জেনেনিন মেডিটেশন করার সঠিক ১০টি নিয়ম | 10 Important Rules for meditation in Bengali

Meditation বা ধ্যান খুবই প্রচলিত অভ্যাস, তবে কিছু প্রাথমিক ভুলের জন্য বেশির ভাগ মানুষ মেডিটেশন করলেও এর উপকার থেকে সম্পুর্ন বঞ্চিত । তাই আজই জেনে নেব মেডিটেশন করার ১০টি নিয়ম যা থেকে ছোট ছোট না জানা ভুলগুলিকে কে শুধরে নেওয়া সম্ভব

1. প্রস্তুতি পদ্ধতি:

প্রথম নিয়ম প্রস্তুতি পদ্ধতির ক্ষেতে বা মেডিটেশন শুরু করার আগে নিজেকে রিল্যাক্স বা সঠিক স্থিতিতে আসার সময় দেওয়া অতি প্রয়োজন।

এর কারণ অস্থির মন আপনাকে ধীরে ধীরে অধৈর্য ও মন অতি চঞ্চল করে তুলবে প্রতি মিনিটে, এ অবস্থায় ধ্যান প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেও পূর্ণ শান্তি, সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব না।

তাই অবশই নিজের বডি রিল্যাক্স ও ব্যালান্স করার প্রতি সবার প্রথমে বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। যার দ্বারা সহজে বিনা কোন সমস্যা মন স্থির বা কেন্দৃভূত করা সম্ভব।

নিজের বডিকে রিল্যাক্স ও ব্যালান্স করার সবচেয়ে সরল সমাধান হল গভীর ভাবে শ্বাস গ্রহণ করা

2. বিশ্বাস:

ধ্যান বা মেডিটেশন থেকে শুরু করে সমস্থ রকমের সাধনা ও আধ্যাতীক পদ্ধতির ভীত হল বিশ্বাস। কারণ আমাদের সম্পুর্ন বিশ্বাস ছাড়া কোন কাজের পূর্ণতা অর্জন কোন প্রকারে সম্ভব না।

এবং ধ্যান প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে মানুষ যে বড় ভুলটি করেন তা হল অবিশ্বাস সাথে রোজ মেডিটেশন প্র্যাক্টিস করা, যা আসলে করা আর না করা সমান।

তাই দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল যখনই ধ্যান বা মেডিটেশন প্র্যাক্টিস শুরু করুন না কেন সম্পুর্ন বিশ্বাস ও ভরসার দ্বারাই করুন , তবেই ধ্যান প্রক্রিয়া স্বয়ং সম্পুর্ন রূপে সফল হবে এবং তার সম্পুর্ন উপকার পাওয়া সম্ভব হবে ।

3. সঠিক ভাষার প্রক্রিয়া:

ধ্যান বা মেডিটেশন বেশির ভাগ মানুষ প্রথম যে বড় ভুলটি হল নিজের দৈনন্দিন বলার ভাষা বাংলা কে ছেরে অন্য ভাষায় মেডিটেশন প্রক্রিয়া অভ্যাস শুরু করা।

অন্য ভাষার প্রক্রিয়াতে ভুল কিছু নেই, সমস্যা হল মস্তিষ্কের চিন্তা ও গ্রহণ শক্তির উপর যা নিজের ভাষা কে যত খুব সহজে গ্রহণ করতে সাহায্য করে।

এটি অন্য ভাষার প্রক্রিয়ার সাথে অতটা সহজ হয়না কারণ মস্তিষ্ক সহজে তাল মিলিয়ে উঠতে পারে না, যা ধ্যান কেন্দ্রে বাধা হয়ে দাড়ায়।  তাই সব সময় যে ভাষা আপনি ভাল বোঝেন সেই ভাষাতে মেডিটেশন কোর্স শিখুন।  

4. সময় সীমা:

মেডিটেশন প্রক্রিয়ার নির্দিষ্ট সময় সীমা নেই, কারণ সম্পুর্ন প্রক্রিয়াটি আপনার উপলব্ধির উপর নির্ভরশীল।সবার উপলব্ধি মাত্রা ও উপলব্ধির গভীরতা সমান হতে পারে না, তাই ধ্যান প্রক্রিয়ার সময় সীমা নির্ধারন করা সম্ভব না।

এবং তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল নিজের ধ্যান বা মেডিটেশন অভ্যাসের কোন বাধা ধরা সময় একদমই নির্ধারন না করা, কারণ

সঠিক ভাবে ধ্যানের বা মেডিটেশন গভীরে প্রবেশ করলে, সময় সীমার অনুভুতি বিলীন হয়ে যায় তাই এই বিষয় নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

5. দেহ ভঙ্গি বা আসন: 

আমাদের শরীর ধরে নিন অনেকটা জলের পাইপের মত, যদি পাইপের মাঝে কোন ব্লক বা বাধা থাকলে জল যেমন এক দিক থেকে আরেক দিকে পৌছতে পারে না।

ঠিক একি রকম ভাবে ভুল ভঙ্গিতে মেডিটেশন করার সময় শরীরে এনার্জি প্রবাহ রুদ্ধ হয়, এবং শরীরের সর্বত্র এনার্জি পৌছতে পারে না।

আর এই এনার্জি প্রবাহের বড় মাধ্যম হল মানুষের মেরুদন্ড, যাকে মেডিটেশনের ভিত বলা হয় যার উপর নির্ভর করে ধ্যান প্রক্রিয়ার গভীরতা ও উপলব্ধি । তাই মেডিটেশনের সময় নিজের মেরুদণ্ড কে সম্পূর্নূ কোন সাপোর্ট ছাড়া সোজা করে রাখা উচিত।

এবং মেডিটেশন বা ধ্যান নির্দিষ্ট আসন দ্বারা সম্পুর্ন করা উচিত, যেমন – সুখাসন, পদ্মাসন এবং বজ্রাসন ইত্যাদি যা গভীর রূপে ধ্যানস্ত হতে সাহায্য করে।

6. হতের অবস্থান বা মুদ্রা:

মেডিটেশনের সময় হাত ও গুরুত্তপূণ ভূমিকা পালন করে যা অনেকেই জানেন না, যার ফলে না জেনেই একটি ভুল করে বসেন হাত কে ভুল স্থিতিতে রেখে।

কারন আমাদের হাত বা হাতের ভঙ্গি আমাদের শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভ করতে সক্ষম, এবং সঠিক ভঙ্গি দ্বারা আমাদের ধ্যানের গভীরতা কে দিগুন করা সম্ভব।  

সঠিক নিয়ম অনুজাই মেডিটেশন বা ধ্যানের সময় নিজের হাত কে ধ্যান বা জ্ঞান মুদ্রায় রাখা বা উপুড় করে হাতে তালু কে উপরের দিকে করে রাখা উচিত। এতে নিশ্বাস প্রশ্বাস ব্যালান্স হয় ও শরীরের মধ্যে সঠিক ভাবে এনার্জি প্রবাহিত হয়।

7. অনুভব ও অনুভুতি:

ধ্যান বা Meditation কোন কাল্পনিক বা দৈব কোন জগতের অনুভুতি প্রাপ্তি নয়। মেডিটেশনের মূল লক্ষ্য বর্তমান ও অভ্যন্তরীন বাস্তবীক স্থিতিকে অনুভব করার স্ব্য়ং সম্পুর্ন প্রচেষ্ঠা পদ্ধতি।

তাই বাস্তবীক জীবনের বাহিরে কাল্পনিক কিছুর অনুভব প্রচেষ্ঠা শুধুই সময় নষ্ট মাত্র।    

8. অন্বেষণ বা এক্সপ্লোর:

ধ্যান প্রক্রিয়ার অন্যতম নিয়ম হল নির্দিষ্ট guidance দ্বারা ধ্যান প্রক্রিয়া কে explore করা। দেখুন মেডিটেশন কোন অঙ্কের বই এর ফর্মুলা নয়, এটি আত্ম অনুসন্ধান ও উপলব্ধির পথ।  

এই পথে প্রতীক কে নিজেকে ও নিজের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা সমস্থ সম্ভাবনা কে এক্সপ্লোর করতে সঠিক guidance ও সঠিক গুরুর প্রয়োজন

Meditation প্রথম স্তর যেমন শেখা ওএর দ্বিতীয় ধাপ হল নিজেকে এক্সপ্লোর  করতে ভয় না পাওয়া, কারণ সত্য কে উপলব্ধির জন্য সময় মানুষের কাছে খুবই সীমিত।  

9. মোবাইল ও হেড ফোন কম ব্যবহার:  

আমরা আমাদের অনলাইন মেডিটেশনের শেখার প্রথম পর্যায়ে মোবাইল ও হেড ফোন ব্যবহার করে থাকি, কিন্তু সমস্যা হল এই ধ্যান একটি অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া যা সম্পুর্ন যা বাহিরে উদীপনা থেকে বিছিন্ন প্রক্রিয়া ।

তাই নিয়ম অনুজাই ধ্যান অভ্যাসে ক্ষেতে প্রথমের দিকে মোবাইল ও হেড ফোন ব্যবহার করা হলেও পরের দিকে এক দম না ব্যবহার করাই ভাল। এতে একমাত্র সম্পুর্ন রূপে এফেক্ট পাবেন।

10. চিন্তা শূন্য প্রচেষ্টা:

মেডিটেশন মানে অনেকে ভাবেন মস্তিষ্ক কে চিন্তা শূন্য করার প্রচেষ্ঠা ও এই বৃথা প্রচেষ্টা প্রতি দিন করে চলেছেন বহু মানুষ, যা সম্পুর্ন সময় নষ্ট ।

মেডিটেশন একটি দিক হল নিজের চিন্তা ভাবনা গুলিকে সঠিক  দিশা প্রদান করা, চিন্তা শূন্য করা নয়। তাই চিন্তা শূন্য প্রচেষ্টা ছেড়ে নিজের মেডিটেশন প্রক্রিয়ার সাথে নিজের চিন্তা গুলি সঠিক দিশা দেওয়া।


আপনার মূল্যবন্য সময় দিয়ে এই ব্লগটি পড়ার জন্য Wisdomcue.com টীমের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

আপনার Meditation সম্পর্কে কোন Guidance প্রয়োজন হলে বা কোন প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফোন বা Whatsapp  করুন +91-9433-657-349 এই নুম্বেরে।


আপনারা যদি কেউ অনলাইনে বাংলাতে সম্পুর্ন সঠিক মেডিটেশন শিখতে চান তবে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন।       


বিশদ জানতে Call করুন +91-9433-657-349 বা Email করুন Contact@wisdomcue.com

ধ্যান বা মেডিটেশনের প্রকৃত অর্থ কী | What is dhyana in Bengali

Meditation এর বাংলা অর্থ কী?

Mediation বা ধ্যান বাংলায় প্রকৃত অর্থ হল সাধনা। তবে আমাদের জানলে খুবই অবাক লাগবে শুধু চোখ বন্ধ করে বসলেই ধ্যান করা সম্ভব না।

কারন ধ্যান বা Meditation অনেকটা গাছের পরিপূর্ণ ফলের মত, একটি গাছ পরিপূর্ণ ফলের জন্য যেমন রোদ, জল, ও পুষ্ঠীর প্রয়োজন।

তেমনি মেডিটেশন বা ধ্যান এর জন্য আপনার মন, শরীর ও নিজের আবেগ বা অনুভুতির একটি সঠিক অবস্থার প্রয়োজন।   

যখন সব উপাদান গুলি সঠিক মাত্রায় উপস্থিত থাকে, তখন ধ্যান বা Meditation নিজে থেকেই আপনার মধ্যে দিয়ে সম্পূর্নূ হবে।

কারন ধ্যান বা meditation অনেকটা আমাদের হৃদ স্পন্দনের মত যা সঠিক অবস্থায নিজে থেকেই সম্পন্ন হয়।  

সম্পুর্ন সঠিক ভাবে ধ্যান বা Meditation করার জন্য আমাদের শারিরীক, মানসিক ও আবেগ বা অনুভুতির মধ্যের সমতা আনা প্রয়োজন।

সম্পুর্ন সঠিক ভাবে ধ্যান বা Meditation করার জন্য আমাদের শারিরীক, মানসিক ও শারিরীক আবেগ বা অনুভুতির মধ্যের সমতা আনা প্রয়োজন।

এই সমতা সৃষ্ঠী একটি দীর্ঘ মেয়াদী প্রক্রিয়া, যা বেশির ভাগ মানুষ উপেখা করে চলেন।

তবে আজকের দিনের আসল চাহিদা হল একদিনেই মেডিটেশন শিখে ফেলা যা অনেকটা মাটিতে একটা বীজ পুতেই ফলের আসা করা সমান।    

Meditation করা মনে চোখ বন্ধ করে কোন চিন্তা করা, কাল্পনিক কোন গল্প সৃষ্ঠী বা গায়ের জোরে মন কে চিন্তা শূন্য করা নয়।

যার ফলে বেশির ভাগ মানুষ নিজের সাথে কিছু দিন লড়াই করে ধ্যান বা meditation শিখে প্র্যাক্টিস বন্ধ করে দেন।

অনেক নামি দামী কোর্স এবং নামি দামী meditation টীচারাও এই বেপারে সম্পুর্ন তথ্য গোপন করেন যা একদমই উচিত না।


শরীর, মন ও আবেগ বা অনুভবের সমতা সৃস্থির পদ্ধতি:

শরীর সমতায় আনার পদ্ধতি:

আমাদরে শরীর একটি অসাধারণ নির্ভুল যন্ত্র, যার থেকে অসম্ভব কাজ ও সম্ভব।কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এই শরীর কে অলসতার জন্য ব্যবহার করে থাকেন, যার ফলে শরীরের বেশির ভাগ কার্য ক্ষমতা হ্রাস পায়।

তাই এই শারিরীক সমস্যা কে কাটিয়ে উঠতে ও নিজের শরীর কে ধ্যানের জন্য প্রয়োজনীয়ও সঠিক সমতায় আনতে হলে প্রতিদিন আমাদের Yoga বা যোগ অভ্যাস করা প্রয়োজন।  

সঠিক যোগ অভ্যাস আমাদরে শারিরীক সমস্থ প্রতিবন্ধকতা সহজে কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।  

এবং Yoga আমাদের সমস্থ spiritual বা আধাত্তিক কাজের জন্য একটি স্থিতিশীল ভীত প্রদান করে যার উপর ভিত্তি করে জীবনে সমস্থ কর্ম কে এগিযে নিয়ে যাওয়া যায়।  


মনের উপর সমতা সৃষ্ঠীর পদ্ধতি:

মানুষের মন সাধারনত খুবই চঞ্চল প্রকৃতির ও সর্বদা অস্থির আমরা সবাই জানি।কিন্তু নিজের মনের উপর ভারসাম্য রাখা জীবনের প্রতিটিই ক্ষেত্রে খুবই জরুরী।

কারন ভারসাম্য হীন মন নিজেই নিজের ক্ষতির কারন ও নিজের বিকাশের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়।  

তাই মনের উপর সম্পুর্ন স্থিরতা সৃষ্ঠীর জন্য প্রতিদিন আমাদের শান্তি, আনন্দ, স্থিরতা ও সকলের প্রতি ভালোবাসা বজায় করি কোন না কোন কাজ করা বা অন্তর থেকে শুভ পার্থনা করা উচিত।

যার উপর মন কেন্দ্রীভূত হয়ে নিজের মধ্যে স্থিরতা ও সঠিক ভারসাম্য সৃষ্ঠী হয় যার দ্বারা যে কোন কাজ সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব।


আবেগ বা অনুভূতির উপর সমতা সৃষ্ঠীর পদ্ধতি:

আবেগ ও অনুভূতির উপরই মানুষের জীবনের শান্তি, ভালোবাসা, আনন্দ, সুখ দুঃখ ও সব কিছুই নির্ভর করে।

শরীর ও মনের বিনা স্থিরতায সবই ক্ষনস্থায়ী ও মূল্য হীন, তাই স্থিরতা ও সমতা প্রয়োজন অনস্বীকার্য।

তাই আবেগ বা অনুভূতির উপর সমতার সৃষ্ঠীর জন্য আমাদের প্রতিদিন আত্ম অনুসন্ধানের পথ ও সত্য কে জানার প্রচেষ্ঠার করা জরুরী।

যার থেকে আমাদের সত্য ও মিথ্যার মধ্যে বিভেদ সৃষ্ঠী সম্ভব এবং চেতনার বিকাশ সম্ভব।এই বিভেদ আমাদের আবেগ ও অনুভূতির উপর সর্ব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমতা সৃষ্ঠী করে।


এছারও আছে আর ছোট বড় নানা জিনিস যা ধ্যান বা Meditation এর ক্ষেত্রে প্রবল লাভ দায়ক।


আপনার যদি বাংলায় মেডিটেশন শিখতে চান তবে যোগা যোগ করুন আমাদের +91-9433-657-349 নাম্বারে অথবা নিচের দেওয়া লিঙ্ক ক্লিক করুন

বিশদ জানতে Call করুন +91-9433-657-349 বা Email করুন Contact@wisdomcue.com

-আসা করছি আপনাদের ব্লগটি ভাল লেগেছে, আপনাদের কেমন লাগলো আমাদেরে কমেন্ট মধ্যে জানতে ভুলবেন না । আপনাদের যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে +91 9433 657 343 করতে পারেন বা আমাদের মেল করতে পারেন Contact@wisdomcue.com মধ্যে। ধন্যবাদ


যোগের সাথেই Back Pain এর চির সমাধান | 15 Yoga for Back pain in Bengali

Back Pain :

আপনার হয়তো জানেন বর্তমানে Back pain আর lower Back pain খুবই কমন সমস্যা হয়ে দরিয়েছে ১০০ মধ্যে ৬০ ভাগ মানুষের মধ্যে।

বিশেষত এই প্রোব্লে দেখা যায় চাকরি জীবী মানুষ, স্কুল স্টুডেন্ট ও ওয়েট লিফিটিং করা প্লেয়ার দের মধ্যে বেশি।

তবে এক গবেষনায় মাধ্যমে জানা গেছে এর মুখ্য কারন গুলির মধ্যে হল ভুল পজিশনে বসে ডিস্ক আলাইনমেনন্ট নষ্ট করা।

ও ভুল ভাবে অতিরিক্ত ওজন বহন করা বা কোন গুরুতর আঘাত এবং  শরীরের ক্যাল্সিয়াম অভাব।

তবে এই সমস্যার চিকিতসা গুলির মধ্যে আছে রেগুলার মেডিসিন বা খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশানে অপারেশন।

কিন্তু এ ছাড়াও আমার Yoga ও বিশেষ কিছু ব্যায়াম মধ্যমে ও নিজের Body Alignment ঠিক করে আমার গোরা থেকে এই সমস্যা কে নির্মূল করতে পারি।

তাই আজ শিখে নেবো ১৮ টি যোগ আসন্ যা আপনার back pain এর সমস্যা থেকে চির মুক্তি দেবে।

1.  নবাসন (Navasana):   

আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের Core strength কে বৃদ্ধি করে যাতে কোমরে alignment সঠিক থাকে ও মেরুদণ্ডের শক্ত ও নমনীয় হয়।

এছাড়া এই নবাসন কোমরের পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি নিষ্কাশন  করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


2. বীরভদ্রা আসন Virabhadrasana :

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পিঠের সমস্থ পেশী গুলি কে সুগঠিত করে ও বিশেষ করে lower Back নির্দিষ্ট alignment বজায় রাখে।

যার ফলে কোমর ও পিঠের নিচের দিয়ে হওয়া সমস্থ ব্যথা গোরা থেকে নির্মূল হয়ে যায়।   

এবং এছাড়াও এই আসন আমাদরে শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও শরীরে বিভিন্ন পেশীর মধ্যে অক্সিজেন প্রবাহ মাত্র ঠিক করে।


3. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন পিঠের ব্যথা থেকে শুরু করে কাধের alinement ঠিক করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।  

এবং L1 থেকে L5 সমস্থ vertebrae গুলির সঠিক ভাবে বিন্যাস বজায় রাখে যাতে পিঠের যন্ত্রনার কষ্ট কিছুটা কমে।  

এছাড়াও এই আস দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।   


4. ভুজঙ্গ আসন(Bhujaga asana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

ভুজঙ্গ আসন শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই করে এই আসন।

এছাড়া এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া  শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে পা কে ধীরে ধীরে শরীরের উপরে দিকে তুলুন যতক্ষণ না পা মাথার পিছনের দিকে পৌছছে, এই হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alinement ঠিক করতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে।

এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  


 6. হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।

দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই হ্যালাসন আমাদরে L1 থেকে L5 পর্যন্ত সমস্থ ডিস্ক গুলি ঠিক ঠাক  align করতে ও পিঠের পেশী গুলি শক্ত করে।    

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


7. ধনুর আসন (Dhanurasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।    

এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।    


8. উস্ত্রসনা পদ্ধতি (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


9. শিশু আসন (Shishuasana):

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই শিশু আসন কোমরের, পিঠের ও ঘাড়ের স্ট্রেচ করতে ও মেরুদণ্ড নমনীয় করতে সাহায্য করে।    

এবং এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।


 10. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব   নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

বৃশ্চিকাশন উপকারিতা: 

এই আসন ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক করতে সাহায্য করে ও   আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


11.  পশ্চিমত্তান আসন  (PASHCHIMOTTAN ASANA)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন সারা পিঠের ও কোমরের পেশী গুলির স্ট্রেচ করে ও নমনীয় করে যাতে পিঠের ব্যথার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।  এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।

এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের কোমরের পেশী গুলি কে শক্ত করতে ও সারা পিঠের সমস্থ অংশ কে স্ট্রেচ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


13.  চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির ইনসুলিন সোম সমস্যা ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


14॰ ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।

এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন।


 15. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana):

আসন প্রণালী:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসনের মতো করে বসুন। তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনের দিকে টানুন।

তারপর যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুককে মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।

মেঝেতে পুরোপুরি সমান হয়ে এই আসনে কিছুক্ষন বসে থাকুন এবং পুরো শরীরটিকে রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন।

তারপর নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন ও আস্তে আস্তে শ্বাস নিন।

এবং এই অবস্থানটিকে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন। 

উপকারিতা:

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

আপনার যদি কোন বিশেষ শরীরিক সমস্যা থাকে তবে অব্যসই আপনার Doctor এর সম্মতি নিয়েই যোগ আসন গুলির প্র্যাক্টিস করুন ।


আসা করছি আপনাদেরে সঠিক ইনফর্মেশন দিতে পেরেছি। পোস্টটি সম্পুর্ন পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্সে । আমাদের সমস্থ নতুন আর্টিকেলের সবার প্রথমে আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell icon ক্লিক করুনধন্যবাদ


79 Spiritual Quotes of Gautam Buddha In Bengali | শ্রেষ্ঠ গৌতম বুদ্ধের বাণী সমূহ

বুদ্ধ শব্দের অর্থ হল‍ যিনি মন ও বুদ্ধির উর্ধে উঠে পরম সত্য কে প্রাপ্ত করেছেন।যে সব মানুষরা এই আধ্যাতিক পথের পথিক তারা গৌতম  বৌধ নাম শোনেন নি এটি হওয়া প্রায় অসম্ভব।

তারই সৃষ্ঠী প্রক্রিয়ার মাধমে, তিনি তৈরি করে ছিলেন প্রতিটি মানুষের আধ্যাতিক জাগরনের এক সুবিশাল পথ।তাই আজ আপনাদের বলব আধ্যাতিক ও সুন্দর জীবনের জন্য তারই বিশেষ কিছু বানী যা আপনার জীবন কে বদলে দেবে।  

79 spiritual Quotes of Gautama Buddha

“মানুষের অহংকার কোন দিন সত্য কে গ্রহণ করতে দেয় না, তাই অহংকার করা কখনো উচিত না।”

গৌতম বুদ্ধ

Buddha quotes 2

“ভাল কর্মের জন্য বিশেষ কিছু সময় আমাদের সান্ত ও হাসি মুখে পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়া শেখা প্রয়োজন।”

Buddha quotes 3

“অন্যের আচরনে যেন কোন দিন ভিতরের শান্তিকে নষ্ট না করে।”

Buddha quotes 4

“জীবনে যদি আমরা ভাল জিনিস ভাবি তবে আমাদরে সাথে ভালোই হবে, তেমনি খারাপ ভাবলে খারাপই হবে।”

Buddha quotes 5

“জীবনে নিয়ম হল সর্বদা ভুল মানুষ গুলোই আপনাকে সঠিক শিক্ষা দেবে, যা আপনাকে গ্রহণ করতে হবে।”

Buddha quotes 6

“নিজের মনকে যেকোন পরিস্থিতিতে শান্ত রাখতে শেখা।”

Buddha quotes 7

“মানুষের অহংকার কোন দিন সত্য কে গ্রহণ করতে দেয় না, তাই অহংকার করা কখনো উচিত না।”

Buddha quotes 8

“সকল পরিস্থিতিতে আমরা ক্ষমতাবান না হযেও সাহসী হয়ে নিজের কর্ম সম্পুর্ন করতে পরি।”

Buddha quotes 9

“জীবনে সব কিছুর নির্দিষ্ট সময় আছে, তাই ধৈর্য ধর ও কৃতজ্ঞ হও জীবনের প্রতি।”

Buddha quotes 10

“মানুষের কোন পরিস্থিতিই ভাগ্যরে জোরে পরিবর্তন হয় না, একমাত্র পরিবর্তন সম্ভব আমাদের কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে।”

Buddha quotes 11

“জীবনে যে তোমাকে বিশ্বাস করে তাকে মিথ্যা বলো না, যে মিথ্যা বলে তাকে বিশ্বাস করো না।”

Buddha quotes 12

“আমাদের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রতিটি মানুষ কে সমান ভাবে সাহায্য করা বিনা তার কাছে  পরিবর্তে কিছু আশা করায়।”

Buddha quotes 13

“তুমি যদি অন্যের জীবনে আসার প্রদীপ জালাও তবে সেই আলোই তোমার চলার পথ কে দ্বিপ্ত করবে।”

Buddha quotes 14

“কাইকে সত্য বলে কষ্ট দাও কিন্তু মিথ্যা সান্তনা দিয়ো না।”

Buddha quotes 15

“যেখানে সমস্থ প্রতাশা শেষ সেখানেই জীবনে শান্তির শুরু।”

Buddha quotes 16

“যখন জীবনে কিছু শেষ হয় তক্ষুনি নতুন কিছু উদ্ভাবন হয়।”

Buddha quotes 17

“হাজারটি সুন্দর মুখের চেয়ে একটি দয়ালু মন বেশি সুন্দর।”

Buddha quotes 18

“যদি কারোর কাছে সম্পুর্ন পরিবার থাকে, ভজনের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য ও বাসস্থান থাকে তবে সেই মানুষ কখনই গরীব হতে পারে না।”

Buddha quotes 19

“নিজেকে কখনো অন্যের সাথে তুলনা করতে নেই, কারন সূর্য ও চন্দ্র তার নিজস্ব সঠিক সময় জগত কে আলো প্রদান করে।”

Buddha quotes 20

“পৃথিবীতে কোন বিষ নেই যা কোন পসিটিভ মানুষ্ কে ক্ষতি করে, ও এমন কোন অমৃত নেই যা কোন নেগেটিভ মানুষ কে সুস্থ করে।”

Buddha quotes 21

“জীবন কোন ভাল মানুষকে ঠোকানো মনে, হীরের খনিতে পাথর কুড়িয়ে ফিরে আশা।”

Buddha quotes 23

“জীবনে পাওয়া কষ্ট গুলোই আমাদের শ্রেষ্ঠ উপহার যেখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখতে পরি।”

Buddha quotes 24

“আমাদের অহংকারের সাথে করা সঠিক কাজের চেয়ে বিনম্রতার সাথে ভুল করা অনেক ভাল।”

Buddha quotes 25

‘হাজারটি যুদ্ধ জেতার চেয়ে নিজের মন কে জেতা অনেক ভ্যাল।”

Buddha quotes 26

“এক মূহুর্তে একটি দিন পাল্টে যেতে পারে, এক দিনে একটি জীবন পাল্টে যেতে পারে, একটি জীবন বিশ্ব পাল্টে দিতে পারে।”

Buddha quotes 27

‘জীবেন অন্যের সমাপ্ত করা কর্মকে দেখে লাভ নেই, দেখ কী বাকি আছে তাকে সম্পুর্ন কর।”

Buddha quotes 28

“মানুষের সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা হল তার কাছে এখনো অনেক সময় বাকি আছে।”

Buddha quotes 29

“মানুষের মুখের কথা অনেকটা ধারালো চুরির মত, যা মানুষকে বাহিরে থেকে কম ভিতর থেকে ক্ষত বিক্ষত করে।”

Buddha quotes 30

“মানুষ বড়ই বোকা কারণ সে নিজে রাগ ও অহংকারের বিষ পান করে অন্যের মৃত্যুর কামন করে।”

Buddha quotes 31

“আপনি যদি ভুল করার পর মানুষ দিক পরিবর্তন না করেন তবে সে সেখানেই যাচ্ছে যেখানে শুরু করেছিল।”

Buddha quotes 32

“তোমার ক্রোধের জন্য তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না, কারন তোমার ক্রোধই তোমায় শাস্তি দেবে।”

Buddha quotes 33

“যার শুরু রয়েছে তার শেষ ও আছে, ভয়ের কোন কারণ নেই যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজের ভিতরে শান্তি স্থাপন করুন সবকিছুই ঠিকঠাক হবে।”

Buddha quotes 34

“আপনি আধ্যাত্মিক যাত্রা পথে আপনাকে সমর্থন করার মতো কেউ না থাকে তবে নিজের পথ নিজই ঠিক করুন।”

Buddha quotes 35

“শান্তি তার কাছেই বিরাজমান, যে খুবই অল্পে সন্তুষ্ট।”

Buddha quotes 36

“মানুষের অবাধ্য মনের মত অস্থির জিনিস যেমন কিছু নেই তেমনি স্থির মনের মত শান্ত জিনিস পৃথিবীতে নেই।”

Buddha quotes 37

“উপায়ের পথ আকাশে দিকে নেই। উপায় পথ আছে আমাদের হৃদযে।”

Buddha quotes 38

“অতীত যতই কঠিন হোক না কেন,প্রতিদিনই এক নতুন সম্ভবনার শুরু।”

Buddha quotes 39

“জীবনে আমাদের গন্তব্যে পৌছতে কেউ সাহায্য করতে পারবে না কারন নিজের কর্ম ছড়া কর্মফলের আসা করা বৃথা।”

Buddha quotes 40

“অন্যের ভরসায় না বসে থেকে নিজেই নিজের আলো সন্ধান করা ভাল।”

Buddha quotes 41

“কোন কাজ অন্যের কথা শুনে বিনা নিজের বিবেচনায় করা উচিত না।”

Buddha quotes 42

“আমরা যদি একটি ছোট্ট ফুলের আদি ও অন্তের অলৌকিক ঘটনাটি বুঝতে পারতাম তবে আমাদের পুরো জীবনটাই বদলে যেত।”

Buddha quotes 43

“আপনি কী বা আপনি কে তার উপর সুখ নির্ভর করে না। এটি সম্পূর্ণরূপে আপনি কী ভাবেন তার উপর নির্ভর করে “

Buddha quotes 44

“জীবনে আনন্দ কোন প্রস্তুত জিনিস নয়, এটা আপনার নিজের কর্ম থেকে আসা কর্ম ফল।”

Buddha quotes 45

“অতীতে বাস করে, ভবিষ্যতের স্বপ্ন না দেখে, শুধুই  বর্তমান মুহুর্তে মনকে একাগ্র করুন তবেই সঠিক ভাবে জীবন কে উপভোগ করতে পারবেন।”

Buddha quotes 46

“আপনি যদি সত্যই নিজেকে ভালোবাসতেন তবে আপনি কখনই অন্যকে আঘাত করতে পারবেন না “

Buddha quotes 47

“বিশ্বে তখনই শান্তি সম্ভব, যখন আপনার মনের ভিতর শান্তি প্রতিষ্ঠিত।”

Buddha quotes 49

“পছন্দ এবং অপছন্দ, আবেগ এবং ইচ্ছা, সংবেদনশীলতা এবং লালসা, শোক এবং ভয় ছাড়িয়ে যান, নিজেকে সংযুক্তি থেকে মুক্ত হল জীবন।”

Buddha quotes 50

“নিজের বিবেকের কাছে ভুল কোন কাজকে কখনো করা উচিত না।”

Buddha quotes 51

“মানুষের দ্বারা করা সমস্ত অন্যায় কাজ নিজের মনের বিকারের কারণেই ঘটে, যদি মনকে আমরা সঠিক দিশা দিতে পারি অন্যায় নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যাবে।”

Buddha quotes 52

“জ্ঞানী মানুষের কখনো মৃত্যুকে ভয় পায় না, বরং সন্মান করে।”

Buddha quotes 53

“একটি নিয়মনিষ্ঠ মনই জীবনে সুখ বার্তা নিয়ে আসে।”

Buddha quotes 54

“জীবনে 3টি জিনিস লুকনো সম্ভব নয়, চন্দ্র, সূর্য এবং সত্য।”

Buddha quotes 55

“আপনি যদি যথেষ্ট শান্ত থাকেন তবে আপনি মহাবিশ্বের প্রবাহ শুনতে পাবেন। আপনি এর ছন্দ অনুভব করবেন।”

Buddha quotes 56

“স্বাস্থ্য ব্যতীত জীবন কে জীবন বলা যায় না, এটি কেবল নিগ্রাহ ও যন্ত্রণার একটি অবস্থা ও মৃত্যুর চিত্র সরূপ।”

Buddha quotes 57

“আপনার নিজের জীবন তবে অন্য কেউ আপনাকে কেন সুখী বা দুঃখি করবে?”

Buddha quotes 58

“কষ্ট গুলো অনেকটা পাথরের মত যত আপনি এটি নিযে ভাববেন তত আপনার ভার বাড়বে।”

Buddha quotes 59

“বিন্দু বিন্দু থেকে যেমন সাগর সৃষ্ঠী হয় তেমনি ভাল মানুষ হতে বিন্দু বিন্দু করে সত জ্ঞান প্রয়োজন।”

Buddha quotes 60

“বিনা সুখ দুঃখে একশো বছর বেঁচে থাকার চেয়ে একদিন  সুখ দুঃখের সাথে বেঁচে থাকা ভাল।”

Buddha quotes 61

“কোন নিরীহ জীবের ক্ষতি করে নিজেকে মহান পুন্যবান ভাবা উচিত না, কারন প্রতিটি জীবই ঈশ্বরের প্রতি রূপ। গৌতম বুদ্ধ”

Buddha quotes 62

“পৃথিবী সমস্ত কিছুই যখন ক্ষণস্থায়ী তবে কিভাবে মানুষের দুঃখ কষ্ট গুলি চিরস্থাযী তা গুরুত দিয়ে বোঝার বিষয়।”

Buddha quotes 63

“জীবনে যা প্রয়োজন তা আজিই সমুর্ণ করো, কারন কাল হইতো মৃতুই তার কাজ কে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবে।”

Buddha quotes 64

“বিশাল মহাসাগর গুলির জলে আছে একটি নুনের স্বাদ, তেমনি জীবনে শিক্ষা ও অনুশাসনের একটি স্বাদ আছে, মুক্তির স্বাদ।”

Buddha quotes 65

“জীবনে প্রতি আসক্তি আমাদরে দুঃখের কারন।”

Buddha quotes 66

“পবিত্রতা ও অপবিত্রতা শুধুই মানুষ মন্যুসত্য ও তার চিন্তার উপর নির্ভর করে।”

Buddha quotes 67

“যদি মনে কামনা বাসনা অতিরিক্ত পরিপূর্ন না হয়, তবেই মানুষ জীবনে  আনন্দের স্বাদ থাকবে।”

Buddha quotes 68

“যা তোমার নয় তা নিয়ে দুঃখ করে কোনো লাভ নেই, ভুলে যাও যা চলে গেছে। অপেক্ষা করো তুমিও বুঝবে এটি তোমারি ভালোর জন্যই হয়েছে।”

Buddha quotes 69

“প্রকৃতি কে ও নিজের মা কে সর্বদা সন্মান করো, তাদের থেকেই সব কিছুর সৃষ্ঠী আবার তাদের পায়েই সব শেষ।”

Buddha quotes 70

“জীবনে আপনি নিজে প্রথিক না হওয়া পর্যন্ত আপনি লক্ষের কোন পথই খুজে পাবেন না।”

Buddha quotes 71

“আমাদের শরীর হল সর্ব মুল্যবান সম্পদ ও এটি দ্বারাই পূর্ণতার সম্ভব, তাই শরীরকে যত্নের সাথে ব্যবহার করুন।”

Buddha quotes 72

“জীবনে সর্বদা সত্যের পথে চল, প্রতিটি মানুষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়াও ও কোন প্রতিদানের আশা রেখো না।”

Buddha quotes 73

“যদি কোন কাজ কে করার প্রয়োজন মনে করো নিজের মন প্রান বিলীন করে কর সফল তুমি হবেই।”

Buddha quotes 74

“আপনার শত্রুর চেয়ে আপনার খারাপ চিন্তা গুলিই আপনার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে।”

Buddha quotes 75

“জীবনে কোন জিনিস একই রকম থেকে যাবার আশা করা মূর্খমি ছাড়া আর কিছুই না।”

Buddha quotes 76

“বিশ্বাস ও ভরসা চোখে দেখা না গেলও এই দুই জিনিস সব কর্ম সাধন করতে পারে।”

Buddha quotes 77

“যদি তোমার মন শুধুই বুদ্ধের খোজে ব্যকুল তবে জানবে তুমি ভুল পথের পথিক।”

Buddha quotes 78

“সত্যের পথে মানুষ 2টি বড় ভুল করে, প্রথম্ মানুষ কিছু দূর এগিয়ে পথ চলা শেষ, দ্বিতীয় মানুষ সাহস করে চলাই শুরু করতে পারে না।”

Buddha quotes 79

“জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হল সত্য গোপন করা, কারন সত্য কোন দিন গোপন থাকে না।”

আসা করি আপনাদের ভালো Quotes শেয়ারকরতে পেরেছি , আপনাদের কেমন লাগলো তা comment জানাতে ভুলবেন না ।


যদি আপনার  Meditation শিখতে চান তবে এখুনি কল করুন এই +91 9433 657 349 এই নাম্বাবে বা আমাদরে মেল করতে পারেন contact@wisdomcue.com মধ্যে, ধন্যবাদ ।  

রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধির উপায় | 5 Ayurvedic herbs for boost immunity

আজ আপনাদরে প্রধান ৫টি আয়ুর্বেদিক গুণ যুক্ত খবরের কথা বলব যা প্রতিটি মানুষের রান্না ঘরেই মজুত থাকে, এবং যা সঠিক মাত্রায় সেবনে শরীরের Immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বাড়ানো যায়।    

1. হলুদ (Turmeric):

হলুদের মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে antioxidant ও anti-inflammatory গুণ যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্রই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তলে।

হলুদ মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান bacteria সংক্রমন কমায় ও শরীরে কোনো স্থানে আঘাত বা কোনো ক্ষত থাকে তাকে খুব তাড়াতরি সারিয়ে তলে।

প্রকৃতি গত ভাবে হলুদ সবচেয়ে বেশি উপকারী উপাদান রয়েছে যেমন beta-carotene, ভিটামিন-C, ক্যাল্সিয়াম, flavonoid, ফাইবার, আয়রন, niacin, potassium, zinc ও অন্যও প্রচুর উপাদান।

প্রতিদিন একটি সুস্থ adult মানুষের ৫০০ থেকে ১০০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হলুদ গ্রহণ করতে পারেন। এর চেয়ে বেশি পরিমাণ প্রয়োজন নেই বলেই চলে।     


2. রসুন (Garlic):

রসুন মধ্যে Anti-bacterial এবং  Anti-parasitic গুনাগুন আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, বিশেষত জর সর্দি কাশি ঠান্ডা লাগা ক্ষেত্রে।   

কারন রসুনের মধ্যে Allicin নামে একটি enzyme থাকে যা আমাদের শরীরে সাথে মিশে গিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তলে।

এবং রসুন ভিতর থাকা sulfur শরীরে মধ্যে দূষণ থেকে প্রবেশ করা heavy metal Toxicity থেকে হওয়া অঙ্গ হানি পরিমাণ কম করে।  

এছাড়া একটি বৈজ্ঞানিক রিসার্চ জানা গিয়েছে রসুন আমাদের ব্লাড প্রেসার কমায় এবং হার্ট এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও রক্ত প্রবাহের ধমনী কে শক্ত করে।

এছাড়াও রসুনের মধ্যে আছে ভিটামিন B1, B2, B3, B6, আয়রন, মেগনেসিয়াম, phosphorous  সোডিযাম ও zinc।

প্রতিদিন ১ থেকে ২ কোয়া অর্থাত্‍ ৪ গ্রাম পর্যন্ত রসুন শরীরের জন্য উপকারী, এর চেয়ে বেশি শরীরের জন্য হানিকারক।  


3. আদা (Ginger) :

আদার মধ্যে আছে Antioxidant compounds যা আমাদরে শরীরে toxins কমায় ও immunity বা রোগ প্রতি রোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

আদার মধ্যে আছে মেটাবলিক প্রোসেস কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করার  এবং শরীরে জমে থাকা toxins বা বজ্র পদার্থ গুলিকে শরীর থেকে বার করার ক্ষমতা।

এছাড়া আদাতে থাকা antibacterial গুণের জন্য ছোয়াচে রোগ গুলির সংক্রমন থেকে শরীর কে প্রোটেক্ট করে ভিতর থেকে।

এছাড়াও শরীরের স্ট্রেস হরমোন কে ব্যালান্স করে এবং হাত ও পায়ের  যন্ত্রনা arthritis,  nausea মত রোগের হাত থেকে শরীর কে রক্ষা করে।

প্রকৃতি গত ভাবে আদার মধ্যে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন B3 ও B6 Iron Potassium,  ভিটামিন  C, Magnesium, Phosphorus, Zinc Folate Riboflavin এবং Niacin প্রতিটি জিনিস আমদের শরীরে জন্য উপকারী।

একটি সুস্থ মানুষের দৈনিক ফ্রেশ ২-৫ গ্রাম পর্যন্ত আদা গ্রহণ করতে পারেন, তার চেয়ে বেশি না করাই ভালো।  


4. দারুচিনি (Cinnamon):

দারুচিনি হল সবচেয়ে বড় antioxidant  যা বডির মধ্যে হওয়া inflammation কে কমায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।   

দারুচিনি শরীরের মধ্যে glucose ও ইনসুলিন লেভেল কে ব্যালান্স করে যাতে carbohydrate পরিপাক সহজ হয়।

এছাড়া দারুচিনি হল এমন এক উপাদান যা আমাদের মধ্যে insulin এবং glucose imbalances থেকে হওয়া সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় ও শরীরে মধ্যে অক্সিজেন যুক্ত রক্তের প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে বজায় রাখে।

প্রকৃতি গত ভাবে দারুচিনিতে Calcium, Potassium, Magnesium, phosphorus,  Vitamin K এবং Vitamin A সম্ভার রয়েছে।

একটি সুস্থ মানুষ দৈনিক ১ থেকে ২ টেবিল চামচ পর্যন্ত দারুচিনি গ্রহণ করতে পারেন, এর চেয়ে বেশি না খাওয়াই ভালো।  


আর পড়ুন: ১১ টি Yoga যা immunity বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে

5. মধু (Honey):

মধুকে আয়ুরবেদে অমৃত বল হয় কারণ শরীরের সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মধুর চেয়ে উপকারী উপাদান দ্বিতীয় আর কিছু নেই।

কারন মধু মধ্যে আছে Antibacterial and Antifungal উপাদান যা শরীর কে সুস্থ রাখতে, এনার্জি বজায় রাখতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ও শরীরের ক্ষত স্থান সরাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়া মধুর মধ্যে আছে fructose, glucose, maltose, trisaccharides, carbohydrates,  minerals, বিভিন্ন enzymes ।

এবং  ভিটামিন  Thiamin, Riboflavin, Niacin, pantothenic acid, ভিটামিন B-6, ভিটামিন B-12,  Folate, ভিটামিন C, ভিটামিন A, ভিটামিন D, ভিটামিন E, ভিটামিন K ও  Potassium, Sodium,  Zinc Antioxidants সমূহ।  

প্রতিটি সুস্থ মানুষ যদি দৈনিক ২ থেকে 4 টেবিল চামচ মধু যথেষ্ঠ। যদি সুগার থাকে কোন মানুষে তার ১ চমচের একটু কম মধু সেবন করতে পারেন।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আপনাদের যদি কারোর জটিল কোন রোগ থাকে তবে অবশই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এ গুলি খাবেন। ও যার সুস্থ তার সমস্থ কিছু পরিমাণে সেবন করবেন কারন অল্প মাত্রায় যা অমৃত তাই অধিক মাত্রায় বিষে পরিণত হয়।     

যোগ আসনের সাথে ইমিউনিটি বড়ানোর উপায় | 11 Yoga For Immunity in Bengali

আমাদের immunity প্রয়োজন কেন ?

আজ প্রতিটি মানুষের বোঝার সময় এসে গেছে যে আজ আমরা যুদ্ধের গুলি মিসাইল বোমার হাতিয়ারের কম, নিজের মধ্যে immunity Problem ও ভাইরাস জনিত সংক্রমনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

এত মেডিকাল সায়েন্স এত উন্নতির পরেও, মানুষের জীবন আজ বিপন্ন কারন মানুষের শরীরে immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই কমে গেছে ছন্ন ছাড়া লাইফ স্টাইলের জন্য।  

এখন সময় এসে গেছে এই ব্যপারে গুরুত্ত দিয়ে চিন্তা ভাবনা করার, কারন আমার বাহিরের প্রকৃতি গত সমস্যা গুলি কনট্রোল করতে না পারলেও আমাদের আভ্যন্তরীণ শারিরীক অবস্থার স্থিতি নিজেরাই কনট্রোল করতে পারি।  

এখন প্রশ্ন হল আমরা কী ভাবে এটি করতে চাই? Starter, Main course বা Dessert মত সময় সমযে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে?

না কী naturally যোগ ব্যয়াম, প্রাণায়ামmeditation মধ্যমে নিজেকে শরীর কে ভিতর থেকে সুস্থ সবল ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে?

তাই আজ আমাদরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ 11টি  Yoga বা যোগ অভ্যাস কথা বলব যা আমরা রেগুলার বাড়িতেই নিজে ও আপনজনের সাথেই প্র্যাক্টিস করতে পারেন।


11 Yoga for Immunity

1. ভুজঙ্গ আসন (bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

 এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


2. শিরশাসন (Sirsasana) :

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

শিরশাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।এই অবস্থায় হোল্ড করুন সুবিধা মত ও তার পর আস্তে আস্তে পা নবিয়ে নিন।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, adrenalin ইত্যাদি প্রোব্লেম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এই আসন আমাদের  lymphatic সিস্টেমের উপর প্রভাব ফেলে যার জন্য শরীর বিভিন্ন কোষের মধ্যে জমা বজ্র পদার্থ শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।


3. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে। এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


4.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


5. উস্তাসন (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


6. শিশু আসন (Shishuasana)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।

পেটের বিভিন্ন সমস্যার উপর এই আসন দুর্দান্ত প্রভাব ফেলে, ও এই আসন শরীর কে detox করতে সাহায্য করে।


 7. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

https://www.youtube.com/watch?v=YyFcNzSlI9A

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে হোল্ড করুন এই পজিশনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন  ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক  করতে সাহায্য করে ও আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


8.  পশ্চিমত্তান আসন  (paschimottanasana)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন খাদ্য পরিপাকের সমস্থ হরমোন গুলি সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে, ও লিভারের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


9. বক্রাসন (vakrasana):

বক্রাসন পদ্ধতি:

প্রথমে সমতল যায়গা উপর একটি ম্যাট উপর বসুন, ও নিজের দুটি পা সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর ডান পা হাটু থেকে বেন্ড করে নিজের বুকের কাছে টেনে আনুন, লক্ষ রাখতে হবে পা যেন থাই থেকে দূরে না চলে যায়।

এর পর বা হাত হাটুর ডান ডিকে থেকে ঘুরিয়ে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বা পায়ের হাটুয়ে নিচে ধরুন।  

এবার আপনার ডান হাত পিঠের সমানে রাখুন ও নিজের মাথা স্টেচ করে ডান দিকে নিয়ে যান ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন হোল্ড করুন। আবার হাত ও পা কে পাল্টে একই ভাবে প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পেটের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে ও শরীর কে detox করতে সাহায্য করে। বডির ব্লাড সুগার লেভেল কে কনট্রোল করতে ও পাকস্থলীর মধ্যে থাকা acid কে ব্যালান্স করে ও যারা ফ্যটি লিভারের সমস্যা ভুগছেন তাদের জন্য অন্যতম উপকারী আসন এটি।  


১০. গোমুখ আসন(Gomukhasana):

গোমুখ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=-qbPrlf1oxE

প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।

লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।

তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।

উপকারিত:

এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর করে এই আসন।

এছাড়াও এই আসন পেটের সমস্যা যেমন হজম না হওয়া গ্যাস অম্বল অ্যাসিড এর সমস্যা সমাধান করে এই আসন।


11. বিপরীত করণি:

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে cortisol লেভেল কমায় এবং শ্বেত রক্ত কণিকার প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।এছারও শরীরে স্ট্রেস হরমোন ও সুগার জন্য ইনসুলিন হরমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।  


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার জীবন পরিবর্তন করি শ্রেষ্ঠ ৫১টি বাণী | 51 Life Changing Quotes In Bengali

Life Changing Quotes in Bengali:

Quote 1

আপনি যদি একশ জন লোককে আহার না পারেন তবে কেবল একজনকে হলেও আহার করান মাদার তেরেসা

Quote 2

“দুর্দান্ত কাজ করার একমাত্র উপায় হল আপনি যা করেন তা ভালবাসা। আপনি এখন যদি ভালোবাসার কাজ না পেয়ে থাকেন, তবে খোঁজ চালিয়ে যান পেয়ে ঠিক যাবেন।” –স্টিভ জবস

Quote 3

 একটি মোমবাতি থেকে হাজার হাজার মোমবাতি আলোকিত করা যায়, এতে মোমবাতির জীবন ছোট হয় না। তেমনি  সুখ সবার মধ্যে ভাগ করলে কখনো কমে না।-গৌতম বুদ্ধ

Quote 4

দয়ালু শব্দগুলি সংক্ষিপ্ত এবং বলতে সহজ হতে পারে তবে তাদের প্রতিধ্বনিগুলি সত্যই অন্তহীন। –মাদার তেরেসা

Quote 5

জীবনে লক্ষ্য নিছক বেঁচে থাকার নয়, বরং সাফল্য অর্জনের এবং কিছু আবেগ, কিছু মমতা, কিছু হাস্যরস দিয়ে উপভোগের।

  মায়া অ্যাঞ্জেলু

Quote 6

স্বাস্থ্য হল সর্বাধিক উপহার, সন্তুষ্টি সর্বাধিক সম্পদ, বিশ্বস্ততা সর্বোত্তম সম্পর্ক। –গৌতম বুদ্ধ

Quote 7

আমি প্রতিমিনিটে করা নিজের ট্রেনিং কে ঘৃণা করি, কিন্তু আমি হাল ছারিনী। কারণ আমি জানি এখনই ভোগ করা কষ্ট চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাকী জীবন বাঁচার সুযোগ দেবে। –মোহাম্মদ আলী

Quote 8

অন্ধকার মুহুর্তগুলির মধ্যেই আমাদের অবশ্যই আলো দিশা খুজে পাওয়া লক্ষ্য হওয়া উচিত। –অ্যারিস্টট্ল

Quote 9

 আপনার হৃদয় একটি বিশাল সমুদ্রের আকারের,তাই সময় দিন এর লুকানো গভীরতায় সন্ধান করার জন্য এখানেই লুকিয়ে আছে আপনার সফলতার ছবি কাঠি । – রুমী

Quote 10

আপনার দিশা সর্ব কষ্ট মধ্যেও একমাত্র সফলতার কিরণের দিকে রাখুন – দেখবেন আপনার দুঃখ ছায়া মত আপনার পিছনে মিলিয়ে যাবে। -ওয়াল্ট হুইটম্যান

Quote 11

জীবনে বক্তব্য উত্থাপন করুন, কণ্ঠস্বর নয়। কারন জানবেন বৃষ্টি থেকে ফুল সৃষ্টি হয়, বজ্রপাতের থেকে গর্জন কিন্তু নয়।  -রুমী

Quote 12

আমাদের অবশ্যই পরিকল্পিত জীবনটি ধরণে ছেড়ে দেওয়া উচিত, যাতে আমাদের জন্য অপেক্ষা করা সম্ভাবনা গুলি আমার গ্রহণ করতে পারি। -জোসেফ ক্যাম্পবেল

Quote 13

প্রত্যেকের ভিতরে বিশ্ব পরিবর্তনের একটি সম্বাবনা রয়েছে। এই সম্বাবনা  কতটা মহান তা নিরভর করছে আপনার বিচার বুদ্ধির উপর। -অ্যান ফ্র্যাঙ্ক

Quote 14

অন্যের জীবেনে গল্প শুনে সন্তুষ্ট না হয়ে, নিজের সফলতার কাহিনী সৃষ্ঠী কর কারন গল্প শুনে সময় নস্ট করার মত সময়েই কম জীবনে

Quote 15

কেউ আজ সফলতার ছায়ায় বসে আছে কারণ তিনি বহু কাল আগে সফলতার বীজ পুতে ছিলেন জীবনে। -ওয়ারেন বাফেট

Quote 16

 আপনি যদি অন্যের নেতিবাচকগুলির প্রত্যাশাগুলি গ্রহণ করেন তবে আপনি কখনই জীবনে সফল হতে পারবেন না। -মাইকেল জর্ডন

Quote 17

আমরা আমাদের জীবন কে  নিজের ইচ্ছায় পরিবর্তন করতে পারি তার জন্য শুধু সেই প্রচণ্ড প্রচেষ্ঠা ও উদ্যম প্রয়োজন।  -টনি রবিনস

Quote 18

একটি ছোট আসার কিরন ও আপনার জীবনে সমস্থ দুঃখ কে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ঠ” – wisdomcue

Quote 19

নিজেকে এতটা সমর্থ করে তুলুন আপনার পরিচয়ের চেয়ে আপনার কর্ম এই সৃষ্ঠীর কাছে সবচেয়ে বড় উপহার হয়। -wisdomcue  

Quote 20

জীবনে আপনার স্বপ্ন গুলি পূরণের জন্য বয়সের প্রয়োজন হয়না,  প্রয়োজন শুধু একটু প্রচেষ্ঠার। -wisdomcue

Quote 21

যে চেষ্টা করবে তার পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।-দ্য  আলেকজান্ডার

Quote 22

একবার যদি আমরা নিজের উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি তবে জীবনে সঠিক সম্ভাবনার কোনো অভাব হবে না। -wisdomcue  

Quote 23

এটি কত আশ্চর্যজনক যে বিশ্বের উন্নতি জন্য কোনো বিশেষ মুহূর্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই এখনি শুরু সম্ভব। -অ্যান ফ্র্যাঙ্ক

Quote 24

আগামীকালের সেরা প্রস্তুতিটি আজ আপনার করা সর্ব সেরা কাজটি করছে। -জ্যাকসন ব্রাউন জুনিয়র

Quote 25

আপনার সফলতার জন্য যা দরকার তা হল পরিকল্পনা, এবং পরিকল্পনা মানচিত্র এবং আপনার গন্তব্যে এগিয়ে যাওয়ার সাহস। -আর্ল নাইটিংগেল

Quote 26

আমাদের জীবন প্রতিছবি, আমাদের কাজের শ্রেষ্ঠ স্মৃতিসর্বদা অন্যদের মনের মধ্যে একমাত্র অব্যাহত থাকবে।  -রোজা পার্ক

Quote 27

একমাত্র অসম্ভবের বাইরে গিয়ে কেবল সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে। -আর্থার সি ক্লার্ক

Quote 28

সুযোগ যদি আপনার দরজায় নক না করে তবে হতে আপনিই সুযোগের দরজা গিয়ে নক করুন। -মিল্টন বার্ল

Quote 29

আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার জীবনের সম্ভাবনার সীমা নির্ধারণ করে না, তারা কেবল আপনি কোথায় শুরু করবেন তার দিশা নির্ধারণ করে। -নিডো কিউবেইন

Quote 30

আপনি যা চান তা সবই একটি প্রশ্নের অপেক্ষায়। তবে আপনাকে এই প্রশ্ন খুজে পেতে হবে সফলতার জন্য। -জুলস রেনার্ড

Quote 31

কর্মে পূরণের লক্ষ্যে স্থির মানুষের মনের কাছে, পুরো মহাবিশ্ব আত্মসমর্পণ করে। -লাও তজু

Quote 32

জীবনে সুরক্ষা বেশির ভাগই অংশ কুসংস্কার মাত্র। হয় আপনার জীবন একটা দুঃসাহসিক অভিযাত্রা অথবা কিছুই না. – হেলেন কেলারের

Quote 33

আমরা সবাইকে সাহায্য করতে পারি না, তবে প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে সাহায্য করতে পারে শুধু আপনার ইছার প্রয়োজন। -রোনাল্ড রেগান

Quote 34

আপনি যেখানে আছেন যে পরিস্থিতিতে আছেন সেখানে আপনার সামান্য কিছু হলেও সবার জন্য ভাল কিছু করুন করুন, এটি সেই ছোট্ট ছোট্ট ভাল কাজ গুলি একসাথে সারা বিশ্বকে অভিভূত করবে -ডেসমন্ড টুট

Quote 35

কী সঠিক এবং কোনটি ভুল তা খুজে দেখার জন্য ইচ্ছার চেয়ে সাহসের অভাব বেশি। – কনফুসিয়াস

Quote 36

জীবনে প্রতিকুলতা কষ্ট না পার করলে সফলতার স্বাদ পাওয়া অসম্ভব। ব্রুস লি।

Quote 37

যতক্ষণ আপনি অন্যদের নিজের সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করবেন ততক্ষণ আপনি আপনার সমস্যা এবং কঠিন পরিস্থিতি গুলিকে দূর করতে একদমই পারবেন না

Quote 38

যদি মনে কর তুমি পারবে, কিংবা মনে কর তুমি পারবেনা, দুই ক্ষেত্রেই তোমার বিশ্বাস সঠিক ভূমিকা পালন করবে । – হেনরি ফোড।

Quote 39

যারা প্রত্যেক বস্তুরই দাম জানেন কিন্তু কোনও বস্তুরই জীবনে প্রকৃত মূল্য জানেন না তারাই শ্রেষ্ঠ সমালোচক।

Quote 40

প্রতিটি মানুষের জীবনে একটি সময আসে যখন মনে হয় জীবনের সব ভরসা শেষ কেবল নিজের হৃদ স্পন্দন ছাড়া, বন্ধু জীবনে সফল হতে ভরসা নয় নিজের যোগ্যতার প্রয়োজন।

Quote 41

সময় অতি অমূল্য বিষয়, আপনি এটির মালিক না তবে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন, জমিয়ে রাখতে পারবেন না, তবে আপনি এটি বুদ্ধি মনের মত ব্যয় করতে পারেন।  হার্ভে ম্যাকে

Quote 42

আপনি যদি জীবনকে ভালোবাসেন, সময় নষ্ট করবেন না, কারন আমাদের জীবন সময়ের সৃষ্ঠী । ব্রুস লি

Quote 43

সময় অনেকটি বালির দানার মত, হাত থেকে বেরিয়ে গেলে আর ফিরে পাওয়া যায় না। রবিন সর্মা।

Quote 44

আপনি নিজের সময় কোথায় বিনিয়োগ করছেন তা সর্বদা বিশেষ লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন,কারন সময় নষ্ট করা  অর্থের অপচয়ের চেয়েও শত গুনে খারাপ।

Quote 45

জীবনে সফল হতে নিজের সময় কোন অলস বক্তির সাথে অযথা ব্যায় করতে নেই, কারন সফলতা ও অলসতা একে অপরের শত্রু।

Quote 46

নিজের কাজ কে কখনো অন্য কে বোঝতে যেও না কারন লোকে সেটাই শুনবে যেটা তারা শুনতে চায়।  

Quote 47

আপনার ক্ষতটি সেই জায়গা যেখান থেকে আশার আলো আপনার জীবনে প্রবেশ করে। – রুমী

Quote 48

যারা আন্তরিক ও নিঃস্বার্থ অবদানের নিজের প্রাপ্তি মানুষ কে বিলিয়ে দিছেন কেবল তারাই জীবনের গভীর আনন্দ সত্যর পরিপূর্ণতা অর্জন করেছে।-টনি রবিনস

Quote 49

আমরা যদি সচেতন ও সক্ষম হয়ে সমস্ত জিনিস করি তবে আমরা নিজের কর্ম ফলে হতবাক হয়ে যাব। -টমাস এ এডিসন।

Quote 50

আপনার আজকের সিদ্ধান্তই এক মুহুতে আপনার কালকের ভাগ্য রুপান্তরিত করতে পারে, তাই সিদ্ধান্ত বুদ্ধির সাথে নিন। -টনি রবিনস

Quote 51

রাগ, অনুশোচনা, উদ্বেগ এবং ক্ষোভে রেখে আপনার সময় নষ্ট করবেন না, কারন জীবন বৃথা কষ্টের জন্য খুবই ছোট.- রায় টি বেনেট

আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মতা মত আমদের কমেন্ট এর মাধ্যমে জানতে ভুলবেন না । সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার যদি স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান থেকে মুক্তি ও মানসিক শান্তি পেতে চান মেডিটেসনের মাধ্যমে তবে যোগা যোগ করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বেরে।


যোগ নিদ্রার অর্থ কী ? Yoga Nidra in Bengali

Yoga nidra:

যোগ নিদ্রা পধুতির সৃষ্ঠী কর্তা স্ব্মি সত্যনন্দ সরস্বতী, যিনি হলেন ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ যোগ শাস্ত্রবিদের এক জন। যোগ নিদ্রা হল শরীর ও মনকে বিশেষ নিদ্রার অবস্থা উপনীত করার পক্রিয়া।

যার সাহায্যে আমরা চেতনার এবং  ঘুম মধ্যে আছন্ন বিশেষ স্তরে পৌছাই। যেখানে মানুষের চেতনা, আবেগ ও শরীরের নানা বিষয় দ্রুত আরোগ্য সাধন সম্ভব হয়।

কারণ যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মধ্যমে আমরা ব্রেনের THETA ওয়েভ Stage (4-7.5Hz) পৌছই। এই স্টেজে আমাদের ব্রেনের সমস্থ বিষয় নিয়ে চলতে থাকা চিন্তা একে বারে কমে যায় ও বাহিরে জগত থাকে আমরা ডিসকানেক্ট হয়ে যাই

এই Theta ওয়েভ স্টেজে মানুষে জীবনে কে পরিবর্তণ করতে পারেন। কারণ ব্রেনের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভিন্ন কাজের neural pathways গুলি নতুন করে পরিবর্তন করতে পারে ।

সঠিক জ্ঞান থাকলে এই স্টেজে দ্বারা আমরা হ্যাবিট থেকে শুরু করে মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ সাধন করতে পারি।


যোগ নিদ্রা প্রণালী:

যোগ নিদ্রা প্র্যাক্টিস জন্য সবার প্রথমে আপনাকে নির্দিষ্ট সংকল্প প্রয়োজন। সংকল্প অর্থাত্‍ কোন বিশেষ জিনিস প্রাপ্তি বা কোন কষ্ট থাকে মুক্তি যেমন ধরুন কনফিডেন্স প্রাপ্তি আবার ধরুন জীবনের অর্থ কষ্ট ও স্ট্রেস থাকে মুক্তি।

আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত পূর্ণ প্রয়োজনীয়তা অনুজাই আপনার সংকল্প নির্ধারন করুন সবার প্রথমে । এর পর যোগ নিদ্রা অভ্যাসের সুর করার জন্য হালকা ও comfortable জামা কাপড় পড়ুন, সবচেয়ে ভাল সূতির জামা কাপড়।

তার পর একটি সমতল যায়গা খুজে নিন একদম নির ভাবনায় শুয়ে পড়ার জন্য, আপনি চাহিলে আপনার বিছানা ব্যবহার করতে পারেন। এবার শুয়েই শরীর কে শবাসন ভঙ্গি নিয়ে আসুন। হাত দুটি একটু বডির থাকে দূরে রাখুন, একই ভাবে পা গুলো একটু রাখুন।

হাতের তালু যেন উপরের দিকে থাকে ও প্রতিটা আঙ্গুলের মাঝে যেন একটু গ্যাপ থাকে।এবার ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন, ও এমন ভাবে করুন যাতে চোখের মনি গুলো একটু উপরের দিকে থাকে, তা না করলে আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন খুব সহজে।

এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও প্রতিটি নিশ্বাস ৫ সেকেন্ড করে হোল্ড করুন ও তার পর ছারুন।  তার পর ধীরে ধীরে নিজের পর নিজের পায়ের পাতা ও  আঙ্গুলের উপর ফোকাস করুন সময় নিয়ে যত ক্ষণ না 10টি আঙুল উপর অনুভুতি পাছেন।

এর পর আস্তে আস্তে  পায়ের পাতার উপর ও হাটুর নিচের অংশের সমস্থ পের্শীর উপর ফোকাস করুন। ও তার পর হাটুয়ে উপরের অংশের থাই পর্যন্ত সমস্থ পেশীর উপর নিজের ফোকাস নিয়ে যান।

নিজের বডি কে রিল্যাক্স করুন ও বডির উপরের অংশে কোমর থেকে শুরু  বুক পর্যন্ত অংশে ফোকাস করুন, নিজের শরীরের প্রতিটি অংশে নিজের চেতনা কে নিয়ে যান।  তার পর আস্তে আস্তে নিজের গলা সাথে মুখ ও মাথার দিকে ফোকাস বা চেতনা কে নিয়ে যান।

শেষে নিজের ফোকাস কে দুটি চোখের মাঝখানে নিয়ে আসুন। এবার আপনার পূর্ব নির্ধারিত্‍ সংকল্পটি মনের মধ্যে প্রাণবন্ত ভাবে Visualize করুন। ও ভাবুন আপনার চোখ খোলার সাথেই আপনার সংকল্প পূরণ হয়েছে বাস্তবে, দেখুন আপনি কেমন ফ্রীল করছেন কতটা খুশি এই সংকল্প পূরণে ।

সর্ব শেষে নিজের হাতের দুটি তালু ঘসুন ও নিজের মুখের উপর ধীরে ধীরে বুলিয়ে নিন ও আস্তে আস্তে নিজের চোখ খুলুন ও উঠে বসুন। যদি আপনি কোন সংকল্প না করেন তবে এর পর আপনি নিজের নিশ্বাস কে কাউন্ট করতে পারেন।  

বা নিজের ফোকাস কে উপর থাকে নিচে নিযে যেতে পারেন যাকে বডিস্ক্যান meditation বলে। যদি আপনি ডিপ্রেসানে, স্ট্রেস বা কোন বাজে হ্যাবিটে ভোগেন তার guided meditation প্র্যাক্টিস করতে পারেন।  

এছাড়া এই সব সমস্যার জন্য আমাদের পুরো বাংলাতে তৈরি Meditation ও প্র্যাক্টিস করতে পারেন click here। এবং আমাদের সুপ্রভি Meditation করতে পারেন একদম বিনমূল্যে। Click Here or (+91-9433-657-349)

যোগ নিদ্রার উপকারিতা :  

1. Creative ক্ষমতা বৃদ্ধি: যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংকল্প দারা মনের গভীরে বা subconscious মাইন্ড এর মধ্যে জীবনে গুরুত্ত পূর্ণ জিনিস যা যেমন ক্রীয়েটিভিটি ও অ্যাব্স্ট্রাক্ট thinking এর মত প্রয়োজনীয়ও জিনিসের বিকাশ ঘটানো সম্ভব।

2. স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি শক্তির বিকাশ:  যোগ নিদ্রার মধ্যে করা ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন এর মাধমে আপনি আপনার কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধির ব্যপক বিকাশ করতে পারেন।

কারণ যোগ নিদ্রা এমন এক বিশেষ পক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি চেতনার ডিপে বা Theata WAVE স্তরে পৌছন ও যেখানে নিজের ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন মাধমে আপনি নিজের কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি চির পরিবর্তণ করতে পারেন।

এছাড়াও  যোগ নিদ্রা ব্রেনের দুটি  hemisphere মধ্যে তলমেল সৃষ্ঠী করে ও ব্রেনের মধ্যে থাকা corpus callosum কে আর শক্ত করে।

3.  স্ট্রেস কমায়: যোগ নিদ্রা আপনার জীবনে ফিসকাল, ইমোশনাল ও মেন্টাল স্ট্রেস কে কমায় মাত্র 7 দিনের মধ্যে, আমাদের প্রয়োজন সঠিক সংকল্প ও সঠিক yoga nidra পধুতির।

4. ইছা শক্তির বৃদ্ধি: জীবনে সাফল্যের জন্য অদম্য ইছা শক্তি প্রয়োজন, বিনা ইছা শক্তিতে জীবনের কোনো কাজ সম্ভব না।  

এবং এক মাত্র আপনি নিজে ছাড়া জীবনে আপনাকে অন্য কেউ ইছে শক্তি প্রদান করতে পারবে না। তাই  Yoga Nidra এই সংকল্প আপনাকে জীবেনে সর্ব ক্ষেত্রের ইছা শক্তি প্রদান করতে সাহায্য করবে।

5. মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ:   মানুষের  মধ্যে হওয়া সমস্থ রকমের শারিরীক ও মানসিক disorder গুলি নির্দিষ্ট সংকল্পর মাধমে পরিবর্তণ সম্ভব।

কারণ অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়াতে শরীর neural path গুলি পরিবর্তণ  করে নতুন path সৃষ্ঠী করে।  


যোগ নিদ্রার প্রয়োজনীয়তা:

বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষের লাইফ স্টাইল খুবই আনব্যালান্স, বেশির ভাগ মানুষ আজ ঘুম, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ও হরমোন, নানা নার্ভের সমস্যতে ভূগছেন।

একটি গবেষণা বলা হয়েছে শতকরা 40% ভাগ মানুষ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া থেকে শুরু করে নানা শারিরীক সমস্যা তে দীর্ঘ দিন ভুগছেন। তার কারণ মানুষের নিজের অকারণ ও অযৌক্তিক মানসিক চিন্তা এবং স্ট্রেস ।    

স্ট্রেস এবং অযৌক্তিক মানসিক চিন্তার থেকে মুক্তির পাওয়ার জন্য মানুষ নয় ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করেন বা ন্যাচারাল যোগ আসন, meditation, প্রাণায়াম, যোগ নিদ্রা অভ্যাস করেন।তবে আজের দিন এই ন্যাচারাল প্রক্রিয়া গুলি করার জন্য বেশির ভাগ্ মানুষ সময় করে উঠতে পারেন না।

তবে যোগ নিদ্রা এমন এক প্রক্রিয়া যা রাতে ঘুমানর আগে করা যায় বিনা সমস্যায । যাতে মনের মধ্যে চলতে থাকা দুশ্চিন্তা গুলি বন্ধ হয় ও শরীর গভীর ভাব রেস্ট পায়।

যোগ নিদ্রা জন্য না কোন বিশেষ সামগ্রীর বা বিশেষ কোন পক্রিয়া প্রয়োজন হয় না, খুবই সোজা এই পক্রিয়া।

৮ থাকে ৮০ যে কোন বয়সের মানুষ এই প্রক্রিয়াটি করতে পারেন। শুধু আপনাকে আপনার জীবনের সঠিক সংকল্প নির্ধারন ও তা যোগ নিদ্রার মধ্যে নিজেকে উপস্থাপন করতে দিতে হবে ।

যদি আপনি স্ট্রেস , depration , ঘুম না হওয়ার সমস্যা তে ভুগছেন তবে আপনাদের জন্য আছে আমাদের Spacial Mediation Course বিশদ জানতে click করুন এই link এ বা call করুন +91-9433-657-349 নাম্বারে।

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

চক্র মেডিটেশন কী | What is Chakra Meditation In Bengali?

Chakra Meditation:

Chakra বা চক্র হল আমাদের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন প্রান শক্তির কেন্দ্রবিন্দু বা বিভিন্ন নাড়ির সংযুক্ত কেন্দ্রবিন্দু। এবং এই নাড়ী হল আমদের শরীরের প্রাণ শক্তি বা এনার্জি প্রবাহী নালিক।

যখন এই নাড়ী গুলির যখন তিনটি একত্রে মিলিত হয় তখন সৃষ্ঠী হয় নির্দিষ্ট গুন সুমপূর্ন একটি চক্র। অবাক বিষয় তিনটি নাড়ী সর্বদা মিলিত হয় ত্রিকোন আকারে ও বিশেষ এনার্জি রূপে।

আমরা মনে করি চক্রে মানে গোলাকার আকৃতি বিশিষ্ঠ তা নয়, চক্র হল ত্রিকোণ আকৃতির। এই চক্র সর্বদা নিদিষ্ট ক্ষমতা বা এনার্জি পূর্ন হয় ও বিজ্ঞান অনুজাই এনার্জি সঞ্চারিত হয় গোল আকারে, এই বিশেষ স্থানকে চক্র বল হয়।

আমাদরে শরীরের মধ্যে ১১৪ টি প্রধান চক্র আছে, যার মধ্যে ২টি দেহের বাহিরে ও ৪টি সয়ং নিষ্ক্রিয় যা বাকি ১০৮ টি প্রকৃতির সাথে যুক্ত এবং এই 6টি বাদ দিলে পরে থাকে ১০৮ টি।     

১০৮টি চক্রই ১০৮টি ধরনের ভিন্ন ধ্যান প্রণালীর সাথে যুক্ত। আমরা প্রতিটি প্রণালীতেই আত্ম জ্ঞান প্রাপ্ত করতে পারি বা পরম জ্ঞান প্রাপ্ত করতে পারি। প্রতিটিই চক্র এক একটি বিশেষ চেতনা ও জ্ঞানের স্তর উন্মুক্ত করে তলে সময়ের সাথে।

এর মধ্যে জীবন ও চেতনা স্তরে প্রয়োজন প্রধান ৭টি চক্রের উপর আমরা কাজ করি। এই ৭টি হল মুলাধার চক্র, স্বাধিষ্ঠান চক্র , মণিপূরক চক্র, অনাহতা চক্র, বিশুদ্ধি চক্র, অঞ্জনা চক্র ও সহস্ররার চক্র         


মুলাধার চক্র:

Muladhara chakra

মুলাধার হল শরীরের প্রথম বুনিয়াদ ভিত্তি স্থাপন ও এনার্জির কেন্দ্রবিন্দু বা উত্‍স । এই চক্রটি আপনার মেরুদণ্ডের একদম নিচের অংশে অবস্থিত যা বলা হয় শরীরের চক্রের সূচনা বিন্দু।

এই মুলাধার চক্রের রং হল রক্তিম লাল, এই চক্রটি আপনার প্রতিদিনের বেসিক চাহিদা যেমন খাওয়া দাওয়া , ঘুম বা অলসতা, সম্ভোগ ইত্যদি নিয়ন্ত্রণ করে।

মুলাধার চক্রের সাধনা করলে আপনি জীবনের সমস্থ বেসিক চাহিদা গুলি থেকে মুক্তি পেয়ে পাবেন। যোগে বলা হয় যত দিন না আপনি বেসিক প্রয়োজনীয়তা উপরে আস্তে পারছেন তত দিন পশু ভিত্তিক অচরণের মধ্যেই আটকে চেতনা ও জীবন।

এই মুলাধার চক্রের বীজ মন্ত্র হল “লাম-LAM”,এই মন্ত্র উচরণে এই চক্রকে কিছুটা ব্যালান্স করে। তবে পূর্ণ রূপে জগরণের জন্য সাধন বা নির্দিষ্ট ধ্যান পধুতির প্রয়োজন।


স্বাধিষ্ঠান চক্র:

Swadhisthana chakra

দ্বিতীয় চক্র স্বাধিষ্ঠান হল শরীরের তৃপ্তি বা সন্তোষ সাধন ও চিন্তা শক্তির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি নাভির একটু নিচের দিকে অবস্থিত ও এই চক্রের রং হল কোমলা।

ঋষিরা বলেছেন এই চক্রটি আমাদের রোজকার জীবনে চিন্তা ভাবনা থেকে শুরু করে শারিরীক ও মানসিক পরিতৃপ্তি নিয়ন্ত্রণ কর।

স্বাধিষ্ঠান চক্রের সঠিক সাধন করতে পারেন আপনি জীবনে প্রাণবন্ত ভাবে মানুষ বাচতে পারবে। পুরাণের মতে যদি আপনি মুলাধার চক্র ও স্বাধিষ্ঠান চক্রর ব্যালান্স আনতে পারেন তবে জীবনে 70 ভাগ শরীরীরক সমস্যা থাকে মুক্তি পায়ে যাবেন।

এই স্বাধিষ্ঠান চক্রের বীজ মন্ত্র হল “ভাম-VAM”, এই মন্তের 108 বার সঠিক উচরনে এই চক্রটি কিছুটা  ব্যালান্স হয় তবে সাধনা ছাড়া পূর্ণ জাগরণ সম্ভব না।   


মণিপূরক চক্র:

Manipura chakra

তৃতীয় চক্র মণিপূরক হল জীবনে কর্মের শক্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি আমাদের নাভিতে অবস্থিত।

মণিপূরক চক্রের রঙ হল হলুদ বা ইয়েলো কালারের, ঋষিরা বলেছেন চক্রটি আমাদের বিন কোন আবেগ  মায়াতে না জড়িত হয়ে কর্ম করার ক্ষমতা ও শক্তি প্রদান করে এছাড়াও এই চক্রের ইত্যাদি বহু গুণ আছে ।

তাই মণিপূরক চক্রের সাধন খুবই কঠিন কিন্তু সবচেয়ে প্রয়োজন প্রতিটি মানুসের্ জীবনে। সাধক দের মতে কর্মের বন্ধন থেকে মুক্তি না পাওয়া গেলে মানব জিবনে সুখ ও শান্তির অবভাব চির কাল থাকবে।

পূরণ অনুযাই মণিপূরক চক্রের বীজ মন্ত্র হল “রাম-RAM”, এই বীজ মন্ত্রটি নির্দিষ্ট সাধনার সাথে করা হলে এই চক্র ব্যালান্স করা সম্ভব।


অনাহতা চক্র:

Anahata chakra

চতুর্থ চক্র অনাহতা হল জীবনে প্রেম ও ক্রিয়েটিভ শক্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি আমাদের বুকের একটু নিচের দিকে অবস্থিত।

এই অনাহতা চক্রের রঙ হল সবুজ, এবং এই চক্রটী আমদের সমস্থ ইমোশনের বহি-প্রকাশ থেকে শুরু করে শরীরীর সমস্থ হরমোন প্রোব্লেম ও ক্রিয়েটিভ সক্ষমতা উপর ব্যালান্স প্রদান করে।

অনাহতা চক্রের সাধন পৃথিবীর সমস্থ জিনিসের সাথে প্রেম ও বাকি না প্রকাশ পাওয়া ইমোশান জীবনে পুনরায় প্রতিস্থাপন করে। ঋষিরা বলেন মানুষ কে পশুর থাকে আলাদা করে এই ইমোশন ও প্রেম, বিন এই দুই জিনিসে মানব জীবন অসফল।  

এই চক্রের বীজ মন্ত্র হল “য়াম-YAM”, এই মন্ত্রটি নির্দিষ্ট রীতিতে সাধনা করলে আমদের এই চক্রকে ব্যালান্স করে।


বিশুদ্ধি চক্র:

Vishuddha chakra

পঞ্চম চক্র বিশুদ্ধি হল আমদের শরীরের বিশ বা নেগেটিভ এনার্জি ফিল্টার, এই চক্রটি আমাদের গলার মধ্য অবস্থিত।

বিশুদ্ধি চক্রের রং হল গাড় নীল বা ডীপ নীল, এই চক্রটি নেগেটিভ চিন্তা, নেগেটিভ বিচার বা মন্তব্য ও সর্ব প্রকার নেগেটিভ শক্তি থেকে নিজের অন্তরের পজিটিভ ক্ষমতা কে রক্ষা করে। এই চক্রটি ব্যালান্স থাকলে সর্ব দিক থকে প্রবল ক্ষমতা শালি হয়ে উঠবেন।

বিশুদ্ধি সাধন কোন সাধারণ সাধন না এর জন কঠিন সাধন প্রয়োজন। তবে এই যদি এই চক্র ব্যালান্স আমদের মানসিক ও শারিরীক দুই দিক থেকে প্রবল ক্ষমতা শালি করে তলে।

এই চক্রটির বীজ মন্ত্র “হ্যাম-HAM”। এই চক্রটির পূর্ণ ব্যালান্স এর জন্য বিশেষ সাধনা ও গভীর ধ্যান শক্তির প্রয়োজন।


অঞ্জনা চক্র:

ষষ্ঠ হল অঞ্জনা চক্র এবং এটি সনাতন ও বিনা আবেগ মিশ্রিত চেতনা ও শান্তির কেন্দ্রবিন্দু, এই চক্রটি দুই চোখের মধ্যবর্তি স্থানে অবস্থিত তাই চক্রকে ত্রিনেত্র বলে।

এছাড়া এই চক্রের রং সাদা বা রঙ হীন কারণ, সাদা এমন এক রঙ যার মধ্যে অন্য রঙের স্পর্শ নেই। এই চক্রটি আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত কে বিনা কোন আবেগ ও অনুভূতিতে জড়িত হয়ে সঠিক ভাবে বোঝার ক্ষমতা প্রদান করে।

ঋষিদের মতে অঞ্জনা চক্রের সাধন জীবনে প্রতিটি জিনিসের পরম সত্যতা মানুসের কাছে তুলে ধরে, সত্যর বোধ মানুষের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্ত পূর্ণ।

ও পূরণ মতে এই চক্রটির বীজ মন্ত্র “সাহ্যাম-SHAM” এই বীজ মন্ত্রটি এই চক্রটি ব্যালান্স আনতে সাহায্য করে।


Sahasrara chakra

সহস্ররার চক্র:

এই চক্রটি পরম জ্ঞান ও পরম আনন্দ শক্তির প্রধান উত্‍স । এই চক্রটি আমদের মাথার ব্রহ্ম তালু তে অবস্থিত।

ও এই চক্রের রঙ বেগুনি বর্ণের হয়।ঋষিদরে মতে মানুষ নিজের জীবনের শান্তিকে পরম লক্ষ ভাবে, কিন্তু এটি একটি ভুল ধারনা। এই চক্রটি ব্যালান্স হলে জীবনে সর্ব সময় আমরা পরম জ্ঞান ও আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।          

পুরাণে বলা হয় এই চক্রের সাধন সবচেয়ে কঠিনও তম বিষয়, যতখন না বাকি সমস্থ চক্র ব্যালান্স হছে এই সহস্ররার চক্রে পৌছ্নর কোন পথ নেই এবং যোগেও এই সহস্ররার ব্যালান্স করার কোন সহজ উপায় বলা নেই।

কারণ এই চক্র হল সৃষ্ঠীর পরম জ্ঞানের দ্বার তাই এই ব্যালান্স কোন সহজ বিষয় নয়। এই চক্রের বীজ মন্ত্র “আউম-AUM” যার থেকেই সমস্থ জ্ঞানের সূচনা।


Chakra Meditation :

এই প্রধান 7 ক্ষমতা প্রদান করি চক্র গুলির মধ্যে সমতা সৃষ্ঠীর বিশেষ উপায় হল চক্র Meditation । এটি বিশেষ সাধনা প্রণালী যার সাহায্যে জীবন কে পূর্ণ রুপান্তরন ও পূর্ণ মানব জীবন প্রণালী সম্ভব।


আসা করি অপনদরে সঠিক ইনফরর্মেশন দিতে পড়েছি । যদি কেউ Online বা Offline এ meditation শিখতে চান তবে +91 9433-657-349 নাম্বার call করুন

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

৬টি মেডিটেশনের টিপস | 6 Meditation Tips In Bengali

আমরা জানি সঠিক Meditation বডির বেনিফিট প্রচুর। কিন্তু আমার হয়ত জানিনা কিছু ছোট ছোট অজানা জিনিসের জন্য মেডিটেশানের সমস্থ উপকার থেকে কিছুটা বঞ্চিত থেকে যাছি।

তাই আজ 6টি Meditation Tips বলব যার মধ্যমে সর্বাধিক উপকার পাবেন।       

1. বৈদিক মুদ্রা  Mudra:

মুদ্রা হল ভারতীয় ঋষিদের তৈরি সর্ব শ্রেষ্ঠ পধুতির মধ্যে একটি, যার অর্থ হাতের নির্দিষ্ট ভঙ্গি বা বিশেষ কোন রূপ।যা আমাদরে সারা শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম অ্যাক্টিভেট করে, এবং যা নিজের চেতনার ও উপলব্ধির এক অন্য স্তরে পৌছতে সাহায্য করে।

তাই ঋষিদের মতে Meditation এর জন্য “ধ্যান মুদ্রা”  “জ্ঞান মুদ্রা” সবচেয়ে বেশি উপযোগী।  

ধ্যান মুদ্রা:

ধ্যান অর্থ চেতনা ও মুদ্রা হাতের বিশেষ পধুটি। এক কথায় চেতনা ও বিকাশের নতুন স্তরের প্রবেশ পদ্ধতি ।

ধ্যান মুদ্রা পদ্ধতি :

ধ্যান মুদ্রা

প্রথমে আপনার দুটি হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, নিচে বা-হাত ও তার উপর ডান হাত পরস্পর বিপরীতে।

তার পর দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি গুলি একে অপরের মাথায় মাথায় স্পর্শ করান যাতে হাতের তালুর সাথে টাচ না হয়ে থাকে। সম্পুর্ন এই ভঙ্গিমা কে বলা হয় ধ্যান মুদ্রা।


জ্ঞান মুদ্রা:

জ্ঞান অর্থ বুদ্ধি ও মুদ্রা অর্থ হাতের এক বিশেষ পদ্ধতি। এক কথায় জ্ঞান মুদ্রা হল নিজের অন্তরে জ্ঞানের সন্ধান।

জ্ঞান মুদ্রা পদ্ধতি :

https://www.youtube.com/watch?v=mgj1IvxSVMk
জ্ঞান মুদ্রা

প্রথমে দুটি হাত কে হাটুর উপর রাখুন, এবার হাতের তর্জনী দিযে বৃদ্ধা অঙ্গুলি মাথা স্পর্শ করান। ও বাকি মধ্যমা, অনমিকা ও কনিষ্ঠা কে সমান লম্বা ভাবে রাখুন যাতে কোনও জায়গা বেন্ড না হয়। সম্পুর্ন এই ভঙ্গিমা কে বলা হয় জ্ঞান মুদ্রা।  


2. যোগ আসন :

যোগের জন্মদাতা মহর্ষি পতঞ্জলি জীবনের প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট  আসন সৃষ্ঠী করেছিলেন। তার মধ্যে বিশেষ কিছু আসন Meditation সময় সবচেয়ে বেশি সমতা ও একাগ্রতা প্রদান করি এবং সে গুলি হল “সুখাসন”, “বজ্রাসন” ও “পদ্মাসন” ।  

এই আসন গুলি আপনার বডির নির্দিষ্ট দেহভঙ্গি বজায় রাখতে ও শরীরে এনার্জি ব্লক থাকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

কারণ খারাপ বা ভুল দেহভঙ্গি বডির মধ্যে এনার্জি ফ্লো নষ্ঠ করে, তাই মেডিটেশান করার জন্য সঠিক আসন খুবই গুরুত্ত পূর্ণ।

বজ্রাসন পদ্ধতি:

বজ্রাসন

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নরমাল ভাবে বসুন, তার পর হাটুর উপর ভর দিয়ে দাড়ান। এবার দুটি পা পিছনে মুরে এক সাথে গাযে গায়ে ঠেকান ও আস্তে আস্তে পায়ের উপর বসুন সোজা হয়ে।

মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও হাত দুটি হাটুতে বা নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে রাখুন। এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।


পদ্মাসন পদ্ধতি :

পদ্মাসন

প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন ও এবার বাঁ পা হাঁটু থেকে ভেঙে ডান থাই এর উপর এবং ডান পা একইভাবে বাঁ থাই উপর রাখুন।

যতটা সম্ভব ততটা করুন প্রথমে জোর করে কোন কিছু করার দরকার নেই। এবার হাত দুটো চিৎ করে অথবা ধ্যান করার ভঙ্গিতে দু’হাঁটুর উপর রাখুন।


সুখাসন পদ্ধতি:

সুখাসন

প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে নরমাল ভাবে বসুন, ও নিজের হাত দুটি নিজের দুই হাটুর উপর রাখুন। মাথা যেন সামান্য উপরের দিকে থাকে। এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।


3. নাডি শোধন প্রাণায়াম :

এই প্রাণায়াম উদ্দেশ্য আমাদের শরীরে মধ্যে থাকা ৭২,০০০ হাজার নাড়ির বা জীবন শক্তির প্রবাহ নালিকর মধ্যে সমতা সৃষ্ঠী করে।এই শোধন প্রক্রিয়ার হল দুটি প্রধান নাড়ির উপর সমতা আনার প্রচেষ্ঠা। যাতে আমদের শরীরের ভিন্ন শক্তির মধ্যে ব্যালান্স বজায় থাকে।

মেডিটেশানের সময় সমস্থ এনার্জি শরীরের মধ্যে পূর্ন সমতায় কাজ করলে তবেই আমরা সঠিক এফেক্ট পাবো।

নাড়ি শোধন প্রণালী : 

https://www.youtube.com/watch?v=LqBorxxdNlI

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন। মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

আপনার বা হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, তার পর ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন খুব জোরে নয় আস্তে যাতে নিশ্বাস না নিতে পারেন।

তার পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ৫ সেকেন্ড হোল্ড করুন। তার পর ডান হাত টা বা দিকের নাকের উপর আনুন ও ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।এবার ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন আবার হাত পাল্টে বা দিক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।


4. মেডিটেশানের দিক (Direction):

ভারতের সমস্থ শাস্ত্রে দিক খুবই গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে তবে অনেকেই এই বেপার সম্বন্ধে জানেন না, কারণ নির্দিস্থ এক একটি দিক নির্দিস্থ কিছু বিশেষ শক্তির প্রতিনিধিত্ত করে।

তার মধ্যে Meditation এর জন্য পূর্ব দিন হল উপকারী কারণ পূর্ব দিক্ সূর্য বা জীবন শক্তির সূচনার প্রতীক।

ঋষিরা বলেছেন এই পূর্ব দিকে মুখ করে যদি আপনি meditation করেন তবে আপনি প্রচুর পরিমনে পজিটিভ এনার্জি পাবেন যা আমাদের জীবনে খুবই প্র্য়োজন। এছাড়া পূর্ব দিক মুখ করে ধ্যান করলে তার গভীরতা ও অনুভব সবচেয়ে প্রবল হয়।   


5. মেডিটেশানের সময় Time:  

এই মহাবিশের সবচেয়ে শক্তিশালী বস্তু হল সময় যা আমাদরে জীবনেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ভারতের মুনি ঋষিরা প্রতিটিই কাজের জন্য বিশেষ সমযে ভাগ করেছেন। মেডিটেশান এর জন্য সঠিক সময় বলা হয়েছে ব্রহ্ম মুহূর্ত বা সূর্য উদয়ের আগের মুহূর্ত।

এই সময় প্রকৃতি মধ্যে বিশেষ কিছু পরিবর্তণ হয় যার ফলে আমাদের বডির প্রকৃতি থাকে পজিটিভ চার্জ সংগ্রহ করতে পারে। এই সময় মেডিটেশান করলে আমরা ধ্যানের গভীর খুব সহজই প্রবেশ করতে পারি।  

6. খাদ্য অভ্যাস:

সবসময় মনে রাখা উচিত মেডিটেশন খালি পেটে করা উচিত বিশেষত সকালে।যদি খাবার পর meditation করা হয় তবে মাইন্ড ও বডির নিজের মধে তাল মেলর সমস্যা সৃষ্ঠী হয়। তাই সবসময় খালি পেটে মেডিটেশান করা উচিত।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

যদি আপনার অনলাইন বা অফলাইনে meditation শিখতে চান তবে দেরি না করে এখুনি ফোন করুন এই নাম্বারে – +91-9433-657-349

Exit mobile version
0