6টি শ্রেষ্ঠ প্রাণায়াম সুগার নিয়ন্ত্রণের জন্য | 6 Pranayama for Diabetes in Bengali

আজকের দিনে বিশ্বে সবচেয়ে  বড় সমস্যার মধ্যে Diabetes বা সুগার হল অন্যতম। হয়তো জানলে অবাক হবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) রিপোর্ট অনুজাই আজ 422 million বেশি মানুষ আজ সুগরে আক্রান্ত। এবং অবাক করা বিষয় প্রতি বছর প্রায় 1.7 million মানুষ এই রোগে মারা যায়

তাই এই রোগ কে কনট্রোল করা খুবই গুরুত্ত পূর্ণ,  আজকের দিনে যেমন মেডিসিন সুগার কমাতে গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন্ করে।

তেমনি natural ভাবে প্রাণায়াম, Yoga এবং বিশেষ কিছু Meditation সুগারের ক্ষেত্রে একটি বিরাট বড় ভূমিকা পালন করে যা আজ বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত।   

তাই আজ জেনে নেব 6টি শ্রেষ্ঠ প্রাণায়াম যা সুগার কে কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

1.  কপাল ভাতি প্রাণায়াম (KapalBhati pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের বডির মধ্যে এনার্জি ও ফ্রেশনেস বজায় রাখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে এবং এই প্রাণায়াম হল সুগারের এর যম বলা হয়।

এছারাও এই প্রাণায়াম আমাদরে ব্রেনের প্রতিটি কোষের মধ্যে অক্সিজেন সঞ্চালন এর মাত্রা থাকে স্ট্রেস লেভেল কমানো সবেতে সাহায্য করে।

কপাল ভাতি প্রণালী:

https://www.youtube.com/watch?v=1d3erUbB3uw

প্রথমে একটি সমান যায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে। এবার বা হাত হাটুয়ে উপরে ও ডান হাত পাটের নাভির উপর রাখুন।

এর পর নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে বায়ু পেটের মধ্যে নিন ও পেট কে চাপ দিয়ে নিশ্বাস বাহিরে ছারুন। মনে রাখবেন আপনার শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন আপনার পেট ও কানেক্ট করতে পারে।

এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত করুন যত টা সমভব, এটি 4 থাকে 5 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই।


2. অনুলোম বিলোম  (Anulom vilom):

 অনুলোম বিলোম শরীরের  মধ্যে থাকা দুটির প্রধান নাড়ির উপর সমতা আনার চেষ্টা করি যাতে আমদের শরীরের শক্তির মধ্যে ব্যালান্স বজায় থাকে।

এর ফলে শরীরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন হরমোন সমস্যা দূর হয় যেমন ইনসুলিন। এছাড়া শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন যুক্ত রক্তের প্রবাহের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও শরীরের মধ্যে এনার্জি অভাব কে একদম দূর করে।  

অনুলোম বিলোম প্রণালী : 

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন।  তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

আপনার বা হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, তার পর ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন খুব জোরে নয় আস্তে যাতে নিশ্বাস না নিতে পারেন।

তার পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ৫ সেকেন্ড হোল্ড করুন। তার পর ডান হাত টা বা দিকের নাকের উপর আনুন ও ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।

এবার ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন আবার হাত পাল্টে বা দিক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন। এই রকম ভাবে 4 থাকে 5 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত।


3. ভ্রামরি প্রাণায়াম (Bhramari pranayama) :  

এই ভ্রমরি শব্দটি ভোমর বা মৌমাছির থেকে নেওয়া এই ভ্রমরি শব্দরে অর্থ হল হল ভোমরের বা মৌমাছির মত শব্দ সৃষ্ঠী যা অনেকটা aum বা ॐ প্রকৃতির।

এই প্রাণায়ামের সাহায্যে আমদের ব্লাড সুগার থেকে শুরু করে cholesterol, thyroid প্রতিটি সমস্যার সমাধান প্রদান করে। শরীরের স্ট্রেস হরমোন কমায় instantly কমায় এবং মাইন্ড কে শান্ত ও focused বানায়।  

ভ্রমরি প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন সুখাসনে, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন। তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।এবার দুটি হাত তর্জনীর দিয়ে দুটি কান বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

এবার চোখ বন্ধ করুন ও মুখ না খুলে গভীর নিশ্বাস নিয়ে aum বা ॐ উচারন করুন যত খন না নিশ্বাস শেষ হছে।

এই ভাবে 5 থেকে 6 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মতো প্রয়োজন অনুজাই সময় আপনি বাড়াতে ও পারেন।  


আর পড়ুন: 10টি শ্রেষ্ঠ যোগ আসন যা সুগার বা Diabetes কনট্রোলের  জন্য।  

4. ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম (Bhastrika pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের স্ট্রেস ও সুগার থাকে শুরু করে শরীরের ঝিমুনি ভাব কমাতে সাহায্য করে এবং আমাদের pancriyas থাকা বিটা cells গুলি কে পুনরায় উজীবিত করে।  

এছাড়া এই প্রাণায়াম কে শরীর ও মনের এনার্জি প্রদান করে ও শরীরের স্ট্রেস বিনাশ করি প্রাণায়াম ও বলে।

ভস্ত্রিকা প্রাণায়াম প্রণালী :

প্রথমে সমতল জায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে ও মাথা সামান্য উপরে দিকে তুলুন। এবার নিজের হাত দুটি ধ্যান মুদ্রায় দুই হাটুর উপর রাখুন ।

এর পর গভীর ভাবে কয়েকটি নিশ্বাস নিন, তার পর এমন ভাবে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন যাতে শ্বাস বায়ু আপনার বুকের মধ্যে জমা হয়।

যখন নিশ্বাস ছাড়বেন তখন বুকের উপর চাপ দিয়ে ছারুন। আসল বেপার  হল শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন চেষ্ট বা বুক কানেক্ট হয়।এই প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব হয় ততটা দ্রুত করা যায় ততটা করুন ও আপনার সুবিধা অনুজাই।


5. উজাই প্রাণায়াম (Ujjayi Pranayama) :  

এর অপর নাম হল সমুদ্র-শ্বাস বায়ু। এই প্রাণায়াম আমাদের ফুসফুস এর মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার ও বিভিন্ন হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

এই প্রাণায়াম আমদের শরীরের মধ্যে জমে থাকা দূষিত টকসিন বা বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে, যাতে শরীর মধ্যে কোন রোগ সৃষ্ঠী না হয়।

উজাই প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে। দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত। প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে।

দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত।  

আর পড়ুন: 12টি শ্রেষ্ঠ যোগ আসন যা ব্লাড প্রেসার কনট্রোল করে।  

6. চন্দ্রবেদী প্রাণায়াম (Chandra Bhedi Pranayama):

এই প্রাণায়াম কে চন্দ্র বেদি বলা হয় কারণ এই প্রাণায়াম আমাদের চন্দ্র কেন্দ্রিক শক্তি কে ব্যালান্স করে। যার ফলে আমদের শরীরে nerve এর প্রোব্লেম থাকে শুরু করে সুগার, হাই ব্লাড প্রেসার , মানসিক চিন্তা বা স্ট্রেস ও ভয় সবকিছু থাকেই বডিকে সংরখিত করে।  

এছার আপনি যদি রাগ বা মানসিক উত্তজনায় ভোগেন তবে এই প্রাণায়ামটি করুন এতে এক মিনিটে আপনার রাগ কমে যাবে নিশ্চিত।

চন্দ্রবেদী প্রণালী:

প্রথমে আপনি সুখাসন বা সবচেয়ে ভাল পদ্মাসন বসুন যেন মেরুদণ্ড একদম সোজা থাকে । মাথা একটু উপরের দিকে তুলে রাখুন এর পর আপনার ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন।

যেন ডান দিক দিয়ে নিশ্বাস না নিতে পারেন। এর পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন 5 সেকেন্ড ও ছেড়ে দিন।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

যদি আপনার Yoga বা Meditation শিখতে চান তবে এখুনি কল করুন এই +91-9433-657-349 এই নাম্বাবে বা আমাদরে মেল করতে পারেন contact@wisdomcue.com মধ্যে।  

ব্লাড প্রেসার জন্য শ্রেষ্ঠ যোগ আসন | 12 Yoga for Control Blood Pressure in Bengali

Hypertension কী ?

WHO Created Video

আমরা সবাই জানি হার্ট আমাদের সারা শরীরের অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় Nutrient ও ব্লাড সাপ্লাই করে বিভিন্ন রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে।

এই রক্ত নালিকর মধ্যে দিয়ে  রক্ত প্রবাহিত হয় একটি নির্দিষ্ট পার্ষচাপে যা মাপা হয় সিস্টলিক (120 mmHg) ও ডায়াষ্টলিক (80mmHg)মাধ্যমে।    

যখন এই পার্ষচাপ (120/80 mmHg) থেকে ক্রমাগত পরিমানে বেশি থাকে দীর্ঘ দিন ধরে তখন তাকে hypertension বা ব্লাড প্রেসার বলে।

বর্তমানে (WHO) পরিসংখান অনুজাই 1.13 Billion মানুষ আজ Hypertension বা ব্লাড প্রেসার ভুগছেন ও প্রতিবছর এই সংখা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়ে চলেছে।

এই (WHO) রিপোর্ট অনুজাই যে সব মানুষ এই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন তাদের হার্ট, ব্রেন, কিডনী সমস্যা ও অন্য নানা প্রান ঘাতী রোগ হবার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি ।

গত কয়েক বছরে দেখা গেছে hypertension বা ব্লাড প্রেসার মানুষের অকাল মৃত্যু বা premature death  এর  সবচেয়ে বেশি বড় কারন হয়ে দাড়িয়েছে সারা বিশ্ব জুড়ে।  

 “তাই ডাক্তারা Hypertension কে রোগের মধ্যে সাইলেন্ট কিলার নাম দিয়েছেন ।”  

এই Hypertension  বা ব্লাড প্রেসার থেকে বাচতে WHO ও বিভিন্ন Government সংস্থা বিভিন্ন উপায় দিয়েছেন সেগুলি হল

  • দৈনিক নুন বা লবণ গ্রহনের পরিমাণ কমান (5g daily) 
  • রোজ তাজা ফল ও তাজা সবুজ শাক সবজি খান
  • প্রতিদিন নিজকে ফিট রাখতে ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি যেমন যোগ বা Yoga, প্রাণায়াম, কার্ডিও বা ব্যয়াম ইত্যাদি করুন।
  •  ধূমপান থেকে সম্পুর্ন ভাবে বিরত থাকুন।
  • মদ্য পান যত না করবেন তত ভাল ব্লাড প্রেসারের ক্ষেত্রে।
  • খবরের মধ্যে Trans fats সম্পুর্ন ভাবে এড়িয়ে চলুন।
  • প্রতিদিন এমন্ কিছু বিশেষ অ্যাক্টিভিটি করুন যাতে শরীরে স্ট্রেসের পরিমান কমে যেমন Meditation ।  
  • ফাস্ট ফুড ও তৈলাক্ত খাবার সম্পুর্ন বর্জন করুন ।
  • প্রতিদিন নিজের ব্লাড প্রেসার লেভেল চেক করুন ।

তাই আজ আমরা বিশেষ 12টি Yoga সাথে শিখেনেব কিভাবে নিজের ব্লাড প্রেসার কে কনট্রোল করা যায়।  এবং যার  scientific ভাবে পরীক্ষার রিপোর্টার আছে।  


1. পশ্চিমত্তান আসন (Paschimottanasana) :

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

https://www.youtube.com/watch?v=KCNIcT5DDdA

প্রথমে একটি সমতল জায়গায় নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।         

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের শরীরে ব্লাড প্রেসার প্রয়োজনীয় হরমোন ও  স্ট্রেস-ডিপ্রেসান নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এই আসন আমাদের লিভার, কিডনী ও পেটের digestion প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।


2. বীরাসন (virasana ):

বীরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। এর পর নিজের ডান পা কে হাটু থাকে ভাজ করে থাই এর পাস থাকে উল্টো অবস্থা বেন্ড করুন্।

একই রকম ভাবে নিজের বা পাকে বেন্ড করে নিজের বা থাই এর পাশে নিয়ে যান। এবার নিজের দুটি হাত নিজের দুটি হাটুর উপর রাখুন। প্রয়োজনে নিজের চোখ বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পায়ের ও থাই এর সমস্থ পেশীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও আমাদরে স্পাইন বা মেরুদণ্ডের aliment সঠিক করে।


3. বিপরীত করণি (viparita karani):

বিপরীত করণি পদ্ধতি:

প্রথমে এমন একটি সমতল যায়গা বছে নিন যার কাছেই দেওয়াল আছে, এই জায়গাতে শুয়ে পড়ুন লম্বা ভাবে। এবার নিজের দুটি হাত শরীর থেকে দূরে রাখুন একদম লম্বা করে ও হাত কে উপর করে।

এবার পা দুটি লম্বা করে দেওয়ালে তুলুন যাতে কোমরের নিচের অংশ দেওয়ালে টাচ করে থাকে এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।   

উপকারিতা:

এই বিপরীত করণি আসন আমাদের ডায়াস্টলিক(diastolic) ব্লাড প্রেসারকে কমায় ও আমাদরে শরীরে মধ্যে Codesol লেভেল কমায় এবং রক্তের প্রবাহ মাত্র সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।


4. বদ্ধ কোনাসান (Baddha konasana):

বদ্ধ কোনাসান পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে মেরুদণ্ড সোজা করে একদম নরমাল ভাবে বসুন।এর পর দুটি এক অপরের পায়ের মাথায় স্পর্শ করান, ও নিজের দিকে টেনে আনুন।

এবার আপনার দুটি পায়ের হাটুর উপর বা পায়ের উপর নিজের হাত দুটি রাখুন ও ধীরে ধীরে নিজের শরীর কে সামনের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করুন যতটা সম্ভব।  

উপকারিতা:

এই আসন মাইন্ড ও বডির কানেকশেন তৈরি থাকে ও বডি স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় । এই আসন বডির মধ্যে নমনীয়তা আনে ও বডির বিভিন্ন পেশী যেমন হাত , পিঠ, কোমর ইত্যাদি ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  


5. শিরশাসন (Sirsasana):

 আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  

এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।

উপকারিতা :

 এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে।

যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন Thyroid, Adrenalin ও cortisol ইত্যাদি প্রোব্লেম যা আজকের দিনে খুব কমন টা থেকে রক্ষা করে।ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


 6. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন । এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ৩০-৪০ সেকেন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও ৫ থেকে ৬ বার রিপিট করুন এই আসন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

এছাড়াও মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।  


7. ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):

এই আসনটি সর্প থেকে অনুপ্রাণিত তাই এই আসনের নাম ভুজঙ্গ আসন, এই আসন শরীরের নমনীয়তা থেকে শুরু করে হরমোন সমস্যার সমাধান ও  নানান  উপকার সাধন করে।

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া শরীরে হরমোন ব্যালান্স ও সঠিক ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই তাড়া-তাড়ি সমাধান করে ভুজঙ্গ আসন।   


8.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান । লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


9. উস্তাসন (ustrasana)

  উস্ত্‍রসনা পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


 10. রাজকপত আশন (Rajakapot Asana):

রাজকপত আশন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান। এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

উপকারিতা: 

পা এর সব পেশীকে শক্ত করে , যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,  শারিরীক দুর্বলতা ও স্ট্রেস দূর করে এবং  মারুদণ্ড সোজা ও মজবুত করে এই আসন।

এছাড়া আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য এই আসন অন্যতম।


11. শিশু আসন (Shishuasan)

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান। দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে।    

এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাকে, এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সর্ব প্রকার কার্যকারী কারণ এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায়। এই আসন শরীরে কমজোর ভাব কাটায় ও শরীরের নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose)

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও  Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।   


এই 12টি আসন ছাড়াও আর নানা আসন আছে যা খুবই উপকারী তবে শুরু করার জন্য এই 12টি প্রধান গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যোগ আসন ছাড়াও আছে বিশেষ Meditation, প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস, অকুপ্রেসার পয়েন্ট  এবং আয়ুর্বেদিক নানা উপাদান যা এই  hypertension বা ব্লাড প্রেসার সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে।

আপনার যদি প্রাণায়াম প্র্যাক্টিস সম্পর্কে ও meditation নিয়ে জানতে চান নিচে দেওয়া লিঙ্ক এর মধ্যে ক্লিক করুন ( Meditation ) I (প্রাণয়াম )

এছাড়া যদি আপনার Meditation শিখতে চান অনলাইনে বাড়িতে বসে বা আমাদের সেন্টারে এসে তবে দেরি না করে এখনি phone করুন +91-9433-657-349 এই নাম্বারে ও বূক করে ফেলুন নিয়ের সিট।   

যোগের 9টি গুরুত্তপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর | 9 Common Questions About Yoga in Bengali

1. যোগ শিক্ষার জন্য কী নমনীয় শরীর প্রয়োজন ? Do I have to be flexible to practice yoga? 

না, Yoga শিখতে নমনীয় শরীর প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন প্র্যাক্টিসের সাথে শরীর ধীরে ধীরে নমনীয় হয়ে উঠবে।

আসল বেপার হল যোগ প্র্যাক্টিস এর জন্য ভাল টীচার বা গুরুর, যিনি আপনার শারিরীক গঠন অনুজাই যোগ অভ্যাস করবেন।  

2. গর্ভবতী মহিলারা কী Yoga করতে পারেন? Can and pregnant women do yoga ?

হ্যা, গর্ভবতী মহিলার যোগ অভ্যাস করতে পারেন তবে বিশেষ নিয়ন্ত্রনে খুব লিমিটেড কিছু আসন।

গর্ভাবস্থায় বডির নমনীয়তা উপর নয় আপনার আবেগ, চেতনা ও শরীরের সক্রিয়তার উপর কাজ করেন যোগ আসন। যা মা ও তার সন্তানের জীবন সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

3. আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কী যোগ অভ্যাস করা উচিত? What if I have an injury or physical condition?

না, আঘাত বা শারিরীক সমস্য থাকলে কখনো বিনা ডাক্তারী পরামর্শে যোগ অভ্যাস উচিত না। না হলে আপনি নিজের সাথে অন্যের বিপদ ডেকে আনবেন।

যদি আপনার শারিরীক সমস্য থাকে সবার আগে যোগার টীচারকে বলুন ও পরামর্শ নিন এতে আপনারই মঙ্গল।

4. যোগ কী ওজন কমাতে সাহায্য করে? Can yoga help me lose weight?

হ্যা, যোগ আপনার ওজন কমাতে খুবই সাহায্য করে।যোগ বডিকে detox থেকে শুরু করে fat কমানোর মত নানা রোগের সমাধান প্রদান করে।

5. আমরা কী অনলাইন যোগ শিখতে পারি শুরুতে ? Can I learn yoga online as a beginner? 

যখন আপনি শুরু প্রথম Yoga করছেন তখন অনলাইন ভিডিও থেকে প্র্যাক্টিস না করাই ভাল, এতে বড় injury হবার চান্স বেশি।

ভুল আসন দীর্ঘ দিন করলে শরীরের উপকারের বদলে ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায় তাই কোন yoga class শেখাই ভাল।

6. যোগ শিক্ষার সময় কী টীচার আমাকে স্পর্শ করবে ? Is the teacher going to touch me?

হ্যা স্পর্শ করবে, প্রতিটি আসন একদম ঠিক ভাবে করার জন্য টাচ করা কিছুটা প্রয়োজন। তবে এতে যদি আপনি uncomfortable ফিল করেন তবে সাথে সাথে টীচারের সাথে কথা বলুন। সবচেয়ে ভাল ছেলেরা পুরুষ টীচার ও মেয়েরা মহিলা টীচারের থেকে যদি  শেখেন।

7. শুরুতে কী ধরনের যোগ আসন করা উচিত? What yoga style should I practice?  

দেখুন যোগ পধুতির নানা ভাগ আছে যেমন হঠ যোগ, নাদা যোগ, কুণ্ডলিনী ইত্যাদি, নামের মায়াতে শুরুতে না জড়িয়ে বেসিক যোগ আসন প্রথমে শিখুন কোন সঠিক যায়গা থাকে।
 
কারণ বয়স, শারিরীক গঠন, নমনীয়তা ও লিঙ্গ অনুজাই বিশেষ কিছু আসন করা প্রয়োজন, সব রকম আসন সবার জন্য নয়। সঠিক যোগ গুরুর নির্দেশে ও উপস্থিতিতে যোগ আসন শুরু করুন।

8. যোগ আসনের জন্য কোন ধরনের গুরুর প্রয়োজন ? How do I find a yoga teacher?

প্রথম ব্যাপার হল যোগ শিক্ষা সর্বদা কোন বয়জেষ্ঠ গুরুর কাছে শেখা প্রয়োজন, যার অনুভব বা জ্ঞান আছে যোগ শাস্ত্রের উপর।

যোগ কোন stretching নয়, প্রতিটা আসনের নির্দিষ্ট কারণ আছে তাই Yoga টীচার সেই রকম ভাবেই সিলেক্ট করবেন যিনি আপনাকে কারণ সম্মত ভাবে yoga শেখাবেন।    

9. যোগ আসনের আগে কিছু খাওয়া উচিত ? Can I eat before yoga practice?

না Yoga অভ্যাস সম্পুর্ন খালি পেটে করা উচিত, যদি কিছু হালকা খান তার অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা পরে ও ভারি কিছু খেলে ৬-৭ ঘণ্টা পরে Yoga প্র্যাক্টিস করা উচিত।

Exit mobile version
0