1. যোগ শিক্ষার জন্য কী নমনীয় শরীর প্রয়োজন ? Do I have to be flexible to practice yoga?
না, Yoga শিখতে নমনীয় শরীর প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন প্র্যাক্টিসের সাথে শরীর ধীরে ধীরে নমনীয় হয়ে উঠবে।
আসল বেপার হল যোগ প্র্যাক্টিস এর জন্য ভাল টীচার বা গুরুর, যিনি আপনার শারিরীক গঠন অনুজাই যোগ অভ্যাস করবেন।
2. গর্ভবতী মহিলারা কী Yoga করতে পারেন? Can and pregnant women do yoga ?
হ্যা, গর্ভবতী মহিলার যোগ অভ্যাস করতে পারেন তবে বিশেষ নিয়ন্ত্রনে খুব লিমিটেড কিছু আসন।
গর্ভাবস্থায় বডির নমনীয়তা উপর নয় আপনার আবেগ, চেতনা ও শরীরের সক্রিয়তার উপর কাজ করেন যোগ আসন। যা মা ও তার সন্তানের জীবন সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
3. আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কী যোগ অভ্যাস করা উচিত? What if I have an injury or physical condition?
না, আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কখনো বিনা ডাক্তারী পরামর্শে যোগ অভ্যাস উচিত না। না হলে আপনি নিজের সাথে অন্যের বিপদ ডেকে আনবেন।
যদি আপনার শারিরীক সমস্য থাকে সবার আগে যোগার টীচারকে বলুন ও পরামর্শ নিন এতে আপনারই মঙ্গল।
4. যোগ কী ওজন কমাতে সাহায্য করে? Can yoga help me lose weight?
হ্যা, যোগ আপনার ওজন কমাতে খুবই সাহায্য করে।যোগ বডিকে detox থেকে শুরু করে fat কমানোর মত নানা রোগের সমাধান প্রদান করে।
5. আমরা কী অনলাইন যোগ শিখতে পারি শুরুতে ? Can I learn yoga online as a beginner?
যখন আপনি শুরু প্রথম Yoga করছেন তখন অনলাইন ভিডিও থেকে প্র্যাক্টিস না করাই ভাল, এতে বড় injury হবার চান্স বেশি।
ভুল আসন দীর্ঘ দিন করলে শরীরের উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় তাই কোন yoga class শেখাই ভাল।
6. যোগ শিক্ষার সময় কী টীচার আমাকে স্পর্শ করবে ? Is the teacher going to touch me?
হ্যা স্পর্শ করবে, প্রতিটি আসন একদম ঠিক ভাবে করার জন্য টাচ করা কিছুটা প্রয়োজন। তবে এতে যদি আপনি uncomfortable ফিল করেন তবে সাথে সাথে টীচারের সাথে কথা বলুন। সবচেয়ে ভাল ছেলেরা পুরুষ টীচার ও মেয়েরা মহিলা টীচারের থেকে যদি শেখেন।
7. শুরুতে কী ধরনের যোগ আসন করা উচিত? What yoga style should I practice?
দেখুন যোগ পধুতির নানা ভাগ আছে যেমন হঠ যোগ, নাদা যোগ, কুণ্ডলিনী ইত্যাদি, নামের মায়াতে শুরুতে না জড়িয়ে বেসিক যোগ আসন প্রথমে শিখুন কোন সঠিক যায়গা থাকে।
কারণ বয়স, শারিরীক গঠন, নমনীয়তা ও লিঙ্গ অনুজাই বিশেষ কিছু আসন করা প্রয়োজন, সব রকম আসন সবার জন্য নয়। সঠিক যোগ গুরুর নির্দেশে ও উপস্থিতিতে যোগ আসন শুরু করুন।
8. যোগ আসনের জন্য কোন ধরনের গুরুর প্রয়োজন ? How do I find a yoga teacher?
প্রথম ব্যাপার হল যোগ শিক্ষা সর্বদা কোন বয়জেষ্ঠ গুরুর কাছে শেখা প্রয়োজন, যার অনুভব বা জ্ঞান আছে যোগ শাস্ত্রের উপর।
যোগ কোন stretching নয়, প্রতিটা আসনের নির্দিষ্ট কারণ আছে তাই Yoga টীচার সেই রকম ভাবেই সিলেক্ট করবেন যিনি আপনাকে কারণ সম্মত ভাবে yoga শেখাবেন।
9. যোগ আসনের আগে কিছু খাওয়া উচিত ? Can I eat before yoga practice?
না Yoga অভ্যাস সম্পুর্ন খালি পেটে করা উচিত, যদি কিছু হালকা খান তার অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা পরে ও ভারি কিছু খেলে ৬-৭ ঘণ্টা পরে Yoga প্র্যাক্টিস করা উচিত।
Surya Namaskar: সূর্য অর্থাত্ জীবন, চেতনা, সমতা ও প্রাণ শক্তির উত্স এবং নমস্কার অর্থ প্রণাম ও প্রণাম আমাদের ঈশ্বর্কে যার হাত দিয়ে এই সৃ্ষ্ঠীর বিকাশ ও চেতনার বিকাশ।
সূর্য নমস্কার এর মনে হল জীবন প্রদান করি সূর্য় বা সূর্য শক্তির প্রতি নমস্কার যার থাকে আমাদের জীবন সম্ভব, আমাদের শরীরের জ্যমিতিক গঠন সম্ভব এবং আমাদের চেতনার বিকাশ সম্ভব।
সূর্য নমস্কার হল প্রকৃতি নিজস্ব গতির সাথে তালমেল সৃষ্ঠীর এক সুগঠিত প্রক্রিয়া, যা 12টি আসন দারা তৈরি যা প্রকৃতির 12টি ঋতুর চক্রের মত।
12টি আসন নির্দিষ্ট 12টি বীজ মন্ত্র উচারণ এর সাথে সম্পুর্ন করাই হল সূর্য় নমস্কার, বর্তমনে শুধু যোগ প্রক্রিয়াটি অবশিষ্ঠ।
আজকের দিনে Yoga Studio গুলি আমাদের কিছুই শেখায় না তাই আজ এই blog টির মাধমে আপনাকে সমস্থ কিছু বিস্তারিত ভাবে বলব।
1. প্রণাম আসন (Pranamasana):
ভোর বেলায়ে পূর্ব দিকে তাকিয়া সূর্য উদয়ের সাথে করা প্রথম আসন হল প্রণাম আসন। যার মাধমে আপনি জীবন প্রদান করি সূর্যদেব কে এই জীবনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
বীজ মন্ত্র: ॐ মিত্রায় নামঃ (Om Mitraya Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিক মুখ করে দাড়ান। তারপর মারুদণ্ড সোজা রেখে বুকের কাছে হাত দুটি জড়ো করে বীজ মন্ত্র ॐমিত্রায় নামঃ উচারণ করুন।
2। হস্ত উট্টাসন (Hastauttanasana)
সূর্য় উদয়ের সাথে করা পরের আসন হল হস্তাসন। যার মাধমে আমরা সূর্যদেব ও আমাদের মধে বিরাজমান পরম পিতা বা ঈশ্বর কে সৃষ্টির পরিবর্তণ ও বিকাশের জন্য ধন্যবাদ।
বীজ মন্ত্র: ॐরবি নামঃ (Om Ravaye Namaḥ)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে সোজা হয়ে দাড়ান, এবং হাত দুটি উপরে তুলুন যাতে কান স্পশ হয় হাতের সাথে।
এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে পিছন দিকে বড়িকে stretch করুন যতটা সম্ভব। এবং সূর্যের দিকে তাকিয়ে বলুন ॐ রবি নামঃ বীজ মন্ত্রটি।
সূর্য উদয়ের সাথে করা তৃতীয় আসন হল পদহস্তাসন। যার মাধমে জীবন শক্তির উত্শ সূর্য ভগবান কে জানানো প্রভু পৃথিবীর প্রতিটি প্রান ও ক্রিয়ার সাথে সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ।
বীজ মন্ত্র:ॐসুরিয়ায় নামঃ (Om Sūryāya Namaḥ)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান।এবার গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাটু না বেন্ড করে নিশ্বাস ছেরে কোমর থাকে বেন্ড করুন।
হাত সোজা করে পায়ের পাশ থাকে মাটি স্পর্শ করুন। যতটা বডি stretch করা যায় করুন এবং ॐ সুরিয়ায় নামঃ বীজ মন্ত্রটি বলুন।
4। অশ্ব সঞ্চালনাসন (Ashwa Sanchalanasana):
সূর্য প্রনমের সাথে করা চতুর্থ আসন হল অশ্ব সঞ্চালনাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য দেব ধন্যবাদ জানানো সৃষ্টিতে আলো বা চেতনা প্রদান করার জন্য।
বীজ মন্ত্র: ॐ ভানবে নামঃ (Om Bhanave Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান। ও গভীর নিশ্বাস নিয়ে বসুন হাটু ভাজ করে।প্রথমে ডান পা ভাজ করে পিছন দিকে পুশ করুন্ যতটা সম্ভব ও বা হাটু বুকের কাছে রাখুন।
ও হাত দুটি বা পায়ের কাছে সমান করে রাখে মাটিতে স্পর্শ করুন। এবং সূর্যের দিকে তাকিয়ে ॐভানবেনামঃ মন্ত্রটি বলুন।
5। পর্বতাসন (Parvatasana):
সূর্য প্রনমের সাথে করা পঞ্চম আসন হল পর্বতাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্যদেব কে ধন্যবাদ জানানো সৃষ্টিতে সমতা ও জীবন চক্র সৃষ্ঠীর জন্য।
বীজ মন্ত্র: ॐ খাগয়া নামঃ (Om Khagaya Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্বদিকে মুখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা রেখে push-up পজিশানে আনুন ও মুখ যেন একটু উপরের দিকে থাকে। এবং তার সাথে বীজ মন্ত্র ॐখাগয়া নামঃ উচারণ করুন।
সূর্য প্রনমের সাথে করা ষষ্ঠ আসন হল অষ্টাঙ্গ নমস্কারাসন , যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্যদেব ও প্রকৃতি মা কে ধন্যবাদ জানানো আমাদের পালন পোষনের জন্য।
বীজ মন্ত্র: ॐ পুশনে নামঃ (Om Pusne Namah)।
আসন প্রণালী: থমে পূর্বদিকে মুখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা রেখে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটি বুকের কাছে এনে রাখুন ও হাটু মাটিতে ঠেকিয়ে হাতের জোরে মাথা উপরের দিকে তুলুন ও নিশ্বাস ছারুন।
তার সাথে এই আসনের বীজ মন্ত্র ॐপুশনেনামঃ উচারণ করুন।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ুন কোনও সমতল যায়গাতে। তার পর দুটি পা টান টান করে পিছনে ছড়িয়ে দিন।
গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাত দুটির সাহায্যে কোমর মাটিতে স্পর্শ করে শরীরের উপরে ভাগ হাতের উপর জোর দিয়ে উপরে তুলুন। এবার সূর্যের দিকে মুখ রেখে বীজ মন্ত্রॐহিরণ্ণ গর্ভয় নামঃ উচারণ করুন।
8। অর্ধ মুখ শবাসন (Adho Mukha Svanasana):
সূর্য় প্রনমের সাথে করা অষ্টম আসন হল অর্ধ মুখ শবাসন , যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য়দেব কে ধন্যবাদ যিনি আবেগ, অনুভুতি ও বুদ্ধির সৃষ্ঠী কর্তা।
বীজ মন্ত্র: ॐ মরিকায়ে নামঃ (Om Maricaye Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে দাড়ান ও হাত দুটি সমান করে কানের পাশ দিয়ে সোজা উপরে তুলুন।
তার পর মেরুদণ্ড সোজা রেখে কোমর থাকে বেন্ড হয়ে মাটি স্পর্শ করুন। চেষ্ঠা করবেন এই বেন্ড অবস্থা শরীর V আকার ধারণ করে।
এই অবস্থা গভীর নিশ্বাস নিয়ে ॐমরিকায়ে নামঃবীজ মন্ত্র টি বলুন।
9। অশ্ব সঞ্চালনাসন (Ashwa Sanchalanasana):
সূর্য় প্রনমের সাথে করা নবম আসন হল অশ্ব সঞ্চালনাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য়দেব কে ধন্যবাদ জানানো যিনি সমান ভাবে একি নিয়মে সমগ্র সৃষ্ঠীর প্রতিটি বস্তুর পরিচালক।
বীজ মন্ত্র: ॐ আদিত্যায় নামঃ (Om Adityaya Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে দাড়ান, এবার বা পা সামনে নিয়ে আসুন ও ডান পা পুরো stretch করে পিছনে নিয়ে যান। মেরুদণ্ড সোজা রেখে দুটি হাত বা পায়ের দু পাশে রাখুন ও নিজের থইয়ের পেশী গুলি যতটা সম্ভব stretch করুন। এবং মুখ সূর্যের দিকে তুলে ॐ আদিত্যায় নামঃ বীজ মন্ত্রটি উচারণ করুন।
10। হস্ত পদাসন (Hastapadasana):
সূর্য উদয়ের সাথে করা দশম আসন হল হস্ত পদাসন। যার মাধমে জীবন শক্তির উত্শ সূর্য ভগবান কে জানানো প্রভু পৃথিবীর প্রতিটি প্রান ও ক্রিয়ার সাথে সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ।
বীজ মন্ত্র: ॐ সবিত্রায় নামঃ (Om Savitray Namah)।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান।এবার গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাটু না বেন্ড করে নিশ্বাস ছেরে কোমর থাকে বেন্ড করুন।
হাত সোজা করে পায়ের পাশ থাকে মাটি স্পর্শ করুন। যতটা বডি stretch করা যায় করুন এবং ॐ সবিত্রায় নামঃ বীজ মন্ত্রটি বলুন।
আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিক মুখ করে দাড়ান।তারপর মারুদণ্ড সোজা রেখে বডি রেলেক্স পজিশানে দাড়ান ও শরীররে গতিবিধি লক্ষ করুন।
এবং মনের মধ্যে বীজ মন্ত্র ॐ ভাষকরায় নামঃ উচারণ করুন।
আপনার শরীর হল একটি ঈশ্বরের মন্দির ও যোগ হল সেই মন্দিরের ঈশ্বরের আরাধনা ।
সুস্থ থাকতে ও নতুন নতুন বিষয় জানতে এবং আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন
আসা করি আপনাদের উত্তর আমি দিতে পড়েছি , যদি আপনার কিছু জানার থাকে তবে আমাদের মেল করুন বা কল করুন। আপনি যদি অনলাইন মেডিটেশন শিখতে চান তবে দেরি না করে আমাদের ফোন করুন +91 9433 657 349 নাম্বারে।
আজকের দিন ভয় স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন খুব কমন বেপার হয় দরিয়েছে প্রতিটা মানুষের মধ্যে।এই স্ট্রেস বা ডিপ্রেশন খুব খারাপ প্রভাব ফেলে মানুষের সর্বক্ষত্রের performance উপরে।
নানা গবেষনায় জানা গেছে স্ট্রেস মানুষের চিন্তা শক্তি বা decision নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ও বডির মধ্যে Cortisol ও Adrenaline হরমোন পরিমাণ বাড়িয়ে তলে ।
গবেষনায় দেখা গাছে যে মানুষ স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান ভোগেন তাদের কার্য ক্ষমতা 70 ভাগ কমে যায়। এ ছারও ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার, হার্ট আটেক্ চান্স ৬৫ থাকে ৭৫ ভাগ বাড়িয়ে তোলে ও সুইসাইড করার প্রবনতা ৫৫ ভাগ বাড়িয়ে তোলে।
তাই স্ট্রেস আর ডিপ্রেসান কনট্রোল ও ব্যালান্স প্রতিটা মানুষের করা দরকার বিশেষ করে স্টুডেন্ট দের। তাই আজ বলব যোগের ৭টি উপায় যা স্ট্রেস ও ডিপ্রেসান প্রোব্লেম থাকে মুক্তি দেয়।
7 yoga poses for stress and depression relief
1.অর্ধ মাতসয়েন্দ্রসন (Ardha Matsyendrasana):
এই আসনটির নাম হয়েছে ঋষি মতসেন্দ্র নাথের নাম অনুসারে। এই আসন শরীরের মধ্যে dopamine হরমোন প্রবাহ ঠিক করে যাতে স্ট্রেস ও ডিপেশীয়ন কনট্রোলে থাকে।
https://www.youtube.com/watch?v=8_aGHWbSQrg
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন। গভীর ভাবে ৫টি নিশ্বাস নিন। তার পর পা জোর করে বসুন , তার পর সুবিধা মত ডান পা একই অবস্থা রেখে বা পা ডান হাটুর কাছে নিয়ে যান।
এবার নিজের শরীর কে বা দিকে twist করুন ও আপনার ডান হাত বা পায়ের হাটু তে রাখুন ও বা হাত মাটিতে রাখুন । যতটা সমভব মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও গভীর নিশ্বাস নিন। তার পর আবার পা ও হাত পাল্টে এআই আসন টি ৫ থেকে ৬ প্র্যাক্টিস করুন।
উপকারিতা :
এই আসন টি আপনার শরীরে সমস্থ অঙ্গে অক্সিজেন সাপ্লাই বাড়িয়ে তলে বিশেষত ব্রেন ও ফুসফুস বা lungs। এই আসন আমাদের রক্ত ফিলটার করেতে ও বডির স্ট্রেস হরমোন নরমাল রাখতে সবচেযে বেশি সাহায্য করে।
এর ফলে শরীর যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের ভারসাম্য বজায় রাখে। যারা প্রতিদিন এক বার হলেও এই যোগ আসন করেন তাদের স্ট্রেস ও ভয়ের প্রভাব শরীরে ও মনের উপর প্রভাব বিস্তর করতে পারে না ।
2. শিরশাসন (Sirsasana):
যোগের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ আসন হল শিরশাসন যা শুধু মাত্র মস্তিষ্কের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। এই আসন আমাদের pituitary gland এর উদ্দীপনা ও সমতা বজায় রাখে ও শরীরের স্ট্রেস লেভেল কমায়।
https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন। এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।
এই অবস্থায় হোল্ড করুন ৩০-৫০ সেকেন্ড তার পর আস্তে আস্তে পা নবিয়ে নিন।৫-৬ বার রিপিট করুন এই আসন তবে নিজের সুবিধা অনুযাই।
উপকারিতা :
এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে। যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন thyroid, adrenaline ও cortisol ইতদি প্রোব্লেম যা আজকের দিনে খুব কমন টা থেকে রক্ষা করে।
ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন। শরীরের মধ্যে Stress ও depression এর প্রভাব কমায় ও মস্তিষ্কের ফোকাস ক্ষমতা, মনে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়, এই আসন যা প্রতিটা স্টুডেন্ট এর জন্য খুবই প্রয়োজন।
ভগবান ইন্দ্রের অস্ত্র হল বজ্র তারই নাম অনুসারে সৃষ্ঠী এই আসন। এই আসন মাইন্ড কে ফোকাস রাখতে শরীরবে স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করতে ও আপার ও লোয়ার বডির ব্যালান্স ঠিক রাখে এই আসন।
আসন পদ্ধতি :
প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নরমাল ভাবে বসুন, তার পর হাটুর উপর ভর দিয়ে দাড়ান। এবার দুটি পা পিছনে এক সাথে গায় গায় ঠেকান ও আস্তে আস্তে পায়ের উপর বসুন সোজা হয়ে।
মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও হাত দুটি হাটুতে বা নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে রাখুন। এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। হোল্ড করুন ৩০ সেকেন্ড ও রিপিট করুন ৪ থাকে ৫ বার।
উপকার:
বজ্রাসন শরীরের মধ্যে জমে থাকা সমস্থ বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন ও ব্রেনের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এই আসন শরীরের স্ট্রেস ও anxiety সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। শরীরের রক্ত চাপ ও ব্লাড সুগার কনট্রোল করে।
যোগীরা বলেছেন এই গুপ্ত-পদ্মাসন সর্বরোগ নিরাময় আসন । যা হৃদয ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে যার ফলে হাঁপানি রোগ থাকে শুরু করে cholesterol সব কিছু দূর থাকে।
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসন বসুন তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনে দিকে টানুন যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুক মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।
মেঝেতে পুরোপুরি লম্বা আসন অবস্থায এবং পুরো শরীরটি রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন। নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন।
আস্তে আস্তে শ্বাস নিন এবং এই অবস্থানটি কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড এর জন্য তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন। ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার করুন অন্তত ৫ বার, এটি রিপিট করুন একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ও সময় বাড়ান ।
5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):
এই আসনের নাম সেতু বন্ধন কারণ এই আসন আমাদের মাইন্ড ও বডির কানেকশেন ও স্ট্রেস মেনেজ সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।
https://www.youtube.com/watch?v=s9viczZ3eeQ
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন । এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।
এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ৩০-৪০ সেকেন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও ৫ থেকে ৬ বার রিপিট করুন এই আসন।
উপকারিতা:
এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করে । মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।
6. হ্যালাসন (Halasana):
এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
আসন পদ্ধতি:
প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন ও ৪ টি গভীর নিশ্বাস নিন। হাত দুটি লম্বা ভাবে ছড়িয়ে দিন যেন গায়ের সাথে টাচ থাকে।
এর পর আস্তে আস্তে পা দুটো লম্বা করে উপরে তুলুন ও আস্তে আস্তে মাথার দিকে বেন্ড করুন যেন মাথা ও পিঠ মাটি ছুয়ে থাকে। এই অবস্থা তে হোল্ড করুন ২০-৪০ সেকেন্ড ও এই আসন ৩-৪ বার রিপিট করুন।
উপকারিতা:
আপনার গাস্টিক , আলসর , কিডনি তে পাথর হওয়া হাত থাকে মুক্তি দেয় এই আসন । আপনার বডির সমস্থ স্ট্রেস হরমোন কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন ।
7. বৃশ্চিকাশন (Vrischik asana):
যোগীরা বলেছেন বৃশ্চিকাশন বলতে বোঝায় জীবনের সব দিক থেকে বিজয় ও ভয় কে হারিয়ে প্রভুত্ত বিস্তার ।
বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি:
সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।
এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। হোল্ড করুন ১০ থাকে ২0 সেকন্ড। 5 থাকে 6 বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন ।
উপকারিতা:
Nerve এর প্রোব্লেম দূর করে , হাত এর জোর ও পেশী শক্ত করে এই আসন । এই আসন আপনার ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন ঠিক করতে সাহায্য করে ও Stress & depression থাকে মুক্তি দেয় ।
আপনি যদি বাংলায় অনলাইন meditation শিখতে চান তবে দেরি না করে এখনি ফোন করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বারে। ধন্যবাদ
Hatha Yoga হল যোগ শাস্ত্রের অতি পুরানো এক বিশেষ অংশের নাম হল হঠ যোগ, এই যোগের প্রধান উদেশ্য আপনার শরীরের বিভিন্ন শক্তি ও জীবন প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্নয় সৃষ্ঠী ।
“ha / হ ” অর্থাত্ সূর্য বা সূর্য কেন্দ্রিক শক্তি ও “tha / ঠ ” অর্থাত্ চন্দ্র বা চন্দ্র কেন্দ্রিক শক্তি, প্রধানত এই দুই শক্তির মধ্য সমন্নয় আনার পথ হল হঠ যোগ।
তাই ভারতের বহু বিদ্যবান ঋষিরা Hatha Yoga নামে অসাধারণ প্রক্রিয়া স্থাপন করেন। যার মাধমে আপনি এই দুই শক্তির মধ্য সমন্নয় স্থাপন করে নিজের জীবনের অনুভব , বিচার শক্তি ও চিন্তা শক্তির চরম অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবেন ।
History of Hatha Yoga বা উত্স :
হঠ যোগ খুবই বিতর্কিত বিশয় । কেউ বলেন পাতঞ্জলি যোগ শাস্ত্রে ও কেউ বলেন অন্য কিছু তার মধ্যে ( Hatha Yoga Pradipika) হঠ যোগ প্রদীপিকা, ( Amṛtasiddhi ) অমৃতসিদ্ধি, ( Hatha Ratnavali ) হঠ রত্নাবলিঅন্যতম ।
তবে এই যোগ সুত্র স্থাপনের পিছনে আছেন অনেক মুনি- ঋষির অবদান তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আদি নাথ ( মহাদেব বা ভগবান শিব ) তার পর মহর্ষি পতঞ্জলি , ঋষি গোরখনাথ , ঋষি মনিপা ও আর নাম না জানা অজস্র ঋষিরা যারা এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্যমে ও জীবনের বিনিময় এই অসাধারণ যোগ প্রক্রিয়া সৃষ্ঠী করেছেন । তাদের প্রচেষ্ঠা আজও সমান ভাবে মানুষের উপকারে ব্যবহৃত ।
পূরণ অনুসারে Hatha Yoga ৮ টি ভাগ ১। (Yamas ) ধর্ম , ২। (niyama ) নিয়ম , ৩। (asana ) আসন , ৪। (pranayama) প্রনযাম, ৫। (pratyahara) প্রত্যাহার , ৬। (dharana) ধারনা , ৭। (dhyana) ধ্যান , ৮। (samadhi) সমাধি ।
১ । Yamas ধর্ম:
ধর্ম হল জীবন যাপনের শৈলী , যার মাধমে মানুষ সমজিক কর্মে যুক্ত হয় । যোগ বা হাথা যোগ মানুষের জীবনের 5 টি গুরুত পূর্ণ স্তম্ভ প্রদান করে যা হল
Ahimsa অহিংসা : মানুষের জীবনের প্রধান লক্ষ হল শান্তি ও অহিংসা , যোগে বলা হয় হিংসা , ক্রোধ , অশান্তি ও পিরা বিষের চয়েও ভয়ংকর।
Satya সত্য: মানুষ এর জীবনের প্রধান লক্ষ এই পরম সত্য প্রাপ্তি । যোগে বলা হয় ভগবান সচিদানন্দা সরূপ যার নামে যার মধে সত্য , চিত্ত ও আনন্দ যার মধ্যে ৩ গুণ বর্তমান । তাই পরম ইশর প্রাপ্তির জন্য সত্য ছাড়া কোন উপায় সংসারে নেই ।
Bramacharya ব্রহ্মচর্যা: ব্রহ্ম অর্থাত্ ভগবান ও চর্য মনে পথ , ভগবান এর ভক্তির পথে যাত্রী যিনি ব্রহ্ম ভক্তিতে ও প্রেমে নিজেকে অর্পণ করেছেন ।
Asteya আস্থেয় বা চুরি : যোগে বলা হয় বিনা পরিশ্রমে অন্যের প্ররিশ্রমের ফল পরপতি আশা করা সব্বর প্রথমে ত্যাগ করা দরকার ।
Aprigraha আপিরিগ্রহ : আপিরিগ্রহ বা লোভ প্রতিটা মানুষের জীবনের চরম শত্রু , লোভ শুধু বস্তুগত জিনিসের নয় কাম এরও । তাই নিজের জীবনের যোগ স্থাপন করা আগে লোভের উপর নিজের কনট্রোল আনা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন্ ।
২। (Niyama ) নিয়ম:
আমরা আমাদের জীবনে অনুশাসন তৈরি ও আত্মা অনুসনধান এর পথ হল নিয়ম । যোগে প্রধানত ৪ টি নিয়ম
আসন অর্থ অঙ্গ বিন্যাস ও যোগের অনুশাসনের পথ । ঋষিরা প্রতিটি যোগের জন্য কিচ্ছু নির্দিষ্ট আসন তৈরি করেছিলেন, যাতে নিজের দেহের সমস্থ সীমাবদ্ধতা দূর করা যায় । গভীর অনুশাসন দ্বারা নিজের সীমা বিস্তার পথ হল যোগ আসন ।
৪। Pranayam প্রাণায়াম :
যোগে বলা হয় বায়ু হল প্রাণ । বিনা বায়ুতে প্রাণ সম্ভব নয়, আমরা বায়ু গ্রহণ করি শ্বাস প্রশ্বাস এর মাধমে যাতে আমরা বেচে থাকতে পরি । ঋষি দের নির্মিত প্রাণায়াম হল এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রাণ বায়ুর গ্রহনের পরিবর্তণ করে শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভেট করা সম্ভব ও সেই এনার্জির একটি দিশা দেওয়া সম্ভব ।
৫। Pratyahara প্রত্যাহার :
যোগে প্রত্যাহার শব্দের অর্থ হল বাহিরের উদ্দীপনার জগত থাকে নিজের চেতনা কে মুক্ত করে নিজের শারিরীক প্রক্রিয়ার উপর একত্রিত করা। নিজেকে ও নিজের চিন্তা শক্তি কে বাইরের প্রভাব ও অনুভব থাকে মুক্ত করার বিধি হল প্রত্যাহার ।
৬। Dharana ধারনা :
ঋষিরা মনে করেন ধারনা হছে আপনার বোধ বা উপলব্ধি সৃষ্ঠী । মানুষের এই উপলব্ধি হয় পঞ্চইন্দ্রেয় মধ্যমে তাই যোগ জ্ঞান ও অনুভব সেই বিধি প্রদান করে যাতে আপনি সত্য জ্ঞান লাভ করতে পারেন ।
যোগে ধ্যান কথার অর্থ হল গভীর ভাবে কোনো বিষয় মন নিবেশ । ঋষিরা তাই যোগ প্রক্রিয়াতে এমন এক বিধি তৈরি করেছেন যার সাহায্যে মানুষের চিন্তা ভাবনার ও অনুভবের গভীরে প্রবেশ করতে সম্ভব । নিজের জীবনের জ্ঞান , অনুভব ও সচেতনটা বিস্তার হল মানুষের প্রধান লক্ষ ।
যোগে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ বিষয় হল সমাধি , যার অর্থ অনকটা এই রূপ “সম” যার মনে সমান বা ভাল ভাবে ব্যালান্স ও “আধি” অর্থ বুদ্ধি এক কোথায় নিজের বিচার ধরার ও বুদ্ধি বৈষম্য ও ভেদাভেদ দূর করা ও সমস্থ জিনিসে সমতা আনা হল সমাধি ।
যখন আপনার মধে বৈষম্য ভাব দূরে যাবে তখন আপনি পারবেন নিরকার কে বুঝতে ও অনুভব করতে পারবেন তাই এই বিধি কে বলা হয় সমাধি ।
হঠ যোগার উপকারিতা কী কী ? What are the benifits of Hatha Yoga?
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি : Hatha yoga বিজ্ঞান সম্মত ভাবে প্রমানিত এটি আপনার শরীরের স্ট্রেস লেভেল নরমাল রাখতে ও শরীরের toxin কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে । হঠ যোগ আপনার শরীররে lymphatic system বা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যাতে আপনের immune system disorders হবার মত সমস্যা দূরে থাকে ।
এ ছাড়াও হঠ যোগ (Hatha Yoga ) হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি ব্যালান্স ঠিক করে ও পেটের সমসা দূর করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে । মারুদণ্ড শক্ত ও সোজা করে ।
কোমরের ক্ষমতা বৃদ্ধি : কোমর হল আপার বডি আর লোয়ার বড়ির যোগ স্থাপন করি খুবই সেন্সসেটিভ অংশ , তাই যোগে শাস্ত্রে কোমরকে শরীরের কেন্দ্রবিন্দু বলে। কিন্তু গঠন গত ভাবে এটি শরীরের খুবই কমজোর অংশের মধে একটি। হঠ যোগের কিছু বিশেষ আসন আপনার কোমরের ক্ষমতা ও নমনীয়তা খুব সহজে বৃদ্ধি করতে পারে।
হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি : বয়সের সাথে প্রতেক মানুষের কম বেশি হাড়ের ক্ষয় হয় বিশেষত ৩৫ বছরের উপর মহিলাদের, যা সময়ের সাথে ক্রমশ বাড়তে থাকে ফলে শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে।
তাই ভারতের নানা ঋষিরা বহু বছরের সাধনার পর যোগের বিশেষ কিছু আসন তৈরি করেছেন যা আপনার শরীরের ভিতরে বয়সের প্রভাব থাকে শুরু করে আমাদের সমস্থ হাড়ের ক্ষয় ক্ষতি পর্যন্ত রোধ করে ও শরীরের মধে নমনীয়তা আনে ।