জেনে নিন Yoga কিছু সেরা স্বাস্থ্য উপকারিতা | 20 health benefits of yoga in bengali

Yoga বা যোগ অভ্যাস শুধু ব্যায়ামের বা স্ট্রে্চ নয়, এটি  নিজের বিকাশের একটি সুঘঠিত প্রক্রিয়া।যা শারিরীক ও মনসিক অবস্থার উপর নিজস্ব নিয়ন্ত্রনে আনার বিশেষ পদ্ধতি।

Yoga health benefits ও প্রচুর এবং সমস্থ কিছুই বিজ্ঞান সম্মত্ত ভাবে প্রমানিত সত্য, তাই এরকম  20টি বিশেষ উপকারিতা বিষয় আজ আপনাদের বলব।   

1. শারীরিক নমনীয়তা বৃদ্ধি:

যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরে স্টিফনেস কম করে ও সমস্থ পেশী কে পূর্ণ রূপে স্ট্রে্‍চ করে, যাতে প্রতিটি পেশী সম্পুর্ন রূপে বিকশিত ও নমনীয় হয়।   

2. প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি :

যোগ অভ্যাস বা Yoga আমাদের মাইন্ড ও বডির মধ্যে ব্যালান্স তৈরি করে যার ফলে আমরা আমাদরে প্রোডাক্টীভিটি কে নিজের নিয়ন্ত্রনে নিতে পারি।

যার ফলে আমরা কোন কাজ নর্মাল গতির চেয়ে 2 গুণ গতিতে ও মন সংযোগ সহকারে সম্পাদন করা সম্ভব।

3. এনার্জি সিষ্টেম ব্যালান্স:

Yoga বিভিন্ন আসন নির্দিষ্ঠ প্রক্রিয়াতে শারিরীক ও মানসিক প্রয়োজন অনুজাই বডির এনার্জি মধ্যে সমতা সৃষ্টি করে। যার ফলে শরীর রিল্যাক্স ও প্রয়োজনে অ্যাক্টিভ ভাবে সমস্থ কাজ কর্ম করতে পারে।

4. শারিরীক ঘঠন: 

Yoga আমাদের মেরুদণ্ডের ঘঠন থেকে শুরু করে বুকের পাজরের আকৃতি, কধের অসমতা বা রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম, পায়ের ঘঠন শরীরিক ঘঠন কে সঠিক সমতায় আনতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: রাউন্ড শোল্ডার সমস্যা কী?

5. বয়সের প্রভাব হ্রাস:

যোগ অভ্যাস আমাদের শরীরের সমস্থ রকম toxin দূর করতে ও স্কিনের উজ্জলতা বজায় রাখতে ও নতুন Skin cells তৈরি করতে সাহায্য করে যার ফলে শরীরের উপর বয়সের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়।

6. Flexible Joints:

সুস্থ শরীরের জন্য Flexible Joints খুবই জরুরী, Yoga আমাদের শরীরে বিভিন্ন Joint এবং তার আসে পাশের সমস্থ পেশী গুলির স্ট্রে্‍চ করে। যাতে প্রতিটি Joint এর flexibility বারে এবং arthritis জাতীয় রোগের সম্ভনা কমে যায়।  

7. Core Strength:

শরীর মধ্যে বেশি ব্যবহৃত কিন্তু গঠন গত ভাবে কমজোর পেশী গুলির মধ্যে একটি হল Core মাসেল।

Yoga এই মাসেল গুলিকে শক্ত সমর্থ করতে সাহায্য করে যাতে  বডি ব্যালান্স ঠিক থাকে এবং পিঠ ও কোমরের যন্ত্রনা সমস্যা না হয়।


8. স্ট্রেস রিলিফ:

যোগ অভ্যাসের সবচেয়ে উপকারী গুণের মধ্যে একটি হল স্ট্রেস রিলিফ, কারন Yoga শরীরের মধ্যে তৈরি হওয়া codesol, Adrenalin, ইত্যাদী স্ট্রেস হরমনের প্রভাব কমায় ও Serotonin, Dopamine হরমনের প্রভাব বৃদ্ধি করে।  

আরও পড়ুন: 7টি যোগ আসনের দ্বারা সহজে স্ট্রেস রেলিফের উপায়।   

9. মানসিক স্থিতি বা মুড:

আমাদের প্রতিটি কাজের জন্য সঠিক মানসিক স্থিতির বা মুড  গুরুত্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ আমাদের মানসিক স্থিতি আমাদের কাজের মধ্যমে ফুটে ওঠে, খারাপ মুড বা মানসিক স্থিতি দ্বারা কোন কাজের ভাল পরিণাম আসা করা সমভব নয়।

এই স্থিতি উপর নিয়ন্তন পেতে Yoga সবচেয়ে বেশি হেল্প করে যাতে আপনি আপনার মুড দ্বারা কম নিজের ইচ্ছার দ্বারা সমস্থ কর্ম করতে পারেন।

10. মাইন্ড ফোকাস:

আজকের দিনে মাইন্ড কে নিজের ঈচ্ছায় নিজের নিয়ন্ত্রনে আনা ও একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়, যার জন্য আমার হইত অনেক কিছু করে থাকি কিন্তু লাভ হয় না।

তাই যোগ হল এমন এক প্রক্রিয়া যা শরীরের সাথে মনের তালমেল সৃষ্ঠী করে ও মন কে নির্দিষ্ঠ দিশা প্রদান করে যাতে খুব সহজ কে নিজের মাইন্ড ফোকাস নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়।  

11. সেলফ ডিসিপ্লিন:  

একটি সফল মানুষের প্রতীক হল সেলফ ডিসিপ্লিন, যোগ অভ্যাস আমাদের শরীর ও মন ডিসিপ্লিন তৈরি করতে সহজ্য করে বিভিন্ন আসনের মধ্যমে।

কারণ যোগ আসন সম্পুর্ন করতে মানসিক ও শারিরীক স্থিতির এক সাথে মেল বন্ধন্ হওয়া প্রয়োজন।  যার থেকে শরীর ও মনরে উপর সেলফ ডিসিপ্লিন সৃষ্ঠ।

12. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:

যোগ আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি জন্য গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ যোগ আসন বা Yoga আমাদের ব্রেনের মধ্যে অক্ষজেন ও nutrient যুক্ত ব্লাড  পরিমাণ বাড়ায়।

এবং Dehydration সমস্যা কমায় যাতে ব্রেন BDNF  (brain-derived-neurotrophic-factor) হার বৃদ্ধি পায়।

ফলে পুরোন নিউরন গুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও নতুন নিউরন তৈরি হয় যা  নতুন জিনিস শেখার ক্ষমতাকে ও বিচার শক্তিকে অনেক গুণ বাড়িয়ে তলে।


13. ইম্যুনিটি বৃদ্ধি :  

সুস্থ শরীরের ও সঠিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ইম্যুনিটির খুবই প্রয়োজন, এই ন্যাচারাল ইম্যুনিটি তৈরি জন্য বডি কে সঠিক অবস্থায উপনীত করার পদ্ধতি হল Yoga ।

কারন যোগ শরীরের গঠন তন্ত্র থেকে শুরু করে এনার্জি সিষ্টেম ও প্রয়োজনীয় হরমোন গুলির মধ্যে সঠিক ব্যালান্স তৈরি করে যা immunity বাড়াতে সাহায্য করে।    

আর পড়ুন: 7টি যোগ আসন যা ইম্যুনিটি বাড়াতে সাহায্য করে।

14. ব্লাড প্রেসার লেভেল:

যোগ অভ্যাসের আমাদের শরীরের মধ্যে ব্লাড systolic ও diastolic ব্লাড প্রেসারে মাত্রা ব্যালান্স করে ও ব্লাড প্রেসার থেকে হওয়া শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতির পরিমাণ কে কমায়।

আরও পড়ুন: যোগ আসনের সাথে ব্লাড প্রেসার কমানোর উপায়।  

15. ব্লাড সুগার:

সঠিক ধরনের যোগ আসন আমাদের ব্লাড সুগার লেভেল কে সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ইনসুলিনে হরমোন ক্ষরণ কে ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।

এবং এর সাথে যোগ আসন বেশি সুগার থেকে হওয়া নানা সমস্যা ও digestion ইমব্যালেন্স কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করতে সাহায্য করে।   

আরও পড়ুন: 9টি সহজ যোগ আসন দ্বারা ব্লাড সুগার বা diabetes কমানোর উপায়।

16. সঠিক নিদ্রা:

সারা দিন ১০০ ভাগ প্রোডাক্টিভ ভাবে কাজ করতে হলে সম্পুর্ন নিদ্রার খুবই প্রয়োজন, কিন্তু বেশির ভাগ মানুষের জীবনে ঘুমের ঘাটতি থেকেই কোন না কোন ভাবে থেকেই যায়।

Yoga নিদ্রা ঘাটতি স্থিতি কে ব্যালান্স করে ও স্ট্রেস হরমোনের প্রভাব ও নেগেটিভ দুশ্চিন্তা কমায় যাতে গভীর ভাবে নিদ্রা সম্পুর্ন হয়।

যারা অত্যাধিক ঘুমের সমস্যাতে ভূগছেন তার যোগ নিদ্রা ও meditation অভ্যাস করতে পারেন এতে দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

আর পড়ুন: যোগ নিদ্রা কী?

17. সঠিক পরিপাক বা Digestion:

সঠিক ভাবে digestion বা পরিপাক শরীরের সম্পুর্ন পুষ্টি গুণের আবশ্যক। যার জন্য Yoga আমাদের সঠিক হরমোন ও সুস্থ সবল digestion সিষ্টেম মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।

18. Toxins কমায় :

যোগ আসন আমাদের Lymphatic সিষ্টেম কে বুস্ট করে যার জন্য আমাদের শরীরে জমে থাকা বজ্র পদার্থ এবং Extra fluid কে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যাতে শরীরে প্রতিটি কোষ সুস্থ ও রোগের হাত থেকে সুরখিত থাকে।   

19. Thyroid ব্যালান্স:

যোগ আসন আমাদের thyroid গ্রন্থির প্রভাব আনে  যাতে শরীরের মধ্যে thyroxine হরমোনের মাত্রা ব্যালান্স হয়।

আরও পড়ুন: Yoga সাথে Thyroid কে ব্যালান্স করার পদ্ধতি।     

20. লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি:

Yoga রক্তের মধ্যে থাকা লোহিত কণিকার উত্পাদন মাত্র সঠিক ভাবে  বজায় রাখে যাতে অনিমিয়া জাতীয় রোগ না হয় ও শরীর সম্পুর্ন সুস্থ ও স্বভাবিক থাকে।    


এছাড়াও আছে অজস্র নানা ধরনের উপকার যা বলে শেষ করা যাবে না। আসা করি আপনাদের এই article ভাল লেগেছে।

আমাদের নতুন ব্লগের আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া বেল icon ক্লিক করুন

আপনার যদি কোনও মতা মত থাকে তবে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না। এছাড়া আপনি যদি অনলাইন  Meditation শিখতে চান তবে এখুনি CALL করুন +91 9433-657-349 নাম্বারে।   

বাচ্চাদের সুস্থ শরীরের জন্য রহিল ১১টি যোগ আসন | Yoga Asana For Kids In Bengali

বাচ্চাদের জীবনে যোগ অভ্যাসের গুরুত্ত :

Yoga বা যোগ আসন প্রতিটিই বাছাদের শারিরীক ও মনসিক পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে এক অসাধারণ প্রক্রিয়া।

যা প্রতিটি বাচ্ছাদের শারিরীক নমনীয়তা থেকে শুরু করে সমস্ত পেশীর সুষম বিকাশ ও মনসিক স্থিতিশীলতা প্রদান করে।

এছাড়াও সঠিক ধরনের Yoga বাচ্ছাদের পড়াশুনার competition থেকে হওয়া স্ট্রেস, ডিপ্রেশান কাটিয়ে উঠে সাহায্য করে।

এবং ব্রেন কে ফোকাস করতে ও নিজের মধ্যে পজিটিভ attitude তৈরি করতে সাহায্য করে।  

ছোট বয়স থেকেই বাচ্ছাদের যোগ অভ্যাসের সাথে যুক্ত করা অর্থ হল বাচ্চাদের সুস্থ ভবিষ্যতের ভিত সৃষ্ঠী এবং Yoga benefits আছে প্রচুর।


11 Yoga Asana For Kids

ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসনটি প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন প্রতিটি বাছাদের মেরুদণ্ড শক্ত করে, হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।

কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন। এছাড়াও বাচ্চাদের মেন্টাল ফোকাস কে বাড়াতে ও শরীরের স্ট্রেস লেভেল কে কমাতে   সাহায্য করে।


2. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

সেতুবন্ধন আসন পদ্ধতি: 

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন বাচ্চাদের বডিকে Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে flexibal সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও চুলের পরা কমে।   


3. মত্‍স আসন (Matsyasana):

মত্‍স আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল জায়গা বেছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।এবার ধীরে ধীরে কোনুই থেকে হাত কে বেন্ড করে কোমর কে মাটি তে ঠেকিয়ে চেষ্ট কে stretch করে উপরে তুলুন।

ও ধীরে ধীরে মাথা কে পিছনের দিকে বেন্ড করে মাটিতে ঠেকান যাতে আর্চ আকার হয় পিঠের কাছে।এই অবস্থায় বডি কে  হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যতটা সম্ভব। 

উপকারিতা:

এই আসন বাচ্চাদের মস্তিষ্কে ব্লাড ও nutrient প্রভাহ সঠিক করতে সাহায্য করে, চেষ্ট মাসেল কে সঠিক ভাবে স্ট্রে্‍চ করে।   

এই আসন মাইন্ড কে ফোকাস করতে ও শরীরের বাচ্ছাদের শরীরে মধ্যে সারা দিন সঠিক মাত্রায় এনার্জি লেভেল কে বজায় রাখতে সাহায্য করে।


 উষ্ট্রাসন (Ustrasana) :

উষ্ট্রাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন বাচ্চাদের কম ফাইবার খাওয়া থেকে হওয়া খুবই কমোন কোষ্ঠ কাঠিন্য সমস্যা কে দূর করতে সাহায্য করে।

এছাড়া ফাস্ট ফুড খাওয়া থেকে হওয়া গ্যাস, অম্ল বা বদ হজম সমস্যা দূর করে ও পেটের ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।     

এবং শরীরের অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে এই আসন।


5.  অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Ardha pincha mayurasana):

 অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।

এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের concentration ও মেমারি বাড়াতে এবং ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন করতে সাহায্য করে এবং কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে।   

এছার এই আসন বাচ্চাদের হাতের ও কাধের পেশীর কে সুগঠিত করে যাতে বাচ্ছাদের রাউন্ড শোল্ডার (Round Sholder) সমস্যা না হয়।      


6.  উথানপদ আসন (Uttanpadasana):

উথানপদ আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, ও হাত গুলি দুই পাশে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন এমন ভাবে যেন শরীরের মধ্যে কোন গ্যাপ না থাকে।

এবার দুটি পায়ের পাতা কে সাথে ঠেকিয়ে গভীর নিশ্বাস নিয়ে এক সাথে বিন হাটু ভাজ করে হাতের উপর জোর দিয়ে 45 ডিগ্রি অঙ্গেলে তুলুন।

এই অবস্থায শরীর কে লক করুন হোল্ড করুন্ যতটা সম্ভব।    

উপকারিতা:

এই আসন বাচ্চাদের পেটের সমস্যা যেমন গ্যাস, অম্ল, বধহজম কে কমায় ও digestion সিষ্টেম কে ক্ষমতাশালি করে তলে।

এছাড়া পায়ের ও কোমরে সমস্থ পেশী কে মজবুত করতে ও বিভিন্ন হরমোন কে ব্যালান্স করতে এই আসন্ খুবই উপকারী।


7. নবাসন (Navasana) :   

নবাসন আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোটদের Core Strenth বাড়াতে ও পায়ের পিছনের দিকের সব পেশী গুলি কে শক্ত করতে সহজ্য করে।   

এছাড়া পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায় ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  


8. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।

তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোট দের মেরুদণ্ড কে মজবুত করতে ও আপার বডি স্ট্রে্‍চ করতে সাহায্য করে।  

এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের স্ট্রেস হরমোনের উপর সমতা আনতে সাহায্য করে।         


9. চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন  আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে,  নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে কোমর থেকে স্ট্রে্‍চ করে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  

যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন ছোট দের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ করতে এবং বডির এনার্জি লেভেল বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং lungs এর ও হজমের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এই আসন।  


10. পবন মুক্ত আসন(Pavanamuktasana) :

পবন মুক্ত আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গায় লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন, হাত ও পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে।

এর পর দুটি পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বুকের কাছে আনুন ও দুটি হাত এবর উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে আঙুল গুলি interlock করুন।

এর পর গভীর নিশ্বাস নিন ও নিজের ঘাড় কে স্ট্রে্‍চ করে হাটুর কাছে নিয়ে যান ও হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।  

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে শরীরের স্ট্রেস হরমোন ও পেটের সমস্থ সমস্যা দূর করে এবং বডি স্ট্রে্‍চ করতে সাহায্য করে।  

কারন শরীরের হরমোন ইমব্যালেন্স থাকে তবে শরীরে সঠিক ভাবে কোন গঠন মূলক কাজ করতে পারে না তাই এই আসনটি খুবই গুরুত্ত পূর্ণ।


11. বৃক্ষাসন (Vriksasana) :

বৃক্ষাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়াতে হবে, এর পর নিজের দুটি হাত কে নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে আনুন ।

তার পর বডির ব্যালান্স রেখে নিজের ডান পা কে হাটু থেকে ভাজ করে বা পায়ের হাটুর উপর আনুন।

ও ধীরে ধীরে মেরুদণ্ড সোজা রেখে নিজের হাতকে নমস্কার ভঙ্গিতে সমান ভবে মাথার উপর নিয়ে যান ও হোল্ড করুন।

এবং আবার নরমাল অবস্থা ফিরে আসুন ও পা বদল করে একি ভবে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মত।   

উপকারিতা:

এই আসন পায়ের পেশী ও ligament সমস্যা দূর করে, বডির মধ্যে ব্যালান্স আনে ও মন কে একই দিকে ফোকাস করতে সাহায্য করে এই আসন। এর পর বাচ্চাদের সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে সূর্য নমস্কা র্আসন।    



আসা করছি আপনাদের পোস্ট টি ভাল লেগেছে। যদি আপনার কোনও বিশেষ মতামত থাকে তবে আমদের কমেন্ট বক্সের মধ্যে জানতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ


রাউন্ড শোল্ডার সমস্যার চির সমাধান | 8 yoga to fix rounded shoulders in bengali

রাউন্ড শোল্ডার Round Shoulder:

আজকের দিনে প্রতি ১০ জন মানুষরে মধ্যে ৬ জন মানুষ রাউন্ড শোল্ডারের সমস্যায় ভুগছেন।না জানতে হইত আপনি বা আপনার বাড়ির ছোট বা বড় যে কোন সদস্যরা এই সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু হইত বুঝতেও পাছেন না।

তবে দীর্ঘ দিনের এই সমস্যার ফলাফল খুবই মারাত্মক, এই round shoulder প্রোব্লেম থেকে আপনার হতে পারে –

ঘাড়ের পিঠের ও কোমরের টান লাগা ও যন্ত্রনা, রোজই প্রায় মাথার যন্ত্রনা, Arthritis, Disc Herniation বা ঘাড়ের ডিস্ক এর সমস্যা , স্পাইনাল কর্ডের সমস্যা, back Pain, osteoarthritis ও সব সময় এনার্জি কম ভাব ইত্যাদি।       

রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেমের সৃষ্টির কারণ কী?

  • বেশি smart phone বা tablet ব্যবহার করা
  • বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করা
  • সারা দিন একই ভাবে গাড়ি চালানো
  • chair এর মধ্যে half বসা ও half শুয়ে থাকা অবস্থা বসা
  • অতিরিক্ত ওজন বহন করা
  • হাটা সময় কাধ কে সামনের দিকে ঝুকিয়ে রাখা
  • মাথা নিচু করে হাটা
  • অনেক ক্ষণ ঘাড় কে নিচু করে বা হেলিয়ে mobile এর মধ্যে কথা বলা
  • বুক ফুলিয়ে শরীর কে সামনে হেলিয়ে হাটা ও আরও অনেক কিছু।  

আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম আছে?   

প্রথম উপায়:

নরমাল আপনি এখন যে ভেবে বসে আছে এই ভাবে বডি কে একই জায়গায় ফিক্স করে রাখুন।দেখুন আপনার দুটি কান কাধের সাথে এক সরল রেখা বরাবর আছে নাকি এগয়ে আছে কিছুটা।

যদি এক সরল রেখায় যদি কান না থাকে তবে বুঝে নিতে হবে আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম রয়েছে।

দ্বিতীয় উপায়:

একটি দেওয়ালের সামনে পিঠ ঠেকিয়ে দাড়ান, এর পর নরমাল ভাবে থাকেন সেই posture এ দাড়ান।দেখুন আপনার মাথা পিঠ ও কোমর কী এক সরল রেখায় আসছে কিনা যদি না থাকে তবে জানবেন আপনার রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম আছে।

উপরে দেওয়া দুটি উপায় থেকে যদি বুঝতে পারেন এই problem আছে  তবে এই 6টি যোগ অভ্যাস রোজ বাড়িতে করুন ভাল হতে।       


8 Yoga To Fix Rounded Shoulders:

1.  ভুজঙ্গ আসন (Bhujangasana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে cuff rotator muscles এর position ঠিক করে যাতে কধের বক্র ভাব কম হয়।

এছাড়া এই আসন আমাদরে lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও heart রেট কে ব্যালান্স  করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


গোমুখ আসন (Gomukhasana):

গোমুখ আসন পদ্ধতি:

https://youtu.be/-qbPrlf1oxE

প্রথমে একদম সমতল যায়গা খুজে বসুন একদম মেরুদণ্ড সোজা করে নরমাল ভাবে, এবার আপনার বা হাটু ভাজ করে রাখুন ও ডান পা লম্বা করে ছরান ও বা পায়ের উপর দিয়ে বাজ করে নিন।

লক্ষ্য রাখবেন দুটি হাটু মাথা সমান সমান ভাবে থাকে, তার পর নিজের বা হাত কনুই থাকে বেন্ড করে পিঠের পিছনে নিয়ে যান।

তার পর নিজের ডান হাত কনুই থেকে বেন্ড করে মাথার উপর থেকে নিচের দিকে নাবিয়ে আনুন ও নিজের বা হাত কে ধরুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

তার পর একই ভাবে হাত পাল্টে ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও শরীরের নমনীয়তা অনুজাই।

উপকারিত:

এই আসন আমাদরে lower pec muscle কে শক্ত করতে যার ফলে কধের  ও মাথার পজিশন সঠিক হয় শরীরের সাথে।  

এছাড়াও এই আসন শরীরের নমনীয়তা ও হাত ও পায়ের নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ও শরীরের ক্লান্তি বা স্ট্রেস দূর সাহায্য করে।


3.  চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।

এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে বুকের ও পিঠের ঘটন গত ভাবে প্রয়োজনীয় পেশী গুলিকে শক্ত করে।    

এছাড়া এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।


4..  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যতটা সম্ভব্ হয় ও মাটিতে স্পর্শ করান।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন পিঠের ও ঘরের নিচে সমস্থ পেশী গুলি কে শক্ত ও নমনীয় করতে সাহায্য করে যাতে কধের ও মাথার alinement সঠিক ভাবে হয়।

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. মার্জারি আসন (Marjaryasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে হাত ও পায়ের উপর ভর দিয়ে হামগরি দেওয়ার পজিশানে আসুনমেরুদণ্ড সোজা রেখে।  এর পর মাথা কে উপরের দিকে তুলে পিঠকে নিচের দিকে স্ট্রেচ করুন যতটা সম্ভব।

আবার নরমাল পজিশানে ফিরে মাথাকে নিচের দিকে নামিয়ে পিঠকে উপরের দিকে তুলে স্ট্রেচ করুন ও কিছু খন হোল্ড করুন।

উপকারিতা :

এই আসন আমাদের বুকের ও পিঠের upper muscles কে পুরোপুরি ভাবে স্ট্রেচ করতে এবং দুর্বল ও গঠন গত ভাবে জরুরী পেশী গুলি কে শক্ত করতে সাহায্য করে।

ও স্পাইনাল কর্ডের গঠন গত ত্রুটি, পিঠের ও ঘরের ব্যথার সমস্যা কে খুব সহজে দূর করে।    


6. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=CZGtSaOvb50

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।

তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদের upper ও lower pec muscle কে stretch করে ও কাধের গঠন গত আকার সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে।  

এই আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা সৃষ্ঠী হয়।  


7. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের aliment ঠিক করতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ও দুর্বলতা কমে।   


8. রাজকপত আশন (Rajakapotasana) :

রাজকপত আশন পদ্ধতি

https://www.youtube.com/watch?v=U2oimBogB4k

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান।

এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

উপকারিতা:

এই আসন আপনার পিঠের কমজোর পেশী যেমন Upper Traps কে শক্ত করতে সাহায্য করে যাতে বুকের শক্ত  হয়ে থাকা পেশী গুলি নরম হয় ও রাউন্ড শোল্ডার প্রোব্লেম থেকে মুক্তি দেয়।  

এছাড়া এই আসন পায়ের পেশীকে শক্ত করে, যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, শারিরীক দুর্বলতা দূর করে।


আসা করছি আপনাদের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছি যাতে আপনাদের উপকার হয়। আপনার কোন মতামত থাকলে আমাদরে Email করতে পারেন contact@wisdomcue.com এর মধ্যে। ধন্যবাদ

আমাদের সমস্থ ব্লগ আপডেট পেতে উপরে বা নিচে দেওয়া bell icon ক্লিক করুন ধন্যবাদ ।

যোগের সাথেই Back Pain এর চির সমাধান | 15 Yoga for Back pain in Bengali

Back Pain :

আপনার হয়তো জানেন বর্তমানে Back pain আর lower Back pain খুবই কমন সমস্যা হয়ে দরিয়েছে ১০০ মধ্যে ৬০ ভাগ মানুষের মধ্যে।

বিশেষত এই প্রোব্লে দেখা যায় চাকরি জীবী মানুষ, স্কুল স্টুডেন্ট ও ওয়েট লিফিটিং করা প্লেয়ার দের মধ্যে বেশি।

তবে এক গবেষনায় মাধ্যমে জানা গেছে এর মুখ্য কারন গুলির মধ্যে হল ভুল পজিশনে বসে ডিস্ক আলাইনমেনন্ট নষ্ট করা।

ও ভুল ভাবে অতিরিক্ত ওজন বহন করা বা কোন গুরুতর আঘাত এবং  শরীরের ক্যাল্সিয়াম অভাব।

তবে এই সমস্যার চিকিতসা গুলির মধ্যে আছে রেগুলার মেডিসিন বা খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশানে অপারেশন।

কিন্তু এ ছাড়াও আমার Yoga ও বিশেষ কিছু ব্যায়াম মধ্যমে ও নিজের Body Alignment ঠিক করে আমার গোরা থেকে এই সমস্যা কে নির্মূল করতে পারি।

তাই আজ শিখে নেবো ১৮ টি যোগ আসন্ যা আপনার back pain এর সমস্যা থেকে চির মুক্তি দেবে।

1.  নবাসন (Navasana):   

আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের Core strength কে বৃদ্ধি করে যাতে কোমরে alignment সঠিক থাকে ও মেরুদণ্ডের শক্ত ও নমনীয় হয়।

এছাড়া এই নবাসন কোমরের পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি নিষ্কাশন  করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


2. বীরভদ্রা আসন Virabhadrasana :

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের পিঠের সমস্থ পেশী গুলি কে সুগঠিত করে ও বিশেষ করে lower Back নির্দিষ্ট alignment বজায় রাখে।

যার ফলে কোমর ও পিঠের নিচের দিয়ে হওয়া সমস্থ ব্যথা গোরা থেকে নির্মূল হয়ে যায়।   

এবং এছাড়াও এই আসন আমাদরে শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও শরীরে বিভিন্ন পেশীর মধ্যে অক্সিজেন প্রবাহ মাত্র ঠিক করে।


3. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই আসন পিঠের ব্যথা থেকে শুরু করে কাধের alinement ঠিক করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।  

এবং L1 থেকে L5 সমস্থ vertebrae গুলির সঠিক ভাবে বিন্যাস বজায় রাখে যাতে পিঠের যন্ত্রনার কষ্ট কিছুটা কমে।  

এছাড়াও এই আস দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।   


4. ভুজঙ্গ আসন(Bhujaga asana):

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠেকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন।

উপকারিতা:

ভুজঙ্গ আসন শরীরের কমজোর ভাব ও হাতের জয়েন্ট ব্যাথা ইত্যাদি সমস্যার খুবই করে এই আসন।

এছাড়া এই আসন lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এছাড়া  শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে ও সঠিক ভাবে রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।


5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন।এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে পা কে ধীরে ধীরে শরীরের উপরে দিকে তুলুন যতক্ষণ না পা মাথার পিছনের দিকে পৌছছে, এই হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।  

উপকারিতা:

সেতুবন্ধন আসন আমাদরে স্পাইন Stretch করতে ও কাধের ও ঘাড়ের alinement ঠিক করতে সাহায্য করে।

এছাড়া এই আসন আমাদের নার্ভের উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ  করে।

এ আসন আমাদরে শরীরের শ্বেত রক্ত কণিকা পরিমাণ বৃদ্ধি করে যাতে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  


 6. হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।

দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।

লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই হ্যালাসন আমাদরে L1 থেকে L5 পর্যন্ত সমস্থ ডিস্ক গুলি ঠিক ঠাক  align করতে ও পিঠের পেশী গুলি শক্ত করে।    

এছাড়া এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।


7. ধনুর আসন (Dhanurasana):

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে।    

এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।    


8. উস্ত্রসনা পদ্ধতি (Ustrasana):

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


9. শিশু আসন (Shishuasana):

শিশু আসন পদ্ধতি :

সবার প্রথমে সমতল জায়গায় বসুন, এর পর ডান পা ও বাম পা হাটু থেকে বেন্ড করুন ও হাটুর উপর ভর দিয়ে উয়াথে দাড়ান।

দুটি পা যেন পিছনে থাকে এক সাথে একে অপরের সাথে জোর লেগে, এবার পায়ের উপর বসুন ধীরে ধীরে যেন আপনার মেরুদন্ড একদম সোজা থাক। 

এর পর নিজের দুটি হাত লম্বা করে মাথার উপর তুলুন ও গভীর একটি নিশ্বাস নিন এবার নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত সমেত উপের বডি কে মাটিতে স্পর্শ করান ও হোল্ড করুন।

উপকারিতা:

এই শিশু আসন কোমরের, পিঠের ও ঘাড়ের স্ট্রেচ করতে ও মেরুদণ্ড নমনীয় করতে সাহায্য করে।    

এবং এই আসন আমাদের শরীরে স্ট্রেস কমায় ও blood circulation কে বাড়ায় ও শরীরের  কমজোর ভাব কাটায় এবং  নমনীয়তা বৃদ্ধি করে।


 10. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি: 

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব   নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

বৃশ্চিকাশন উপকারিতা: 

এই আসন ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন প্রবাহ সঠিক করতে সাহায্য করে ও   আমাদের শরীরের lymphatic সিষ্টেম সক্রিয়তার বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যাতে শরীরের toxin বা বজ্র পদার্থ গুলি আমাদরে শরীর থেকে বাহিরে বেরিয়ে যায় ফলে শরীর সুস্থ থাকে ও বডির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে    


11.  পশ্চিমত্তান আসন  (PASHCHIMOTTAN ASANA)

পশ্চিমত্তান আসন প্রণালী :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে নরমাল ভাবে বসুন মেরুদণ্ড একদম সোজা করে। এর পর দুটি পা লম্বা করে ছড়িয়ে দিন, বা পাকে ভাজ করে দান পায়ে পাশে জোর করুন্।

এবার দুটি হাত দিয়ে লম্বা করে ছড়িয়ে রাখা দান পায়ের কাছে নিজের দুটি হাত কে নিয়ে যান, এর পর নিজের মাথা কে ধীরে ধীরে নিজের হাটুর সুপর স্পর্শ করান।

এই অবস্থায হাতের উপর জোর দিয়ে শরীরকে যতটা সম্ভব স্ট্রেচ করুন ও সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান।  

লক্ষ্য রাখতে হবে পা যেন কোনও যায়গা থাকে বেন্ড না হয়ে যায় ও শরীরের পিছনের অংশ মাটি স্পর্শ করে।

একই রকম ভাবে পা পরিবর্তণ করে নতুন করে প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই ও আসনের সময় গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন সারা পিঠের ও কোমরের পেশী গুলির স্ট্রেচ করে ও নমনীয় করে যাতে পিঠের ব্যথার সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।  এবং thymus অ্যাক্টিভেট করে যার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।  


12. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন।

এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের কোমরের পেশী গুলি কে শক্ত করতে ও সারা পিঠের সমস্থ অংশ কে স্ট্রেচ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


13.  চক্রাসন (Chakrasana):  

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন।  যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও এবং শরীরের স্ট্রেস হরমনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির ইনসুলিন সোম সমস্যা ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


14॰ ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।

এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব।একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।কোমরের সমস্থ পেশী কে নমনীয় ও মজবুত করে এই আসন।


 15. গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana):

আসন প্রণালী:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসনের মতো করে বসুন। তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনের দিকে টানুন।

তারপর যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুককে মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।

মেঝেতে পুরোপুরি সমান হয়ে এই আসনে কিছুক্ষন বসে থাকুন এবং পুরো শরীরটিকে রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন।

তারপর নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন ও আস্তে আস্তে শ্বাস নিন।

এবং এই অবস্থানটিকে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন। 

উপকারিতা:

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি  কার্য ক্ষমতা ও স্ট্রেস ব্যালান্স করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে। 

আপনার যদি কোন বিশেষ শরীরিক সমস্যা থাকে তবে অব্যসই আপনার Doctor এর সম্মতি নিয়েই যোগ আসন গুলির প্র্যাক্টিস করুন ।


আসা করছি আপনাদেরে সঠিক ইনফর্মেশন দিতে পেরেছি। পোস্টটি সম্পুর্ন পড়ে কেমন লাগলো জানতে ভুলবেন না আমাদের কমেন্ট বক্সে । আমাদের সমস্থ নতুন আর্টিকেলের সবার প্রথমে আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell icon ক্লিক করুনধন্যবাদ


Yoga সাথে ফ্যাট লসের গ্যারান্টি | 10 Yoga for Fat loss in bengali

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) রিপোর্ট অনুজাই বিশ্বের 1.9 বিলিয়ন মানুষ যাদের বয়স ১৮ বছরের উপর তারা Overweight এবং এদের মধ্যে প্রায় বেশি ভাগ মানুষ মেদবৃদ্ধি  obesity সমস্যাতে ভুগছেন।

2018 আর একটি পরিসংখান অনুজাই 40 মিলিযান বাচ্ছা যাদের বয়স 5 বছরে নিচে তারাও obesity বা শরীরে জমা extra Fat এর শিকার।

বর্তমানে এই পরিসংখানের বেশির ভাগ মানুষের অকাল মৃতুর কারন হয়ে দাড়ছে  overweight এবং obesity।

এছাড়াও আছে রোজ কার বাড়তে থাকা স্ট্রেস, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি হীন জীবন ও খুব কম পরিমাণে টাটকা ফল মূল ও সবুজ শাক সবজি খাওয়া অভ্যাস ।

তাই প্রতিটি মানুষের বয়স অনুজাই নিজের বডির ওজন জেনে নেওয়া উচিত সঠিক BMI চার্ট অনুজাই।   

প্রতিটি মানুষ যাদরে ওজন বেশি তাদরে সবার আগে সতর্ক হওয়া উচিত্‍, রোজ কম বেশি শারিরীক অ্যাক্টিভিটি করা উচিত না হলে পরিণাম খারাপই হবে।

তাই আজ আমার বিশেষ 10টি যোগ আসনের কথা বলব যা ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ঘাটতি কম করে ও ফ্যাট লস করতে সাহায্য করবে।


1.  নটরাজ আসন (Natarajasana):

নটরাজ আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=TXNgRNsqcPo

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর নিজের বড়িকে ব্যালান্স রেখে ডান পা হাটু থেকে ভাজ করে ব্যুকের কাছে আনুন।

এর পর ডান হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরে, ডান হাতের সাহায্য নিয়ে পা কে পিঠের দিকে নিয়ে যান, বডি কে ব্যালান্স রাখতে আপনি নিজের বাম হাত সামনের দিকে লম্বা করে রাখতে পারেন।  

এবার পা কে ছেড়ে দিয়ে মাথার উপর দিয়ে 2টি হাত কে ঘুরিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ের পাতা স্পস করুন বা ধরুন।

যদি আপনার ব্যালান্স করতে অসুবিধা হয় আপনি বাম হাত সামনের দিকে ছড়িয়ে রাখতে পারেন বা কোন দেওয়াল স্পর্শ করে সাপোর্ট নিতে পারেন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।    

নটরাজ আসন উপকারিতা:

এই আসনটি আপনার তল পেট, থাই ও পায়ের পেশী কাছে জমে থাকা extra ফ্যাট কে কমায় ও পেশী গুলির মধ্যে নমনীয়তা আনে।

এই আসন শরীরে মধ্যে তৈরি হওয়া স্ট্রেস হরমোন কে কমায় এবং ইনসুলিন লেভেল কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন।


2. নবাসন (Navasana):   

নবাসন আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=QVEINjrYUPU

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন দুটি পা কে সামনের দিকে ছড়িয়ে ও মেরুদণ্ড কে সোজা করে।

এর পর মাটিতে দুটি হাত রেখে ও হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের আপার বডি কে পিছনের দিকে 45 ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে নিয়ে আসুন।

এর পর একই ভাবে নিজের দুটি পা কে সামনের দিকে উপরে তুলুন ঠিক 45 ডিগ্রি আঙ্গেলে, এবার মাটি থেকে দুটি হাত কে তুলে কাধের সমান সমানে লম্বা করে সামনের দিকে ছড়ান।

যেন হাত দুটি পা কে স্পর্শ না করে, এই অবস্থা নিজকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। একই ভাবে হাত ও পা পাল্টে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

নবাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেটের ও থাই এর নিচের দিকে ও দুটি হাতে উপরের অংশে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ কে কমায়।

এবং পেশী গুলি শক্ত, নমনীয় ও সুগঠিত করে, এছাড়া এই আসন শরীরের ও কিডনির কাছে জমে থাকা বজ্র পদার্থ গুলি ন্নিষ্কাশন করেতে ও হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।   


3. ত্রিকোণ আসন (Trikonasana) :

ত্রিকোণ আসন প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদণ্ড সোজা রেখে লম্বা ভাবে দাড়ান, এবার দুটি পা কে যতটা সম্ভব দুদিকে ছড়ান।

নিজের দুটি হাত কে সোজা করে দুদিকে ছড়ান ও নিজের পায়ের পাতা গুলিকে ডান দিকে ঘুরিয়ে নিন।এবার আস্তে আস্তে কোমর থেকে বেন্ড করে নিজের হাতকে ডান পায়ের পাশে হাতের তালু মাটিতে স্পর্শ করান।

ও নিজের ডান হাতকে উপরে সমান ভাবে তুলে রাখুন, এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে হোল্ড করুন যতটা সম্ভব। একই রকম ভাবে হাত ও পা কে পরিবর্তন করে আসানটি প্র্যাক্টিস করুন।

ত্রিকোণ আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমরে দুই পাশে হাতের মধ্যে জমে থাকা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এই আসন মেরুদণ্ড কে শক্ত করে ও হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করতে সাহায্য করে।


4. ফলকাসন (Phalakasana):

ফলকাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=MGj1eknWWTo

প্রথমে একটি পূর্ণ সমতল যায়গা খুজে পেটর উপর ভর দিয়ে লম্বা ভাবে সুয়ে পড়ুন।এবার হাত দুটি বুকের দুই পাশে সামান্য একটু দুরুত্বে রাখুন।

এর পর নিজের পায়ের পাতার সামনের অংশ ও দুই হাতের সাহায্যে নিজেকে পুরো শরীরকে উপরে তুলুন।  

শুধু হাত ও পা ছাড়া কোন অংশ মাটিতে টাচ না করে, এই পজিসানে গভীর ভবে নিশ্বাস  নিয়ে নিজেকে হোল্ড করুন।

ফলকাসন উপকারিতা:

শরীরের মেদ বা চর্বি কমানর জন্য এই আসনের মত উপকারী আসন দ্বিতীয় কিছু নেই।

এই আসন সারা পেট, কোমর, হাত ও পায়ের থাই এবং পেটের ও বুকের দুই পাশে জমা চর্বি বা ফ্যাট কে দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।দুটো হাতের জোর পেশী ও কাধের নমনীয়তা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই আসন।    


5।  বীরভদ্রা আসন (Virabhadrasana):

বীরভদ্রা আসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=uEc5hrgIYx4

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ান, এর পর বুকের কাছে হাত জোর করে কোমর থেকে নিজের শরীর থেকে বেন্ড করুন নিচের দিকে।

এর পর আস্তে আস্তে নিজের ডান পা লম্বা করে পিছন দিকে ছড়ান এবং কোমর থেকে নিজেকে বডিকে লক করুন।

এবার নিজের হাত দুটি সামনে লম্বা করে ছড়ান প্রয়োজনে হাত জোর করে প্রণাম পজিশানে দাড়াতে পারেন। এই অবস্থায হোল্ড করুন ও পা পরিবর্তণ করে আবার প্র্যাক্টিস করুন।

বীরভদ্রা আসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদরে থাই ও পেটের নিচের দিকে সমস্থ ফ্যাট কমতে, শরীরের সমস্থ হরমোন কে ব্যালান্স করতে ও হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।    


6.  হ্যালাসন (Halasana) :

হ্যালাসন পদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=guM2w_i55Vw

সবার প্রথম একটি পূর্ণ্য সমতল যায়গা তে শুয়ে পড়ুন, দুটি হাত থাকবে  কোমরে দুই পাশে লম্বা ভাবে।দুটি পায়ের মধ্যে যেন কোন গ্যাপ না থাকে, ও যেন পায়ের দুটি বুড়ো আঙুল এক সাথে স্পর্শ করে থাকে।

এবার দুটি হাতের উপর ভর রেখে পা দুটি মাথার পিছন দিকে নিয়ে যান যত টা সম্ভব্ হয়  ও মাটিতে স্পর্শ করান ।লক্ষ রাখতে হবে পা যেন বেন্ড না হয় ও কোমর যেন মাথার পিছনের দিকে চলে না আসে।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

এই আসন সুগার ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে ও শরীরের stiffness কম করে এবং শরীরের মধ্যে ব্যালান্স বজায় রাখে।   


7. উস্তাসন পদ্ধতি (Ustrasana):

উস্তাসনপদ্ধতি:

https://www.youtube.com/watch?v=_NNnowkcIqU

সবার প্রথমে একটি সমতল জায়গায় পা জোর করে বসুন, তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে হাটুর উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ান ও মেরুদণ্ড কে সোজা করুন।

তার পর আস্তে আস্তে দুটি হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে পিছনে শরীরকে বেন্ড করে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। এবার নিজেকে হোল্ড করুন এই আসনে ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

উস্তাসন উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি কার্য ক্ষমতা ব্যালান্স  করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই আসন শরীর থাকে অতিরিক্ত লবণ ও বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন হরমোন কেন্দ্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।   


8. অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন (Dolphin pose):

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন পদ্ধতি :

প্রথমে  একটি  পূর্ণ সমতল যায়গা বেছেনিন ও নিজের শরীর কে হামগরী দেওয়ার পজিশানে নিয়ে আসুন হাটু ও কোনুই সাহায্যে।

এবার দুটি হাত কাছে এনে  হাতের 10টি  আঙুল একে অপরের সাথে interlock করুন ও নিজের মাথা নিচে দিকে সমান করুন। এর পর হাতের কোনুই ও সামনের অংশ মাটিতে রেখে কোমর থেকে নিচের অংশ কে ধীরে ধীরে উপরে তুলুন।

যেন আপনার বডি কে দেখতে উল্টো V আকারের মনে হয়, এই পজিশন নিজেকে হোল্ড করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

অর্ধ পিঞ্চা মযুরাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের ব্রেন এর মধ্যে রক্ত সঞ্চালন থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও Heart ও lungs এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হাত ও কোমরেরে বিভিন্ন পেশী কে শক্ত সমর্থ করে। 


9. ধনুর আসন (Dhanurasana):

ধনুর আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন ও সম্ভব হলে মেঝের উপর কিছু পেতে নিন।তার পর বুকের উপর ভর দিয়ে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন, হাত লম্বা ভাবে মাথার দিকের ও পা সমান ভাবে বিনা কোন গ্যাপ দিয়ে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে রাখুন।

এর পর পা দুটি হাটু থেকে ভাজ করুন ও ধীরে ধীরে মাথার দিকে নিয়ে আসুন লক্ষ রাখবেন পায়ের মধ্যে বেশি গ্যাপ না হয় ও পেট যেন মাটিতে স্পর্শ করে থাকে।

এবার মাথার পিছন দিক হাত দুটি স্ট্রেচ করে নিয়ে আসুন ও পায়ের বুড়ো আঙুল কে স্পর্শ করুন।

ধনুর আসন উপকারিতা:  

এই আসন আমাদরে পেট ও কোমররে কাছে দীর্ঘ দিন ধরে জমে থাকা ফ্যাট কে কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আসন আমাদরে endocrine gland কে উদ্দীপিত করতে শরীরের ইনসুলিন ও নানা হরমোনের সমতা আনতে সাহায্য করে।         


10. চক্রাসন (Chakrasana):  

চক্রাসন আসন পদ্ধতি:

প্রথমে আপনি শুয়ে পড়ুন একটি সমতল যায়গাতে শবাসনে, ও নিজের পায়ের মধ্যে যেন খুব সামান্য ফাক থাকে এবং নিজের হাত মাথার উপর দিকে থাকে।এর পর পা হাটুতে থেকে ভাজ করুন আস্তে আস্তে বডি কে উপরে দিকে তুলুন।

এবং হাতের তালুর সাহায্যে বডির উপরের অংশ তুলুন ও যতটা সম্ভব হাত কে পায়ের দিকে প্রসারিত করুন। যাতে শরীর একটি চক্র আকার ধারন করে এই পজিশনে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

চক্রাসন উপকারিতা:

এই আসন আমাদের স্পাইন ও পেটের মাসেল কে স্ট্রেচ ও পেটের চর্বি কমাতে এবং শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা কম করতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

এছাড়াও বডির স্ট্রেস হরমোন ও অক্সিজেন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্ট প্রোব্লেম থেকে মানুষ কে দূরে রাখে এই আসন।  


আর পড়ুন : meditation ও উপকারিতা, আর পড়ুন : yoga nidra কী ?


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন


আশা করি আমি আপনাদের উত্তর দিতে পারেছি , আপনার মূল্য বান মতামত আমাদের কমেন্ট বক্সে জানতে পারেন। ধন্যবাদ


Exit mobile version
0