতির তন্ত্র ব্যবহার করে মুনি ঋষিরা কয়েক হাজার বছর দীর্ঘ আয়ু লাভ করতে সক্ষম ছিলেন। কিছু তন্ত্র ক্রিয়ার সাহায্যে ঋষিরা শূন্যে ভাসমান অবস্থায বীনা জল আহার গ্রহণ করে বহু দিন থাকতে সক্ষম ।

আবার কিছু যোগীরা তন্ত্রের মন্ত্রর বলের দ্বারা আত্মজ্ঞানের চরম সীমায় পৌছেতে পেরেছেন। এছাড়াও তন্ত্র শক্তির ব্যবহার মাধ্যমে অতিপ্রাকৃতিক শক্তির আহ্বান, বিভিন্ন সিদ্ধিলাভ ইত্যাদী।   

Tantra Mantra Yantra Sadhana in Bengali

তন্ত্র সাধনা প্রণালী: 

যে কোন তন্ত্র ক্রিয়ার জন্য নিজের শরীর ও মনকে উপর চরম নিয়ন্ত্রণ একান্ত প্রয়োজন।  

কারণ তন্ত্র বিদ্যা নিজের প্রাণ শক্তির উপর নির্ভরকারি অভন্তরীন প্রক্রিয়া। এই ক্রিয়ার বেশির ভাগটাই মন্ত্রের আকার গঠিত এবং এর সাথে যুক্ত হয় প্রবল কল্পনা শক্তি, ও নির্দিষ্ট শক্তিকে অবধ্য করি বিশেষ যন্ত্রম স্স্থাপন ক্রিয়া। এই তিনটি জিনিসের একত্রে সম্পুর্ন হয় তন্ত্র সাধনা প্রণালী।

এছাড়াও তন্ত্র বিদ্যা নিজের প্রাণ শক্তির উপর নির্ভরকারি প্রক্রিয়া। এই কারনে যে কোন প্রকার তন্ত্র সাধনার করা হোক না কেন প্রতিটি তন্ত্র ক্ষেত্রেই প্রয়োজন প্রাণ বা প্র্রান শক্তির ধারণ-করি দ্রবাদী, যেমন – সরষে, তিল, তাজা ফুল, জীবন্ত পশু ইত্যাদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত। 

তাই তন্ত্র কোন সাধারণ ক্রিয়া নয় তাই তন্ত্র শিক্ষা নিতে তন্ত্র সিদ্ধ গুরুর প্রয়োজন, বীনা জ্ঞানে তন্ত্র সাধনার অর্থ হল মৃত্যু।

Tantra Mantra Sadhana

তন্ত্র সাধনা কত প্রকার ও কী কী?

তন্ত্র ক্রিয়া কে সাধারণত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথম হল আভ্যন্তরীণ যেখানে সমস্থ ক্রিয়া শরীরের মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং দ্বিতীয় হল বাহ্যিক প্রক্রিয়া যেখানে নানা আচার অনুষ্ঠান ক্রিয়া সম্পন্ন করা দরকার।

এই দুই ভাগের ভিত্তি করে ভারতে কয়েক হাজার প্রকৃতির তন্ত্র সাধনা প্রণালী জন্ম যা ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এছাড়াও বহু প্রকৃতির তন্ত্র সাধন প্রণালী সম্পুর্ন গোপন ও গুরু শিষ্য পরম্পরায় লাভ হয়ে থাকে, যার লিখিত কোন পুথিপত্র নেই।

সব কিছুর মধ্যেও পরিচিত কিছু তন্ত্র প্রণালীর নাম হল কালভৈরব তন্ত্র, কুমারী তন্ত, কুণ্ডলিনী তন্ত্র, বিশুধি তন্ত্র, শৈব তন্ত্র, শাক্ত তন্ত্র, সূর্য তন্ত্র, কামধেনু তন্ত্র, নির্বান তন্ত্র, কামখা তন্ত্র, তারা তন্ত্র, কুল তন্ত্র, অভয় তন্ত্র, যোগিনী তন্ত্র ইত্যাদি।   

এছাড়া আমাদের অথর্ববেদ,পুষ্করা সংহিতা, পদ্ম সংহিতা, ভৈরব সংহিতা, গুপ্ত তন্ত্র লিপি, নারদীয় সংহিতা বহু গ্রন্থ থেকে বহু তন্ত্র রীতি উল্লেখ পাওয়া যায়।    

অবাক করা বিষয় হল আমরা নিজের অজান্তে প্রতিদিন বহু কাজ করে থাকি যা সম্পুর্ন রূপে তন্ত্র এর উদাহরণ হল: ঈশ্বর ভক্তি, মানুষের প্রতি গভীর বিশ্বাস ও প্রেম, ভালবাসা ইত্যাদী।

তন্ত্র সাধনা সম্পর্কিত সতর্কতা:

তন্ত্রের নামে মানুষের ভয় কে কাজে লাগিয়ে ও আশহায়তা সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণীর মানুষ প্রতি দিন মানুষ কে বিভিন্ন আসা দেখিয়ে নানা ভাবে ঠকিয়ে চলেছেন শুধু মাত্র অর্থের লোভে তাই সতর্ক থাকুন এবং তন্ত্রের নামে ভন্ডামি করা মানুষ জনের কাছ থেকে দূরে থাকুন।

আসা করছি তন্ত্র সম্পর্কে আপনাদের নির্দিষ্ট ধারনা প্রদান করতে পেরেছি কারণ তন্ত্র কোন ছোট বিষয় নয়। যদি আপনার আর কিছু জানার থাকে তবে Mail করুন contact@wisdomcue.com  

যদি আপনার  Meditation শিখতে চান তবে এখুনি কল করুন এই +91 9433 657 349 এই নাম্বাবে বা আমাদরে মেল করতে পারেন contact@wisdomcue.com মধ্যে, ধন্যবাদ ।

Swami Vivekananda Quotes In Bengali | স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

নামনরেন্দ্রনাথ দত্ত
গুরু প্রদত্ত নাম:বিবেকানন্দ
জন্ম দিবস১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ কোলকাতা
দীক্ষা গুরুরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব
চিরস্মরণীয় রচনাবলিকর্মযোগ, জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ, রাজযোগ, বেদান্তজ্ঞান, রামকৃষ্ণ জীবনী ইত্যাদি
চিরস্বরণীয় কর্মচিরস্বরণীয় কর্ম জ্ঞানের বোধ বিবেচনার বিকাশ, আধ্যাত্মিক জ্ঞান সম্প্রসারণ এবং যুব সমাজ কে চির অনুপ্রাণিত করা।

Swami Vivekananda Quotes In Bengali | স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

Inspirational Quotes 1

আত্মউপলব্ধি জন্য নিজের অন্তর কে জানা প্রয়োজন, যে মানুষের অন্তর থেকে সম্পুর্ন জ্ঞান শূন্য সেই মানুষের কখনো আত্মউপলব্ধি সম্ভব না।

স্বামী বিবেকানন্দ বাণী

Inspirational Quotes 2

“কোথাও কিছু শুনেছ বলেই তার উপর বিশ্বাস করা সম্পুর্ন নিরঅর্থক, যতক্ষণ না নিজের চোখে ও নিজে বুঝছো ততক্ষণ কোন জিনিষে বিশ্বাস করবে না।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 3

তোমার মন ও বুদ্ধির মধ্যে যদি কোন বিষয় নিয়ে দন্ধ সৃষ্ঠী হয় তখন নিজের মনের উপর সবসময় ভরসা রাখবে।

Inspirational Quotes 4

“যে মানুষ নিজের উপর সম্পুর্ন বিশ্বাস ও ভরসা রাখে, তিনি সব কিছু জয় করতে পারেন।”

— স্বামী বিবেকানন্দের চিরস্মরণীয় বাণী

Inspirational Quotes 5

“প্রতিটা মানুষের মন অনন্ত শক্তিশালী, মনের একাগ্রতাই হল এই শক্তির উন্মুক্তির আসল পথ।”

-Swami Vivekananda Bani Bengali

Inspirational Quotes 6

“স্থির মনের দ্বারাই জীবনের পরম সত্যকে অনুভব করা সম্ভব।”

Vivekananda Bani

Inspirational Quotes 7

“আমরা মধ্যে যত বেশি প্রেম, পবিত্রতায় এবং সদগুণ বৃদ্ধি পাবে, ততই আমরা প্রতিটিই মানুষের মধ্যে এগুলো খুজে পাবো।”

Swami Vivekananda Bani

Inspirational Quotes 8

মানুষের কাছে সবচেয়ে উত্কৃষ্ঠ ধর্ম হল সত্য, সত্য উপর কোন ধর্ম হয় না।

Inspirational Quotes 9

“আমরা মধ্যে যত বেশি প্রেম, পবিত্রতায় এবং সদগুণ বৃদ্ধি পাবে, ততই আমরা প্রতিটিই মানুষের মধ্যে এগুলো খুজে পাবো।”

— Swami Vivekananda Quotes in Bengali

Inspirational Quotes 10

যে মানুষ নিজের দুঃখ কে সাহসের সাথে জয় করে তার কাছে অসম্ভব কার্য ও সম্ভব।

Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 11

“এটা কখনো বলোনা তুমি যা চেয়েছ ভগবান তোমায় দেয়নি, কারণ সে তোমায় সর্ব ক্ষমতা প্রদান করেছেন তোমার নিজের সমস্থ প্রয়োজন পূর্ণ করর জন্য, তুমি নিজে অসফল তোমার কর্মের জন্য।”

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

Inspirational Quotes 12

“জীবনে যাই হোক না কেন নিজের মনের মধ্যে কখনো রাগ, ঘৃণা ও অহংকারের বিশ ঢুকিয়ে ফেল না, এই বিষ এক বার শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু হওয়া না পর্যন্ত তোমায় শান্তি দেবে না।”

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

Inspirational Quotes 13

Swami Vivekananda quotes in Bengali

“জীবনে পাপ পুণ্য হিসাব না করে, নিষ্কাম কর্ম করার প্রতি একনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন।”

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী

Inspirational Quotes 14

“সুখ বা আনন্দ কে জীবনের পরম লক্ষ্য ভেবো না, জীবনের পরম লক্ষ্য হল জ্ঞান, ভক্তি ও প্রেম যার দ্বারাই তুমি জীবনে সুখ সাছন্দ খুজে পাবে।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 15

এ জগতের সবচেয়ে বড় পাপ হল নিজেকে দুর্বল ভাবা।

Swami Vivekananda Quotes

Inspirational Quotes 16

“শান্তির খোজে কখনো নিজের দায়ত্ব নিজের কর্ম কে ত্যাগ করা হল মুর্খামি”

— Swami Vivekananda Bani

Inspirational Quotes 17

“নারীর জীবনের প্রাকৃত উদ্যেশ কখনো বিবাহ বন্ধনে সীমিত থাকা নয়, বরং নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা ও গর্বের সাথে পূরুষের সাথে তাল মিলিয়ে চলা “

—Swami Vivekananda quotes for women

Inspirational Quotes 18

“মানুষের সমস্থ জ্ঞান তার ভিতর অন্তর নিহিত, কেবল মাত্র এর উনমোচন সঠিক ইছা প্রয়োজন “

— swami vivekananda quotes on youth

Inspirational Quotes 19

“যে আগুন প্রয়োজনে উত্তাপ প্রদান করে, সেই আগুন অসাবধানতায় সর্ব গ্রাসী হয়ে ওঠে “

— swami vivekananda

Inspirational Quotes 20

“মনের উপর নিয়ন্ত্রণ পেতে গেলে সবার প্রথম আমাদের শরীরের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা প্রয়োজন “

— swami vivekananda

Inspirational Quotes 21

ওঠো, জাগো থেমনা যতক্ষণ না নিজের লক্ষ্যে পৌছছ

স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 22

“ঈশ্বের কে পেতে এখানে ওখানে ঘোরার কোন দরকার নাই, যদি তাকে খুঝতেই হয় তবে তাকে নিজের মনের মধ্যে, শুধু তাকে দেখার ইচ্ছা প্রয়োজন।”

— স্বামী বিবেকানন্দ বাণী

Inspirational Quotes 22

“মানুষের সমস্থ জ্ঞান তার ভিতর অন্তর নিহিত, কেবল মাত্র এর উনমোচন সঠিক ইছা প্রয়োজন”

— স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 23

“জীবনে এমন কোন জিনিসের অভ্যাস করবে না, যেগুলি তোমায় শরীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল করে”

— স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 24

“জীবনে পরিস্থিতি ভাল বা খারাপ হতে পারে, কিন্তু যে কোন পরিস্থিতিতে জ্ঞান ও মনুষ্যত্ব মানুষ কে এগিয়ে চলার জন্য অনুপ্রাণিত করবে “

—swami vivekananda

Inspirational Quotes 25

“নিজে কে খুশি রাখার এক মাত্র উপায় হল প্রতিটি মানুষ কে বিনা কোন কারণেই খুশি রাখা “

— Swami vivekananda

Inspirational Quotes 26

“আপনর মধ্যে থাকা ঘৃণা বা হিংসা যত না অন্যের ক্ষতি করছে তার চেয়ে দ্বিগুন ক্ষতি করছে আপনার। নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে পৃথিবীর কোন শক্তি তাদের এড়াতে পারে না।”

swami vivekananda

Inspirational Quotes 27

স্থির মনের দ্বারাই জীবনের পরম সত্যকে অনুভব করা সম্ভব

Inspirational Quotes 28

“ঈশ্বরের প্রতি প্রেম তখনই সম্ভব যখন তোমার মন সমস্ত বন্ধন থেকে মুক্ত।”

Swami vivekananda thoughts

Inspirational Quotes 29

“চেতনাই হল সবচেয়ে বড় ধর্ম, বাকি সমস্থ কিছু তৈরি হওয়া মাত্র, আমাদের ব্কি সমস্থ কাজ , ধর্মের জ্ঞান শ্রবণ, ধর্ম গ্রন্থ হল চেতনা জগরণের উপলক্ষ মাত্র।”

— স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 30

“নারীর জীবনের প্রাকৃত উদ্যেশ কখনো বিবাহ বন্ধনে সীমিত থাকা নয়, বরং নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা ও গর্বের সাথে পূরুষের সাথে তাল মিলিয়ে চলা “

— স্বামী বিবেকানন্দ বাণী

Inspirational Quotes 31

“অন্যের ধর্মের সমালোচনা করবে না, কারণ সমস্ত মতবাদ এবং সমস্ত ধর্মই ভাল, তবে আপনার জানা প্রয়োজন যে ধর্ম কোন বই বা বিশ্বাসের বিষয় নয়, শুধুই উপলব্ধি মাত্র। “

— Don Quixote

Inspirational Quotes 32

“যে ভূমি মানবতা স্নিগ্ধতার দিকে, উদারতার দিকে, বিশুদ্ধতার দিকে, শান্তির দিকে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে সেটি হল ভারত মাতা, আমি গর্বিত একজন ভারতীয় হিসাবে। “

— Swami vekananda bani

Inspirational Quotes 33

আমরা যেমন আমদের কর্মের দ্বারা আবদ্ধ তেমনি তার প্রতি ফল দ্বারা আবদ্ধ

স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 34

“প্রতিটা মানুষ কে প্রকৃতি কে সন্মান করা উচিত কারণ, তার থেকেই আমাদের জীবন আমাদের বিকাশ আমাদের পরিচয়।”

Swami Vivekananda Quotes in Bengali

Inspirational Quotes 35

সত সঙ্গে স্বর্গ বাস অসৎ সঙ্গে নরক বাস।

স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 36

“জীবনে একটা কথা মেনে নিতে শেখে আমার নিজের দুখের কারণ আমার কর্ম এবং আমার সফলতার কারণ হল আমার কর্ম।”

— স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 37

“যদি তুমি অপর কে ঘৃণার চোখে দেখ তবে তোমার মনের বিষ তোমাকে নিজের চোখে ঘৃণার পাত্র করে তুলবে, আবার তুমি যদি অন্য কে ভালোবাস তবে তোমার জীবন ও ভালোবাসা ভরে উঠবে।”

—Swami Vivekananda Quotes

Inspirational Quotes 38

“যদি তুমি সত্যের সাথে চল তুমি জীবনে জিতবেই, তবে এই পরীক্ষায় উত্তীয় হওয়ার জন্য প্রচুর ধৈর্য শক্তির প্রয়োজন।”

— swami vivekananda quotes in bengali

Inspirational Quotes 39

অসীম আত্মবিশ্বাস ও সাহস হল সমস্ত কর্মের সফলতার চাবি কাঠি।

Inspirational Quotes 40

“কখনো নিজের ভুল ত্রুটি থেকে কষ্ট পেয় না কারণ এটিও জীবনের অঙ্গ, হার ছাড়া জীবনে সমস্থ শিক্ষা অসম্পূর্ণ।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 41

“তুমি কিভাবে অনিষ্ট কারি কে খুজে পাবে যখন তোমার মনের মধ্যে অনিষ্ট কারি শক্তির বাস ? তুমি কিভাবে চোর কে চিহ্নিত করবে যখন তোমার মনের মধ্যে লোভ ও চোরের প্রবৃতি পরিপূর্ণ? সবার প্রথমে নিজের চরিত্র কে পরিবর্তণ কর তবেই জ্ঞানের এবং মুক্তি পাবে”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 42

যদি তোমার জীবনে কোন কষ্ট না থাকে তবে ভাল কররে ভেবে দেখ তুমি কোন ভুল পথে অগ্রসর হয়ে যাওনি তো।

Inspirational Quotes 43

“যে কাজে তোমার ভক্তি ও প্রেম আছে সেই কাজই নির্ভাবনায় কর এতেই সফলতা পাবে।”

যুগ পুরুষ স্বামী বিবেকানন্দ

Inspirational Quotes 44

“বজ্র মত দৃর অথচ ভিতরে কুসুমের মত কোমল হলে সমাজে মাথা তুলে বাচতে পারবে।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 45

“তুমি যদি আত্মনির্ভরশীল না হতে শেখ তবে এই জগতের সমগ্র ঐশ্বর্য তোমার পরীতৃপ্তি জন্য পর্যাপ্ত নয়।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 46

“জীবনের কোনও কাজই ছোট নয়, এ সংসারে যাবতীয় বস্তু সুপ্ত বীজের মত, তাকে অতি ক্ষুদ্র দেখলেও তার মধ্যে অতি বৃহত্‍ সম্ভাবনা বর্তমান। কেবল দূরদর্শী ব্যাক্তিগণ তা দেখতে পান।”

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 47

“যে ব্যাক্তির মনে লোভ হিংসা পরিপূর্ণ, সেই মানুষ কখন শান্তির সুখ পেতে পারে না। “

— Swami Vivekananda

Inspirational Quotes 47

অতীকিক্ত ভাবপ্রবনতা কর্মের পক্ষে অনিষ্ঠকর

স্বামী বিবেকানন্দ বাণী

45+ Sri Ramakrishna Quotes In Bengali | শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের বাণী সমূহ

শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের হারিয়ে যাওয়া 44টি অমর বাণীর সংকলন, যা জীবনে সঠিক পথ প্রদশন করে, যা প্রতিটা মানুষের জীবনের অমৃত সমান। Ramakrishna Quotes In Bengali

Quote: 1

যতক্ষন তোমার সঙ্গে বাসনা, ততক্ষণই ভাবনা আর এই ভাবনাই হল তোমার দুঃখ কষ্ট মোহ মায়ার কারণ..”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 2

“আমার ধর্ম ঠিক আর অপরের ধর্ম ভুল এ মত ভালো না বাবা, সবাই ভিন্ন ভিন্ন রাস্তা দিয়েতো এক জনের কাছেই তো যাবে তাই যে নামেই তাকে ডাকো না কেন তাকে মন প্রাণ দিয়ে ভালোবাসো”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 3

“জীবনে শান্তি পেতে মনের ময়লা গুলো ধুয়ে ফেলতে হবে যে বাবা, মনে যতক্ষণ কাম, কোদ্ধ, লোভের বাস সেখানেই সর্বনাস।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 4

“মনের যেমন বন্ধন আছে তেমন মনের মুক্তি ও আছে, এই সংসারে নয় তুমি ঈশ্বর প্রেমে নিজের চেতনা কে মুক্ত করবে নয় তুমি সংসারের বন্ধনে বন্দী হবে।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa Dev

Quote No: 5

“তোমার মন কে ভেদা ভেদ শূন্য করতে শেখ তবেই তুমিও যে কোন কাজের মধ্যেই  ভক্তি রস খুজে পাবে।”

— শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসের অমৃত বাণী

Quote No: 6

“ইশ্বর সর্বত্র বিরাজমান তবে তার বহিপ্রকাশ মানুষের মধ্যে সর্বাধিক, তাই মানুষকে ইশ্বর হিসাবে সেবা কর এবং মনের ভেদ কে দূরে সরাও।  “

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 7

“তোমার জীবনের লক্ষ্য শুধুই অর্থ উপার্জন নয়, তোমার জীবনের প্রকৃত উদেশ্য পরমেশ্বর সেবা ও মনের শান্তি লাভ।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 8

“যে ব্যক্তি কোন স্বার্থ ছাড়াই অন্যের জন্য কাজ করেন, ঈশ্বর তার সর্বদাই মঙ্গল করে থাকেন।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 9

“তোমার ধর্ম আমার ধর্ম বলে লড়াই করে কী লাভ? যখন তোমার আমার সবার গন্তব্য সেই এক জনেরই কাছে।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 10

“একটা কথা সর্বদা মাথায় রাখবে জীবনে গুরু সবাই হতে চায়, তবে শিষ্য হবে কজন? যদি তুমি শিষ্য না হতে পারলে শিখবে কিভাবে জগতের নিয়ম কানুন।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 11

“তুমি জীবনে যতই সুন্দর হও আর যতই কুৎসিত তোমার মধ্যে যদি ঈশ্বরের প্রতি ভক্তিই না থাকে তবে সবই নিরর্থক”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 12

“যত্র জীব তত্র শিব অর্থাত্‍ প্রতিটিই জীবের মধ্যেই ভগবানের বাস, তাই জীব সেবাই হল শিব সেবা “

— রামকৃষ্ণ কথামৃত বাণী

Quote No: 13

“যদি ইশ্বর কে পেতে চাও তবে ঈশ্বর কে প্রেম ও ভক্তির বাধনে বাধতে শেখ, তবেই তাকে পাবে।.”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 14

“তোমার মধ্যে যদি ঈশ্বরে প্রতি বিশ্বাস ও নিসার্থ প্রেম থাকে তবে জানবে তুমি সার্থক জীবনের অধিকারি। “

Sri Ramakrishna Quotes in Bengali

Quote No: 15

লজ্জা ঘৃণা ভয় তিন থাকতে নয়।

Quote No: 16

“তোমার মনের মধ্যে কখনো লোভ খোব হিংসা পুষে রেখো না, কারণ মন হল মন্দির সেখানে শুধুই থাকবে ইশ্বরেই নাম, ভক্তি, প্রেম।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 17

“তোমার মনের মধ্যে কখনো লোভ খোব হিংসা পুষে রেখো না, কারণ মন হল মন্দির সেখানে শুধুই থাকবে ইশ্বরেই নাম, ভক্তি, প্রেম।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 18

“একমাত্র জ্ঞান, দয়া, প্রেম ও ভক্তি মানুষের চৈতণ্য কে সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে সক্ষম।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 19

“এ জগতে সাংসারিক বিষয়ের প্রতি মোহ, মানুষকে জেদী করে তোলে, আর মোহ হলো একটি ভংকর বন্ধন যা তোমায় শুধু কষ্ট দেবে।.”

— শ্রী রামকৃষ্ণ ঠাকুরের বাণী

Quote No: 20

“জানবে সত্য কথাই হল ঈশ্বরের তপস্যা সত্য কে আট করে ধরে থাকলে তবেই  ভগবান লাভ হয় কারণ কারণ ভগবান পরম সত্য।.”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 21

“যদি তুমি মনের মধ্যে অহংকার কালো মেঘ পুষে রাখো, সয়ং ইশ্বর ও আলোর পথ দেখতে পারবে না।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 22

“শিশু সুলভ একটি সৎ ও সরল মনের মাধ্যমে যদি তার কাছে প্রার্থনা করো,তবে তোমার প্রার্থনায় নিশ্চিত তিনি সারা দেবেন।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 23

“জীবনে একটু করে হলেও সাধু, সৎ সঙ্গ কর তবেই ঠিক পথে চলতে পারবে, এক বার যদি ভুল পথে চলে যাও তবে ফিরে আসা বড়ই কঠিন গো “

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 24

“যতক্ষণ তোমার মধ্যে কাম ক্রোধ, মোহ, মায়া, লোভের বন্ধন বিদ্যমান ততক্ষণ তুমি ঈশ্বর লাভ থেকে বঞ্চিত।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 25

“সংসার ধর্ম ত্যাগ ছাড়াও ঈশ্বর প্রাপ্তি সম্ভব তবে তা শুধুই ঈশ্বরের প্রতি প্রেম ও নিষ্কাম কর্মের দ্বারা, এই পথ বড়ই কঠিন।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

যতক্ষণ তোমার সঙ্গে বাসনা, ততক্ষনই ভাবনা আর এই ভাবনাই হল দুঃখ কষ্ট মোহ মায়ার কারণ

Quote No: 26

“যে ব্যক্তি কোন স্বার্থ ছাড়াই অন্যের জন্য কাজ করেন, ঈশ্বর তার সর্বদাই মঙ্গল করে থাকেন।”

শ্রী রামকৃষ্ণ বাণী

Quote No: 27

“তুমি জীবনে যে কাজই করো না কেন, নিজের মন কে সর্বদা ঈশ্বরের প্রতি সমরর্পিত রেখো তাহলে মনের মধ্যে শান্তি পাবে সাহস পাবে।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 28

যত মত তত পথ।

শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের বাণী

Quote No: 29

“নৌকাকে সর্বদা জলের উপরেই থাকা উচিত কিন্তু জলকে নৌকার উপর না ,ঠিক এইভাবেই মনের মধ্যে ঈশ্বরে ভক্তি সবার উপরে, কখনো তার উপর সাংসারিক মোহ-মায়া থাকা উচিত না।”

— Sri Ramakrishna quotes in bengali

Quote No: 30

“মনের মধ্যে বিষয় বাসনা নাম যস ক্ষ্যাতি সুখের চিন্তা নিয়ে ইশ্বরের সব সাধনাই বৃথা বাবা”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 31

“অভিজ্ঞতা একটি কঠিন শিক্ষক, সে প্রথমে তোমার পরীক্ষা নেয় এবং পরে তার পাঠ দেয়।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

আর পড়ুন: যোগনিদ্রা কী?

Quote No: 32

“যেমন মুক্ত পেতে হলে ঝিনুকের প্রয়োজন, ঠিক তেমনি পরম ইশ্বর কে পেতে হলে সত্‍ কর্ম ও ঈশ্বরে ভক্তির প্রয়োজন।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 33

“যে মানুষ কামিনী কাঞ্চনের মোহে আচ্ছন্ন সে আর যাই হোক না কেন সে ইশ্বর প্রেম ও পরম আনন্দ থেকে চির বঞ্চিত।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 34


“মুখে যতই ভগবান ভগবান কর না কেন যত দিন না তুমি সব কিছু আমার বলা ছেড়ে সব কিছুই প্রভু তোমার বলে মন প্রাণ থেকে মেনে নিছো, তত দিন শুধুই মিথ্যা ভক্ত সাজার নাটক করছো মাত্র।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 35

“সাংসারিক ভোগ বাসনা কয়েক মুহূর্তের জন্য তোমায় আনন্দ এনে দিলেও কোন দিনই শান্তি ও সন্তুষ্টি এনে দিতে পরবে না।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 36

“বীনা জ্ঞানে জীবনকে কে বিশ্লেষণ করা ছেড়ে দাও, না জীবনকে আরো তেতো হয়ে উঠবে।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 37

 জ্ঞানের আসল অর্থই হলো, কাম ও লোভের নানা বন্ধন থেকে মুক্তি

রামকৃষ্ণ কথামৃত বাণী

Quote No: 38

“ময়লা দরপনে যেমন সূর্যের আলো প্রতিফলিত হ্য় না ঠিক তেমনি ময়লা মনে পরম আনন্দ কখনোই প্রতিফলিত হয় না।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 39

“লোভী মানুষের মন অনেকটা নর্দমায় বেড়ে ওঠা কিটের মত, তাকে যতই ভাল যায়গায় রাখো না কেন, সে তো ফিরে নর্দমাতে যাবেই।”

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 40

“মন কে শান্ত করতে হলে, তোমার কাছে যা আছে তার জন্য ইশ্বর কে মন থেকে ধন্যবাদ জানাও, তার সাথে প্রেমের বন্ধন তৈরি কর দেখবে মনের অশান্তি কোথায় হারিয়ে গেছে।”

— Sri Ramakrishna Bani in bengali

আর পড়ুন: মেডিটেশন কী?

Quote No: 41

“দেখবে বৃষ্টির জল কোন দিন উচু যায়গায় দাড়ায় না নিচু যায়গায় চলে আসে, ঠিক একই ভাবে আত্ম অভিমানে চুর মনে কখনোই শান্তি বিরাজ করতে পারে না। “

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 42

“যদি তুমি মন কে সব কিছুর মধ্যে থেকেও নিরর্লিপ্ত কর্ম করতে পারো তবেই সফলতা পাবে”

— Ramakrishna Paramahamsa Quotes In Bengali

Quote No: 43

“নিজের সার্থ কে ত্যাগ না করলে তার কৃপা পাওয়া সম্ভব না “

— Sri Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 44

“লোভী মানুষের মন অনেকটা নর্দমায় বেড়ে ওঠা কিটের মত, তাকে যতই ভাল যায়গায় রাখো না কেন সে তো ছট ফট কর মরে যাবেই।”

— Sri ramakrishna quotes in bengali

Quote No: 45

সাকার এবং নিরাকার কিরূপ জান? যখন জল জমাট বেঁধে থাকে তখনই সাকার; আর যখন জল বাস্প হয় তখনই নিরাকার।

Ramakrishna Paramahamsa

Quote No: 46

সূর্যের কিরণ জগতে সমান ভাবে পড়লেও জলের ভেতর, সকল স্বচ্ছ জিনিসের উপর উজ্জল ভাবে প্রকাশ পায় । ভগবানের ভক্তি সকল হৃদয়ে সমান হলেও সাধুদের হৃদয়ে একমাত্র শ্রেষ্ঠ প্রকাশ পায় ।

আসা করছি আপনাদের এই শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের বাণী গুলি ভাল লেগেছে, যদি আপনি কোন রামকৃষ্ণ দেবের বাণী এর মধ্যে যুক্ত করতে চান তবে আমাদের comment Box এ জানানা ধন্যবাদ।

ডিপ্রেশন ও দুশ্চিন্তা মুক্তির ৮টি কার্যকর উপায় | Depression & Anxiety Relief in Bengali

ডিপ্রেশন ও দুশ্চিন্তা :

বিগত কয়েক বছরের মধ্যে শোনা মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা গুলির মধ্যে একটি হল অবসাদ ও দুশ্চিন্তার। তবে দুশ্চিন্তার হল সম্পুর্ন মানুষের অনিয়ন্ত্রিত মানসিক স্থিতি যার প্রধান কারণ হল ভয়, যা কোন বয়সের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান, তবে এই সমস্যার লক্ষণ এবং তার বহিপ্রকাশ প্রতিটি মানুষের মধ্যে বিভিন্ন।

ডিপ্রেশন বা দুশ্চিন্তা হল অধিক নেতিবাচক মানসিক চিন্তার প্রভাব যা সম্পূর্ণভাবে মানুষের নিজের তৈরি যা এমন কী জেনেটিক ভাবে প্রভাব বিস্তর করি কারণ এই সমস্যা বাবা কিংবা মা এর থাকলে তাদের সন্তানের মধ্যেও 30% – 40% চান্স বৃদ্ধি পায় অবসাদ গ্রস্থ হওয়ার।  

সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যপার দুশ্চিন্তা এবং অবসাদ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগ কারণ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় দেখা গেছে যেসব মানুষ দুশ্চিন্তা শিকার তারা মধ্যে 50% – 60% ভাগ ক্ষেতে রোগীরা অবসাদের শিকার এবং একি রকম ভাবে দেখা গেছে যারা অবসাদের শিকার তাদের মধ্যে 50% – 55% মানুষ ভয়ানক দুশ্চিন্তার শিকার।

তবে খুব সহজ ৮টি কার্যকর উপায় বা ট্রিটমেন্ট দ্বারা ডিপ্রেশন ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব, তবে তার আগে জেনে নেওয়া যাক প্রকৃত রোগ সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য –


দুশ্চিন্তা লক্ষণ ও অবসাদের লক্ষণ :

দুশ্চিন্তা লক্ষণ : অবসাদ এর লক্ষণ :
1. খাবারের ইচ্ছা কমে যাওয়া বেড়ে যাওয়া. হঠাৎ স্পন্দন বেড়ে যাওয়া যেকোনো কাজেই ভয় পাওয়া
2. বিনা কারণে খুবই চিন্তিত হয়ে থাকা
3. শরীরের প্রত্যেকটি পেশিতে অসম্ভব ব্যথা
4. বিশ্রামের অভাব এবং কাজে ফোকাস করতে অসুবিধা  
5. ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি হ্রাস হওয়ার সমস্যা সৃষ্টি
6. শারীরিক ক্লান্তি ঘুমের সমস্যা বা গভীর ঘুমের সমস্যা
 
1. যে কোনো কাজেই ইচ্ছা শক্তির অভাব
2. মাথা ব্যাথা ও শারীরিক ক্ষমতা কমে যাওয়া
3. অযথা দুঃখ প্রকাশ করা
4. নিজেকে দোষী মনে করা
5. নিজেকে একা মনে করা ও একা ভাবা
6. সুইসাইড সম্পর্কে চিন্তা করা
7. মদ বা অন্য কোন নেশার প্রতি অস্বাভাবিক আসক্তি
Free Anxiety Test LinkFree depression Test Link

দুশ্চিন্তা এবং ডিপ্রেশন ক্ষতিকারক প্রভাব বা কুফল কী কী:

অনিদ্রা : সঠিক পরিমাণ নিদ্রা সুস্থ থাকার জন্য অবশই প্রয়োজন, একটি সুস্থ মানুষের দিনে 7-8 ঘণ্টা গভীর ভাবে ঘুমের প্রয়োজন। কিন্তু দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় ক্রিয়া কলাপে বাধা ও অনিয়ম সৃষ্ঠী করে যার ফলে শরীরের নানা রকমের ক্ষতি হয়।  

হরমোন ব্যালান্স :  দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে আমাদের হরমনের উত্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উপর কারণ এটি বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত যে দুশ্চিন্তা আমাদের রক্তের মধ্যে রাসায়নিক বিষ বা টকসিন (Toxin) উত্পাদন মাত্রা বহু গুনে বাড়িয়ে তোলে।

রক্ত চাপ: সুস্থ শরীরের জন্য সঠিক রক্ত চাপ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরে cortisolও adrenaline হরমোন প্রভাব কে বৃদ্ধি করে, যার ফলে রক্ত চাপ অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের নানা ক্ষতি সাধন হয়।

অনিয়ন্ত্রিত সুগার বা Diabetes: দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরের ইনসুলিন (insulin) হরমনের উত্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতার উপর প্রভাব বিস্তার করে, যার ফলে আমাদের রক্তে অতি মাত্রায় সুগার পরিমাণ বাড়তে থাকে যা শরীর কে ধীরে ধীরে নানা মারত্বক রোগের দিকে ঠেলে দেয়।

হৃদ রোগ: দুশ্চিন্তা ও হাই স্ট্রেস আমাদের সরাসরি হৃদ স্পন্দনের উপর প্রভাব বিস্তার করে, যাতে হৃদ স্পন্দন  অস্বাভাবিক রকম বৃদ্ধি পায় ও দীর্ঘ দিন এই সমস্যা মানুষর হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা 60% বাড়িয়ে তলে।   

অধৈর্য ও বদমেজাজ : নানা পরিক্ষার দ্বারা প্রমানিত দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেস মানুষের স্মৃতি শক্তি থেকে শুরু করে ধৈর্য ক্ষমতার উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে, এছাড়াও এই রোগের সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর দিক হল অবসাদ, যা মানুষ কে মানসিক ভাবে অতি দুর্বল করে তলে।


ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির উপায়

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির ৮টি কার্যকর উপায় এবং সহজ ট্রিটমেন্ট

মানসিক দুশ্চিন্তার প্রধান কারণ হল মনের চিন্তা উপর অনিয়ন্ত্রনের বহিপ্রকাশের প্রভাব,  তাই এই ধরনের সমস্যা সম্পুর্ন সমাধানের পথ একমাত্র শরীর মন এবং বিচার ধরার উপর সঠিক নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা যা প্রথমিক স্তরের ক্ষেত্রে খুব সহজে সম্ভব।   

1. সঠিক পুষ্টিকর অহার বা Diet :

ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড যুক্ত খাবার:

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড আমাদের ব্রেনের সমস্ত ফাংশন কে সঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং ব্রেনের মধ্যে ডিপ্রেশন ডিপ্রেশন থেকে হওয়া ইনফ্লামেশন ও Cellular ডেমেজ কে কমায়।

এরকম কিছু খাবার হল আখরোট, আলমন্ড, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, ইত্যাদি।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার:

ডিপ্রেসন বা বিষন্নতার ফলে আমাদের শরীরের মধ্যে দিগুন ফ্রী রাদিক্যালস সৃষ্ঠী হয় যার ফলে ব্রেন ও শরীরের বিভিন্ন ভাগে সেলুলার ড্যামেজ হতে শুরু করে যা খুবই ক্ষতি কারক।

এই ফ্রী রাদিক্যালস এর অধিক উত্পাদন ও শারিরীক ক্ষতিকারক প্রভাব কম করতে সাহায্য করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার।

সহজে পাওয়া প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত রোজ কার খাবার হল কুমড়ো, গাজর, ব্রকলি, পালংশাক, টমেটো, ক্যাপসিকাম, লেবু এবং আঙ্গুর ইত্যাদি।

প্রোটিন যুক্ত খাবার

প্রোটিন মধ্যে থাকে এক প্রকার amino acid যার নাম  tryptophan, এটি সেরেটোনিন বৃদ্ধি করতে সাহায্য এবং আমাদের শরীরে এনার্জি বুস্ট করে। যা আমাদের শারিরীক ও মানসিক ভাবে বিকাশে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে।

এরকম প্রোটিন যুক্ত হল দুধ, মাছ, মাংস, ডিম, সমস্ত প্রকার ডাল, সোয়াবিন ইত্যাদি

ভিটামিন ও nutrient যুক্ত সবুজ শাকসবজি

সবুজ শাকসবজি মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইবার এবং বিভিন্ন ভিটামিনের সম্ভার। এছাড়া শাকসবজির মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে শক্তিশালী ইমিউনিটি বুস্টকারি উপাদান ও anti-cancer গুনাগুন, যা আমাদের সেলুলার ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে এবং শরীরকে সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। 


2. মেডিটেশন বা ধ্যান

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার দ্বারা প্রমানিত দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির পরম ঔষধ হল প্রতিদিন সঠিক নিয়মে মেডিটেশন অভ্যাস করা, কারণ মেডিটেশন আমাদের ভয় অস্থিরতা, উদ্বেগ, অস্বাভাবিক চিন্তা উপর মানসিক অস্থিরিতা উপর সহজে নিয়ন্ত্রণ আনতে সাহায্য করে।

এবং মস্তিষ্কের অতিরিক্ত চিন্তা প্রবাহ থেকে শুরু করে শরীরের রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোন গুলি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখে যার ফলে আমরা বিনা কোন ওষুধে কিছু সময়ের মধ্যে ভিতর সম্পুর্ন সুস্থ হয়ে উঠতে পারি।

মেডিটেশন আমাদের নানান উপকারী গুণ আছে যা মুড কে ব্যালেন্স রাখতে এবং  দুশ্চিন্তা ও অবসাদ মত সমস্যা সহজে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন: মেডিটেশন ও এর উপকারিতা


3. Yoga ও  প্রাণায়াম:

প্রতিটা মানুষের সুষ্ঠ থাকতে নির্দিষ্ট শারিরীক অ্যাক্টিভিটি অব্যসক কারণ এটি আমাদের শারিরীক ও মানসিক বিকাশে অতি প্রয়োজনীয়।

তবে একটি পরীক্ষার মতো দেখা গেছে যে সব মানুষ বিষন্নতা বা দুশ্চিন্তা শিকার তাদের ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি অভাব বেশি, এবং শরীরের মধ্যে এনার্জীর অভাব দেখা যায়। একমাত্র ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি দাঁড়াই দাড়াই শরীরের সমস্ত পেশী ও মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং শরীর ও মনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।

যোগব্যায়াম এই সমস্যাকে সম্পুর্ন কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে কারণ Yoga এক একটি আসন শরীরের বিভিন্ন পেশীকে স্ট্রে্‍চ করে এবং সম্পুর্ন বিকাশে সাহায্য করে।

এছাড়াও প্রাণায়াম ব্রেন ও শরীরের মধ্যে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে থেকে শুরু  করে মনের অসাভাবিক গতিবিধি স্থির করতে সাহায্য করে যা হতাশা বা দুশ্চিন্তার গ্রস্থ মানুষের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে।        

আরো পড়ুন : 7টি বিশেষ যোগ আসন যা আমাদের depression কমাতে সাহায্য করে।


4. NLP বা Neuro linguistic program  

আসলে NLP হলো এক ধরনের বিশেষ Neuro থেরাপি যার যা আমাদের মাইন্ড এর behavior প্যাটার্ন সম্পূর্ণ পরিবর্তণ করা সম্ভব, পুরোনো স্মৃতি সম্পুর্ন মুছে ফেলা বা সম্পুর্ন নতুন ধারনা মনের মধ্যে implant করা সম্ভব। প্রতিদিন বিশেষ টেকনিক ব্যবহার দ্বারা আমরা দুশ্চিন্তা মত সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারি। এছাড়াও নিজের আত্মবিশ্বাস কে সুষ্ঠ ভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম এবং সহজে বিষন্নতা বা হতাশা কে চিরকালের মত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।   

তবে NLP টেকনিক কেবল মাত্র NLP Expert দের পরামর্শ নিয়ে করা উচিত, ভুল NLP টেকনিক নিজের জীবনে আরো বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে ।


5. Binaural Beats 

বাইনারাল বিটস এটি এক ধরনের বিশেষ মিউজিক ফ্রিকোয়েন্সি যা মানুষের মস্তিষ্ক কে আলফা বিটা কামা মতো বিভিন্ন  স্তরে  নিয়ে সহজে সক্ষম এই প্রত্যেকটি আমাদের মস্তিষ্কের প্রত্যেকটা স্তর যার দ্বারা আমরা সহজেই নিজেদের ইমোশান চিন্তা ভাবনা ও চেতনার উপর স্থিরতা প্রদানে সক্ষম এই music গুলি ডিপ্রেশন বা দুশ্চিন্তার মত সমস্যা সহজে কাটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

এছাড়াও এই মিউজিক ফ্রিকোয়েন্সি সবচেয়ে বড় গুণ হল এটি  ঘুমের সমস্যা দূর করে ও রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রনেও সাহায্য করে ।


6. Laughing therapy বা লাফিং থেরাপি:

লাফিং থেরাপি অর্থ হাসি, আসলো সমস্ত রোগের ঔষধ বলা হয় হাসি আপনি যত বেশি হাসবেন তত কম রোগ হওয়ার ভয় থাকবে আপনার।

কারণ কিছু বিশেষ পরীক্ষার দ্বারা প্রমানিত হাসি আমাদের ইউনিটি’ বুস্ট করে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায় স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তা কমায় এবং ভয় বা উদ্বেগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। যে কোনো স্টেজের ডিপ্রেশন বা দুশ্চিন্তার ক্ষেত্রে হাসি বা লাফিং থেরাপি সবচেয়ে সহজ ও উপকারী ন্যাচারাল ট্রিটমেন্ট ও কম খরচ সাপেক্ষ।  



8. Gratitude বা পার্থনা:

মানুষের জীবন প্রতিটা মুহূর্ত খুবই অমূল্য তাই জীবনে কী কী নেই তার হিসাব বন্ধ রেখে আমাদের কাছে যা আছে তাই নিয়ে ভগবান বা পরম ঈশ্বর কে ধন্যবাদ জানানো উচিত।

যাতে জীবনের কাছে হেরে না গিয়ে যতটুকুই সমস্যা থাকুক না কেন তার সাথে লড়াই করার শক্তি পাওয়া যায়। তাই ভারতীয় সংস্কৃতিতে প্রতিটিই মানুষ কে প্রতিদিন Gratitude বা পার্থনা করার কথা বলা হয় যার দ্বারা মানুষ জীবনের প্রতি আশাবাদী থাকে যাতে নিজের বিষন্নতা ও দুশ্চিন্তা সমস্যা সাথে সহজে লড়াই করতে পারেন ।


আপনার যদি দুশ্চিন্তার থেকে মুক্তি পেতে মেডিটেশন শিখতে চান তবে আমাদের CALL করুন 9433-657349 নুম্বেরে বা Email করুন contact@wisdomcue.com এ,    

আসা করি আপনাদের সাহায্য করতে পেরেছি, এই তথ্য সংক্রান্ত আপনার কোন মতা মত থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না ও ধন্যবাদ।

কুণ্ডলিনী যোগ কী? | Kundalini Yoga In Bengali

কুণ্ডলিনী যোগ কী?

কুণ্ডলিনী শব্দের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ভারতীয় উপনিষদ শাস্ত্রের মধ্যে যায় প্রধান অর্থ হল জীবন প্রদান কারি সৃষ্ঠীর বুনয়াদি শক্তির সক্রিয়তা।  

মানব দেহ এই বুনয়াদি শক্তির অনেক গুলি লেয়ের দ্বারা তৈরি যার ৯৯ ভাগই নিষ্ক্রিয় রূপে স্থিত। এই শক্তির বা এনার্জির বুনিয়াদি সর্ব নিম্ন স্তরের প্রকাশ হল জীবন বা প্রাণ।

এই ৯৯ ভাগ নিষ্ক্রিয় অবস্থা থাক শক্তির শক্তির জাগরণ ও সঠিক রূপে দেহের মধ্যে স্থাপনের পদ্ধতি হল কুণ্ডলিনী। এই কুণ্ডলিনী শক্তি আমাদের মেরুদণ্ডের ঠিক নিচে মুলাধার চক্রের মধ্যে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় স্থিত।

কুণ্ডলিনী সাধনার সময়ে এই নিষ্ক্রিয় শক্তি কে ধীরে ধীরে সর্ব নিম্ন চক্র থেকে উপরে সহস্রার চক্রের মধ্যে শক্তি স্থাপন করা।   

মুলাধার চক্র থেকে ষষ্ঠ অগনা চক্র পর্যন্ত শক্তির স্থাপন তুলনা মূলক ভাবে সোজা এবং অসংখ্য পথ বিদ্যমান, কিন্তু ষষ্ঠ চক্র থেকে সপ্তম চক্র পর্যন্ত শক্তির সাধন পথ কোন পুরাণেই বর্ণিত না থাকায় ষষ্ঠ চক্র ভেদ সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন।

কিন্তু এই কুণ্ডলীনি শক্তি প্রকাশ ও সাধন কে যোগীর বিষধর সর্প দ্বারা চিত্রিত করেছেন, কারণ কুণ্ডলিনী শক্তি যেমন অসীম ক্ষমতাশালি ঠিক এক রকম ভাবে অতি ভয়ংকর এবং বিধংসি।

কারণ যে শক্তি আমাদের জীবনের সমস্থ স্থিতি কে এক নিমেষে পরিবর্তণ করার ক্ষমতা ধারন করে, ঠিক একই রকম বিনা আত্ম নিয়ন্ত্রনে এই শক্তি যে কোনো মানুষের ভয়ংকর মৃত্যুর জন্য যথেষ্ঠ।

পূরণ এবং কিছু লোক কাহিনীতে উল্লেখ পাওয়া গেছে অনেক বড় সাধক ও যোগীরা এই শক্তি প্রভাবে কেউ উন্মাদ হয়ে গেছেন আবার অনেকে মারা ও গেছেন।       


কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরনেরে নিয়ম:

সবার প্রথমে বোঝা দরকার কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণ কোন সাধারণ প্রক্রিয়া নয়, কুণ্ডলীনি শক্তি জাগরণ জন্য প্রথম ধাপ সাংসারিক জীবন থেকে সম্পুর্ন রূপে বিরত থাকা।

কারণ কুণ্ডলীনি শক্তির জাগরণের জন্য আমাদের গভীর অনুশাসন ও  বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলা অতি প্রয়োজন, যা সাংসারিক রূপে পালন করা কোন প্রকারে সম্ভব না।

দ্বিতীয় হল কুণ্ডলিনী জাগরণের প্রক্রিয়া সাথে অবগত সঠিক গুরু guidance ও observation। যিনি আপনার আভ্যন্তরীণ পরিবর্তণ কে একটি দিশা প্রদান করবে।   

তৃতীয় ধাপ হল কুণ্ডলীনি শক্তি জাগরনের জন্য ধীরে ধীরে সঠিক শারিরীক স্থিতি সৃষ্টি করা, যা এই অসীম শক্তিকে নিয়ন্ত্রনের সঠিক স্থিতি প্রদান করতে সক্ষম।

চতুর্থ ধাপ হল গুরু প্রতি বিশ্বাস ও সঠিক ভাবে সাধনা প্রণালী পালন।


কুণ্ডলিনী জাগরণের উপায়:

ভারতীয় ঋষিদের মতে কুণ্ডলিনী শক্তি জাগরণের জন্য ১১২টি পথ বর্তমান রয়েছে। এই 112টি পদ্ধতি কেবল 2টি ধাপে পূর্ণ করা যায়, এর প্রথম ধাপ হল শরীর কে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ আনা ও শরীরকে নির্দিষ্ট বাতাবরণ প্রদান করা এবং দ্বিতীয় ধাপ হল শরীর কে উত্তেজনার চরম সীমায় নিযে যাওয়া যার দ্বারা এক মুহুতে কুণ্ডলিনীর জাগ্রত করা।       

কুণ্ডলিনী জাগরণের ক্ষেতে কোন গুরুই দ্বিতীয় পথ অবলম্বনের কথা কোন দিন বলবেন না, কারণ বিনা সঠিক নিয়ন্ত্রণের স্থিতিতে এই শক্তির জাগরণ মৃতুর সমান।   


সাবধানতা:

আজকের দিনে কুণ্ডলিনী একটি ব্যবসা হয়ে দারিয়েছে, প্রায় 99 ভাগ গুরু যারা কুণ্ডলিনী সাধন শেখাছেন তার নিজারই কোন দিন কুণ্ডলিনী সাধনা করেননি। কুণ্ডলিনীর নামে শুধুই ভুল ভাল সাধন পদ্ধতি শেখান, বিশেষত ভাবে বিদেশী গুরুরা।    

  • কুণ্ডলীনি বিনা সঠিক গুরু guidance ছাড়া প্র্যাক্টিস করার অর্থ নিজের বিপদ নিজে ডেক আনা বা মৃত্যু কে আহ্বান করা।
  • নিয়ন্ত্রণ ছাড়া যে কোন চক্রে শক্তির প্রবাহ শরীর ও মানসিক ভারসাম্য কে চিরতরে নষ্ঠ করতে সক্ষম।বিনা জ্ঞানে কুণ্ডলিনী জগরণের কোন চক্রের স্থিতি গণ্ডগোল হলে তা সারা জীবনের জন্য কুপ্রভাব প্রদান করবে।    
  • কুণ্ডলিনী জাগরেনের পর অতি মাত্রায় ক্ষমতা নিয়ন্ত্রনে জন্য আত্ম নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর ভাবে  সাংসারিক অবস্থার মধ্যে থেকে কখনোই কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণের প্রয়াস করা উচিত না।

আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্স এর মধ্যে জানান ও আমাদের নতুন নতুন পোস্ট গুলির আপডেট পেতে উপরে থাক Bell icon ক্লিক করুন ধন্যবাদ।


আপনার যদি অনলাইন বা offline মেডিটেশন শিখতে চান তবে দেরি না করে কল্ল করুন আমদের +91 -9433 -657 -349 নাম্বারে। বা মেল করুন Contact@wisdomcue.com

জেনেনিন কিভাবে মেডিটেশন করবেন | How To Meditate In Bengali

মেডিটেশন করার পদ্ধতি:  

যে কোন ধরনের মেডিটেশন করার বা শেখার ক্ষেত্রে 6টি নির্দিষ্ট ধাপ সম্পুর্ন করা অবশই প্রয়োজন। যা সম্পুর্ন রুপে ধাপে ধাপে নিচে দেওয়া রহিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।

1. শারিরীক স্থিতি:

মেডিটেশনের প্রথম ধাপ হল হল শারিরীক স্থিতির সঠিক মূল্যায়ন। কারণ যোগ গুরু ও সিদ্ধ মুনি ঋষিরা বলছেন ধ্যান প্রক্রিয়া কোন সাধারন ক্রিয়া নয়।

প্রতিটি কাজের মত ধ্যান সাধনার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা জরুরী। ধ্যান ক্রিয়ার জন্য উত্তম অবস্থা হল প্রথম অহার পূর্বের অবস্থায় বা খালি পেটে থাকা অবস্থা।

কারণ ভরা পেটে শরীর শুধু মাত্র খাদ্য হজম স্থিতি কে প্রাধান্য দেয় যা আমাদের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শারিরীক পুষ্ঠী সাধন করে। তাই মেডিটেশন শুরু করার আগে নিজের শারিরীক স্থিতির কথা ভাবা অতি গুরুত পূর্ণ।

2. সঠিক আসন:

দ্বিতীয় ধাপ হল সঠিক আসন দ্বারা ধ্যান প্রক্রিয়া অবলম্বন করা। যার দ্বারা মেরুদণ্ড সোজা ও নির্দিষ্ট স্থিতি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়।তাই মেডিটেশনের জন্য কিছু বিশেষ আসন গ্রহণ করা আবশ্যক হল পদ্মাসন, সুখাসন ও বজ্রাসন ইত্যাদি।  

যা মেডিটেশন বা ধ্যান প্রক্রিয়া নিজের সম্পুর্ন রূপে শরীর কে সমর্পণ করতে সাহায্য করে ও নির্দিষ্ট আসনে মনের অস্থিরতা স্থির হয়ে ওঠে।

কারণ যোগ গুরু ও ঋষিদের মতে ধ্যানের অনুসরণের জন্য নির্দিষ্ট আসন অবশই প্রয়োজন।   

3. শ্বাস গ্রহণ প্রণালী:

তৃতীয় হল শ্বাস প্রণালী, মেডিটেশন করার সময় সম্পুর্ন গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন, কিছু ক্ষন হোল্ড করুন ও আস্তে আস্তে ছারুন যাতে সম্পুর্ন chest ও lungs engage হয়।    

কারণ ভিন্ন ভিন্ন নিশ্বাস প্রণালী শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভ করে যাতে মন খুব সহজে শান্ত ও শরীর এবং মনের সংযোগ স্থাপনে সাহায্য করে।

4. সঠিক মুদ্রা বা হাতের অবস্থান ভঙ্গি :

চতুর্থ ধাপ হল সঠিক মুদ্রা ধারন করা, যা ধ্যান বা মেডিটেশন প্রক্রিয়ায়  মন সংযোগে সাহায্য করে, এবং শরীরের মধ্যে ধ্যান প্রক্রিয়া অবলম্বনের সঠিক স্থিতি প্রদানে সাহায্য করে।

বিধি গত নিয়ন অনুসারে মুদ্রার মধ্যে ধ্যান মুদ্রা ও জ্ঞান মুদ্রা অন্যতম, এছাড়াও আছে বায়ু মুদ্রা, প্রাণ মুদ্রা ও সূর্য মুদ্রা। প্রতিটি মুদ্রাই নির্দিষ্ট গুণ সম্পন্ন যা ধ্যান প্রক্রিয়ায় অসামান্য ভূমিকা পালন করে।

ধ্যান মুদ্রা প্রক্রিয়া:

প্রথমে নিজের ডান হাত কোলের উপর রেখে তার উপর নিজের বাম হাত লম্বা লম্বি ভাবে রাখুন দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি মাথা এক অপরের সাথে যুক্ত করলে ধ্যান মুদ্রা তৈরি হবে।

জ্ঞান মুদ্রা প্রক্রিয়া:

প্রথমে নিজের দুটি হাত দুটি পায়ের হাটুর উপর রাখুন্, এর পর হাতের সমস্থ আঙুল লম্বা লম্বি ভাবে রেখে শুধু বৃদ্ধাঙ্গুলি ও তর্জনী এক সাথে যুক্ত করলে তৈরি হয় জ্ঞান মুদ্রা।    

প্রতিটি মুদ্রাই নির্দিষ্ট কিছু গুণ সম্পন্ন যা ধ্যান প্রক্রিয়ায় অসামান্য ভূমিকা পালন করে।

5. মন সমর্পণ:

পঞ্চম ধাপ হল পূর্ণ মন সমর্পণ যার দ্বারা একমাত্র ধ্যান মগ্ন হওয়া প্রক্রিয়া  সম্ভব, বীনা মন সমর্পণে মেডিটেশন করা কোন ভাবেই সম্ভব না।

মন্ সমর্পণ অর্থ হল মন কে পর্ণ রূপে একটি মাত্র কাজে সম্পুর্ন রূপে কেন্দৃভূত করা ও পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে সমগ্র প্রক্রিয়া গ্রহণ করা।

এক মাত্র মনে পূর্ণ একাগ্রতা ও স্থিরতা দ্বারা মন সমর্পণ সম্ভব। এবং অবাক করা বিষয় হল মেডিটেশন আগে 2টি ধাপ অর্থাত্‍ সঠিক আসন ও সঠিক শ্বাস প্রণালী আমাদের মন সমর্পণ অনেক খানি  সাহায্য করে।   

6. মেডিটেশন বা সাধনা প্রণালী অনুসরণ:

ষষ্ঠ ধাপ হল নির্দিষ্ট সাধনা প্রণালী অনুসরণ, অর্থাত আমরা কোন প্রকারের মেডিটেশন ধরনের প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করছি।

যেমন হল Guided Meditation, Gratitude meditation, Body Scan meditation, Yoga Nidra meditation ইত্যাদি হল প্রথম কিছু সহজ ধরনের মেডিটেশন যা সবাই খুব সহজে অভ্যাস করতে পারেন।

আর পড়ুন: মেডিটেশনের সম্পর্কে বিশেষ কিছু প্রশ্ন উত্তর।


মেডিটেশন বা ধ্যান প্রণালীর গুরুত্ব পূর্ণ নিয়ম বিধি (Important Rules for meditation) :

  1.    মেডিটেশন করার সময় মুখ সর্বদা পূর্ব দিকে থাকা উচিত।
  2.   মুখ ধ্যান বা মেডিটেশন সময় মেরুদণ্ড সোজা ও মাথা সামান্য  পরের দিকে থাকে।
  3. ভরা পিটে কখনো মেডিটেশন করা উচিত না।
  4. শুয়ে শুয়ে কখনো মেডিটেশন বা ধ্যান অভ্যাস করা উচিত্‍ না।
  5. চারি দিক বদ্ধ স্থানে কখনো ধ্যান অভ্যাস করা উচিত না।

আর পড়ুন: মেডিটেশনের উপকারিতা

আর পড়ুন প্রাথমিক অবস্থায করা 10টি মেডিটেশন সম্পর্কিত ভুল অভ্যাস।  

আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতা মত থাকলে তা আমাদের কমেন্ট বক্সে জানান॥ আর মেডিটেশন সম্পর্কিত আরও অজানা তথ্য জানার জন্য উপরে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন।


আপনার যদি অনলাইন মেডিটেশন শিখতে চান তবে আপনার ফোন করতে পারেন এই নম্বরে + 91 9433 657 349 বা আমাদের মেল করতে পারেন Contact@wisdomcue.com.

Exit mobile version
0