মেডিটেশনের ১৩টি বৈজ্ঞানিক উপকারিতা | Scientific-Benefits-of-Meditation

মেডিটেশন বা ধ্যানের ১৪টি বৈজ্ঞানিক উপকারিতা:

মেডিটেশনের মধ্যে কিছু আশ্চর্যজনক উপকারিতা বিদ্যমান যা একটি সুস্থ, সুখী ও সার্থক জীবনের প্রয়োজনীয় অঙ্গ এবং একই সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রভাব বিস্তারকারী ক্রিয়া।  বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈজ্ঞানিক তথ্য দেওয়া হল:

1) মস্তিষ্কের কাঠামোগত পরিবর্তন:

  • গ্রে ম্যাটার বৃদ্ধি: নিয়মিত ধ্যান মস্তিষ্কের গ্রে ম্যাটারের ঘনত্ব বাড়ায়, যা জ্ঞান, স্মৃতি ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের সাথে সম্পর্কিত। এবং একই সাথে  ধ্যান মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর (BDNF) এর উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। (BDNF) বিডিএনএফ একটি প্রোটিন যা নতুন নিউরনের বৃদ্ধি এবং পুরাতন নিউরন সঠিক সংযোগে সহায়তা করে। 
  •  অ্যামিগডালার আকার হ্রাস: অ্যামিগডালা মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেমের একটি মূল অংশ, যা আবেগ প্রক্রিয়াকরণের জন্য দায়ী, বিশেষ করে ভয় ।  ধ্যান অ্যামিগডালার আকার এবং প্রতিক্রিয়াশীলতাকমায়, যা উদ্বেগ ও ভয় প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স শক্তিশালীকরণ: মেডিটেশন প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (PFC) এর জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা ও আত্ম-নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত ও যা ধ্যানের মাধ্যমে উন্নত হয়

2) হরমোন ভারসাম্য:

  • কর্টিসল হ্রাস: ধ্যান স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমায়, যা দীর্ঘমেয়াদী স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।
  • মেলাটোনিন বৃদ্ধি: ধ্যান মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়ায়, যা ভাল ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয়।
  • সেরোটোনিন নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ধ্যান সেরোটোনিন স্তর নিয়ন্ত্রণ করে, যা মেজাজ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

3) জেনেটিক প্রভাব:

  •  টেলোমিয়ার সংরক্ষণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে ধ্যান টেলোমিয়ারের দৈর্ঘ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ধীর করতে পারে।
  • জিন এক্সপ্রেশন পরিবর্তন: ধ্যান কিছু জিনের এক্সপ্রেশন পরিবর্তন করতে পারে, যা ইনফ্লামেশন কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

4) কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা:

  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত ধ্যান রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
  •  হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ: ধ্যান হৃদস্পন্দনের হার কমায় ও হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

5) ইমিউন সিস্টেমের উপকারিতা:

  • NK সেল বৃদ্ধি (Natural killer cells) : ধ্যান ন্যাচারাল কিলার (NK) সেলের সংখ্যা ও কার্যকারিতা বাড়ায়, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শরীরের সংক্রামিত কোষ এবং ক্যান্সার কোষ ধ্বংস কে ধ্বংস করে।  
  •  ইনফ্লামেটরি মার্কার হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান C-reactive protein সহ বিভিন্ন ইনফ্লামেটরি মার্কারের মাত্রা কমায়  যা সুস্থ শরীরের জন্য উপযোগী ।

6) ব্যথা নিয়ন্ত্রণ:

  • ব্যথার অনুভূতি পরিবর্তন: ধ্যান মস্তিষ্কের ব্যথা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলির কার্যকলাপ পরিবর্তন করে, যা ব্যথার অনুভূতি কমাতে সাহায্য করে।
  • এন্ডোরফিন নির্গমন: ধ্যান শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক এন্ডোরফিনের নির্গমন বাড়ায়। যা  আনন্দ, সুস্থতার অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং ব্যথা উপলব্ধি হ্রাস করে।

7) কগনিটিভ ফাংশন উন্নয়ন:

  • কার্যকরী স্মৃতি বৃদ্ধি: গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত ধ্যান কার্যকরী স্মৃতি ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • মস্তিষ্কের তরঙ্গ পরিবর্তন: ধ্যান আলফা ও থিটা তরঙ্গের কার্যকলাপ বাড়ায়, যা শান্তি ও একাগ্রতার সাথে সম্পর্কিত।

8) বয়স-সম্পর্কিত অবক্ষয় প্রতিরোধ:

  • নিউরোপ্লাস্টিসিটি বৃদ্ধি: ধ্যান মস্তিষ্কের নিউরোপ্লাস্টিসিটি বাড়ায়, যা বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  • কগনিটিভ ডিক্লাইন হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান বয়স-সম্পর্কিত কগনিটিভ অবক্ষয়ের গতি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

9) একাগ্রতা ও মনোযোগের বৃদ্ধি: 

ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সেই অংশগুলিকে শক্তিশালী করে যেগুলি একাগ্রতা ও মনোযোগের সাথে সম্পর্কিত। এর ফলে:

  • মনোযোগ বৃদ্ধি : মেডিটেশন আপনার মন কে শান্ত করে তুলতে সাহায্য করে, শরীরের স্ট্রেস হরমোন ও দুশ্চিন্তা বা অস্বাভাবিক উত্তেজনা এবং বিরক্তি মনোভাব কমাতে সাহায্য করে, ফলে আপনি যে কোন কাজে সহজ ও দীর্ঘ মেয়াদি মননিবেশ করতে পারেন। ছাত্র ছাত্রী দের জন্য মেডিটেশন অভ্যাস বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এটি তথ্য গ্রহণ ও ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • বর্তমান মুহূর্তে থাকা: ধ্যান আপনাকে ‘মাইন্ডফুলনেস’ বা সচেতন উপস্থিতি অনুশীলন করতে শেখায়, যা জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে পূর্ণভাবে উপভোগ করতে সাহায্য করে।

10) শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর প্রভাব:

 ধ্যান শুধু মানসিক নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়। এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব:

  • হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান রক্তচাপ কমায় এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য এবং Heart Rate Variability উন্নত করে, (HRV) হল হৃদস্পন্দনের মধ্যে সময়ের ব্যবধানের তারতম্যের একটি পরিমাপ, যা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়ার হৃদয়ের ক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে, উচ্চতর HRV ভাল কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের সাথে যুক্ত, মেডিটেশন আমাদের HVR উন্নত করতে সাহায্য করে
  • ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালীকরণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে মেডিটেশন বা ধ্যান শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে , যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং শরীরের কোষগুলিকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফলে শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেমে  তৈরিতে সাহায্য করে।
  • ঘুমের মান বৃদ্ধি: মেডিটেশন শরীরের রিলাক্স করতে করতে সাহায্য করে, প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের ব্যালান্স করতে সাহায্য করে যা আমাদের বিশ্রাম এবং হজমের জন্য দায়ী। 

11) আত্ম-উপলব্ধি ও ব্যক্তিগত বিকাশ:

 নিয়মিত ধ্যান আপনাকে নিজেকে গভীরভাবে জানতে ও বুঝতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে:

  • আত্ম-সচেতনতা বৃদ্ধি: আপনি নিজের চিন্তা, আবেগ ও আচরণের প্যাটার্ন সম্পর্কে আরও সচেতন করতে সাহায্য করে।
  • আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি: নিজের সম্পর্কে গভীর বোধ আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।
  • সৃজনশীলতার বিকাশ: ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সৃজনশীল অংশকে উদ্দীপিত করে, যা নতুন ধারণা ও সমাধান খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

13) জীবনের গুণগত মান উন্নয়ন:

ধ্যানের সব উপকারিতা একত্রিত হয়ে আপনার সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান উন্নত করে:

  • সুখ ও সন্তোষ বৃদ্ধি: ধ্যান আপনাকে জীবনের ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করতে শেখায়।
  • তাৎপর্যপূর্ণ জীবন: আপনি জীবনের গভীর অর্থ ও উদ্দেশ্য খুঁজে পাবেন।
  • ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন: কাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত সময়ের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবেন।

14)মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি: 

ধ্যান বা মেডিটেশন আপনার মনকে শান্ত, স্থির ও সন্তুলিত করতে অত্যন্ত কার্যকর, এটি উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমানোর একটি প্রমাণিত পদ্ধতি। আধুনিক জীবনের অবিরাম চাপ ও দ্রুত গতির মধ্যে, ধ্যান একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।

  • উদ্বেগ হ্রাস: নিয়মিত ধ্যান আপনার মস্তিষ্কের সেই অংশগুলিকে শান্ত করে যেগুলি উদ্বেগের সাথে যুক্ত, যার ফলে আপনি দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জগুলি আরও ভালভাবে মোকাবেলা করতে পারেন।
  • অবসাদ দূরীকরণ: গবেষণায় দেখা গেছে যে ধ্যান সেরোটোনিন ও ডোপামিনের মতো ‘সুখের হরমোন’ উৎপাদন বাড়ায়, যা অবসাদের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে।
  • মানসিক স্থিতিস্থাপকতা: নিয়মিত ধ্যান আপনার মানসিক শক্তি বাড়ায়, যা আপনাকে জীবনের নানা চড়াই-উতরাই আরও সহজে মোকাবেলা করতে সাহায্য করে।

এই বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলি প্রমাণ করে যে ধ্যান শুধুমাত্র একটি আধ্যাত্মিক অনুশীলন নয়, বরং এটি আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর গভীর ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিয়মিত ধ্যান অনুশীলনের মাধ্যমে, আমরা আমাদের জীবনের সামগ্রিক মান উন্নত করতে পারি এবং একটি সুস্থ, সুখী ও দীর্ঘ জীবন উপভোগ করতে পারি।

আপনি কি এই বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলি জানতেন? আপনার নিজস্ব অভিজ্ঞতায় এই উপকারিতাগুলির কোনটি অনুভব করেছেন? আপনার মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা কমেন্টে শেয়ার করুন।

যোগ নিদ্রার অর্থ কী ? Yoga Nidra in Bengali

Yoga nidra:

যোগ নিদ্রা পধুতির সৃষ্ঠী কর্তা স্ব্মি সত্যনন্দ সরস্বতী, যিনি হলেন ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ যোগ শাস্ত্রবিদের এক জন। যোগ নিদ্রা হল শরীর ও মনকে বিশেষ নিদ্রার অবস্থা উপনীত করার পক্রিয়া।

যার সাহায্যে আমরা চেতনার এবং  ঘুম মধ্যে আছন্ন বিশেষ স্তরে পৌছাই। যেখানে মানুষের চেতনা, আবেগ ও শরীরের নানা বিষয় দ্রুত আরোগ্য সাধন সম্ভব হয়।

কারণ যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মধ্যমে আমরা ব্রেনের THETA ওয়েভ Stage (4-7.5Hz) পৌছই। এই স্টেজে আমাদের ব্রেনের সমস্থ বিষয় নিয়ে চলতে থাকা চিন্তা একে বারে কমে যায় ও বাহিরে জগত থাকে আমরা ডিসকানেক্ট হয়ে যাই

এই Theta ওয়েভ স্টেজে মানুষে জীবনে কে পরিবর্তণ করতে পারেন। কারণ ব্রেনের মধ্যে তৈরি হওয়া বিভিন্ন কাজের neural pathways গুলি নতুন করে পরিবর্তন করতে পারে ।

সঠিক জ্ঞান থাকলে এই স্টেজে দ্বারা আমরা হ্যাবিট থেকে শুরু করে মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ সাধন করতে পারি।


যোগ নিদ্রা প্রণালী:

যোগ নিদ্রা প্র্যাক্টিস জন্য সবার প্রথমে আপনাকে নির্দিষ্ট সংকল্প প্রয়োজন। সংকল্প অর্থাত্‍ কোন বিশেষ জিনিস প্রাপ্তি বা কোন কষ্ট থাকে মুক্তি যেমন ধরুন কনফিডেন্স প্রাপ্তি আবার ধরুন জীবনের অর্থ কষ্ট ও স্ট্রেস থাকে মুক্তি।

আপনার জীবনে সবচেয়ে গুরুত পূর্ণ প্রয়োজনীয়তা অনুজাই আপনার সংকল্প নির্ধারন করুন সবার প্রথমে । এর পর যোগ নিদ্রা অভ্যাসের সুর করার জন্য হালকা ও comfortable জামা কাপড় পড়ুন, সবচেয়ে ভাল সূতির জামা কাপড়।

তার পর একটি সমতল যায়গা খুজে নিন একদম নির ভাবনায় শুয়ে পড়ার জন্য, আপনি চাহিলে আপনার বিছানা ব্যবহার করতে পারেন। এবার শুয়েই শরীর কে শবাসন ভঙ্গি নিয়ে আসুন। হাত দুটি একটু বডির থাকে দূরে রাখুন, একই ভাবে পা গুলো একটু রাখুন।

হাতের তালু যেন উপরের দিকে থাকে ও প্রতিটা আঙ্গুলের মাঝে যেন একটু গ্যাপ থাকে।এবার ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করুন, ও এমন ভাবে করুন যাতে চোখের মনি গুলো একটু উপরের দিকে থাকে, তা না করলে আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন খুব সহজে।

এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও প্রতিটি নিশ্বাস ৫ সেকেন্ড করে হোল্ড করুন ও তার পর ছারুন।  তার পর ধীরে ধীরে নিজের পর নিজের পায়ের পাতা ও  আঙ্গুলের উপর ফোকাস করুন সময় নিয়ে যত ক্ষণ না 10টি আঙুল উপর অনুভুতি পাছেন।

এর পর আস্তে আস্তে  পায়ের পাতার উপর ও হাটুর নিচের অংশের সমস্থ পের্শীর উপর ফোকাস করুন। ও তার পর হাটুয়ে উপরের অংশের থাই পর্যন্ত সমস্থ পেশীর উপর নিজের ফোকাস নিয়ে যান।

নিজের বডি কে রিল্যাক্স করুন ও বডির উপরের অংশে কোমর থেকে শুরু  বুক পর্যন্ত অংশে ফোকাস করুন, নিজের শরীরের প্রতিটি অংশে নিজের চেতনা কে নিয়ে যান।  তার পর আস্তে আস্তে নিজের গলা সাথে মুখ ও মাথার দিকে ফোকাস বা চেতনা কে নিয়ে যান।

শেষে নিজের ফোকাস কে দুটি চোখের মাঝখানে নিয়ে আসুন। এবার আপনার পূর্ব নির্ধারিত্‍ সংকল্পটি মনের মধ্যে প্রাণবন্ত ভাবে Visualize করুন। ও ভাবুন আপনার চোখ খোলার সাথেই আপনার সংকল্প পূরণ হয়েছে বাস্তবে, দেখুন আপনি কেমন ফ্রীল করছেন কতটা খুশি এই সংকল্প পূরণে ।

সর্ব শেষে নিজের হাতের দুটি তালু ঘসুন ও নিজের মুখের উপর ধীরে ধীরে বুলিয়ে নিন ও আস্তে আস্তে নিজের চোখ খুলুন ও উঠে বসুন। যদি আপনি কোন সংকল্প না করেন তবে এর পর আপনি নিজের নিশ্বাস কে কাউন্ট করতে পারেন।  

বা নিজের ফোকাস কে উপর থাকে নিচে নিযে যেতে পারেন যাকে বডিস্ক্যান meditation বলে। যদি আপনি ডিপ্রেসানে, স্ট্রেস বা কোন বাজে হ্যাবিটে ভোগেন তার guided meditation প্র্যাক্টিস করতে পারেন।  

এছাড়া এই সব সমস্যার জন্য আমাদের পুরো বাংলাতে তৈরি Meditation ও প্র্যাক্টিস করতে পারেন click here। এবং আমাদের সুপ্রভি Meditation করতে পারেন একদম বিনমূল্যে। Click Here or (+91-9433-657-349)

যোগ নিদ্রার উপকারিতা :  

1. Creative ক্ষমতা বৃদ্ধি: যোগ নিদ্রা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংকল্প দারা মনের গভীরে বা subconscious মাইন্ড এর মধ্যে জীবনে গুরুত্ত পূর্ণ জিনিস যা যেমন ক্রীয়েটিভিটি ও অ্যাব্স্ট্রাক্ট thinking এর মত প্রয়োজনীয়ও জিনিসের বিকাশ ঘটানো সম্ভব।

2. স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি শক্তির বিকাশ:  যোগ নিদ্রার মধ্যে করা ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন এর মাধমে আপনি আপনার কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধির ব্যপক বিকাশ করতে পারেন।

কারণ যোগ নিদ্রা এমন এক বিশেষ পক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি চেতনার ডিপে বা Theata WAVE স্তরে পৌছন ও যেখানে নিজের ক্রিয়েটিভ ভিসুয়ালাইজেশন মাধমে আপনি নিজের কমজোর স্মৃতি শক্তি ও বুদ্ধি চির পরিবর্তণ করতে পারেন।

এছাড়াও  যোগ নিদ্রা ব্রেনের দুটি  hemisphere মধ্যে তলমেল সৃষ্ঠী করে ও ব্রেনের মধ্যে থাকা corpus callosum কে আর শক্ত করে।

3.  স্ট্রেস কমায়: যোগ নিদ্রা আপনার জীবনে ফিসকাল, ইমোশনাল ও মেন্টাল স্ট্রেস কে কমায় মাত্র 7 দিনের মধ্যে, আমাদের প্রয়োজন সঠিক সংকল্প ও সঠিক yoga nidra পধুতির।

4. ইছা শক্তির বৃদ্ধি: জীবনে সাফল্যের জন্য অদম্য ইছা শক্তি প্রয়োজন, বিনা ইছা শক্তিতে জীবনের কোনো কাজ সম্ভব না।  

এবং এক মাত্র আপনি নিজে ছাড়া জীবনে আপনাকে অন্য কেউ ইছে শক্তি প্রদান করতে পারবে না। তাই  Yoga Nidra এই সংকল্প আপনাকে জীবেনে সর্ব ক্ষেত্রের ইছা শক্তি প্রদান করতে সাহায্য করবে।

5. মানসিক ও শারিরীক পরিবর্তণ:   মানুষের  মধ্যে হওয়া সমস্থ রকমের শারিরীক ও মানসিক disorder গুলি নির্দিষ্ট সংকল্পর মাধমে পরিবর্তণ সম্ভব।

কারণ অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়াতে শরীর neural path গুলি পরিবর্তণ  করে নতুন path সৃষ্ঠী করে।  


যোগ নিদ্রার প্রয়োজনীয়তা:

বর্তমানে বেশির ভাগ মানুষের লাইফ স্টাইল খুবই আনব্যালান্স, বেশির ভাগ মানুষ আজ ঘুম, স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ও হরমোন, নানা নার্ভের সমস্যতে ভূগছেন।

একটি গবেষণা বলা হয়েছে শতকরা 40% ভাগ মানুষ পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া থেকে শুরু করে নানা শারিরীক সমস্যা তে দীর্ঘ দিন ভুগছেন। তার কারণ মানুষের নিজের অকারণ ও অযৌক্তিক মানসিক চিন্তা এবং স্ট্রেস ।    

স্ট্রেস এবং অযৌক্তিক মানসিক চিন্তার থেকে মুক্তির পাওয়ার জন্য মানুষ নয় ঘুমের ওষুধ ব্যবহার করেন বা ন্যাচারাল যোগ আসন, meditation, প্রাণায়াম, যোগ নিদ্রা অভ্যাস করেন।তবে আজের দিন এই ন্যাচারাল প্রক্রিয়া গুলি করার জন্য বেশির ভাগ্ মানুষ সময় করে উঠতে পারেন না।

তবে যোগ নিদ্রা এমন এক প্রক্রিয়া যা রাতে ঘুমানর আগে করা যায় বিনা সমস্যায । যাতে মনের মধ্যে চলতে থাকা দুশ্চিন্তা গুলি বন্ধ হয় ও শরীর গভীর ভাব রেস্ট পায়।

যোগ নিদ্রা জন্য না কোন বিশেষ সামগ্রীর বা বিশেষ কোন পক্রিয়া প্রয়োজন হয় না, খুবই সোজা এই পক্রিয়া।

৮ থাকে ৮০ যে কোন বয়সের মানুষ এই প্রক্রিয়াটি করতে পারেন। শুধু আপনাকে আপনার জীবনের সঠিক সংকল্প নির্ধারন ও তা যোগ নিদ্রার মধ্যে নিজেকে উপস্থাপন করতে দিতে হবে ।

যদি আপনি স্ট্রেস , depration , ঘুম না হওয়ার সমস্যা তে ভুগছেন তবে আপনাদের জন্য আছে আমাদের Spacial Mediation Course বিশদ জানতে click করুন এই link এ বা call করুন +91-9433-657-349 নাম্বারে।

সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

মেডিটেশনের ৬টি প্রচলিত প্রশ্ন | 6 Common Questions of meditation in bengali

এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি আজ জানতে পারবেন Meditation নিয়ে ৬টি অজানা তথ্য সম্পর্কে এবং সেগুলোর পাবেন যথাযথ উত্তর | দেখুন বর্তমান যুগে মেডিটেশন কথাটা তো সবাই শুনেছে | কিন্তু এই সম্পর্কে অনেকেরই সঠিক কোনো ধারণা নেই |

কিন্তু এই নিয়ে চিন্তা করার আর আপনাকে অন্তত দরকার নেই কারণ এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ে আপনি আজ Meditation সম্পর্কে অনেক কিছুই জেনে যাবেন | তা চলুন সেগুলো তবে জেনে নেওয়া যাক |

প্রশ্ন নাম্বার এক: মেডিটেশন করার অর্থ কি নিজের মস্তিষ্কের চিন্তা করার শক্তিকে পুরোপুরি Blank করে দেওয়া?

এই প্রশ্নটা সবথেকে জনপ্রিয় | আজও অনেক মানুষ মনে করেন মেডিটেশন করলে নাকি তাদের চিন্তা একদম গায়েব হয়ে যাবে | মস্তিস্ক পুরোপুরি blank আর শান্ত হয়ে যাবে | দেখুন শেষের ধারণাটা তো ঠিক, এটা সত্যিই আপনার মস্তিস্ককে তথা মনকে শান্ত করে দেবে |

কিন্তু মস্তিষ্কের মধ্যেকার চিন্তা করার শক্তিকে কখনই blank করে দেবেনা | এরকম সত্যিই যদি আপনি করতে চান, তাহলে আপনি কোমায় যাওয়ার ভাবনায় মেতে আছেন | কারণ এটা একমাত্র সেই অবস্থাতেই সম্ভব | আমাদের মস্তিষ্কের কাজ করার ধরন মোটেই এরকম নয় |

আপনি যা কিছুই practice করুন না কেন আপনার মস্তিষ্কে 60 থেকে 70 হাজার চিন্তা প্রতিদিন আসবেই | এটাকে কেউই আটকাতে পারবেনা | 

মেডিটেশনের কাজ হলো আপনার অতিরিক্ত চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ওয়ার্ক লাইফের সাথে আপনার স্বাভবিক জীবনকে ব্যালান্স করানোর চেষ্টা করা |

আপনার জীবনে সকল অশান্তির মূল কারণ হলো আপনার অতিরিক্ত চিন্তা নাকি অন্য কেউ | সবাই একে অপরকে নিয়ে বা নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করে চলেছে বলেই প্রত্যেকের জীবনে এত স্ট্রেস বা অশান্তি |

Balance লাইফস্টাইল আপনার জীবন থেকে এইসব স্ট্রেস বা অশান্তি দূর করে দিতে পারে | শুধু এটাকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রয়োজন প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিটের মেডিটেশন |


প্রশ্ন নাম্বার দুই: মেডিটেশন চোখ খুলে করা উচিত নাকি চোখ বন্ধ করে?

এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দুটোই | আপনি চোখ খুলেও meditation করতে পারেন আবার চোখ বন্ধ করেও মেডিটেশন করতে পারেন | choice আপনার উপর |

কিন্তু আমি মনে করি মেডিটেশন সবার প্রথমে চোখ বন্ধ করে practice করা উচিত | কারণ আপনি যদি প্রথমেই চোখ খুলে মেডিটেশন করা শুরু করেন তাহল আপনি খুব সহজে আপনার মনকে ফোকাস করতে পারবেন না | যারফলে আসবে বিরক্তির ভাব |

মেডিটেশন করার অর্থ কিন্তু সর্বদা ফোকাস থাকা সেটা চোখ খুলেই হোক কিংবা চোখ বন্ধ করে | কিন্তু এই ফোকাসের লেভেলকে বাড়ানোর জন্য আপনার অনেকদিনের প্র্যাকটিসের প্রয়োজন, মিনিমাম তো ৩ মাসের প্রয়োজনই প্রয়োজন |

যখন আপনি automatically চোখ বন্ধ অবস্থায় মেডিটেশনের মাধ্যমে নিজের ফোকাসকে একটা লেভেল পর্যন্ত বাড়িয়ে নেবেন | তখন আপনার পক্ষে যেকোনো অবস্থায় মেডিটেশন করা কোনো সমস্যাই হবেনা |

আপনি সর্বদা তখন ধ্যানের অবস্থাতেই থাকবেন অর্থাৎ সহজ কথায় যদি বলি আপনি একদম highly focused মানুষে পরিনত হয়ে যাবেন আর অবশ্যই হবেন ধৈর্য্যশীল ও শান্ত |


প্রশ্ন নাম্বার তিন: মেডিটেশন করার সঠিক জায়গা কোনটা?

Meditation করার সঠিক জায়গা যেকোনো হতে পারে কিন্তু এখানে শর্ত মাত্র একটাই সেই জায়গাটা অবশ্যই যেন একদম শান্ত অথবা নিরিবিলি হয় | যেখানে মানুষের অতিরিক্ত কোলাহল সেখানে মেডিটেশন না করাই ভালো কারণ অতিরিক্ত কোলাহলের মধ্যে মেডিটেশন করলে আপনি এর থেকে কোনো প্রকার আন্তরিক উপকার পাবেন না |

তাই এমন একটা জায়গা খুঁজুন যেটা আপনার মতে শান্ত অথবা নিরিবিলি | সেটা আপনার বাড়ির যেকোনো ঘরও হতে পারে বা  আশপাশের কোনো পার্ক বা মাঠও হতে পারে |


প্রশ্ন নাম্বার চার: কতক্ষণ ধরে আমাদের মেডিটেশন করা উচিত?

অনেকের মনের মধ্যেই এই প্রশ্নটা আসে যে, মেডিটেশন একজন মানুষ কতক্ষন ধরে করবে | একটা কথা জেনে রাখবেন, মেডিটেশন আপনি যতক্ষন ধরে করতে পারবেন ততই আপনার পক্ষে ভালো | কিন্তু অনেক্ষন ধরে না করতে পারলে অন্তত ১৫ মিনিট করাই উচিত | এর থেকে কম সময়ের মধ্যে শেষ করলে আপনি এর থেকে বেনিফিট অনেক দেড়িতে পাবেন |

কিন্তু একটা কথাই বলে রাখি, আপনি যদি এর আগে কোনোদিন মেডিটেশন না করেন তাহলে জোর করে ১৫ মিনিট মেডিটেশন করার কোনো দরকার নেই | আপনি আগে কিছুদিন ৫ মিনিট করে রোজ মেডিটেশন করুন তারপর ধীরে ধীরে সেই ৫ মিনিটকে ৭ মিনিট, তারপর ১০ মিনিট ও তারও পর ১৫ মিনিটে নিয়ে যান |

এর যখন আপনার মনে হবে, ১৫ মিনিট করে মেডিটেশন আপনি অনায়াসে করতে পারছেন তখন আবার নিজের এই প্র্যাকটিসের সময়কে বাড়ান |

আর হ্যাঁ এরজন্য অবশ্যই মোবাইলে টাইমারের সাহায্য নিন |


প্রশ্ন নাম্বার পাঁচ:  আমি কি কোনো ধরনের হালকা music চালিয়ে meditation করতে পারি? আর এর উত্তর যদি হ্যাঁ হয় তাহলে আমি কোণ ধরনের music চালাবো?

আপনি হয়তো এটা শুনেছেন যে music আমাদেরকে ভিতর থেকে heal করতে পারে | একটা ভালো ধরনের music এর মধ্যে কিন্তু সত্যিই সেই ক্ষমতা থাকে |

মেডিটেশন করার সময়ে আপনি কিন্তু music এর ব্যবহার করতে পারেন | Youtube-এ আপনি সার্চ করলেই বিভিন্ন ধরনের মেডিটেশনের জন্য music পেয়ে যাবেন | এছাড়াও আপনি white noise music শোনার মাধ্যমেও মেডিটেশন করতে পারেন |

এবার আপনি যদি white noise কথাটা জীবনে প্রথম শুনে থাকেন তাহলে আপনাকে এর অর্থ সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিই | white noise হচ্ছে এমন ধরনের সাউন্ড যেটা প্রাকৃতিক | উদাহরণ স্বরূপ: ঝিজিপোকার ডাক, নদী বা সমুদ্রের কলতান কিংবা পাখির ডাক ইত্যাদি |

আর youtube-এ সার্চ করলেই আপনি বিভিন্ন ধরনের white noise music পেয়ে যাবেন | আমার পার্সোনাল মত অনুযায়ী মেডিটেশন music শুনে মেডিটেশন করার চেয়ে white noise music শুনে মেডিটেশন করা অনেক ভালো |

যেহেতু এগুলো এক একটা ন্যাচারাল সাউন্ড তাই আপনার মস্তিস্ক এক্ষেত্রে ভীষনভাবে distracted হবেনা | কিছুক্ষণ এই ন্যাচারাল সাউন্ডের মাধ্যমে মেডিটেশন করলে আপনার মস্তিস্ক এমনিতেই শান্ত আর focused হয়ে যাবে |

কিন্তু আমার কথা মানার আগে সবার প্রথম নিজে আগে যাচাই করে নেবেন | আপনার কোন musicটা বেশি ভালো লাগছে মেডিটেশন  করার সময় |

আরেকটা কথা বলে রাখি, সর্বদা music চালিয়েই কিন্তু আপনি কখনই মেডিটেশন করবেন না | সপ্তাহে এক দুবার ঠিক আছে কিন্তু প্রতিদিন করা ঠিক নয় | নরমালভাবে মেডিটেশন করারই সর্বদা চেষ্টা করো |


সবশেষে প্রশ্ন নাম্বার ছয়: Meditation করার সঠিক বয়স কত? এবং বাচ্চারাও কি মেডিটেশন করতে পারে?

মেডিটেশন করার নির্দিষ্ট কোনো বয়স হয়না | এটা করা কেউ দশ বছর বয়স থেকে শুরু করতে পারে আবার ষাট থেকে সত্তর বছর বয়সে গিয়েও করতে পারে | এক্ষেত্রেও choice একদম তার |

বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজ আমাদের মস্তিষ্কের মধ্যে এই ভুল ধারণাটা ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, মেডিটেশন তারাই করে যারা অনেক বয়স্ক হয় |

যেই কথাটা কিন্তু একদমই সত্যি নয় |

শুনুন মেডিটেশন হচ্ছে একধরনের মাইন্ড ট্রেনিং যেটা সকলেরই সবার আগে করা প্রয়োজন কারন আমি এই লেখার প্রথমেই বলেছি আমাদের জীবনে যা কিছু সমস্যা হচ্ছে তার মূল উৎস হচ্ছে আমাদের মন আর আমাদের অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা |

তাই নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং অতিরিক্ত চিন্তাকেও নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রাচীন পদ্ধতি হলো এই মেডিটেশন |

এবার, বাচ্চাদেরকে মেডিটেশনকে করানোর advice হিসাবে আমি বলতে পারি যে, সাত বছরের নীচে কোনো বাচ্চাকেই মেডিটেশন করানো উচিত নয় কারণ তার আগে পর্যন্ত তাদের মানসিক বিকাশ তেমন একটা হয়না |

কমপক্ষে সাত বছর বয়স যদি না হয় আপনার সন্তানের, তাহলে তাকে কখনোই জোর করে মেডিটেশন করানোর চেষ্টা করবেন না | মেডিটেশন কিন্তু জোর করে করার জিনিস নয় বা জোর করে করানোর জিনিস নয় এটা সর্বদা মাথায় রাখবেন |


আশা করি মেডিটেশন নিয়ে আপনার সমস্ত doubt আমরা clear করতে পেরেছি | লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই এটিকে সবার সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই কমেন্টে লিখে জানান আপনার মতামত |


এছাড়া আপনি যদি সত্যিই মেডিটেশন অনলাইন শিখতে চান তাহলে এখুনি কল করুন +91 9433-657-349 এই নাম্বারে |

Exit mobile version
0