মাইগ্রেন সমস্যার অব্যর্থ চিকিৎসা হল এই 7টি যোগ আসন | Yoga For Migraine In Bengali

আজ প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৩ জন মানুষ আজ মাইগ্রেন সমস্যার ভুক্তভুগি হইত আপনিও এর মধ্যে একজন যিনি এই কষ্টের সমধান খোজ করছেন।

তবে প্রতিবারের মত ঘন্টার পর ঘন্টা কষ্ট ভোগ না করে মুঠো মুঠো ওষুধ না খেয়ে, এখুনি শিখেনিন অব্যর্থ 7টি যোগ আসন পদ্ধতি যা Best Migraine treatment জন্য ।    

 মাইগ্রেন সমস্যার জন্য কেন Yoga হল Permanent ট্রীটমেন্ট ?

মাইগ্রেন সমস্যার প্রধান কারণ হল প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমের ইমব্যালেন্স , যার কারণ হতে পারে অতিরিক্ত চিন্তা বা  স্ট্রেস,  হাই ব্লাড প্রেসার, হরমোন ইমব্যালান্স, অনিদ্রা, শারিরীক উত্তাপ পরিবর্তন বা কোন বিশেষ খাবারের প্রতি আলার্জি।   

Medical Science বা অত্যাধুনিক চিকিত্‍সা বিজ্ঞানের উপর ওষুধ দ্বারা এই সমস্যার শুধুই temporary ট্রীটমেন্ট করা সম্ভব যা সাময়িক কষ্টের থেকে মুক্তি প্রদানে সক্ষম।

কিন্তু Yoga বা যোগ অভ্যাস হল এক ও অদ্বিতীয় প্রক্রিয়া যা শরীর কে ভিতর থেকে যে কোন সমস্যার ১০০ ভাগ নিরমূলে সক্ষম।

একমাত্র Yoga আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম ইমব্যালেন্স কে সম্পুর্ন ভাবে ব্যালান্স করতে শরীরের সম্পুর্ন সুস্থ রাখতে সক্ষম। এবং এটি মেডিকাল রিসার্চের দ্বারা প্রমানিত।  [আরো পড়ুন ]   


মাইগ্রেন সমস্যার জন্য উপকারি 7টি প্রধান যোগ আসন Yoga For Migraine:

1. অর্ধ চক্রাসন 

2. ত্রিকোণ আসন

3.  ভুজঙ্গ আসন 

4.  হ্যালাসন 

5.  শিশু আসন

6.  পদহস্তাসন

7. বিপরীত করণি


1. অর্ধ চক্রাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=csErxVR7dpA
4th Yoga For Migraine In Bengali

প্রথমে একটি সমতল জায়গায়সোজা হয়ে দাঁড়ান খেয়াল রাখবেন মেরুদন্ড একদম  সমান অবস্থায় থাকে, এরপর নিজের কোমরে পিছনের দিকে নিজের দুটি হাত কে বেন্ড করে নিয়ে যান

এবার গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিয়ে শরীরের সঠিক ব্যালেন্স রেখে শরীরের উপরের অংশকে কোমর থেকে  ব্যান্ড  করে শরীরকে পিছনের দিকে নিয়ে যান।

এর পর  যতটা সম্ভব এই অবস্থায়  40  থেকে 50  সেকেন্ড হোল্ড করুন নিজের সুবিধা অনুজাই। তারপর আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে নিজের বডিকে রিল্যাক্স করুন এবং একি ভাবে আবার প্র্যাকটিস করুন।

অর্ধ-চক্রাসনের উপকারিতা:  

এই আসন আমাদের কাঁধ, পিঠ, ঘাড়ের এবং  চেষ্টর সমস্ত  পেশি কে নির্দিষ্ট ভাবে স্ট্রে‍চ করে যার ফলে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম ব্যালান্স হয় এবং এর ফলে আমাদের শরীর রিল্যাক্স হয় ও মাথা ব্যাথা কষ্ট দ্রুত কমে।       


2. ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

2nd Yoga method For Migraine In Bengali

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন। এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের বাম হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব। 

একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে পায়ের পাতা কে বাম দিকে ঘুরিয়ে বাম হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান, ও ডান হাত উপরে তুলে রাখুন এবং ১মিনিট হোল্ড করুন।    

ত্রিকোণ আসন উপকারিতা: 

এই আসন আমদের স্পাইনাল কর্ড থেকে শুরু করে ঘাড় উপরের অংশের  সমস্ত পেশীকে একটি নির্দিষ্ট ভাবে স্ট্রেচ করে  যার ফলে প্যারা সিমপ্যাথেটিক নার্ভ  তৈরি হওয়া চাপ অনেকটাই কম হয়।

এছাড়া এই আসন আমাদের শরীরের অস্বাভাবিক গতিবিধি ও মানসিক উত্তেজনা কে কম করতে সাহায্য করে।


3. ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

3rd Yoga For Migraine pain relief

সবার প্রথমে একদম সমতল যায়গায় বুকের উপর ভর রেখে সম্পুর্ন লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এর পর ধীরে ধীরে নিজের হাত দুটি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন সমান দূরত্বে রাখুন।

এবার সম্পুর্ন হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরে উপরের অংশ এবং মাথা কে উপরে দিকে তুলুন, খেয়াল রাখবেন পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকে থাকে।

এই অবস্থায় নিজেকে ১ মিনিট হোল্ড করে রাখুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। এই ভাবে নিজের সুবিধা মত ৩ থেকে ৪ বার প্র্যাক্টিস করুন।     

ভুজঙ্গ আসন উপকারিতা :

এই আসন আমাদের lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট ব্যালান্স রাখা থেকে শুরু করে খুব সহজেই স্ট্রেস হরমোন লেভেল কে কম করতে সাহায্য করে।

এছাড়াও এই আসন ঘারের ও মেরুদণ্ডের ঘঠন গত সমস্যা থেকে হওয়া মাথার যন্ত্রনা দূর করতেও সাহায্য করে।   


4. হ্যালাসন পদ্ধতি:

4th Yoga For Migraine In Bengali

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে। দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

হ্যালাসন উপকারিতা: 

এই আসন আমাদের মেরুদণ্ডকে সঠিক ভাবে স্ট্রে‍চ করে যাতে প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম সঠিক সমতায় আসে।  

এছাড়া হ্যালাসন আমাদের ব্রেনের ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালনে ও শরীরের সঠিক ব্লাড প্রেসার লেভেল কে ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।

এবং এই আসন আমাদের শরীররে নমনীয়তা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে মানসিক চাপ সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।


5. শিশু আসন পদ্ধতি :

5th Yoga For Migraine Treatment In Bengali

প্রথম একটি সমতল জায়গায় মেরুদণ্ড সোজা করে বজ্রাসনে বসুন,এর পর কোমর থেকে শরীরের উপরের অংশকে বেন্ড হাত কে সামনের দিকে লম্বা করে ছড়িয়ে মাথাকে সম্পূর্ণ মাটির সাথে স্পর্শ করান।

এবার গভীরভাবে শ্বাস নিন, এই পজিশনে নিজেকে হোল্ড করুন অন্তত পক্ষে এক মিনিট এরপর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসুন এবং 30 সেকেন্ড Rest নিয়ে পুনরায় ২-৩ বার আসনটি প্র্যাকটিস করুন।

শিশু আসন উপকারিতা : 

শিশু আসুন আমাদের নার্ভাস সিস্টেম থেকে শুরু করে শরীরের অ্যাসিড লেভেল ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদের অধিক উত্তেজনা এবং হরমোন সমস্যা নিয়ন্ত্রন করে, যার ফলে থেকে হওয়া মাথার যন্ত্রণা সহজেই কমানো সম্ভব।


6. পদহস্তাসন পদ্ধতি:

6th Yoga For Migraine In Bengali

প্রথমে লম্বা ভাবে একটি সমতল জায়গায় দাড়িয়ে ও বুকের কাছে হাতজোড় করুন। এরপর কোমর থেকে শরীরকে নিচের দিকেরঅংশ বেন্ড করে দুই হাত দিয়ে মাটিতে স্পর্শ করুন এবং যতটা সম্ভব স্ট্রে‍চ করুন ও নিজের মাথাকে হাঁটুর কাছে নিয়ে আসার চেষ্টা করুন।

এবং গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিন, অন্তত এক থেকে দুই মিনিট এই আসনে নিজেকে  হোল্ড করুন।

পদহস্তাসন উপকারিতা:

 এই আসন আমাদের অত্যাধিক স্ট্রেস হরমোন কে নিয়ন্ত্রণ করে  এবং শরীরের মধ্যে জমে থাকা Toxin কে  শরীর থেকে দূর করতে সাহায্য করে।

 এছাড়াও এই আসন আমাদের মস্তিষ্কে ব্লাড ও অক্সিজেন সাপ্লাই  বাড়িয়ে তোলে যার ফলে মাইগ্রেন থেকে হওয়া মাথা ব্যাথা অনেকটাই কমে যায়।


7. বিপরীত করণি পদ্ধতি: 

7th Yoga For Migraine In Bengali

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে।

এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

বিপরীত করণি উপকারিতা:  

বিপরীত করণি আমাদের শরীরের  ব্লাড প্রেসার এবং cortisol লেভেল নরমাল করতে সাহায্য করে।

এই আসন আমাদের শরীরে কে দ্রুত রিল্যাক্স করতে ও central never system কে সঠিক সমতায় আনতে সাহায্য করে।  


মাইগ্রেন সমস্যা ক্ষেত্রে জেনে নিন বিশেষ কিছু টিপস:

মাইগ্রেন সমস্যা গ্রস্থ মানুষের কিছু খাবারের প্রতি বিধি নিষেধ তালিকা যা মেনে চলা জরুরী:

  • চা এবং কফি জাতীয় পানীয়   
  • MSG বা মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট যুক্ত খাবার যেমন ম্যাগি বা চাউমিন থেকে শুরু করে মসলা দ্বার চিপস  ইত্যাদি।
  • মদ্যপান ও ধূমপান এবং তামাক জাতীয় পদার্থ সেবন  
  • এছাড়া সবজির মধ্যে টমেটো, বেগুন ইত্যাদি।

মাইগ্রেন সমস্যার যে 4টি কুঅভ্যাসের কারণে বৃদ্ধি পায় :

 1. অত্যাধিক স্ট্রেস:

 নানা পরীক্ষার মাধ্যমে জানা গিয়েছে যে কোনো রকমের স্ট্রেস মাইগ্রেন সমস্যা কে বাড়িয়ে তুলতে পারে। এবং স্ট্রেস শরীরের মধ্যে নানা toxins তৈরি করে যার ফলে শরীরের central never system  সাধারণ স্থিতি ব্যাহত হয়, ও নার্ভের উপর চাপ সৃষ্টি হয়। তাই স্ট্রেস থেকে মুক্তির জন্য অবশই প্রতিদিন মেডিটেশন ও যোগ অভ্যাস করা অতি প্রয়োজন।   

2. অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা:

বর্তমানে এটি প্রমানিত যে সব মানুষ  ঘুম না হওয়া  বা insomnia  সমস্যায় ভুগছেন তাদের মাইগ্রেন সমস্যার ভোগান্তি সাধারণের তুলনায় দ্বিগুন।  তাই রেগুলার ঘুমের ওষুধের উপর নির্ভর না করে এবং শরীর কে আর রোগ গ্রস্ত না করে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট যোগ আসন অভ্যাস ও মেডিটেশন দ্বারা নিজের শারীরিক স্থিতি কে সহজেই সঠিক করা সম্ভব।   

3. ডিহাইড্রেশন বা Dehydration :

ডিহাইড্রেশন বা শরীরের মধ্যে জলের অভাব সরাসরি আমাদের শরীরের কার্য ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের সাধারণ চিন্তাভাবনার স্থিতির উপর প্রভাব ফেলে যার থেকে অস্বাভাবিক মাথার যন্ত্রনা বা মাইগ্রেন মত সমস্যাকে উদ্দীপিত করে।

তাই যে সব মানুষ মাইগ্রেন সমস্যা ভুক্ত তাদের অবশ্যই খেয়াল রাখা প্রয়োজন শরীররে মধ্যে কোন কারণে যেন জলের অভাব সৃষ্ঠী না হয়। 

4. মেডিসিন বা ওষুধ:

যে সব মানুষ প্রচুর পরিমাণে ওষুধ খান তার সাইড এফেক্ট হিসাবে মাইগ্রেন সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, আবার না জেনে নতুন কোন ওষুধ খাওয়ার প্রভাবে  মাইগ্রেনের সমস্যা  হঠাৎ বৃদ্ধি পেতে পারে । তাই প্রতিটা ওষুধ ডাক্তারে পরামশ নিয়ে খান এবং সুস্থ থাকতে Yoga, Meditation, প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস করুন।


আসা করছি মাইগ্রেন সম্পর্কে আপনাদের সম্পুর্ন তথ্য দিতে পেরেছি, যদি আপনাদের কোন মতামত থেকে থাকে তবে আমদের Comment Box এর মধ্যে জানতে ভুলবেন না।

আপনারা যদি মেডিটেশন, Yoga বা প্রাণায়াম শিখতে চান তবে দেরি না করে ফোন করুন +91 9433-657-349 এই নাম্বারে বা Mail করুন Contact@wisdomcue.com এর মধ্যে, ধন্যবাদ।

জেনে নিন Yoga কিছু সেরা স্বাস্থ্য উপকারিতা | 20 health benefits of yoga in bengali

Yoga বা যোগ অভ্যাস শুধু ব্যায়ামের বা স্ট্রে্চ নয়, এটি  নিজের বিকাশের একটি সুঘঠিত প্রক্রিয়া।যা শারিরীক ও মনসিক অবস্থার উপর নিজস্ব নিয়ন্ত্রনে আনার বিশেষ পদ্ধতি।

Yoga health benefits ও প্রচুর এবং সমস্থ কিছুই বিজ্ঞান সম্মত্ত ভাবে প্রমানিত সত্য, তাই এরকম  20টি বিশেষ উপকারিতা বিষয় আজ আপনাদের বলব।   

1. শারীরিক নমনীয়তা বৃদ্ধি:

যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরে স্টিফনেস কম করে ও সমস্থ পেশী কে পূর্ণ রূপে স্ট্রে্‍চ করে, যাতে প্রতিটি পেশী সম্পুর্ন রূপে বিকশিত ও নমনীয় হয়।   

2. প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি :

যোগ অভ্যাস বা Yoga আমাদের মাইন্ড ও বডির মধ্যে ব্যালান্স তৈরি করে যার ফলে আমরা আমাদরে প্রোডাক্টীভিটি কে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিতে পারি।

যার ফলে আমরা কোন কাজ নর্মাল গতির চেয়ে 2 গুণ গতিতে ও মন সংযোগ সহকারে সম্পাদন করা সম্ভব।

3. এনার্জি সিষ্টেম ব্যালান্স:

Yoga বিভিন্ন আসন নির্দিষ্ঠ প্রক্রিয়াতে শারিরীক ও মানসিক প্রয়োজন অনুজাই বডির এনার্জি মধ্যে সমতা সৃষ্টি করে। যার ফলে শরীর রিল্যাক্স ও প্রয়োজনে অ্যাক্টিভ ভাবে সমস্থ কাজ কর্ম করতে পারে।

4. শারিরীক ঘঠন: 

Yoga আমাদের মেরুদণ্ডের ঘঠন থেকে শুরু করে বুকের পাজরের আকৃতি, কধের অসমতা বা রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম, পায়ের ঘঠন শরীরিক ঘঠন কে সঠিক সমতায় আনতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: রাউন্ড শোল্ডার সমস্যা কী?

5. বয়সের প্রভাব হ্রাস:

যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরের সমস্থ রকম toxin দূর করতে ও স্কিনের উজ্জলতা বজায় রাখতে ও নতুন Skin cells তৈরি করতে সাহায্য করে যার ফলে শরীরের উপর বয়সের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়।

6. Flexible Joints:

সুস্থ শরীরের জন্য Flexible Joints খুবই জরুরী, Yoga আমাদের শরীরে বিভিন্ন Joint এবং তার আসে পাশের সমস্থ পেশী গুলির স্ট্রে্‍চ করে। যাতে প্রতিটি Joint এর flexibility বারে এবং arthritis জাতীয় রোগের সম্ভনা কমে যায়।  

7. Core Strength:

শরীর মধ্যে বেশি ব্যবহৃত কিন্তু গঠন গত ভাবে কমজোর পেশী গুলির মধ্যে একটি হল Core মাসেল।

Yoga এই মাসেল গুলিকে শক্ত সমর্থ করতে সাহায্য করে যাতে  বডি ব্যালান্স ঠিক থাকে এবং পিঠ ও কোমরের যন্ত্রনা সমস্যা না হয়।


8. স্ট্রেস রিলিফ:

যোগ অভ্যাসের সবচেয়ে উপকারী গুণের মধ্যে একটি হল স্ট্রেস রিলিফ, কারন Yoga শরীরের মধ্যে তৈরি হওয়া codesol, Adrenalin, ইত্যাদী স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় ও Serotonin, Dopamine হরমনের প্রভাব বৃদ্ধি করে।  

আরও পড়ুন: 7টি যোগ আসনের দ্বারা সহজে স্ট্রেস রেলিফের উপায়।   

9. মানসিক স্থিতি বা মুড:

আমাদের প্রতিটি কাজের জন্য সঠিক মানসিক স্থিতির বা মুড  গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ আমাদের মানসিক স্থিতি আমাদের কাজের মধ্যমে ফুটে ওঠে, খারাপ মুড বা মানসিক স্থিতি দ্বারা কোন কাজের ভাল পরিণাম আসা করা সমভব নয়।

এই স্থিতি উপর নিয়ন্তন পেতে Yoga সবচেয়ে বেশি হেল্প করে যাতে আপনি আপনার মুড দ্বারা কম নিজের ইচ্ছার দ্বারা সমস্থ কর্ম করতে পারেন।

10. মাইন্ড ফোকাস:

আজকের দিনে মাইন্ড কে নিজের ঈচ্ছায় নিজের নিয়ন্ত্রনে আনা ও একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়, যার জন্য আমার হইত অনেক কিছু করে থাকি কিন্তু লাভ হয় না।

তাই যোগ হল এমন এক প্রক্রিয়া যা শরীরের সাথে মনের তালমেল সৃষ্ঠী করে ও মন কে নির্দিষ্ঠ দিশা প্রদান করে যাতে খুব সহজ কে নিজের মাইন্ড ফোকাস নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়।  

11. সেলফ ডিসিপ্লিন:  

একটি সফল মানুষের প্রতীক হল সেলফ ডিসিপ্লিন, যোগ অভ্যাস আমাদের শরীর ও মন ডিসিপ্লিন তৈরি করতে সহজ্য করে বিভিন্ন আসনের মধ্যমে।

কারণ যোগ আসন সম্পুর্ন করতে মানসিক ও শারিরীক স্থিতির এক সাথে মেল বন্ধন্ হওয়া প্রয়োজন।  যার থেকে শরীর ও মনরে উপর সেলফ ডিসিপ্লিন সৃষ্ঠ।

12. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:

যোগ আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি জন্য গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ যোগ আসন বা Yoga আমাদের ব্রেনের মধ্যে অক্ষজেন ও nutrient যুক্ত ব্লাড  পরিমাণ বাড়ায়।

এবং Dehydration সমস্যা কমায় যাতে ব্রেন BDNF  (brain-derived-neurotrophic-factor) হার বৃদ্ধি পায়।

ফলে পুরোন নিউরন গুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও নতুন নিউরন তৈরি হয় যা  নতুন জিনিস শেখার ক্ষমতাকে ও বিচার শক্তিকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তলে।


13. ইম্যুনিটি বৃদ্ধি :  

সুস্থ শরীরের ও সঠিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ইম্যুনিটির খুবই প্রয়োজন, এই ন্যাচারাল ইম্যুনিটি তৈরি জন্য বডি কে সঠিক অবস্থায উপনীত করার পদ্ধতি হল Yoga ।

কারন যোগ শরীরের গঠন তন্ত্র থেকে শুরু করে এনার্জি সিষ্টেম ও প্রয়োজনীয় হরমোন গুলির মধ্যে সঠিক ব্যালান্স তৈরি করে যা immunity বাড়াতে সাহায্য করে।    

আর পড়ুন: 7টি যোগ আসন যা ইম্যুনিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

14. ব্লাড প্রেসার লেভেল:

যোগ অভ্যাসের আমাদের শরীরের মধ্যে ব্লাড systolic ও diastolic ব্লাড প্রেসারে মাত্রা ব্যালান্স করে ও ব্লাড প্রেসার থেকে হওয়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতির পরিমাণ কে কমায়।

আরও পড়ুন: যোগ আসনের সাথে ব্লাড প্রেসার কমানোর উপায়।  

15. ব্লাড সুগার:

সঠিক ধরনের যোগ আসন আমাদের ব্লাড সুগার লেভেল কে সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ইনসুলিনে হরমোন ক্ষরণ কে ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।

এবং এর সাথে যোগ আসন বেশি সুগার থেকে হওয়া নানা সমস্যা ও digestion ইমব্যালেন্স কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।   

আরও পড়ুন: 9টি সহজ যোগ আসন দ্বারা ব্লাড সুগার বা diabetes কমানোর উপায়।

16. সঠিক নিদ্রা:

সারা দিন ১০০ ভাগ প্রোডাক্টিভ ভাবে কাজ করতে হলে সম্পুর্ন নিদ্রার খুবই প্রয়োজন, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষের জীবনে ঘুমের ঘাটতি থেকেই কোন না কোন ভাবে থেকেই যায়।

Yoga নিদ্রা ঘাটতি স্থিতি কে ব্যালান্স করে ও স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব ও নেগেটিভ দুশ্চিন্তা কমায় যাতে গভীর ভাবে নিদ্রা সম্পুর্ন হয়।

যারা অত্যাধিক ঘুমের সমস্যাতে ভূগছেন তার যোগ নিদ্রা ও meditation অভ্যাস করতে পারেন এতে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

আর পড়ুন: যোগ নিদ্রা কী?

17. সঠিক পরিপাক বা Digestion:

সঠিক ভাবে digestion বা পরিপাক শরীরের সম্পুর্ন পুষ্টি গুণের আবশ্যক। যার জন্য Yoga আমাদের সঠিক হরমোন ও সুস্থ সবল digestion সিষ্টেম মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।

18. Toxins কমায় :

যোগ আসন আমাদের Lymphatic সিষ্টেম কে বুস্ট করে যার জন্য আমাদের শরীরে জমে থাকা বজ্র পদার্থ এবং Extra fluid কে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যাতে শরীরে প্রতিটি কোষ সুস্থ ও রোগের হাত থেকে সুরখিত থাকে।   

19. Thyroid ব্যালান্স:

যোগ আসন আমাদের thyroid গ্রন্থির প্রভাব আনে  যাতে শরীরের মধ্যে thyroxine হরমোনের মাত্রা ব্যালান্স হয়।

আরও পড়ুন: Yoga সাথে Thyroid কে ব্যালান্স করার পদ্ধতি।     

20. লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি:

Yoga রক্তের মধ্যে থাকা লোহিত কণিকার উত্পাদন মাত্র সঠিক ভাবে  বজায় রাখে যাতে অনিমিয়া জাতীয় রোগ না হয় ও শরীর সম্পুর্ন সুস্থ ও স্বভাবিক থাকে।    


এছাড়াও আছে অজস্র নানা ধরনের উপকার যা বলে শেষ করা যাবে না। আসা করি আপনাদের এই article ভাল লেগেছে।

আমাদের নতুন ব্লগের আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া বেল icon ক্লিক করুন

আপনার যদি কোনও মতা মত থাকে তবে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না। এছাড়া আপনি যদি অনলাইন  Meditation শিখতে চান তবে এখুনি CALL করুন +91 9433-657-349 নাম্বারে।   

বাচ্চাদের সুস্থ শরীরের জন্য রহিল ১১টি যোগ আসন | Yoga Asana For Kids In Bengali

বাচ্চাদের জীবনে যোগ অভ্যাসের গুরুত্ত :

Yoga বা যোগ আসন প্রতিটিই বাছাদের শারিরীক ও মনসিক পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে এক অসাধারণ প্রক্রিয়া।

যা প্রতিটি বাচ্ছাদের শারিরীক নমনীয়তা থেকে শুরু করে সমস্ত পেশীর সুষম বিকাশ ও মনসিক স্থিতিশীলতা প্রদান করে।

এছাড়াও সঠিক ধরনের Yoga বাচ্ছাদের পড়াশুনার competition থেকে হওয়া স্ট্রেস, ডিপ্রেশান কাটিয়ে উঠে সাহায্য করে।

এবং ব্রেন কে ফোকাস করতে ও নিজের মধ্যে পজিটিভ attitude তৈরি করতে সাহায্য করে।  

ছোট বয়স থেকেই বাচ্ছাদের যোগ অভ্যাসের সাথে যুক্ত করা অর্থ হল বাচ্চাদের সুস্থ ভবিষ্যতের ভিত সৃষ্ঠী এবং Yoga benefits আছে প্রচুর।


11 Yoga Asana For Kids

ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসনটি প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন প্রতিটি বাছাদের মেরুদণ্ড শক্ত করে, হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।

কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন। এছাড়াও বাচ্চাদের মেন্টাল ফোকাস কে বাড়াতে ও শরীরের স্ট্রেস লেভেল কে কমাতে   সাহায্য করে।


2. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি: 

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন বাচ্চাদের বডিকে Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে flexibal সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও চুলের পরা কমে।   


3. মত্‍স আসন (Matsyasana):

মত্‍স আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল জায়গা বেছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।এবার ধীরে ধীরে কোনুই থেকে হাত কে বেন্ড করে কোমর কে মাটি তে ঠেকিয়ে চেষ্ট কে stretch করে উপরে তুলুন।

ও ধীরে ধীরে মাথা কে পিছনের দিকে বেন্ড করে মাটিতে ঠেকান যাতে আর্চ আকার হয় পিঠের কাছে।এই অবস্থায় বডি কে  হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যতটা সম্ভব। 

উপকারিতা:

এই আসন বাচ্চাদের মস্তিষ্কে ব্লাড ও nutrient প্রভাহ সঠিক করতে সাহায্য করে, চেষ্ট মাসেল কে সঠিক ভাবে স্ট্রে্‍চ করে।   

এই আসন মাইন্ড কে ফোকাস করতে ও শরীরের বাচ্ছাদের শরীরে মধ্যে সারা দিন সঠিক মাত্রায় এনার্জি লেভেল কে বজায় রাখতে সাহায্য করে।


 উষ্ট্রাসন (Ustrasana) :

উষ্ট্রাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন বাচ্চাদের কম ফাইবার খাওয়া থেকে হওয়া খুবই কমোন কোষ্ঠ কাঠিন্য সমস্যা কে দূর করতে সাহায্য করে।

এছাড়া ফাস্ট ফুড খাওয়া থেকে হওয়া গ্যাস, অম্ল বা বদ হজম সমস্যা দূর করে ও পেটের ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।     

এবং শরীরের অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে এই আসন।


5.  অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Ardha pincha mayurasana):

 অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।

এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের concentration ও মেমারি বাড়াতে এবং ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন করতে সাহায্য করে এবং কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।   

এছার এই আসন বাচ্চাদের হাতের ও কাধের পেশীর কে সুগঠিত করে যাতে বাচ্ছাদের রাউন্ড শোল্ডার (Round Sholder) সমস্যা না হয়।      


6.  উথানপদ আসন (Uttanpadasana):

উথানপদ আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, ও হাত গুলি দুই পাশে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন এমন ভাবে যেন শরীরের মধ্যে কোন গ্যাপ না থাকে।

এবার দুটি পায়ের পাতা কে সাথে ঠেকিয়ে গভীর নিশ্বাস নিয়ে এক সাথে বিন হাটু ভাজ করে হাতের উপর জোর দিয়ে 45 ডিগ্রি অঙ্গেলে তুলুন।

এই অবস্থায শরীর কে লক করুন হোল্ড করুন্ যতটা সম্ভব।    

উপকারিতা:

এই আসন বাচ্চাদের পেটের সমস্যা যেমন গ্যাস, অম্ল, বধহজম কে কমায় ও digestion সিষ্টেম কে ক্ষমতাশালি করে তলে।

এছাড়া পায়ের ও কোমরে সমস্থ পেশী কে মজবুত করতে ও বিভিন্ন হরমোন কে ব্যালান্স করতে এই আসন্ খুবই উপকারী।


7. নবাসন (Navasana) :   

নবাসন আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোটদের Core Strenth বাড়াতে ও পায়ের পিছনের দিকের সব পেশী গুলি কে শক্ত করতে সহজ্য করে।   

এছাড়া পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায় ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  


8. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।

তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোট দের মেরুদণ্ড কে মজবুত করতে ও আপার বডি স্ট্রে্‍চ করতে সাহায্য করে।  

এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের স্ট্রেস হরমোনের উপর সমতা আনতে সাহায্য করে।         


9. চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন  আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে,  নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে কোমর থেকে স্ট্রে্‍চ করে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  

যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোট দের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ করতে এবং বডির এনার্জি লেভেল বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং lungs এর ও হজমের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই আসন।  


10. পবন মুক্ত আসন(Pavanamuktasana) :

পবন মুক্ত আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, হাত ও পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে।

এর পর দুটি পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বুকের কাছে আনুন ও দুটি হাত এবর উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে আঙুল গুলি interlock করুন।

এর পর গভীর নিশ্বাস নিন ও নিজের ঘাড় কে স্ট্রে্‍চ করে হাটুর কাছে নিয়ে যান ও হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।  

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে শরীরের স্ট্রেস হরমোন ও পেটের সমস্থ সমস্যা দূর করে এবং বডি স্ট্রে্‍চ করতে সাহায্য করে।  

কারন শরীরের হরমোন ইমব্যালেন্স থাকে তবে শরীরে সঠিক ভাবে কোন গঠন মূলক কাজ করতে পারে না তাই এই আসনটি খুবই গুরুত্ত পূর্ণ।


11. বৃক্ষাসন (Vriksasana) :

বৃক্ষাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়াতে হবে, এর পর নিজের দুটি হাত কে নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনুন ।

তার পর বডির ব্যালান্স রেখে নিজের ডান পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বা পায়ের হাটুর উপর আনুন।

ও ধীরে ধীরে মেরুদণ্ড সোজা রেখে নিজের হাতকে নমস্কার ভঙ্গিতে সমান ভবে মাথার উপর নিয়ে যান ও হোল্ড করুন।

এবং আবার নরমাল অবস্থা ফিরে আসুন ও পা বদল করে একি ভবে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মত।   

উপকারিতা:

এই আসন পায়ের পেশী ও ligament সমস্যা দূর করে, বডির মধ্যে ব্যালান্স আনে ও মন কে একই দিকে ফোকাস করতে সাহায্য করে এই আসন। এর পর বাচ্চাদের সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে সূর্য নমস্কা র্আসন।    



আসা করছি আপনাদের পোস্ট টি ভাল লেগেছে। যদি আপনার কোনও বিশেষ মতামত থাকে তবে আমদের কমেন্ট বক্সের মধ্যে জানতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ


রাউন্ড শোল্ডার সমস্যার চির সমাধান | 8 yoga to fix rounded shoulders in bengali

রাউন্ড শোল্ডার Round Shoulder:

আজকের দিনে প্রতি ১০ জন মানুষরে মধ্যে ৬ জন মানুষ রাউন্ড শোল্ডারের সমস্যায় ভুগছেন।না জানতে হইত আপনি বা আপনার বাড়ির ছোট বা বড় যে কোন সদস্যরা এই সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু হইত বুঝতেও পাছেন না।

তবে দীর্ঘ দিনের এই সমস্যার ফলাফল খুবই মারাত্মক, এই round shoulder প্রোব্লেম থেকে আপনার হতে পারে –

ঘাড়ের পিঠের ও কোমরের টান লাগা ও যন্ত্রনা, রোজই প্রায় মাথার যন্ত্রনা, Arthritis, Disc Herniation বা ঘাড়ের ডিস্ক এর সমস্যা , স্পাইনাল কর্ডের সমস্যা, back Pain, osteoarthritis ও সব সময় এনার্জি কম ভাব ইত্যাদি।       

রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেমের সৃষ্টির কারণ কী?

  • বেশি smart phone বা tablet ব্যবহার করা
  • বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করা
  • সারা দিন একই ভাবে গাড়ি চালানো
  • chair এর মধ্যে half বসা ও half শুয়ে থাকা অবস্থা বসা
  • অতিরিক্ত ওজন বহন করা
  • হাটা সময় কাধ কে সামনের দিকে ঝুকিয়ে রাখা
  • মাথা নিচু করে হাটা
  • অনেক ক্ষণ ঘাড় কে নিচু করে বা হেলিয়ে mobile এর মধ্যে কথা বলা
  • বুক ফুলিয়ে শরীর কে সামনে হেলিয়ে হাটা ও আরও অনেক কিছু।  

আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম আছে?   

প্রথম উপায়:

নরমাল আপনি এখন যে ভেবে বসে আছে এই ভাবে বডি কে একই জায়গায় ফিক্স করে রাখুন।দেখুন আপনার দুটি কান কাধের সাথে এক সরল রেখা বরাবর আছে নাকি এগয়ে আছে কিছুটা।

যদি এক সরল রেখায় যদি কান না থাকে তবে বুঝে নিতে হবে আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম রয়েছে।

দ্বিতীয় উপায়:

একটি দেওয়ালের সামনে পিঠ ঠেকিয়ে দাড়ান, এর পর নরমাল ভাবে থাকেন সেই posture এ দাড়ান।দেখুন আপনার মাথা পিঠ ও কোমর কী এক সরল রেখায় আসছে কিনা যদি না থাকে তবে জানবেন আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম আছে।

উপরে দেওয়া দুটি উপায় থেকে যদি বুঝতে পারেন এই problem আছে  তবে এই 6টি যোগ অভ্যাস রোজ বাড়িতে করুন ভাল হতে।       


8 Yoga To Fix Rounded Shoulders:

1.  ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে cuff rotator muscles এর position ঠিক করে যাতে কধের বক্র ভাব কম হয়।

এছাড়া এই আসন আমাদরে lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট কে ব্যালান্স  করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


গোমুখ আসন (Gomukhasana):

গোমুখ আসন পদ্ধতি:

https://youtu.be/-qbPrlf1oxE

প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।

লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।

তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।

উপকারিত:

এই আসন আমাদরে lower pec muscle কে শক্ত করতে যার ফলে কধের  ও মাথার পজিশন সঠিক হয় শরীরের সাথে।  

এছাড়াও এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর সাহায্য করে।


3.  চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে বুকের ও পিঠের ঘটন গত ভাবে প্রয়োজনীয় পেশী গুলিকে শক্ত করে।    

এছাড়া এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


4..  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যতটা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন পিঠের ও ঘরের নিচে সমস্থ পেশী গুলি কে শক্ত ও নমনীয় করতে সাহায্য করে যাতে কধের ও মাথার alinement সঠিক ভাবে হয়।

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. মার্জারি আসন (Marjaryasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে হাত ও পায়ের উপর ভর দিয়ে হামগরি দেওয়ার পজিশানে আসুনমেরুদণ্ড সোজা রেখে।  এর পর মাথা কে উপরের দিকে তুলে পিঠকে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন যতটা সম্ভব।

আবার নরমাল পজিশানে ফিরে মাথাকে নিচের দিকে নামিয়ে পিঠকে উপরের দিকে তুলে স্ট্রেচ করুন ও কিছু খন হোল্ড করুন।

উপকারিতা :

এই আসন আমাদের বুকের ও পিঠের upper muscles কে পুরোপুরি ভাবে স্ট্রেচ করতে এবং দুর্বল ও গঠন গত ভাবে জরুরী পেশী গুলি কে শক্ত করতে সাহায্য করে।

ও স্পাইনাল কর্ডের গঠন গত ত্রুটি, পিঠের ও ঘরের ব্যথার সমস্যা কে খুব সহজে দূর করে।    


6. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।

তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদের upper ও lower pec muscle কে stretch করে ও কাধের গঠন গত আকার সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।  

এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা সৃষ্ঠী হয়।  


7. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে।   


8. রাজকপত আশন (Rajakapotasana) :

রাজকপত আশন পদ্ধতি

https://www.youtube.com/watch?v=U2oimBogB4k

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান।

এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

উপকারিতা:

এই আসন আপনার পিঠের কমজোর পেশী যেমন Upper Traps কে শক্ত করতে সাহায্য করে যাতে বুকের শক্ত  হয়ে থাকা পেশী গুলি নরম হয় ও রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।  

এছাড়া এই আসন পায়ের পেশীকে শক্ত করে, যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শারিরীক দুর্বলতা দূর করে।


আসা করছি আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি যাতে আপনাদের উপকার হয়। আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদরে Email করতে পারেন contact@wisdomcue.com এর মধ্যে। ধন্যবাদ

আমাদের সমস্থ ব্লগ আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া bell icon ক্লিক করুন ধন্যবাদ ।

Yoga সাথেই আজই করুন Thyroid সমাধান | Yoga For Thyroid Patients In Bengali

Thyroid:

সাধারনত থাইরয়েড হল Thyroid গ্রন্থি থেকে Thyroxine হরমোন উত্‍পাদন জনিত এক বিশেষ রোগ, যা সাধারণত 3টি ভাগে ভাগ করা যায়।

I. Hyperthyroidism:

Hyperthyroidism রোগের ক্ষেত্রে thyroid গ্ল্যান্ড প্রয়োজনাতিরিক্ত পরিমানে thyroxine হরমোন ক্রোম গত উৎপাদন করে। 

যার ফলে আমাদরে শরীরের metabolism রেটকে সাধারণের তুলনায় অনেক বেড়ে ওঠে।এর ফলে অত্যাধিক পরিমানে শরীরের ওজন কমতে থাকে ও হার্ট রেটের মধ্যে অনিয়মি দেখা যায়।

এবং শরীরের সর্দি কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে ওজন বৃদ্ধি, ডিপ্রেশন ও নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্ঠী হয়।

II. Hypothyroidism:

Hypothyroidism রোগের ক্ষেত্রে thyroid গ্ল্যান্ড খুব কম পরিমানে thyroxine হরমোন উৎপাদন  করে।  

যার ফলে শরীরের সর্দি কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে ওজন বৃদ্ধি, ডিপ্রেশন ও নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্ঠী হয়।

III. Goiter:

Goiter বা গলগণ্ড রোগের ক্ষেত্রে thyroid গ্রন্থিটি ফুলে ওঠে ও যা গলার কাছে জমে থাকা মাংস পিন্ডোর মত লাগে।  

যার ফলে আপনার শ্বাস নিতে কষ্ট ও খাবার খেতে কষ্ট হয় বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে Thyroid Cancer পর্যন্ত হতে পারে।    


এছাড়াও এই 3টি ক্ষেত্রে নের্ভের প্রোব্লেম, সহজে মেজাজ পরিবর্তন, ক্রমাগত দুশ্চিন্তা, রুক্ষ ত্বক, চুল ওঠা ও ঘুমের সমস্যার মত নানা সমস্যা দেখা যায়।     

সাধারনত এই 3টি রোগের ক্ষেত্রেই treatment হল ওষুধ ব্যবহার ও radioactive iodine ব্যবহার এবং কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে operation।

তবে ওষুধ এই রোগের কোন স্থাই সমাধান নয়, কারন ওষুধ হল Synthetic Hormone যা কিছু ক্ষনের জন্য এই রোগ কে suppress করে।

এবং দীর্ঘ দিন ধরে ওষুধের ব্যবহার করলে শরীরের মধ্যে নানা রোগ সৃষ্ঠী হয় যেমন নার্ভের প্রবলেম, ঘুম না হওয়া, মাথা ব্যথ্যা ও দুর্বল ভাব ইত্যাদি।       

তাই আজ আপনাদের বলব 7 টি বিশেষ Yoga যা Thyroid গ্রন্থিকে ও Thyroxine হরমোন কে ব্যালান্স করতে সাহায্য করবে।  


1. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alignment ঠিক করতে সাহায্য করে।এই আসন আমাদের Thyroid গ্ল্যান্ড এর হরমোন উত্‍পাদন মাত্রাকে  ব্যালান্স করে।  

এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে।   


2.  ভুজঙ্গ আসন(Bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

ভুজঙ্গ আসন শরীরের thyroid এর ফলে সৃষ্ঠী কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই উপকারী।

এই আসন thyroid গ্রন্থির ফুলে থাকা ভাব কমাতে ও সঠিক মাত্রায় thyroxine হরমোন উত্পাদনে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদরে lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট ব্যালান্স  করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


3.  চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন thyroxine হরমোন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও নের্ভের সমস্থ সমস্যা কে দূরে রাখে।  

এছাড়া এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


 4. হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।

দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যতটা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন, thyroxine ও নানা হরমোনের সমতা সৃষ্ঠী হয়।  

এছাড়া এই আসন আমাদরে thyroid থেকে হওয়া ডিপ্রেসান ও অনিদ্রার সমস্যা কে দূর করে।  


6. বিপরীত করণি(Viparitakarani):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণ সাহায্য করে।এবং এছার শরীরে স্ট্রেস হরমোন ও thyroxine এর হরমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।  


7. মার্জারি আসন(Marjariasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে হাত ও পায়ের উপর ভর দিয়ে হামগরি দেওয়ার পজিশানে আসুন মেরুদণ্ড সোজা রেখে।   

এর পর মাথা কে উপরের দিকে তুলে পিঠকে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন যতটা সম্ভব।আবার নরমাল পজিশানে ফিরে মাথাকে নিচের দিকে নামিয়ে পিঠকে উপরের দিকে তুলে স্ট্রেচ করুন ও কিছু খন হোল্ড করুন।

উপকারিতা :

এই আসন thyroid গ্রন্থির কাছে ব্লাড সারকুলেসান কে বাড়িয়ে তলে ও শরীরের স্ট্রেস হরমোন কে কম করতে সাহায্য করে এই আসন।     


আপনার যদি কোন জটিল রোগ বা সমস্যা থাকে তবে অব্যশই নিজের Doctor এর মতা মত নিন ও সেই অনুজাই Yoga করুন।

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আসা করছি আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি , Blog টি পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্স এর মধ্যে। আপনার যদি মেডিটেশন শিখতে চান তবে যোগ যোগ করুন (+91 9433 657 349) নাম্বারে ধন্যবাদ, আপনার দিনটি শুভ হোক ।


যোগের সাথেই Back Pain এর চির সমাধান | 15 Yoga for Back pain in Bengali

Back Pain :

আপনার হয়তো জানেন বর্তমানে Back pain আর lower Back pain খুবই কমন সমস্যা হয়ে দরিয়েছে ১০০ মধ্যে ৬০ ভাগ মানুষের মধ্যে।

বিশেষত এই প্রোব্লে দেখা যায় চাকরি জীবী মানুষ, স্কুল স্টুডেন্ট ও ওয়েট লিফিটিং করা প্লেয়ার দের মধ্যে বেশি।

তবে এক গবেষনায় মাধ্যমে জানা গেছে এর মুখ্য কারন গুলির মধ্যে হল ভুল পজিশনে বসে ডিস্ক আলাইনমেনন্ট নষ্ট করা।

ও ভুল ভাবে অতিরিক্ত ওজন বহন করা বা কোন গুরুতর আঘাত এবং  শরীরের ক্যাল্সিয়াম অভাব।

তবে এই সমস্যার চিকিতসা গুলির মধ্যে আছে রেগুলার মেডিসিন বা খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশানে অপারেশন।

কিন্তু এ ছাড়াও আমার Yoga ও বিশেষ কিছু ব্যায়াম মধ্যমে ও নিজের Body Alignment ঠিক করে আমার গোরা থেকে এই সমস্যা কে নির্মূল করতে পারি।

তাই আজ শিখে নেবো ১৮ টি যোগ আসন্ যা আপনার back pain এর সমস্যা থেকে চির মুক্তি দেবে।

1.  নবাসন (Navasana):   

আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের Core strength কে বৃদ্ধি করে যাতে কোমরে alignment সঠিক থাকে ও মেরুদণ্ডের শক্ত ও নমনীয় হয়।

এছাড়া এই নবাসন কোমরের পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি নিষ্কাশন  করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


2. বীরভদ্রা আসন Virabhadrasana :

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পিঠের সমস্থ পেশী গুলি কে সুগঠিত করে ও বিশেষ করে lower Back নির্দিষ্ট alignment বজায় রাখে।

যার ফলে কোমর ও পিঠের নিচের দিয়ে হওয়া সমস্থ ব্যথা গোরা থেকে নির্মূল হয়ে যায়।   

এবং এছাড়াও এই আসন আমাদরে শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও শরীরে বিভিন্ন পেশীর মধ্যে অক্সিজেন প্রবাহ মাত্র ঠিক করে।


3. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন পিঠের ব্যথা থেকে শুরু করে কাধের alinement ঠিক করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।  

এবং L1 থেকে L5 সমস্থ vertebrae গুলির সঠিক ভাবে বিন্যাস বজায় রাখে যাতে পিঠের যন্ত্রনার কষ্ট কিছুটা কমে।  

এছাড়াও এই আস দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।   


4. ভুজঙ্গ আসন(Bhujaga asana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

ভুজঙ্গ আসন শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই করে এই আসন।

এছাড়া এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া  শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে পা কে ধীরে ধীরে শরীরের উপরে দিকে তুলুন যতক্ষণ না পা মাথার পিছনের দিকে পৌছছে, এই হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alinement ঠিক করতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে।

এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  


 6. হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।

দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই হ্যালাসন আমাদরে L1 থেকে L5 পর্যন্ত সমস্থ ডিস্ক গুলি ঠিক ঠাক  align করতে ও পিঠের পেশী গুলি শক্ত করে।    

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


7. ধনুর আসন (Dhanurasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।    

এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।    


8. উস্ত্রসনা পদ্ধতি (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


9. শিশু আসন (Shishuasana):

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই শিশু আসন কোমরের, পিঠের ও ঘাড়ের স্ট্রেচ করতে ও মেরুদণ্ড নমনীয় করতে সাহায্য করে।    

এবং এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।


 10. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব   নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

বৃশ্চিকাশন উপকারিতা: 

এই আসন ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক করতে সাহায্য করে ও   আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


11.  পশ্চিমত্তান আসন  (PASHCHIMOTTAN ASANA)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন সারা পিঠের ও কোমরের পেশী গুলির স্ট্রেচ করে ও নমনীয় করে যাতে পিঠের ব্যথার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।  এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।

এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের কোমরের পেশী গুলি কে শক্ত করতে ও সারা পিঠের সমস্থ অংশ কে স্ট্রেচ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


13.  চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির ইনসুলিন সোম সমস্যা ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


14॰ ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।

এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন।


 15. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana):

আসন প্রণালী:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসনের মতো করে বসুন। তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনের দিকে টানুন।

তারপর যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুককে মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।

মেঝেতে পুরোপুরি সমান হয়ে এই আসনে কিছুক্ষন বসে থাকুন এবং পুরো শরীরটিকে রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন।

তারপর নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন ও আস্তে আস্তে শ্বাস নিন।

এবং এই অবস্থানটিকে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন। 

উপকারিতা:

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

আপনার যদি কোন বিশেষ শরীরিক সমস্যা থাকে তবে অব্যসই আপনার Doctor এর সম্মতি নিয়েই যোগ আসন গুলির প্র্যাক্টিস করুন ।


আসা করছি আপনাদেরে সঠিক ইনফর্মেশন দিতে পেরেছি। পোস্টটি সম্পুর্ন পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্সে । আমাদের সমস্থ নতুন আর্টিকেলের সবার প্রথমে আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell icon ক্লিক করুনধন্যবাদ


Yoga সাথে ফ্যাট লসের গ্যারান্টি | 10 Yoga for Fat loss in bengali

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুজাই বিশ্বের 1.9 বিলিয়ন মানুষ যাদের বয়স ১৮ বছরের উপর তারা Overweight এবং এদের মধ্যে প্রায় বেশি ভাগ মানুষ মেদবৃদ্ধি  obesity সমস্যাতে ভুগছেন।

2018 আর একটি পরিসংখান অনুজাই 40 মিলিযান বাচ্ছা যাদের বয়স 5 বছরে নিচে তারাও obesity বা শরীরে জমা extra Fat এর শিকার।

বর্তমানে এই পরিসংখানের বেশির ভাগ মানুষের অকাল মৃতুর কারন হয়ে দাড়ছে  overweight এবং obesity।

এছাড়াও আছে রোজ কার বাড়তে থাকা স্ট্রেস, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হীন জীবন ও খুব কম পরিমাণে টাটকা ফল মূল ও সবুজ শাক সবজি খাওয়া অভ্যাস ।

তাই প্রতিটি মানুষের বয়স অনুজাই নিজের বডির ওজন জেনে নেওয়া উচিত সঠিক BMI চার্ট অনুজাই।   

প্রতিটি মানুষ যাদরে ওজন বেশি তাদরে সবার আগে সতর্ক হওয়া উচিত্‍, রোজ কম বেশি শারিরীক অ্যাক্টিভিটি করা উচিত না হলে পরিণাম খারাপই হবে।

তাই আজ আমার বিশেষ 10টি যোগ আসনের কথা বলব যা ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘাটতি কম করে ও ফ্যাট লস করতে সাহায্য করবে।


1.  নটরাজ আসন (Natarajasana):

নটরাজ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=TXNgRNsqcPo

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর নিজের বড়িকে ব্যালান্স রেখে ডান পা হাটু থেকে ভাজ করে ব্যুকের কাছে আনুন।

এর পর ডান হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরে, ডান হাতের সাহায্য নিয়ে পা কে পিঠের দিকে নিয়ে যান, বডি কে ব্যালান্স রাখতে আপনি নিজের বাম হাত সামনের দিকে লম্বা করে রাখতে পারেন।  

এবার পা কে ছেড়ে দিয়ে মাথার উপর দিয়ে 2টি হাত কে ঘুরিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ের পাতা স্পস করুন বা ধরুন।

যদি আপনার ব্যালান্স করতে অসুবিধা হয় আপনি বাম হাত সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখতে পারেন বা কোন দেওয়াল স্পর্শ করে সাপোর্ট নিতে পারেন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।    

নটরাজ আসন উপকারিতা:

এই আসনটি আপনার তল পেট, থাই ও পায়ের পেশী কাছে জমে থাকা extra ফ্যাট কে কমায় ও পেশী গুলির মধ্যে নমনীয়তা আনে।

এই আসন শরীরে মধ্যে তৈরি হওয়া স্ট্রেস হরমোন কে কমায় এবং ইনসুলিন লেভেল কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন।


2. নবাসন (Navasana):   

নবাসন আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

নবাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায়।

এবং পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি ন্নিষ্কাশন করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।   


3. ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব। একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

ত্রিকোণ আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমরে দুই পাশে হাতের মধ্যে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।


4. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=MGj1eknWWTo

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

ফলকাসন উপকারিতা:

শরীরের মেদ বা চর্বি কমানর জন্য এই আসনের মত উপকারী আসন দ্বিতীয় কিছু নেই।

এই আসন সারা পেট, কোমর, হাত ও পায়ের থাই এবং পেটের ও বুকের দুই পাশে জমা চর্বি বা ফ্যাট কে দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই আসন।    


5।  বীরভদ্রা আসন (Virabhadrasana):

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

বীরভদ্রা আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে থাই ও পেটের নিচের দিকে সমস্থ ফ্যাট কমতে, শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।    


6.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


7. উস্তাসন পদ্ধতি (Ustrasana):

উস্তাসনপদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উস্তাসন উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


8. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


9. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

ধনুর আসন উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।         


10. চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

চক্রাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও পেটের চর্বি কমাতে এবং শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


আর পড়ুন : meditation ও উপকারিতা, আর পড়ুন : yoga nidra কী ?


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আশা করি আমি আপনাদের উত্তর দিতে পারেছি , আপনার মূল্য বান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে পারেন। ধন্যবাদ


যোগ আসনের সাথে ইমিউনিটি বড়ানোর উপায় | 11 Yoga For Immunity in Bengali

আমাদের immunity প্রয়োজন কেন ?

আজ প্রতিটি মানুষের বোঝার সময় এসে গেছে যে আজ আমরা যুদ্ধের গুলি মিসাইল বোমার হাতিয়ারের কম, নিজের মধ্যে immunity Problem ও ভাইরাস জনিত সংক্রমনে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

এত মেডিকাল সায়েন্স এত উন্নতির পরেও, মানুষের জীবন আজ বিপন্ন কারন মানুষের শরীরে immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই কমে গেছে ছন্ন ছাড়া লাইফ স্টাইলের জন্য।  

এখন সময় এসে গেছে এই ব্যপারে গুরুত্ত দিয়ে চিন্তা ভাবনা করার, কারন আমার বাহিরের প্রকৃতি গত সমস্যা গুলি কনট্রোল করতে না পারলেও আমাদের আভ্যন্তরীণ শারিরীক অবস্থার স্থিতি নিজেরাই কনট্রোল করতে পারি।  

এখন প্রশ্ন হল আমরা কী ভাবে এটি করতে চাই? Starter, Main course বা Dessert মত সময় সমযে মুঠো মুঠো ওষুধ খেয়ে?

না কী naturally যোগ ব্যয়াম, প্রাণায়ামmeditation মধ্যমে নিজেকে শরীর কে ভিতর থেকে সুস্থ সবল ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে?

তাই আজ আমাদরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ 11টি  Yoga বা যোগ অভ্যাস কথা বলব যা আমরা রেগুলার বাড়িতেই নিজে ও আপনজনের সাথেই প্র্যাক্টিস করতে পারেন।


11 Yoga for Immunity

1. ভুজঙ্গ আসন (bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

 এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


2. শিরশাসন (Sirsasana) :

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

শিরশাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।এই অবস্থায় হোল্ড করুন সুবিধা মত ও তার পর আস্তে আস্তে পা নবিয়ে নিন।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, adrenalin ইত্যাদি প্রোব্লেম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এই আসন আমাদের  lymphatic সিস্টেমের উপর প্রভাব ফেলে যার জন্য শরীর বিভিন্ন কোষের মধ্যে জমা বজ্র পদার্থ শরীর থেকে নিষ্কাশিত হয়।


3. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে। এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


4.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


5. উস্তাসন (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


6. শিশু আসন (Shishuasana)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।

পেটের বিভিন্ন সমস্যার উপর এই আসন দুর্দান্ত প্রভাব ফেলে, ও এই আসন শরীর কে detox করতে সাহায্য করে।


 7. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

https://www.youtube.com/watch?v=YyFcNzSlI9A

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে হোল্ড করুন এই পজিশনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন  ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক  করতে সাহায্য করে ও আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


8.  পশ্চিমত্তান আসন  (paschimottanasana)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন খাদ্য পরিপাকের সমস্থ হরমোন গুলি সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে, ও লিভারের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


9. বক্রাসন (vakrasana):

বক্রাসন পদ্ধতি:

প্রথমে সমতল যায়গা উপর একটি ম্যাট উপর বসুন, ও নিজের দুটি পা সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর ডান পা হাটু থেকে বেন্ড করে নিজের বুকের কাছে টেনে আনুন, লক্ষ রাখতে হবে পা যেন থাই থেকে দূরে না চলে যায়।

এর পর বা হাত হাটুর ডান ডিকে থেকে ঘুরিয়ে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বা পায়ের হাটুয়ে নিচে ধরুন।  

এবার আপনার ডান হাত পিঠের সমানে রাখুন ও নিজের মাথা স্টেচ করে ডান দিকে নিয়ে যান ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন হোল্ড করুন। আবার হাত ও পা কে পাল্টে একই ভাবে প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পেটের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে ও শরীর কে detox করতে সাহায্য করে। বডির ব্লাড সুগার লেভেল কে কনট্রোল করতে ও পাকস্থলীর মধ্যে থাকা acid কে ব্যালান্স করে ও যারা ফ্যটি লিভারের সমস্যা ভুগছেন তাদের জন্য অন্যতম উপকারী আসন এটি।  


১০. গোমুখ আসন(Gomukhasana):

গোমুখ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=-qbPrlf1oxE

প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।

লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।

তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।

উপকারিত:

এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর করে এই আসন।

এছাড়াও এই আসন পেটের সমস্যা যেমন হজম না হওয়া গ্যাস অম্বল অ্যাসিড এর সমস্যা সমাধান করে এই আসন।


11. বিপরীত করণি:

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে cortisol লেভেল কমায় এবং শ্বেত রক্ত কণিকার প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।এছারও শরীরে স্ট্রেস হরমোন ও সুগার জন্য ইনসুলিন হরমনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।  


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

ব্লাড প্রেসার জন্য শ্রেষ্ঠ যোগ আসন | 12 Yoga for Control Blood Pressure in Bengali

Hypertension কী ?

WHO Created Video

আমরা সবাই জানি হার্ট আমাদের সারা শরীরের অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় Nutrient ও ব্লাড সাপ্লাই করে বিভিন্ন রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে।

এই রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে  রক্ত প্রবাহিত হয় একটি নির্দিষ্ট পার্ষচাপে যা মাপা হয় সিস্টলিক (120 mmHg) ও ডায়াষ্টলিক (80mmHg)মাধ্যমে।    

যখন এই পার্ষচাপ (120/80 mmHg) থেকে ক্রমাগত পরিমানে বেশি থাকে দীর্ঘ দিন ধরে তখন তাকে hypertension বা ব্লাড প্রেসার বলে।

বর্তমানে (WHO) পরিসংখান অনুজাই 1.13 Billion মানুষ আজ Hypertension বা ব্লাড প্রেসার ভুগছেন ও প্রতিবছর এই সংখা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়ে চলেছে।

এই (WHO) রিপোর্ট অনুজাই যে সব মানুষ এই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন তাদের হার্ট, ব্রেন, কিডনী সমস্যা ও অন্য নানা প্রান ঘাতী রোগ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ।

গত কয়েক বছরে দেখা গেছে hypertension বা ব্লাড প্রেসার মানুষের অকাল মৃত্যু বা premature death  এর  সবচেয়ে বেশি বড় কারন হয়ে দাড়িয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে।  

 “তাই ডাক্তারা Hypertension কে রোগের মধ্যে সাইলেন্ট কিলার নাম দিয়েছেন ।”  

এই Hypertension  বা ব্লাড প্রেসার থেকে বাচতে WHO ও বিভিন্ন Government সংস্থা বিভিন্ন উপায় দিয়েছেন সেগুলি হল

  • দৈনিক নুন বা লবণ গ্রহনের পরিমাণ কমান (5g daily) 
  • রোজ তাজা ফল ও তাজা সবুজ শাক সবজি খান
  • প্রতিদিন নিজকে ফিট রাখতে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি যেমন যোগ বা Yoga, প্রাণায়াম, কার্ডিও বা ব্যয়াম ইত্যাদি করুন।
  •  ধূমপান থেকে সম্পুর্ন ভাবে বিরত থাকুন।
  • মদ্য পান যত না করবেন তত ভাল ব্লাড প্রেসারের ক্ষেত্রে।
  • খবরের মধ্যে Trans fats সম্পুর্ন ভাবে এড়িয়ে চলুন।
  • প্রতিদিন এমন্ কিছু বিশেষ অ্যাক্টিভিটি করুন যাতে শরীরে স্ট্রেসের পরিমান কমে যেমন Meditation ।  
  • ফাস্ট ফুড ও তৈলাক্ত খাবার সম্পুর্ন বর্জন করুন ।
  • প্রতিদিন নিজের ব্লাড প্রেসার লেভেল চেক করুন ।

তাই আজ আমরা বিশেষ 12টি Yoga সাথে শিখেনেব কিভাবে নিজের ব্লাড প্রেসার কে কনট্রোল করা যায়।  এবং যার  scientific ভাবে পরীক্ষার রিপোর্টার আছে।  


1. পশ্চিমত্তান আসন (Paschimottanasana) :

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

https://www.youtube.com/watch?v=KCNIcT5DDdA

প্রথমে একটি সমতল জায়গায় নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।         

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে ব্লাড প্রেসার প্রয়োজনীয় হরমোন ও  স্ট্রেস-ডিপ্রেসান নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এই আসন আমাদের লিভার, কিডনী ও পেটের digestion প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।


2. বীরাসন (virasana ):

বীরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। এর পর নিজের ডান পা কে হাটু থাকে ভাজ করে থাই এর পাস থাকে উল্টো অবস্থা বেন্ড করুন্।

একই রকম ভাবে নিজের বা পাকে বেন্ড করে নিজের বা থাই এর পাশে নিয়ে যান। এবার নিজের দুটি হাত নিজের দুটি হাটুর উপর রাখুন। প্রয়োজনে নিজের চোখ বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পায়ের ও থাই এর সমস্থ পেশীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও আমাদরে স্পাইন বা মেরুদণ্ডের aliment সঠিক করে।


3. বিপরীত করণি (viparita karani):

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে Codesol লেভেল কমায় এবং রক্তের প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।


4. বদ্ধ কোনাসান (Baddha konasana):

বদ্ধ কোনাসান পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে মেরুদণ্ড সোজা করে একদম নরমাল ভাবে বসুন।এর পর দুটি এক অপরের পায়ের মাথায় স্পর্শ করান, ও নিজের দিকে টেনে আনুন।

এবার আপনার দুটি পায়ের হাটুর উপর বা পায়ের উপর নিজের হাত দুটি রাখুন ও ধীরে ধীরে নিজের শরীর কে সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করুন যতটা সম্ভব।  

উপকারিতা:

এই আসন মাইন্ড ও বডির কানেকশেন তৈরি থাকে ও বডি স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় । এই আসন বডির মধ্যে নমনীয়তা আনে ও বডির বিভিন্ন পেশী যেমন হাত , পিঠ, কোমর ইত্যাদি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  


5. শিরশাসন (Sirsasana):

 আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, Adrenalin ও cortisol ইত্যাদি প্রোব্লেম যা আজকের দিনে খুব কমন টা থেকে রক্ষা করে।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


 6. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন । এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ৩০-৪০ সেকেন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও ৫ থেকে ৬ বার রিপিট করুন এই আসন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


7. ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):

এই আসনটি সর্প থেকে অনুপ্রাণিত তাই এই আসনের নাম ভুজঙ্গ আসন, এই আসন শরীরের নমনীয়তা থেকে শুরু করে হরমোন সমস্যার সমাধান ও  নানান  উপকার সাধন করে।

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স ও সঠিক ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।   


8.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান । লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


9. উস্তাসন (ustrasana)

  উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


 10. রাজকপত আশন (Rajakapot Asana):

রাজকপত আশন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান। এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

উপকারিতা: 

পা এর সব পেশীকে শক্ত করে , যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,  শারিরীক দুর্বলতা ও স্ট্রেস দূর করে এবং  মারুদণ্ড সোজা ও মজবুত করে এই আসন।

এছাড়া আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য এই আসন অন্যতম।


11. শিশু আসন (Shishuasan)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান। দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে।    

এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাকে, এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সর্ব প্রকার কার্যকারী কারণ এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায়। এই আসন শরীরে কমজোর ভাব কাটায় ও শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose)

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও  Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।   


এই 12টি আসন ছাড়াও আর নানা আসন আছে যা খুবই উপকারী তবে শুরু করার জন্য এই 12টি প্রধান গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যোগ আসন ছাড়াও আছে বিশেষ Meditation, প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস, অকুপ্রেসার পয়েন্ট  এবং আয়ুর্বেদিক নানা উপাদান যা এই  hypertension বা ব্লাড প্রেসার সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে।

আপনার যদি প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস সম্পর্কে ও meditation নিয়ে জানতে চান নিচে দেওয়া লিঙ্ক এর মধ্যে ক্লিক করুন ( Meditation ) I (প্রাণয়াম )

এছাড়া যদি আপনার Meditation শিখতে চান অনলাইনে বাড়িতে বসে বা আমাদের সেন্টারে এসে তবে দেরি না করে এখনি phone করুন +91-9433-657-349 এই নাম্বারে ও বূক করে ফেলুন নিয়ের সিট।   

Yoga সাথে সুগার কে হারানোর পদ্ধতি | 9 Yoga for Diabetes in Bengali

Diabetes বা সুগার কী ধরনের রোগ ? 

Diabetes বা সুগার হল এক ধরনের ক্রনিক (Chronic illness) রোগ, অর্থাত্‍ এটি বাহিরের কোন জীবাণু বা bacteria দ্বারা ঘটিত রোগ নয়। এটি শরীরের মধ্যে তৈরি একটি ছোট রোগ। এই Chronic illness তখনি সৃষ্ঠী হয় যখন শরীরের গঠন তন্ত্র নিজের মধ্যে ভারসাম্য হীন হয়ে পরে। 

তবে এই সব রোগের ক্ষেত্রে Medical Treatment করার Problem হল সুগারের বর্তমান পরিস্থিতি উপর ওষুধের সাহায্যে সামান্য কন্ট্রোলের করা।

কিন্তু এতে সমস্যার মূলে পৌছে তার চির সমাধান হয় না, শুধু কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতির সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আনা হয়।  

তাই এই সব সমস্যার মূলে পৌছে পূর্ণ সমাধানের জন্য বিশেষ কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যেমন Yoga, pranayam, meditation ইত্যাদি।  

বর্তমানে নানা দেশী ও বিদেশী মেডিকেল সংগঠন নানা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মধ্যমে এই বাপরে সম্মতি ও দিয়েছেন।

ডাক্তারা দেখেছেন যে সব্ মানুষের 6 সপ্তাহ ধরে যোগ অভ্যাস করছে তাদের শরীরে সুগার লেভেল একদম নরমাল এবং pancreas ফাংশান অনেক ভাল বিনা কোন বিশেষ ঔষধে ও কোন পার্স প্রতিক্রিয়ায। 

তাই আজ জেনে নেবো 9টি বিশেষ যোগ আসন সম্পর্কে যা সুগারের জন্য অন্যতম।

9 Yoga For Diabetes :

1. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন অর্থাত্‍ ধনুকের আকৃতিতে বডির স্ট্রেচ, সধারণত এই আসন টি একটু শক্ত তবে কিছু দিন অভ্যাস মাধমে সরল হয়ে যায় এই আসন।

এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।         

আসন পদ্ধতি:

dhanurasana

প্রথমে একটি সমতল  যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন। তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

যারা দীর্ঘ দিন সুগার নিয়ে ভুগছেন ও হাতে পায়ে জোর পান না কাজের সময় তারা এই আসনটি করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন।  

এই আসন শরীরের প্যাংক্রিয়াস(pancreas) এর হরমোন উত্‍পাদন ব্যালান্স ঠিক রাখে , শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও শরীরে নমনীয়তা আনে।

2. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana ):  

যোগীরা বলেছেন এই  গুপ্ত-পদ্মাসন সর্বরোগ নিরাময় আসন। যা শরীরের সুগের লেভেল, ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি থাকে শুরু করে শরীরের  cholesterol সব কিছুর ব্যালান্স সঠিক করে।

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসন বসুন তারপর  হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনে দিকে টানুন যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার  চিবুক মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।  

মেঝেতে পুরোপুরি লম্বা আসন অবস্থায এবং পুরো শরীরটি রিল্যাক্স  করার চেষ্টা করুন। নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন।  

আস্তে আস্তে শ্বাস  নিন এবং এই অবস্থানটি কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড এর জন্য তারপরে আস্তে  আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন।

উপকারিতা: এই আসন ইনসুলিন থেকে শুরু করে অদ্রিনালিন, কোডেসল হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে.   

3. অর্ধ মৎসেন্দ্র (Ardha Matsyendrasana):

আসন পদ্ধতি:

Ardha Matsyendrasana

প্রথমে এয়াকটি সমতল যায়গা তে বসুন। গভীর ভাবে ৫টি নিশ্বাস নিন। তার পর পা জোর করে বসুন , তার পর সুবিধা মত ডান পা একই অবস্থা রেখে বা পা ডান হাটুর কাছে নিয়ে যান।

এবার নিজের শরীর কে বা দিকে twist করুন ও আপনার ডান হাত বা পায়ের হাটু তে রাখুন ও বা হাত মাটিতে রাখুন ।

যতটা সমভব মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও গভীর নিশ্বাস নিন। তার পর আবার পা ও হাত পাল্টে এআই আসন টি ৫ থেকে ৬ প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা :

এই আসন আমাদের সুগার কনট্রোল করেতে ও বডির স্ট্রেস হরমোন নরমাল রাখতে সবচেযে বেশি সাহায্য করে।এর ফলে শরীর যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের ভারসাম্য বজায় রাখে নির্দিষ্ট ভাবে।

4. চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

Chakrasana

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  

যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। এবং এই পজিশনে 20 তাকে 30 হোল্ড করুন বডিকে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে  স্ট্রেচ  করতে ও শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  এই আসন সুগার থেকে হাত ও পায়ের কমজোর ভাব ও শরু হয়ে  যাওয়া সমস্যা কাটাতে খুব সাহায্য করে বিনা কোন ওষুধে।  

5. হ্যালাসন (Halasana) :

যোগর মধ্যে সবচেয়ে এফেক্টিভ আসন হ্যালাসন এই সুগার লেভেল থেকে শুরু করে গ্লুকোষে বার্নিং রেট সমস্থ কিছু কনট্রোল করে।

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

হ্যালাসন পদ্ধতি:

Halasana

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে। দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান । লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন পেটের সমস্থ অংশ কে স্ট্রে্‍চ করে যাতে হরমোন উত্‍পাদন থেকে শুরু শরীরের প্রয়োজন অনুজাই হরমোন ব্যালান্স করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।    

6. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

এই আসনের নাম সেতু বন্ধন কারণ এই আসন আমাদের মাইন্ড ও বডির কানেকশেন ও স্ট্রেস মেনেজর জন্য সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

আসন পদ্ধতি:

Setubandh asana

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন। এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন নিজের সুবিধা মত।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের মধ্যে ইনসুলিন এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

7. উর্ধ্ব-পদ্মাসন (Urdhva-Padmasana): 

সুগারের জন্য অন্যতম আসন উর্ধ্ব-পদ্মাসন, এই আসন সুগার থেকে হওয়া শারিরীক কমজোরি দূর করে এবং হাত রোগ হয়ে যাওয়া সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।  

আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=Pup8xhAx7jE&t=2s
Urdhva padmasana

সবার প্রথমে একটি পরিষ্কার যায়গা খুজে বার করুন ও সমান ভাবে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন। ও কোমর থেকে নিচের অংশ কে ভাজ করে মুক্ত-পদ্মাসন  এর মত একটি পা অন্য পা এর উপর রাখুন। এবার হাতের উপর ভর দিয়ে পা গুলিকে উপরের দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন।   

উপকারিতা:

আপনার রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও কোমরের ব্যথার  সমসা  থাকে চির মুক্তি দেয়। এর সাথে বডি কোডেসল লেভেল ও ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে।

8. ভুজঙ্গ আসন:

এই আসনটি সর্প থেকে অনুপ্রাণিত তাই এই আসনের নাম ভুজঙ্গ আসন, এই আসন শরীরের নমনীয়তা থেকে শুরু করে হরমোন সমস্যার সমাধান ও  নানান  উপকার সাধন করে।

Bhujangasana

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

 এই আসন করলে আপনার lungs এর ক্ষমতা বারে। বুকের  বা বুকের পাজর শক্ত করে যাতে আকার গত ভাবে সঠিক হয়।

এছাড়া শরীরে  ইনসুলিন হরমোন ব্যালান্স করে, সর্দি কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।

আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও এই যোগ আপনাকে জীবনে লক্ষ স্থির করতে ও সবচেয়ে বেশি  সাহায্য করে ।

9. কূর্মাসন:  

এই আসন নাম কূর্মাসন কারণ ,এই আসনে আপনাকে দেখতে খোলস থাকা ক্ছপ  এর আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির কূর্মাসন।

কূর্মাসন পদ্ধতি:

Kurmasana

প্রথমে পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে দিন, পা কে এবার ডিম্বাকৃতি করুন।আস্তে আস্তে কোমর থাকে শরীর কে ভাজ করে আপনার মাথা পা এর পাতার কাছে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ঠেকান যত টা সম্ভব ।

এবার পা এর তলা দিয়ে দুটি হাত বার করে কোমর এর পিছনে নিয়ে গিয়ে প্রণাম ভঙ্গিমাতে নিজে কে হোল্ড করুন।

উপকারিতা: 

 আপনার গাস্টিক, আলসর, কিডনি তে পাথর হওয়া হাত থাকে মুক্তি দেয় এই আসন।আপনার বডির সুগার ও সমস্থ স্ট্রেস হরমোন কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন ।  এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন থাকে শুরু করে মাইন্ড ও বডির কানেকশেন জন্য Meditation খুবই উপকারী।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আপনার যদি স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান থেকে মুক্তি ও মানসিক শান্তি পেতে চান মেডিটেসনের মাধ্যমে তবে যোগা যোগ করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বেরে

Exit mobile version
0