৬টি মেডিটেশনের টিপস | 6 Meditation Tips In Bengali

আমরা জানি সঠিক Meditation বডির বেনিফিট প্রচুর। কিন্তু আমার হয়ত জানিনা কিছু ছোট ছোট অজানা জিনিসের জন্য মেডিটেশানের সমস্থ উপকার থেকে কিছুটা বঞ্চিত থেকে যাছি।

তাই আজ 6টি Meditation Tips বলব যার মধ্যমে সর্বাধিক উপকার পাবেন।       

1. বৈদিক মুদ্রা  Mudra:

মুদ্রা হল ভারতীয় ঋষিদের তৈরি সর্ব শ্রেষ্ঠ পধুতির মধ্যে একটি, যার অর্থ হাতের নির্দিষ্ট ভঙ্গি বা বিশেষ কোন রূপ।যা আমাদরে সারা শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম অ্যাক্টিভেট করে, এবং যা নিজের চেতনার ও উপলব্ধির এক অন্য স্তরে পৌছতে সাহায্য করে।

তাই ঋষিদের মতে Meditation এর জন্য “ধ্যান মুদ্রা”  “জ্ঞান মুদ্রা” সবচেয়ে বেশি উপযোগী।  

ধ্যান মুদ্রা:

ধ্যান অর্থ চেতনা ও মুদ্রা হাতের বিশেষ পধুটি। এক কথায় চেতনা ও বিকাশের নতুন স্তরের প্রবেশ পদ্ধতি ।

ধ্যান মুদ্রা পদ্ধতি :

ধ্যান মুদ্রা

প্রথমে আপনার দুটি হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, নিচে বা-হাত ও তার উপর ডান হাত পরস্পর বিপরীতে।

তার পর দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি গুলি একে অপরের মাথায় মাথায় স্পর্শ করান যাতে হাতের তালুর সাথে টাচ না হয়ে থাকে। সম্পুর্ন এই ভঙ্গিমা কে বলা হয় ধ্যান মুদ্রা।


জ্ঞান মুদ্রা:

জ্ঞান অর্থ বুদ্ধি ও মুদ্রা অর্থ হাতের এক বিশেষ পদ্ধতি। এক কথায় জ্ঞান মুদ্রা হল নিজের অন্তরে জ্ঞানের সন্ধান।

জ্ঞান মুদ্রা পদ্ধতি :

https://www.youtube.com/watch?v=mgj1IvxSVMk
জ্ঞান মুদ্রা

প্রথমে দুটি হাত কে হাটুর উপর রাখুন, এবার হাতের তর্জনী দিযে বৃদ্ধা অঙ্গুলি মাথা স্পর্শ করান। ও বাকি মধ্যমা, অনমিকা ও কনিষ্ঠা কে সমান লম্বা ভাবে রাখুন যাতে কোনও জায়গা বেন্ড না হয়। সম্পুর্ন এই ভঙ্গিমা কে বলা হয় জ্ঞান মুদ্রা।  


2. যোগ আসন :

যোগের জন্মদাতা মহর্ষি পতঞ্জলি জীবনের প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট  আসন সৃষ্ঠী করেছিলেন। তার মধ্যে বিশেষ কিছু আসন Meditation সময় সবচেয়ে বেশি সমতা ও একাগ্রতা প্রদান করি এবং সে গুলি হল “সুখাসন”, “বজ্রাসন” ও “পদ্মাসন” ।  

এই আসন গুলি আপনার বডির নির্দিষ্ট দেহভঙ্গি বজায় রাখতে ও শরীরে এনার্জি ব্লক থাকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

কারণ খারাপ বা ভুল দেহভঙ্গি বডির মধ্যে এনার্জি ফ্লো নষ্ঠ করে, তাই মেডিটেশান করার জন্য সঠিক আসন খুবই গুরুত্ত পূর্ণ।

বজ্রাসন পদ্ধতি:

বজ্রাসন

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নরমাল ভাবে বসুন, তার পর হাটুর উপর ভর দিয়ে দাড়ান। এবার দুটি পা পিছনে মুরে এক সাথে গাযে গায়ে ঠেকান ও আস্তে আস্তে পায়ের উপর বসুন সোজা হয়ে।

মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও হাত দুটি হাটুতে বা নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে রাখুন। এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।


পদ্মাসন পদ্ধতি :

পদ্মাসন

প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন ও এবার বাঁ পা হাঁটু থেকে ভেঙে ডান থাই এর উপর এবং ডান পা একইভাবে বাঁ থাই উপর রাখুন।

যতটা সম্ভব ততটা করুন প্রথমে জোর করে কোন কিছু করার দরকার নেই। এবার হাত দুটো চিৎ করে অথবা ধ্যান করার ভঙ্গিতে দু’হাঁটুর উপর রাখুন।


সুখাসন পদ্ধতি:

সুখাসন

প্রথমে শিরদাঁড়া সোজা করে নরমাল ভাবে বসুন, ও নিজের হাত দুটি নিজের দুই হাটুর উপর রাখুন। মাথা যেন সামান্য উপরের দিকে থাকে। এবং গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।


3. নাডি শোধন প্রাণায়াম :

এই প্রাণায়াম উদ্দেশ্য আমাদের শরীরে মধ্যে থাকা ৭২,০০০ হাজার নাড়ির বা জীবন শক্তির প্রবাহ নালিকর মধ্যে সমতা সৃষ্ঠী করে।এই শোধন প্রক্রিয়ার হল দুটি প্রধান নাড়ির উপর সমতা আনার প্রচেষ্ঠা। যাতে আমদের শরীরের ভিন্ন শক্তির মধ্যে ব্যালান্স বজায় থাকে।

মেডিটেশানের সময় সমস্থ এনার্জি শরীরের মধ্যে পূর্ন সমতায় কাজ করলে তবেই আমরা সঠিক এফেক্ট পাবো।

নাড়ি শোধন প্রণালী : 

https://www.youtube.com/watch?v=LqBorxxdNlI

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন। মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

আপনার বা হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, তার পর ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন খুব জোরে নয় আস্তে যাতে নিশ্বাস না নিতে পারেন।

তার পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ৫ সেকেন্ড হোল্ড করুন। তার পর ডান হাত টা বা দিকের নাকের উপর আনুন ও ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।এবার ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন আবার হাত পাল্টে বা দিক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।


4. মেডিটেশানের দিক (Direction):

ভারতের সমস্থ শাস্ত্রে দিক খুবই গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা পালন করে তবে অনেকেই এই বেপার সম্বন্ধে জানেন না, কারণ নির্দিস্থ এক একটি দিক নির্দিস্থ কিছু বিশেষ শক্তির প্রতিনিধিত্ত করে।

তার মধ্যে Meditation এর জন্য পূর্ব দিন হল উপকারী কারণ পূর্ব দিক্ সূর্য বা জীবন শক্তির সূচনার প্রতীক।

ঋষিরা বলেছেন এই পূর্ব দিকে মুখ করে যদি আপনি meditation করেন তবে আপনি প্রচুর পরিমনে পজিটিভ এনার্জি পাবেন যা আমাদের জীবনে খুবই প্র্য়োজন। এছাড়া পূর্ব দিক মুখ করে ধ্যান করলে তার গভীরতা ও অনুভব সবচেয়ে প্রবল হয়।   


5. মেডিটেশানের সময় Time:  

এই মহাবিশের সবচেয়ে শক্তিশালী বস্তু হল সময় যা আমাদরে জীবনেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ভারতের মুনি ঋষিরা প্রতিটিই কাজের জন্য বিশেষ সমযে ভাগ করেছেন। মেডিটেশান এর জন্য সঠিক সময় বলা হয়েছে ব্রহ্ম মুহূর্ত বা সূর্য উদয়ের আগের মুহূর্ত।

এই সময় প্রকৃতি মধ্যে বিশেষ কিছু পরিবর্তণ হয় যার ফলে আমাদের বডির প্রকৃতি থাকে পজিটিভ চার্জ সংগ্রহ করতে পারে। এই সময় মেডিটেশান করলে আমরা ধ্যানের গভীর খুব সহজই প্রবেশ করতে পারি।  

6. খাদ্য অভ্যাস:

সবসময় মনে রাখা উচিত মেডিটেশন খালি পেটে করা উচিত বিশেষত সকালে।যদি খাবার পর meditation করা হয় তবে মাইন্ড ও বডির নিজের মধে তাল মেলর সমস্যা সৃষ্ঠী হয়। তাই সবসময় খালি পেটে মেডিটেশান করা উচিত।


সুস্থ থাকতে ও আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

যদি আপনার অনলাইন বা অফলাইনে meditation শিখতে চান তবে দেরি না করে এখুনি ফোন করুন এই নাম্বারে – +91-9433-657-349

মহাদেব ও মহা শিবরাত্রী গুরুত্ত | Significance of Maha Shivratri In Bengali

Maha Shivratri

“শিব কথার প্রকৃত অর্থ হল শূন্য” বা  যা সম্পুর্ন নিরাকার। শিবই হল অনুভব শিবই হল পরম সাধন। ঋষি দের মতে শিব যিনি সমস্থ বাধন হতে মুক্ত যিনি সর্ব জ্ঞানী, ত্রিকাল দর্শী ও সর্বত্র বিরাজমান।যিনি সারা মহাবিশ্বের সময়ের বাধন হতে মুক্ত তিনি হলেন সমস্থ ইন্দ্রের ঈশ্বর সয়ং শিব।    

ভগবান শিবের পূজা কোন সহজ বিজয় নয় কারণ তিনি সমস্থ বাধন হতে মুক্ত।তাই শিবের সাধনা ও প্রাপ্তি শুধু আপনার অনুভব মাত্র। ভগবান  শিবকে জানার প্রচেষ্ঠাতে নানা সিদ্ধ পুরুষ ও  মুনি ঋষিরা নিজের সমস্থ জীবন অর্পণ করেছেন।

আজ প্রযন্ত কেউ সঠিক উত্তর দিতে পারেনি সঠিক ধারনা দিতে পাড়েনি, কারণ সবার সাধনা ভিন্ন ও অনুভব ভিন্ন ।

মহা শিবরাত্রী

ॐ নামঃ শিব শিবয়ঃ

মহা শিবরাত্রি (Maha shivaratri) :  

মহা শিবরাত্রি হল উত্তর গোলার্ধের গভীর তম রাত কারণ এই দিন উত্তর গোলার্ধের পজিশান খুবই অদ্ভুদ রকম ভাবে পরিবর্তিত হয়। এই দিন এই প্রকৃতি আমদের জীবনের চেতনা ও এনার্জির অনুভবের চরমে  নিয়ে যেতে সাহায্য করে।

spiritual বা আধাক্তিক পথের সমস্থ মানুষরা  এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেন।  এই দিন প্রকৃতি তাদের সাধনার ও সিদ্ধির চরম সীমায় নিয়ে যেতে সাহায্য করে। এই দিন প্রতিটি মানুষের জীবনের জন্য গুরুত্ত পূর্ণ সে আপনি যে কোনও কাজের সাথেই যুক্ত থাকুন না কেন।

এই দিন প্রকৃতির অপনার জীবনের সমস্থ শক্তি কে ক্রমাগত বৃদ্ধি ও চরম সীমায় নিয়ে যাতে সাহায্য করে।


Maha Shivratri পালনের বিশেষ কারণ:

  1. শিবরাত্রী  প্রতিটি মানুষের মধ্যে থাকা তম গুণ ও রজ গুনের মধ্যে সমতা শ্রীষ্ঠী বিশেষ সুযোগ। এতে  লোভ ক্রোধ রাগ হিংসা থেকে মনকে খুব সহজে মুক্ত করা যায়।  
  2. যদি আপনার Vata দোষ থাকে তবে এই দিন খুব সহজে শোধনের মাধমে আপনার শরীরের নানা রোগ যেমন রুক্ষ তক, ঘুমের সমস্যা  থাকে খুব সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।
  3. যারা গভীর রোগ নিয়ে দীর্ঘ দিন ভুগছেন তারা মহা মৃতুঞ্জয় জব করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
  4. এই দিন বিধি পূর্বক পঞ্চভূত শুদ্ধি দ্বারা শরীরে ও মনের নানা সমস্যা থেকে নিশ্চিত রেহাই পাওয়া যায়।  

Maha Shivratri গুরুত্ব পূর্ণ রীতি:

  • সকল বেলায় স্নানের পর এই দিন ও সঠিক বৈদিক মন্ত্র উচারণ মন্দিরে পূজা সম্পূর্ণ  করা উচিত।
  • এই দিন প্রতিটি মানুষের সম্পুর্ন রূপে উপস করা উচিত বা না হলে  ফল অহার করা উচিত।
  • শিব রাত্রির রাত্রে না ঘুমিয়ে, মেরুদন্ড সোজা রেখে বসা সবচেয়ে গুরুত্ত পূর্ণ। কারণ এই এনার্জির পরিবর্তন বছরে মাত্র একবার  অনুভব করা যায় যা সমস্থ মানুষের জন্য উপকারী।  
  • এই দিন শরীরে সুতির নরম কাপড় পরা সবচেয়ে বেশি উপকারী ও চামড়ার জিনিস এই দিন যত কম ব্যবহার করা উচিত।
  • যদি আপনি এই দিন সাধনা বা meditation করেন তবে খুবই ভাল আপনি সাধনা চরম সীমায় খুব সহজে যাতে পারবেন। তাই সাধনার ও অনুভববের চরম সীমায় যাবার শ্রেষ্ঠ দিন হল মহা শিব রাত্রি।

তবে বর্তমান  ভগবান শিব কে আড়ম্বরের দেবতা বানিয়ে একটি শিবরাত্রি Business চলছে মাত্র, ভারতের খুব কম যায়গাতে আজ বেচে আছে শিবের সাধনা পদ্ধতি যা জীবন কে পরিবর্তণ করতে পারে।


যদি আপনার Online meditation শিখতে চান তবে যোগ যোগ করুন 9433-657-349 নাম্বারে

বৈদিক সূর্য নমস্কার প্রণালী | Surya Namaskar In Bengali

Surya Namaskar: সূর্য অর্থাত্‍ জীবন, চেতনা, সমতা ও প্রাণ শক্তির উত্‍স এবং নমস্কার অর্থ প্রণাম ও প্রণাম আমাদের ঈশ্বর্কে যার হাত দিয়ে এই সৃ্ষ্ঠীর বিকাশ ও চেতনার বিকাশ।

সূর্য নমস্কার এর মনে হল জীবন প্রদান করি সূর্য় বা সূর্য শক্তির প্রতি নমস্কার যার থাকে আমাদের জীবন সম্ভব, আমাদের শরীরের জ্যমিতিক গঠন সম্ভব এবং আমাদের চেতনার বিকাশ সম্ভব।

সূর্য নমস্কার হল প্রকৃতি নিজস্ব গতির সাথে তালমেল সৃষ্ঠীর এক সুগঠিত প্রক্রিয়া, যা 12টি আসন দারা তৈরি যা প্রকৃতির 12টি ঋতুর চক্রের মত।

12টি আসন নির্দিষ্ট 12টি বীজ মন্ত্র উচারণ এর সাথে সম্পুর্ন করাই হল সূর্য় নমস্কার, বর্তমনে শুধু যোগ প্রক্রিয়াটি অবশিষ্ঠ।

আজকের দিনে Yoga Studio গুলি আমাদের কিছুই শেখায় না তাই আজ এই blog টির মাধমে আপনাকে সমস্থ কিছু বিস্তারিত ভাবে বলব।  

1. প্রণাম আসন (Pranamasana):

ভোর বেলায়ে পূর্ব দিকে তাকিয়া সূর্য উদয়ের সাথে করা প্রথম আসন হল প্রণাম আসন। যার মাধমে আপনি জীবন প্রদান করি সূর্যদেব কে এই জীবনের জন্য ধন্যবাদ জানান।  

বীজ মন্ত্র: ॐ মিত্রায় নামঃ (Om Mitraya Namah)। 

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিক মুখ করে দাড়ান। তারপর মারুদণ্ড সোজা রেখে বুকের কাছে হাত দুটি জড়ো করে বীজ মন্ত্র  মিত্রায় নামঃ উচারণ করুন।     

2। হস্ত উট্টাসন  (Hastauttanasana)

সূর্য় উদয়ের সাথে করা পরের আসন হল হস্তাসন। যার মাধমে আমরা সূর্যদেব ও আমাদের মধে বিরাজমান পরম পিতা বা ঈশ্বর কে সৃষ্টির পরিবর্তণ ও বিকাশের জন্য ধন্যবাদ।     

বীজ মন্ত্র:  রবি নামঃ (Om Ravaye Namaḥ)

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে সোজা হয়ে দাড়ান, এবং হাত দুটি উপরে তুলুন যাতে কান স্পশ হয় হাতের সাথে।

এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে পিছন দিকে বড়িকে stretch করুন যতটা সম্ভব। এবং সূর্যের দিকে তাকিয়ে বলুন ॐ রবি নামঃ বীজ মন্ত্রটি।    

3। পদহস্তাসন (Padahastasana):

সূর্য উদয়ের সাথে করা তৃতীয় আসন হল পদহস্তাসন। যার মাধমে জীবন শক্তির উত্‍শ সূর্য ভগবান কে জানানো প্রভু পৃথিবীর প্রতিটি প্রান ও ক্রিয়ার সাথে সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ।

বীজ মন্ত্র:  সুরিয়ায় নামঃ (Om Sūryāya Namaḥ)

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান।এবার গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাটু না বেন্ড করে নিশ্বাস ছেরে কোমর থাকে বেন্ড করুন।  

হাত সোজা করে পায়ের পাশ থাকে মাটি স্পর্শ করুন। যতটা বডি stretch করা যায় করুন এবং ॐ সুরিয়ায় নামঃ বীজ মন্ত্রটি বলুন।

4। অশ্ব সঞ্চালনাসন (Ashwa Sanchalanasana):

সূর্য প্রনমের সাথে করা চতুর্থ আসন হল অশ্ব সঞ্চালনাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য দেব ধন্যবাদ জানানো সৃষ্টিতে আলো বা চেতনা প্রদান করার জন্য।

বীজ মন্ত্র:  ॐ ভানবে নামঃ (Om Bhanave Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান। ও গভীর নিশ্বাস নিয়ে বসুন হাটু ভাজ করে।প্রথমে ডান পা ভাজ করে পিছন দিকে পুশ করুন্ যতটা সম্ভব ও বা হাটু বুকের কাছে রাখুন।

ও হাত দুটি বা পায়ের কাছে সমান করে রাখে মাটিতে স্পর্শ করুন। এবং সূর্যের দিকে তাকিয়ে   ভানবে নামঃ মন্ত্রটি বলুন।      

5।  পর্বতাসন (Parvatasana):

সূর্য প্রনমের সাথে করা পঞ্চম আসন হল পর্বতাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্যদেব কে ধন্যবাদ জানানো সৃষ্টিতে সমতা ও জীবন চক্র সৃষ্ঠীর জন্য।

বীজ মন্ত্র:  ॐ খাগয়া  নামঃ (Om Khagaya Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্বদিকে মুখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা রেখে push-up পজিশানে আনুন ও মুখ যেন একটু উপরের দিকে থাকে। এবং তার সাথে বীজ মন্ত্র  খাগয়া  নামঃ উচারণ করুন।

6অষ্টাঙ্গ নমস্কারাসন  (Ashtanga Namaskara):

সূর্য প্রনমের সাথে করা ষষ্ঠ আসন হল অষ্টাঙ্গ নমস্কারাসন , যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্যদেব ও প্রকৃতি মা কে ধন্যবাদ জানানো আমাদের পালন পোষনের জন্য।

বীজ মন্ত্র:  ॐ পুশনে  নামঃ (Om Pusne Namah)।

আসন প্রণালী: থমে পূর্বদিকে মুখ রেখে মেরুদণ্ড সোজা রেখে শুয়ে পড়ুন।  হাত দুটি বুকের কাছে এনে রাখুন ও হাটু মাটিতে ঠেকিয়ে হাতের জোরে মাথা উপরের দিকে তুলুন ও নিশ্বাস ছারুন।

তার সাথে এই আসনের বীজ মন্ত্র   পুশনে  নামঃ উচারণ করুন।   

7। ভুজঙ্গাসন (Bhujangasana):

সূর্য় প্রনমের সাথে করা সপ্তম আসন হল ভুজঙ্গাসন , যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য়দেব কে ধন্যবাদ যিনি সর্ব গুণ সৃষ্ঠী কর্তা।  

বীজ মন্ত্র:  ॐ হিরণ্ণ গর্ভয়  নামঃ (Om Hiraṇya Garbhaya Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ুন কোনও সমতল যায়গাতে। তার পর দুটি পা টান টান করে পিছনে ছড়িয়ে দিন।

গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাত দুটির সাহায্যে কোমর মাটিতে স্পর্শ করে শরীরের উপরে ভাগ হাতের উপর জোর দিয়ে উপরে তুলুন। এবার সূর্যের দিকে মুখ রেখে বীজ মন্ত্র  হিরণ্ণ গর্ভয়  নামঃ উচারণ করুন।

8অর্ধ মুখ শবাসন (Adho Mukha Svanasana):

সূর্য় প্রনমের সাথে করা অষ্টম আসন হল অর্ধ মুখ শবাসন , যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য়দেব কে ধন্যবাদ যিনি আবেগ, অনুভুতি ও বুদ্ধির সৃষ্ঠী কর্তা।    

বীজ মন্ত্র:  ॐ মরিকায়ে  নামঃ (Om Maricaye Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে দাড়ান ও হাত দুটি সমান করে কানের পাশ দিয়ে সোজা উপরে তুলুন।

তার পর মেরুদণ্ড সোজা রেখে কোমর থাকে বেন্ড হয়ে মাটি স্পর্শ করুন। চেষ্ঠা করবেন এই বেন্ড অবস্থা শরীর V আকার ধারণ করে।

এই অবস্থা গভীর নিশ্বাস নিয়ে   মরিকায়ে  নামঃ বীজ মন্ত্র টি বলুন।   

 9। অশ্ব সঞ্চালনাসন (Ashwa Sanchalanasana): 

সূর্য় প্রনমের সাথে করা নবম আসন হল অশ্ব সঞ্চালনাসন, যার মাধমে পরম পিতা ও ভগবান সূর্য়দেব কে ধন্যবাদ জানানো যিনি সমান ভাবে একি নিয়মে সমগ্র সৃষ্ঠীর প্রতিটি বস্তুর পরিচালক।  

বীজ মন্ত্র:  ॐ আদিত্যায়  নামঃ (Om Adityaya Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে দাড়ান, এবার বা পা সামনে নিয়ে আসুন ও ডান পা পুরো stretch করে পিছনে নিয়ে যান। মেরুদণ্ড সোজা রেখে দুটি হাত বা পায়ের দু পাশে রাখুন ও নিজের থইয়ের পেশী গুলি যতটা সম্ভব stretch করুন। এবং মুখ সূর্যের দিকে তুলে ॐ আদিত্যায়  নামঃ বীজ মন্ত্রটি উচারণ করুন।  

10হস্ত পদাসন (Hastapadasana):

সূর্য উদয়ের সাথে করা দশম আসন হল হস্ত পদাসন। যার মাধমে জীবন শক্তির উত্‍শ সূর্য ভগবান কে জানানো প্রভু পৃথিবীর প্রতিটি প্রান ও ক্রিয়ার সাথে সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ।

বীজ মন্ত্র: ॐ  সবিত্রায়  নামঃ (Om Savitray Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে মারুদণ্ড সোজা করে দাড়ান।এবার গভীর নিশ্বাস নিয়ে হাটু না বেন্ড করে নিশ্বাস ছেরে কোমর থাকে বেন্ড করুন।  

হাত সোজা করে পায়ের পাশ থাকে মাটি স্পর্শ করুন। যতটা বডি stretch করা যায় করুন এবং ॐ  সবিত্রায়  নামঃ বীজ মন্ত্রটি বলুন।

11। উর্ধ হস্তাসন (Urdhva Hastasana):  

সূর্য উদয়ের সাথে করা পরের আসন হল হস্তাসন। যার মাধমে আমরা সূর্যদেব ও আমাদের মধে বিরাজমান পরম পিতা বা ঈশ্বর কে সৃষ্টির পরিবর্তণ ও বিকাশের জন্য ধন্যবাদ।     

বীজ মন্ত্র: ॐ অর্কায়  নামঃ (Om Arkaya Namah)।

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিকে মুখ করে সোজা হয়ে দাড়ান, এবং হাত দুটি উপরে তুলুন যাতে কান স্পশ হয় হাতের সাথে।

এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিয়ে পিছন দিকে বড়িকে stretch করুন যতটা সম্ভব। এবং সূর্যের দিকে তাকিয়ে বলুন ॐ অর্কায়  নামঃ বীজ মন্ত্রটি।    

12তদাসন (Tadasana):

ভোর বেলায়ে পূর্ব দিকে তাকিয়া সূর্য় উদয়ের সাথে করা দাদশ আসন হল তদাসন আসন।

বীজ মন্ত্র: ॐ ভাষকরায়  নামঃ (Om Bhaskaraya Namah)। 

আসন প্রণালী: প্রথমে পূর্ব দিক মুখ করে দাড়ান।তারপর মারুদণ্ড সোজা রেখে বডি রেলেক্স পজিশানে দাড়ান ও শরীররে গতিবিধি লক্ষ করুন।

এবং মনের মধ্যে  বীজ মন্ত্র ॐ ভাষকরায়  নামঃ  উচারণ করুন।

আপনার শরীর হল একটি ঈশ্বরের মন্দির ও যোগ হল সেই মন্দিরের ঈশ্বরের আরাধনা ।

সুস্থ থাকতে ও নতুন নতুন বিষয় জানতে এবং আমাদের সমস্থ নতুন article আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

আসা করি আপনাদের উত্তর আমি দিতে পড়েছি , যদি আপনার কিছু জানার থাকে তবে আমাদের মেল করুন বা কল করুন। আপনি যদি অনলাইন মেডিটেশন শিখতে চান তবে দেরি না করে আমাদের ফোন করুন +91 9433 657 349 নাম্বারে।    

6 Pranayama For Stress Relief In Bengali

6 Pranayama For Stress Relief In Bengali

1. নাড়ি শোধন প্রাণায়াম (Nadi Shodhan pranayama):

এই প্রাণায়াম আপনার শরীরে মধ্যে থাকা ৭২,০০০ হাজার নাড়ির বা জীবন শক্তির প্রবাহ নালিকর সমতা সৃষ্ঠী করে।

আমরা হইত এই নাড়ি গুলি অনুভব করতে পারি না তবে আমাদের জীবনের উপর এই নাড়ির প্রভাব সর্ব্রোত্ত।

এই ৭২০০০ হাজার নাড়ির গতি পথ প্রধান ২টি নাড়ির ইরা ও পিঙ্গলা  মধ্যে দিয়ে।

আমরা এই শোধন প্রক্রিয়ার মধ্যে এই দুটির নাড়ির উপর সমতা আনার চেষ্টা করি যাতে আমদের শরীরের শক্তির মধ্যে ব্যালান্স বজায় থাকে।

নাড়ি শোধন প্রণালী : 

https://youtu.be/LqBorxxdNlI

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন।  

তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

আপনার বা হাত আপনার কোলের উপর রাখুন, তার পর ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন খুব জোরে নয় আস্তে যাতে নিশ্বাস না নিতে পারেন।

তার পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ৫ সেকেন্ড হোল্ড করুন। তার পর ডান হাত টা বা দিকের নাকের উপর আনুন ও ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন।

এবার ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন আবার হাত পাল্টে বা দিক দিয়ে নিশ্বাস ছারুন। এই রকম ভাবে ৫ থাকে ৬ মিনিট প্র্যাক্টিস করুন আপনার সুবিধা মত ।

 2. ভ্রমরি প্রাণায়াম (Bhramari pranayama) :  

এই ভ্রমরি শব্দটি ভোমর থেকে নেওয়া, ভ্রমরি অর্থ হল হল ভোমরের মত  শব্দ সৃষ্ঠী। এই শব্দটি হল aum বা ওম যার সাহায্যে আমদের বডির স্ট্রেস, ব্লাড প্রেসার থেকে শুরু করে cholesterol, thyroid প্রতিটি সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়।

ভ্রমরি প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল যায়গাতে বসুন সুখাসনে, সবচেয়ে উপকার যদি আপনি পদ্মাসনে বসতে পারেন। তার মেরুদণ্ড সোজা করে মাথা কিছুটা উপরে তুলে গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

এবার দুটি হাত তর্জনীর দিয়ে দুটি কান বন্ধ করুন ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন।

এবার চোখ বন্ধ করুন ও মুখ না খুলে গভীর নিশ্বাস নিয়ে aum বা ॐ উচারন করুন যত খন না নিশ্বাস শেষ হছে।

এই ভাবে 5 থেকে 6 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা মতো প্রয়োজন অনুজাই সময় আপনি বাড়াতে ও পারেন।  

3. ভাস্তরিকা প্রাণায়াম (Bhastrika pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের concentrate করা থাকে শুরু করে শরীরের ঝিমুনি ভাব কমাতে সাহায্য করে।

এই প্রাণায়াম কে শরীর ও মনের এনার্জি প্রদান করে ও শরীরের স্ট্রেস বিনাশ করে। এ ছারাও এই প্রাণায়াম আমাদের স্কিন এর উপর বয়সের প্রভাব পড়তে দেয় না।

ভাস্তরিকা প্রাণায়াম প্রণালী :

প্রথমে সমতল জায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে ও মাথা সামান্য উপরে দিকে তুলুন। এবার নিজের হাত দুটি ধ্যান মুদ্রায় দুই হাটুর উপর রাখুন ।

এর পর গভীর ভাবে কয়েকটি নিশ্বাস নিন, তার পর এমন ভাবে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিন যাতে শ্বাস বায়ু আপনার বুকের মধ্যে জমা হয়।

যখন নিশ্বাস ছাড়বেন তখন বুকের উপর চাপ দিয়ে ছারুন। আসল বেপার  হল শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন চেষ্ট বা বুক কানেক্ট হয়।

এই প্রক্রিয়া যতটা সম্ভব হয় ততটা দ্রুত করা যায় ততটা করুন ও আপনার সুবিধা অনুজাই।

5 থেকে 6 মিনিট যদি রোজ প্র্যাক্টিস করেন তবে এর বেনিফিট সবচেয়ে  বেশি পাবেন।   

4. কপাল ভাতি প্রাণায়াম (Kapal Bhati pranayama):

এই প্রাণায়াম আমাদের বডির মধ্যে এনার্জি ও ফ্রেশনেস বজায় রাখতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে এই প্রাণায়াম হল lazyness এর যম।

এ ছারাও এই প্রাণায়াম ব্রেনের প্রতিটি কোষের মধ্যে অক্সিজেন সঞ্চালন এর মাত্রা বাড়িয়ে তোলে এর ফলে চিন্তা ভাবনার শক্তির ক্ষমতার বৃদ্ধি হয় ও স্ট্রেস লেভেল কমে।

কপাল ভাতি প্রণালী:

https://youtu.be/1d3erUbB3uw

প্রথমে একটি সমান যায়গাতে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে একদম মেরুদণ্ড সোজা করে। এবার বা হাত হাটুয়ে উপরে ও ডান হাত পাটের নাভির উপর রাখুন।

এর পর নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে বায়ু পেটের মধ্যে নিন ও পেট কে চাপ দিয়ে নিশ্বাস বাহিরে ছারুন। মনে রাখবেন আপনার শ্বাস প্রণালীর মধ্যে যেন আপনার পেট ও কানেক্ট করতে পারে।

এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত করুন যত টা সমভব, এটি 4 থাকে 5 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন নিজের সুবিধা অনুজাই।

5.উজাই প্রাণায়াম (Ujjayi Pranayama) :  

এর অপর নাম হল সমুদ্র-শ্বাস।এই প্রাণায়াম আমাদের ফুসফুস এর মধ্যে অক্সিজেন সাপ্লাই থেকে শুরু করে রক্তের চাপ বা ব্লাড প্রেসার ও নিয়ন্ত্রণ করে।

এই প্রাণায়াম আমদের শরীরের মধ্যে জমে থাকা দূষিত টকসিন বা বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে, যাতে শরীর মধ্যে কোন রোগ সৃষ্ঠী না হয়।

উজাই প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে।

দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত।  

প্রথমে একটি সমতল জায়গাতে সুখাসনে বসুন সুখাসন বা পদ্মাসনে মেরুদণ্ড পুরো সোজা রেখে।

দুটি হাত ধ্যান মুদ্রায়ে হাটুর উপর রাখুন, এর পর গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন যাতে প্রথমে পেট তার পর বুক বা চেষ্ট নিশ্বাসে ভরে যায় ।

তার পর আস্তে আস্তে পাটের অংশ তার পর বুকর অংশের মধ্যে ধরে রাখা শ্বাস বায়ু কে ছারুন। আস্তে আস্তে নিজের সুবিধা মত গতি বাড়ান।

এই প্রক্রিয়া রিপিট করুন 5 থাকে 6 মিনিট আপনি চাহিলে সময় আর বাড়াতে পারেন আপনার সুবিধা মত।  

6. চন্দ্রবেদী প্রাণায়াম (Chandra Bhedi Pranayama):

এই প্রাণায়াম কে চন্দ্র বেদি বলা হয় কারণ এই প্রাণায়াম আমাদের চন্দ্র কেন্দ্রিক শক্তি কে ব্যালান্স করে ।

যার ফলে আমদের শরীরে nerve এর প্রোব্লেম থাকে শুরু করে হাই ব্লাড প্রেসার , মানসিক চিন্তা ও ভয় সবকিছু থাকেই আমরা মুক্তি পাই।  

এ ছার আপনি যদি রেগে যান তবে এই প্রাণায়ামটি করুন এতে এক মিনিটে আপনার রাগ কমে যাবে নিশ্চিত।

চন্দ্রবেদী প্রাণায়াম প্রণালী:

প্রথমে আপনি সুখাসন বা সবচেয়ে ভাল পদ্মাসন বসুন যেন মেরুদণ্ড একদম সোজা থাকে । মাথা একটু উপরের দিকে তুলে রাখুন এর পর আপনার ডান হাত দিয়ে নাকের ডান দিক বন্ধ করুন।

যেন ডান দিক দিয়ে নিশ্বাস না নিতে পারেন । এর পর বা দিক দিয়ে গভীর নিশ্বাস নিন ও হোল্ড করুন 5 সেকেন্ড ও ছেড়ে দিন । এই ভাবে 5 থাকে 7 মিনিট প্র্যাক্টিস করুন ।

এ ছাড়াও স্ট্রেস রেলিফ এর জন্য আপনি যোগ (Yoga) করতে পারেন ও Meditation করতে পারেন।

মনযোগ সহকারে শুনবেন যদি আপনার কোন রকম গভীর শারিরীক সমস্যা থাকে তবে অনুগ্রহ করে আপনার ডাক্তার এর সাথে কনট্যাক্ট করুন ও ওনার পরামর্শ নিয়ে প্রাণায়াম গুলি প্র্যাক্টিস করুন ।

আপনার যদি স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান সমস্যা ভুগছেন তবে চাইছেন মুক্তি পেতে, তবে Meditation শিখতে এখুনি Call করুন +91 9433 657 349 নাম্বারে।

সুস্থ থাকতে ও নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে ও আমাদের নতুন Blog এর আপডেট পেতে উপরে বা নিচে থাকা Bell Icon ক্লিক করুন

7 যোগব্যায়াম স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দেয় | Yoga for Stress & depression relief

আজকের দিন ভয় স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন খুব কমন বেপার হয় দরিয়েছে প্রতিটা মানুষের মধ্যে।এই স্ট্রেস বা ডিপ্রেশন খুব খারাপ প্রভাব ফেলে মানুষের সর্বক্ষত্রের performance উপরে।

নানা গবেষনায় জানা গেছে স্ট্রেস মানুষের চিন্তা শক্তি বা decision নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় ও বডির মধ্যে CortisolAdrenaline  হরমোন পরিমাণ বাড়িয়ে তলে ।

গবেষনায় দেখা গাছে যে মানুষ স্ট্রেস বা ডিপ্রেসান ভোগেন তাদের কার্য ক্ষমতা 70 ভাগ কমে যায়। এ ছারও ব্লাড সুগার, ব্লাড প্রেসার, হার্ট আটেক্ চান্স ৬৫ থাকে ৭৫ ভাগ বাড়িয়ে তোলে ও সুইসাইড করার প্রবনতা ৫৫ ভাগ বাড়িয়ে তোলে।   

তাই স্ট্রেস আর ডিপ্রেসান কনট্রোল ও ব্যালান্স প্রতিটা মানুষের করা দরকার বিশেষ করে স্টুডেন্ট দের। তাই আজ বলব যোগের ৭টি উপায় যা স্ট্রেস ও ডিপ্রেসান প্রোব্লেম থাকে মুক্তি দেয়।   

7 yoga poses for stress and depression relief

1. অর্ধ মাতসয়েন্দ্রসন (Ardha Matsyendrasana):

এই আসনটির নাম হয়েছে ঋষি মতসেন্দ্র নাথের নাম অনুসারে। এই আসন শরীরের মধ্যে dopamine হরমোন প্রবাহ ঠিক করে যাতে স্ট্রেস ও ডিপেশীয়ন কনট্রোলে থাকে।   

https://www.youtube.com/watch?v=8_aGHWbSQrg

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা তে বসুন। গভীর ভাবে ৫টি নিশ্বাস নিন। তার পর পা জোর করে বসুন , তার পর সুবিধা মত ডান পা একই অবস্থা রেখে বা পা ডান হাটুর কাছে নিয়ে যান।

এবার নিজের শরীর কে বা দিকে twist করুন ও আপনার ডান হাত বা পায়ের হাটু তে রাখুন ও বা হাত মাটিতে রাখুন । যতটা সমভব মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও গভীর নিশ্বাস নিন। তার পর আবার পা ও হাত পাল্টে এআই আসন টি ৫ থেকে ৬ প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা :

এই আসন টি আপনার শরীরে সমস্থ অঙ্গে অক্সিজেন সাপ্লাই বাড়িয়ে তলে বিশেষত ব্রেন ও ফুসফুস বা lungs। এই আসন আমাদের রক্ত ফিলটার করেতে ও বডির স্ট্রেস হরমোন  নরমাল রাখতে সবচেযে বেশি সাহায্য করে।

এর ফলে শরীর যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের ভারসাম্য বজায় রাখে। যারা প্রতিদিন এক বার হলেও এই যোগ আসন করেন তাদের স্ট্রেস ও ভয়ের প্রভাব শরীরে ও মনের উপর প্রভাব বিস্তর করতে পারে না ।  


2. শিরশাসন (Sirsasana):

যোগের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ আসন হল শিরশাসন যা শুধু মাত্র মস্তিষ্কের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। এই আসন আমাদের  pituitary gland এর উদ্দীপনা ও সমতা বজায় রাখে ও শরীরের স্ট্রেস লেভেল কমায়।

https://www.youtube.com/watch?v=VrenTA2IFjI

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বেছে নিন, সবচেয়ে ভাল কোন দেওয়াল আছে। এর পর মাটিতে বসুন হাত দুটি মাটিতে রেখে পা দুটি দেওয়াল গায়ে রাখুন।  এবার আস্তে আস্তে হাতের উপর ভর দিয়ে দেওয়ালের উপর পা দুটি তুলুন যতক্ষণ না পুরো পা দুটি মাথার দিকে উপরে যাছে।

এই অবস্থায় হোল্ড করুন ৩০-৫০ সেকেন্ড তার পর আস্তে আস্তে পা নবিয়ে নিন।৫-৬ বার রিপিট করুন এই আসন তবে নিজের সুবিধা অনুযাই।

উপকারিতা :

এই আসন pituitary gland যা আমদের শরীরে রক্তের মধ্যে বিভিন্ন হরমোন প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করে তার উপর সমতা আনে। যার ফলে শরীরেব হরমোন সমস্যা যেমন thyroid, adrenaline ও cortisol ইতদি প্রোব্লেম যা আজকের দিনে খুব কমন টা থেকে রক্ষা করে।

ব্রেন এর মধ্যে রক্ত ও অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায় ও চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন। শরীরের মধ্যে Stress ও depression এর প্রভাব কমায় ও মস্তিষ্কের ফোকাস ক্ষমতা, মনে রাখার ক্ষমতা বাড়ায়, এই আসন যা প্রতিটা স্টুডেন্ট এর জন্য খুবই প্রয়োজন।


3. বজ্রাসন (Vajrasana):

 ভগবান ইন্দ্রের অস্ত্র হল বজ্র তারই নাম অনুসারে সৃষ্ঠী এই আসন। এই আসন মাইন্ড কে ফোকাস রাখতে শরীরবে স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করতে ও আপার ও লোয়ার বডির ব্যালান্স ঠিক রাখে এই আসন।  

আসন পদ্ধতি :

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নরমাল ভাবে বসুন, তার পর হাটুর উপর ভর দিয়ে দাড়ান। এবার দুটি পা পিছনে এক সাথে গায় গায় ঠেকান ও আস্তে আস্তে পায়ের উপর বসুন সোজা হয়ে।

মারুদণ্ড সোজা রাখুন ও হাত দুটি হাটুতে বা নমস্কার ভঙ্গিতে বুকের কাছে রাখুন। এবার গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। হোল্ড করুন ৩০ সেকেন্ড ও রিপিট করুন ৪ থাকে ৫ বার।                 

উপকার:

বজ্রাসন শরীরের মধ্যে জমে থাকা সমস্থ বজ্র পদার্থ নিষ্কাশন ও ব্রেনের অক্সিজেন প্রবাহ সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করে। এই আসন শরীরের স্ট্রেস ও anxiety সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। শরীরের রক্ত চাপ ও ব্লাড সুগার কনট্রোল করে।


4.  গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta Padmasana):  

যোগীরা বলেছেন এই  গুপ্ত-পদ্মাসন সর্বরোগ নিরাময় আসন । যা হৃদয ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে যার ফলে হাঁপানি রোগ থাকে শুরু করে cholesterol সব কিছু দূর থাকে।

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসন বসুন তারপর  হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনে দিকে টানুন যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার  চিবুক মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন।  

মেঝেতে পুরোপুরি লম্বা আসন অবস্থায এবং পুরো শরীরটি রিল্যাক্স  করার চেষ্টা করুন। নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন।

আস্তে আস্তে শ্বাস  নিন এবং এই অবস্থানটি কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড এর জন্য তারপরে আস্তে  আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন। ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার করুন অন্তত ৫ বার, এটি রিপিট করুন একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ও সময় বাড়ান ।


5. সেতুবন্ধন আসন (Setubandh asana):

এই আসনের নাম সেতু বন্ধন কারণ এই আসন আমাদের মাইন্ড ও বডির কানেকশেন ও স্ট্রেস মেনেজ সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।

https://www.youtube.com/watch?v=s9viczZ3eeQ

আসন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা বছে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন । এবার হাটু থাকে পা ভাজ করে নিন ও নিজের দুটি হাত কে শরীরে দুই পাশে লম্বা ভাবে টান টান করে পায়ের দিকে ছড়িয়ে রাখুন।

এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে কোমর থাকে শরীর কে উপরে দিকে তুলুন ও হোল্ড করুন ৩০-৪০ সেকেন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন ও ৫ থেকে ৬ বার রিপিট করুন এই আসন।

উপকারিতা:

এই আসন আমাদের nervous সিষ্টেম উদ্দীপনা ও ব্রেন এর মধ্যে রক্তের প্রবাহ সঠিক পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করে । মাইগ্রানে, মাথা ব্যথা, সাইনাস ও ঘাড়ের ব্যথা ইত্যাদি প্রবলেম এর জন্য এই আসনের চেয়ে উপকারী আসন আর কিছু নেই।    


6. হ্যালাসন (Halasana):

এই আসন আমাদের বডির গুরুত্ত পূর্ণ অঙ্গ যেমন হার্ট এর রক্ত সঞ্চালন করা ও স্ট্রেস হরমোন কনট্রোল করার মত গুরুত পূর্ণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

সন পদ্ধতি:

প্রথমে একটি সমতল যায়গা খুজে নিন ও লম্বা ভাবে শুয়ে পড়ুন ও ৪ টি গভীর নিশ্বাস নিন। হাত দুটি লম্বা ভাবে ছড়িয়ে দিন যেন গায়ের সাথে টাচ থাকে।

এর পর আস্তে আস্তে পা দুটো লম্বা করে উপরে তুলুন ও আস্তে আস্তে মাথার দিকে বেন্ড করুন যেন মাথা ও পিঠ মাটি ছুয়ে থাকে। এই অবস্থা তে হোল্ড করুন ২০-৪০ সেকেন্ড ও এই আসন ৩-৪ বার রিপিট করুন।

উপকারিতা:

 আপনার গাস্টিক , আলসর , কিডনি তে পাথর হওয়া হাত থাকে মুক্তি দেয় এই আসন । আপনার বডির সমস্থ স্ট্রেস হরমোন কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন ।  


7. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

যোগীরা বলেছেন বৃশ্চিকাশন বলতে বোঝায় জীবনের সব দিক থেকে বিজয় ও ভয় কে হারিয়ে প্রভুত্ত বিস্তার ।

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব   নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। হোল্ড করুন ১০ থাকে ২0 সেকন্ড। 5 থাকে 6 বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন ।

উপকারিতা: 

Nerve এর প্রোব্লেম দূর করে , হাত এর জোর ও পেশী শক্ত করে এই আসন । এই আসন আপনার ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন ঠিক  করতে সাহায্য করে ও Stress & depression থাকে মুক্তি দেয় ।


আপনি যদি বাংলায় অনলাইন meditation শিখতে চান তবে দেরি না করে এখনি ফোন করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বারে। ধন্যবাদ

৬টি যোগ আসন নতুন Entrepreneur দের জন্য – 6 Yoga Poses For Entrepreneurs

6 Yoga Poses For Entrepreneurs


1. গরুরাসন (Garur Asan):

উত্‍স: 

এই একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে,যার মনে হল বন্ধন মুক্তি,সাহস ও একাগ্রতা । ঈগল পাখিকেই sanskrit গরুর বলা হয় এবং  হিন্দু পূরণ অনুজাই পক্ষীরাজ ও ভগবান বিষ্ণুর বাহন ও বলা হয়।

 এছাড়াও হিন্দু পুরাণে ঈগল বা গরুর কে  ক্ষমতা বা তেজ , সাহস , সচেতনতা , শুভ শক্তির প্রতীক বলা হয়। 

যোগের অনুপ্রেরণা:

যোগীরা বলেছেন গরুরাসন বলতে বোঝায় জীবনের  সমস্থ বন্ধন ও সীমা থাকে মুক্তি,বিস্তার ও অসীম একাগ্রতা । কারণ ঈগল এক মাত্র পাখি যে সমস্থ সীমা থাকে মুক্ত,যে সাহস ও একাগ্রতার জোরে মেঘ এর সীমা পার করে আকাশে উড়তে পারে।

তাই যোগের মধ্যে এই আসন অন্যতম আসন যা entrepreneur জীবনের সমস্থ শারিরীক বন্ধন ও মানসিক বন্ধন থাকে মুক্তি দেয়। 

নামকরণ: এই আসন নাম গরুরাসন কারণ, এই আসন দেখতে গরুড়ের মুখ আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির নাম গরুরাসন।  

গরুরাসন পদ্ধতি:

 সবার প্রথমে সোজা হয়ে দাড়ান, ডান হাতের কনুয়ে বেন্ড করে বা হাতের কনুই দিয়ে নিয়ে গিয়ে দান হাতের তালু বা হাতের তালুটে স্পর্শ করান ।

তার পর আস্তে আস্তে বা পা মাটিতে রাখে দান পা  দিয়ে বা পা কে জড়িয়ে ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।হোল্ড করুন 20 থাকে 30 সেকন্ড। আবার পা ও হাত পাল্টে 5 থাকে 6  বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন।

উপকীরিতা: 

এই আসন করলে আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি ব্যালান্স ঠিক করে ও পাটের সমসা দূর করে।হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে।

মারুদণ্ড শক্ত ও সোজা করে এই আসন । শরীর এর মধ্য তৈরি হওয়া toxin কে কমাতে ও হরমোন ব্যালান্স করতে সবচায়ে বেশি সাহায্য করে এই গরুরাসন 

আপনার নতুন skills শিখতে ও বুঝতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে ও এই যোগ আসন আপনার ডিসিপ্লিন তৈরি করে, যা একটি Entrepreneurs জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ।     


2. ভুজঙ্গ আসন (Bhujang Asana):

উত্‍স:

এটি একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে। ভুজঙ্গ মনে সর্প ও এই আসন  জ্ঞান, পরিবর্তণ, ক্ষমতা, রাজকীয়তা ও ঔষধ বিদ্যার  সরূপ।এ ছাড়াও হিন্দু পূরণ অনুজাই সর্প ও ভগবান শিব এর অলংকার বিষ্ণুর সেবক।

যোগের অনুপ্রেরণা:

যোগীরা বলেছেন ভুজঙ্গ আসন বোঝায় জীবনের পরিবর্তণ ও জ্ঞান, ক্ষমতা। কারণ সর্প এক মাত্র জীব যাকে জীব জগতের পরম যোগী বলা হয়।এই  সর্প সময়ের সাথে তার খোলস বা স্কিন পাল্টায় কারণ পরিবর্তণ সর্পের প্রধান গুণ। এছাড়াও সর্প হল রাজকীয়তা, ঔষধ বিদ্যার প্রধান প্রতিরূপ।

তাই যোগের মধ্যে এই আসন অন্যতম আসন যা আমাদের জীবনের সমস্থ রোগ, চিন্তা ও অলসতার বন্ধন থাকে মুক্তি দেয়।

নামকরণ: এই আসন নাম ভুজঙ্গ   কারণ , এই আসনে আপনাকে দেখতে ফণা তুলে রাহা সর্প আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির নাম ভুজঙ্গ  আসন।  

ভুজঙ্গ আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে বুকের উপর চাপ রেখে হাত পা সমান করে মাটিতে সুয়ে পড়ুন । আস্তে আস্তে নিজের হাত দিতি ভাজ করে বুকের দুই পাশে রাখুন।

পেটের নিচের অংশ মাটিতে ঠাকিয়ে রেখে হাতে ভর দিয়ে নিজের বুকের অংশ কে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও নিজার মুখ কে উপরের দিকে তুলে রাখুন । হোল্ড করুন ১০ থাকে ২০ সেকন্ড । আবার পা ও হাত পাল্টে ২ থাকে ৪ বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন ।

উপকীরিতা:

এই আসন করলে আপনার lungs এর ক্ষমতা বারে । বুকের  বা বুকের পজর শক্ত করে যাতে আকার গত ভাবে সঠিক হয় । এছাড়া  শরীরে হরমোন ব্যালান্স করে , সর্দি কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন । আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও এই যোগ আপনাকে জীবনে লক্ষ স্থির করতে ও সবচেয়ে বেশি  সাহায্য করে ।


3. রাজকপত আশন (Rajakapot Asana):

https://www.youtube.com/watch?v=U2oimBogB4k

উত্‍স:

এই শব্দ টি একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে, যার মনে হল শান্তি , সরলতা ও চেতনার বিস্তর । এছাড়াও হিন্দু পুরাণে কপত বা পয়রা  কে প্রেম , প্রভু ভক্তি , পরিবর্তণ গ্রহণ কারি সচেতনতা ও  শুভ শক্তির প্রতীক বলা হয়।

যোগের অনুপ্রেরণা:

যোগীরা বলেছেন রাজকপত আশন  বলতে বোঝায় জীবনের সরলতা , চেতনা ও বিশ্বাস । কারণ কপত বা পয়রা এক মাত্র পাখি যে শান্তির দূত , এই পাখি পরিবতন এর সাথে সবচেয়ে বেশি তাল মিলিয়ে চলতে পারে ।

তাই যোগের মধ্যে এই আসন অন্যতম আসন যা আমাদের জীবনের সমস্থ মানসিক বন্ধন, প্রেম জটিলতা ও কষ্ট থাকে মুক্তি দেয়।

নামকরণ: এই আসন নাম রাজকপত আশন কারণ ,  এই আসনে আপনাকে দেখতে ডানা মেলা কপোত এর  আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির নাম রাজকপত আশন।  

রাজকপত আশন  পদ্ধতি:

প্রথমে একটি যায়গাতে পা ছড়িয়ে বসুন। তার পর আস্তে আস্তে ডান পা হাটু থকে মুড়ে আপনের থাই এ ঠেকান। এবার বা পা মুড়ে হাত এর সাহায্যে উল্টো করে পিছনে টেন নিয়ে যান। হাটু কে মাটিতে রেখে পা কে মাথার দিকে তুলুন।

এবার হাত দুটি বুকের কাছে প্রণাম করার মত জোর করুন, তার পর আস্তে আস্তে মথার পিছনে নিয়ে গিয়ে পা এর পাতার বুড় আঙুল ধরুন নিজের বডি ব্যালান্স রেখে। হোল্ড করুন 20 থাকে 30 সেকন্ড। আবার পা ও হাত পাল্টে 5 থাকে 6 বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা:

 পা এর সব পেশীকে শক্ত করে , যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে , শারিরীক দুর্বলতা দূর করে। মারুদণ্ড সোজা ও মজবুত করে এই আসন। এছাড়া আপনার ক্রীয়েটিভ চিন্তা ভাবনা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য এই আসন অন্যতম।


4. বৃশ্চিকাশন  (Vrischik asana):

এই শব্দটি একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে ও নানা হিন্দু পুরাণে যার মনে হল শক্তি ,পুনর্জন্ম ও সর্ববিজয়। এছাড়াও হিন্দু পুরাণে বির্শ্চিক  কে অহংকার , মৃতু , শত্রু বিজয় ও শুভ শক্তির ও প্রতীক বলা হয়।

যোগের অনুপ্রেরণা:

 যোগীরা বলেছেন বৃশ্চিকাশন বলতে বোঝায় জীবনের সব দিক থেকে বিজয় ও ভয় কে হারিয়ে প্রভুত্ত বিস্তার ।তাই যোগের মধ্যে এই আসন অন্যতম আসন যা আমাদের জীবনের সমস্থ মানসিক বন্ধন, ভয় ও সর্ব বাধা  মুক্তি দেয়।

নামকরণ: এই আসন নাম বৃশ্চিকাশন  কারণ, এই আসনে আপনাকে দেখতে বৃশ্চিক এর আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির নাম বৃশ্চিকাশন।

বৃশ্চিকাশন পদ্ধতি:

 সবার প্রথমে একটি দেয়াল ধরে পিট ঠাকিয়ে বসুন।  তার পর আস্তে আস্তে হাত কে মাটি তে রাখে পা দুটি লম্বা করে আস্তে আস্তে দেয়াল দিয়ে উপরে সোজা করে তুলুন বডির সাথে।

এবার হাতে জোর দিয়ে পা কে মাথার দিকে নামিয়ে আনুন যতটা সম্ভব   নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।হোল্ড করুন ১০ থাকে ২0 সেকন্ড। 5 থাকে 6 বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন ।

উপকারিতা: 

Nerve এর প্রোব্লেম দূর করে , হাত এর জোর ও পেশী শক্ত করে এই আসন । এই আসন আপনার ব্রেন এ রক্ত সঞ্চালন ঠিক  করতে সাহায্য করে । এই আসন চিন্তা ভাবনার মধ্যে সমতা আনে এবং নতুন skills শিখতে ও বুঝতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে ।


5. উস্তাসন (Ushtra Asana):

উত্‍স:  

এই শব্দটি একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে, যার মনে হল নিজের দিশা কে খুজে পাওয়া। এছাড়াও হিন্দু পুরাণে উট  কে ক্ষমতার , অন্তরের জ্ঞান প্রদানকারী , কষ্ট সহিষ্ণু ও  শুভ শক্তির প্রতীক বলা হয়।

যোগের অনুপ্রেরণা:

যোগীরা বলেছেন উস্ত্‍রসনা (Ushtrasana) বলতে বোঝায় জীবনের লক্ষ ও লক্ষ পুরণের রাস্তা খুজে পাওয়া।  

কারণ উট এক মাত্র পশু  যে মরুভূমিতে রাস্তা বুঝে ফিরতে পারে গন্তব্য স্থানে , মরিচিকা এই প্রাণীর দিক ভ্রষ্ট করতে পারে না । সবচেয়ে কঠোর সময়ের সাথে  সবচেয়ে বেশি তাল মিলিয়ে চলতে পারে এক মাত্র উট ।

নামকরণ: এই আসন নাম উস্ত্‍রসনা (ushtrasana) কারণ ,  এই আসনে আপনাকে দেখতে মুখ উচু করা উট এর আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির নাম উস্ত্‍রসনা (ushtrasana) ।  

আসন পদ্ধতি:

সবার প্রথমে পা জোর করে বসুন , তার পর আস্তে আস্তে হাটু থাকে পা দুটি ভাজ করে বডি কে সোজা করুন ।তার পর আস্তে আস্তে দুইট হাত কে মাথার উপর দিয়া নিয়ে  গিয়ে পা এর পাতা গুলি কে স্পর্শ করুন যতটা সম্ভব নিজের বডি ব্যালান্স রেখে।

হোল্ড করুন ১০ থাকে ২০ সেকন্ড ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন। ৩ থাকে ৪ বার এই আসন প্র্যাক্টিস করুন।

উপকারিতা: 

এই আসন আপনার হাত ও পায়ের পেশী কে শক্ত করে, বডি ব্যালান্স  করে ও পাটের সমসা দূর করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে ও শরীরের flexibility আনে।

এই যোগ আসন ডিসিপ্লিন তৈরি করে যা একটি Entrepreneurs জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন । এই যোগ আসন আপনার স্ট্রেস হরমন ব্যালান্স করতে অন্যতম।


6. কূর্মাসন (kurmasana): 

এই শব্দ টি একটি sanskrit শব্দ যা বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে, যার মনে একাগ্রতা ও  ক্ষমতা । ক্ছপ কে snaskrit এ কূর্মা বলা হয় এবং এ ছাড়াও হিন্দু পূরণ অনুজাই ভগবান বিষ্ণুর রূপ যাকে আমরা কূর্মা অবতার বলি ।

এছাড়াও হিন্দু পুরাণে ক্ছপ বা কূর্মা  কে  ক্ষমতা বা জ্ঞান , সমতা বজায়কারি , দীর্ঘ আয়ুর  ও  শুভ শক্তির প্রতীক বলা হয়।

যোগের অনুপ্রেরণা: 

ক্ছপ এক মাত্র প্রাণী যে জল ও স্থল দুই যায় যায়গা তে বহু বছর  বাচতে  পারে তার ফলে এই প্রাণীর জ্ঞান অনেক বেশি । এই প্রাণী ক্ষমতার ও বুদ্ধির  প্রতীক কারণ এই প্রাণী জানে বিপদে নিজেকে রক্ষা করতে ও সঠিক সময় নিজের কাজ কে পূরণ করতে যা জানা নতুন entrepreneur দের জীবনে খুবই প্রয়োজন।

নামকরণ: এই আসন নাম কূর্মাসন কারণ ,এই আসনে আপনাকে দেখতে খোলসে থাকা ক্ছপ  এর আকাররে মনে হয় তাই এই আসনটির কূর্মাসন ।  

কূর্মাসন পদ্ধতি:

প্রথমে পা কে লম্বা ভাবে ছড়িয়ে দিন , পা কে এবার ডিম্বাকৃতি করুন। আস্তে আস্তে কোমর থাকে শরীর কে ভাজ করে আপনার মাথা পা এর পাতার কাছে নিয়ে গিয়ে মাটিতে ঠেকান যত টা সম্ভব ।

এবার পা এর তলা দিয়ে দুটি হাত বার করে কোমর এআর পিছনে নিয়ে  গিয়ে প্রণাম ভঙ্গিমাতে নিজে কে হোল্ড করুন ২০ থাকে ৩০ সেকন্ড । তার পর রিল্যাক্স করে বার প্র্যাক্টিস করুন ৩ থাকে ৪ বার ।   

উপকারিতা:

 আপনার গাস্টিক , আলসর , কিডনি তে পাথর হওয়া হাত থাকে মুক্তি দেয় এই আসন । আপনার বডির সমস্থ স্ট্রেস হরমোন কে সঠিক ভাবে ব্যালান্স করে এই আসন ।  এই আসন চিন্তা ভাবনার মধ্যে সমতা আনে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতার জন্য এই অন্যতম ।


আসা করছি আপনাদের পোস্টটি ভাল লেগেছে, আপনার কোন মোট মোট থাকলে কমেন্ট বক্সে জানতে ভুলবেন না, ধন্যবাদ।

আপনার যদি অনলাইনে মেডিটেশন শিখতে চান তবে call করুন +91 9433 657 349 এই নাম্বারে, ধন্যবাদ

হঠ যোগ কী ? Hatha Yoga In Bengali?

Hatha Yoga অর্থ কী ?

Hatha Yoga হল যোগ শাস্ত্রের অতি পুরানো এক বিশেষ অংশের নাম হল হঠ যোগ, এই যোগের প্রধান উদেশ্য আপনার শরীরের বিভিন্ন শক্তি ও জীবন প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্নয় সৃষ্ঠী ।

“ha / হ ” অর্থাত্‍ সূর্য বা সূর্য কেন্দ্রিক শক্তি ও “tha / ঠ ”  অর্থাত্‍ চন্দ্র বা চন্দ্র কেন্দ্রিক শক্তি, প্রধানত এই দুই শক্তির মধ্য সমন্নয় আনার পথ হল হঠ যোগ

তাই ভারতের বহু বিদ্যবান ঋষিরা  Hatha Yoga নামে অসাধারণ প্রক্রিয়া স্থাপন  করেন।  যার মাধমে  আপনি এই দুই শক্তির মধ্য সমন্নয় স্থাপন করে নিজের জীবনের অনুভব , বিচার শক্তি ও চিন্তা শক্তির চরম অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবেন ।


History of Hatha Yoga বা উত্‍স :

হঠ যোগ খুবই বিতর্কিত বিশয় । কেউ বলেন পাতঞ্জলি যোগ শাস্ত্রে ও  কেউ বলেন অন্য কিছু তার  মধ্যে  ( Hatha Yoga Pradipika)  হঠ যোগ প্রদীপিকা, ( Amṛtasiddhi ) অমৃতসিদ্ধি, ( Hatha Ratnavali ) হঠ  রত্নাবলি অন্যতম 

তবে এই যোগ সুত্র স্থাপনের পিছনে আছেন অনেক মুনি- ঋষির অবদান তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি  আদি নাথ ( মহাদেব বা ভগবান শিব ) তার পর  মহর্ষি পতঞ্জলি , ঋষি গোরখনাথ , ঋষি মনিপা ও আর নাম না জানা অজস্র ঋষিরা  যারা এই কঠোর পরিশ্রমের মধ্যমে  ও জীবনের বিনিময় এই অসাধারণ যোগ প্রক্রিয়া সৃষ্ঠী করেছেন । তাদের প্রচেষ্ঠা আজও সমান ভাবে মানুষের উপকারে ব্যবহৃত ।

পূরণ অনুসারে Hatha Yoga ৮ টি ভাগ   ১।    (Yamas ) ধর্ম  , ২।  (niyama ) নিয়ম ,  ৩।  (asana ) আসন , ৪।   (pranayama) প্রনযাম, ৫।  (pratyahara) প্রত্যাহার , ৬।  (dharana) ধারনা , ৭।   (dhyana)  ধ্যান , ৮।  (samadhi) সমাধি ।

১ । Yamas ধর্ম:

 ধর্ম হল জীবন যাপনের শৈলী , যার মাধমে মানুষ সমজিক কর্মে যুক্ত হয় । যোগ বা হাথা যোগ মানুষের জীবনের 5 টি   গুরুত পূর্ণ স্তম্ভ প্রদান করে যা হল

  • Ahimsa অহিংসা : মানুষের জীবনের প্রধান লক্ষ হল শান্তি ও অহিংসা , যোগে বলা হয় হিংসা , ক্রোধ , অশান্তি ও পিরা বিষের চয়েও ভয়ংকর।   
  • Satya সত্য:  মানুষ এর জীবনের প্রধান লক্ষ এই পরম সত্য প্রাপ্তি । যোগে বলা হয় ভগবান সচিদানন্দা সরূপ যার নামে যার মধে সত্য , চিত্ত ও আনন্দ যার মধ্যে ৩ গুণ বর্তমান । তাই পরম ইশর প্রাপ্তির জন্য সত্য ছাড়া কোন উপায় সংসারে নেই ।
  • Bramacharya ব্রহ্মচর্যা: ব্রহ্ম অর্থাত্‍ ভগবান ও চর্য মনে পথ , ভগবান এর ভক্তির পথে যাত্রী যিনি ব্রহ্ম ভক্তিতে ও প্রেমে নিজেকে অর্পণ করেছেন ।
  • Asteya আস্থেয় বা চুরি : যোগে বলা হয় বিনা পরিশ্রমে অন্যের প্ররিশ্রমের ফল পরপতি আশা করা সব্বর প্রথমে ত্যাগ করা দরকার ।  
  • Aprigraha আপিরিগ্রহ :  আপিরিগ্রহ বা লোভ প্রতিটা মানুষের জীবনের চরম শত্রু , লোভ শুধু বস্তুগত জিনিসের নয় কাম এরও । তাই নিজের জীবনের যোগ স্থাপন করা আগে লোভের উপর নিজের কনট্রোল আনা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন্ ।

২। (Niyama ) নিয়ম

 আমরা আমাদের জীবনে অনুশাসন তৈরি ও আত্মা অনুসনধান এর পথ হল নিয়ম । যোগে প্রধানত ৪ টি নিয়ম  

  • Santosa  ( সন্তোষ ) 
  • Tapasa ( তপস্যা )   
  • Svadhyaya  (সর্বধ্যয়া )
  • Isvara Pranidhana ( ঈশ্বর প্রণিধান )

৩। Asan আসন :

 আসন অর্থ‍ অঙ্গ বিন্যাস ও যোগের অনুশাসনের পথ । ঋষিরা প্রতিটি যোগের জন্য কিচ্ছু নির্দিষ্ট আসন তৈরি  করেছিলেন,  যাতে  নিজের দেহের সমস্থ সীমাবদ্ধতা দূর করা যায় । গভীর অনুশাসন দ্বারা নিজের সীমা বিস্তার পথ হল যোগ আসন ।

৪। Pranayam প্রাণায়াম :

যোগে বলা হয় বায়ু হল প্রাণ । বিনা বায়ুতে প্রাণ সম্ভব নয়, আমরা বায়ু গ্রহণ করি শ্বাস প্রশ্বাস এর মাধমে যাতে আমরা বেচে থাকতে পরি । ঋষি দের  নির্মিত প্রাণায়াম  হল এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রাণ বায়ুর গ্রহনের পরিবর্তণ  করে  শরীরের বিভিন্ন এনার্জি সিষ্টেম কে অ্যাক্টিভেট করা সম্ভব ও সেই এনার্জির একটি দিশা দেওয়া সম্ভব ।

৫। Pratyahara প্রত্যাহার  : 

যোগে প্রত্যাহার শব্দের অর্থ হল বাহিরের উদ্দীপনার জগত থাকে নিজের চেতনা  কে মুক্ত করে  নিজের শারিরীক প্রক্রিয়ার উপর একত্রিত  করা। নিজেকে ও নিজের চিন্তা শক্তি কে  বাইরের প্রভাব ও অনুভব থাকে মুক্ত করার বিধি হল  প্রত্যাহার ।

৬।  Dharana ধারনা

ঋষিরা  মনে করেন ধারনা হছে আপনার  বোধ বা উপলব্ধি  সৃষ্ঠী  ।  মানুষের  এই উপলব্ধি হয়  পঞ্চইন্দ্রেয় মধ্যমে তাই যোগ জ্ঞান ও অনুভব সেই বিধি প্রদান করে যাতে আপনি  সত্য জ্ঞান লাভ করতে পারেন ।  

৭।   Dhyana ধ্যান :

যোগে ধ্যান কথার অর্থ হল গভীর ভাবে কোনো বিষয় মন নিবেশ । ঋষিরা তাই যোগ প্রক্রিয়াতে এমন এক  বিধি তৈরি করেছেন যার সাহায্যে মানুষের চিন্তা ভাবনার  ও অনুভবের গভীরে প্রবেশ করতে সম্ভব । নিজের জীবনের জ্ঞান , অনুভব  ও  সচেতনটা বিস্তার হল মানুষের প্রধান লক্ষ ।

৮।  Samadhi সমাধি :

যোগে সবচেয়ে গুরুতপূর্ণ বিষয় হল সমাধি , যার অর্থ অনকটা  এই রূপ “সম” যার  মনে সমান বা ভাল ভাবে ব্যালান্স ও “আধি” অর্থ‍ বুদ্ধি এক কোথায় নিজের বিচার ধরার ও বুদ্ধি বৈষম্য ও ভেদাভেদ দূর করা ও সমস্থ জিনিসে সমতা আনা হল সমাধি  ।

যখন আপনার মধে বৈষম্য ভাব দূরে যাবে তখন আপনি পারবেন নিরকার কে বুঝতে ও অনুভব করতে পারবেন তাই  এই বিধি কে বলা হয় সমাধি ।    


হঠ যোগার উপকারিতা কী কী ? What are the benifits of Hatha Yoga?

  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি : Hatha yoga বিজ্ঞান সম্মত ভাবে প্রমানিত এটি আপনার শরীরের স্ট্রেস লেভেল নরমাল রাখতে ও শরীরের toxin কমাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে । হঠ যোগ আপনার শরীররে lymphatic system বা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যাতে আপনের immune system disorders হবার মত সমস্যা দূরে থাকে ।
  • এ ছাড়াও হঠ যোগ (Hatha Yoga ) হাত ও পায়ের পেশী কে  শক্ত করে, বডি ব্যালান্স ঠিক করে ও পেটের সমসা দূর করে। হাত ও পায়ের বাত এর বাথ্যা দূর করে । মারুদণ্ড শক্ত ও সোজা করে ।
  • কোমরের ক্ষমতা বৃদ্ধি : কোমর হল আপার বডি আর লোয়ার বড়ির যোগ স্থাপন করি খুবই সেন্সসেটিভ অংশ , তাই যোগে শাস্ত্রে কোমরকে শরীরের কেন্দ্রবিন্দু বলে। কিন্তু গঠন গত ভাবে এটি শরীরের খুবই কমজোর অংশের মধে একটি। হঠ যোগের কিছু বিশেষ আসন আপনার কোমরের ক্ষমতা ও নমনীয়তা খুব সহজে বৃদ্ধি করতে পারে।
  • হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি : বয়সের সাথে প্রতেক মানুষের কম বেশি হাড়ের ক্ষয় হয়  বিশেষত ৩৫ বছরের উপর মহিলাদের,  যা সময়ের সাথে ক্রমশ বাড়তে থাকে ফলে শরীর ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে।

তাই ভারতের নানা ঋষিরা বহু বছরের সাধনার পর যোগের বিশেষ কিছু আসন তৈরি করেছেন যা আপনার শরীরের ভিতরে বয়সের প্রভাব থাকে শুরু করে আমাদের সমস্থ হাড়ের ক্ষয় ক্ষতি পর্যন্ত রোধ করে ও শরীরের মধে নমনীয়তা আনে ।


পদ্মাসন সম্পর্কে এই তথ্যটা আপনার অজানা | What is Padmasana in Bengali

পদ্মাসন (Padmasana):

এই শব্দটি একটি Sanskrit শব্দ যার বিবরণ পাওয়া যায় মহর্ষি পতঞ্জলির যোগ শাস্ত্রে, যার অর্থ হল অজ্ঞান বা অন্ধকার থেকে পরম জ্ঞান বা আলোর সন্ধানের যাত্রা ।

কারণ পদ্ম হল এমন এক বিশেষ রকমের ফুল যা পাকে জন্মায় কিন্তু ভগবানের পূজায় ব্যবহৃত হয়, যা বোঝায় আপনার সৃষ্টি কোথায় তা গুরুতপূর্ণ নয়, তোমার নিজেকে ব্যক্ত করাই আসলে গুরুতপূর্ণ ।

এছাড়া পদ্ম; জ্ঞান, পবিত্রতা, বিকাশ, অনাসক্তি, আধ্যাত্মিকতা ও সৌভাগ্যের প্রতীক।

এইজন্যই আসনের নাম পদ্মাসন, কারণ আপনি এই আসনে বসলে আপনাকে দেখতে বিকশিত পদ্মের মতো মনে হয় |

পতঞ্জলি যোগশাস্ত্র মতে পদ্মাসন প্রধানত ৭ টি ভাগ বিভক্ত, যথা-  মুক্ত পদ্মাসন, বদ্ধ-পদ্মাসন, উত্থিত পদ্মাসন ,অর্ধ বদ্ধ-পদ্মাসন   উর্ধ্ব-পদ্মাসন , গুপ্ত পদ্মাসন ও পদ্ম-মত্‍শাসন ।  


১। মুক্ত-পদ্মাসন পদ্ধতি (Mukta Padmasana):

সবার প্রথমে একটি Comfortable জায়গা ঠিক করুন, এই যোগটির প্র্যাক্টিস যদি আপনি কোনো মাঠ বা চারিদিক খোলা জায়গায় করেন তাহলে ভালো হবে |

সবার প্রথম শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন ও গভীর ভাবে দশবার গভীর নিশ্বাস নিন। এবার বাঁ পা হাঁটুটা ভাঁজ করে ডান থাইয়ের উপর এবং ডান পা একইভাবে বাঁ থাই উপর রাখুন। যতটা সম্ভব ততটা অবধি দুটো পায়ের উপরিভাগকে স্ট্রেচ করুন, প্রথমে জোর করে কোন কিছু করার দরকার নেই।  

এবার হাত দুটো চিৎ করে অথবা ধ্যান করার ভঙ্গিতে দু’হাঁটুর উপর রাখুন অথবা নমস্কারের ভঙ্গিমায় বুকের মাঝখানে রাখুন ও আপনার মাথাকে উপরের দিকে তুলে রাখুন।  

সহজভাবে যতক্ষণ পারা যায় ঐ অবস্থায় থাকার চেষ্টা করুন | তারপর আস্তে আস্তে পা গুলো নামিয়ে নিন ও রিল্যাক্স করুন । অন্তত ৫ বার এটি রিপিট করুন একই ভাবে।

উপকারিতা : যোগীরা বলেছেন এই মুক্ত-পদ্মাসন সর্বরোগ নিরাময় আসন । যা হৃদয় ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হাঁপানি রোগ থেকে শুরু করে cholesterol সহ সব কিছুকে দূর করে।

আপনি হয়তো জানেন মেরুদণ্ডের কর্মক্ষমতার উপরই আমাদের যৌবন ও স্বাস্থ্য নির্ভর করে, এই মুক্ত-পদ্মাসন মেরুদণ্ডের শক্তি বৃদ্ধিতে ও নমনীয়তা বাড়াতে সাহায্য করে এছাড়াও আমাদের চিন্তাশক্তি, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে, স্নায়ু সতেজ ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।


২। বদ্ধ-পদ্মাসন পদ্ধতি (Baddha Padmasana):  

সবার প্রথম শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন এবং মুক্তপদ্মাসন পদ্ধতির মতো গভীর ভাবে দশবার গভীর নিশ্বাস নিন । এবার বাঁ পা হাঁটু থেকে ভেঙে ডান থাইয়ের উপর এবং ডান পা একইভাবে বাঁ থাই উপর রাখুন ।

এবার ডান হাত পেছনদিক দিয়ে ঘুরিয়ে এনে বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুল এবং একইভাবে বাঁ হাত পেছন দিয়ে ঘুরিয়ে এনে ডান পায়ের বুড়ো আঙুল ধরুন ও হোল্ড করুন

২০ সেকন্ড ।  তারপর আস্তে আস্তে পা গুলো নামিয়ে নিন ও রিল্যাক্স করুন । অন্তত তিন বার এটিকে রিপিট করুন একই ভাবে।

উপকারিতা: এই আসন আপনার স্পাইন alignment কে ঠিক করে ও বুকের পাঁজরের গঠনগত সমস্যাকে দূর করে । আপনার শরীরের কলেস্টেরলের লেভেলকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে ।আপনার ভয়, উদ্বেগ এবং ঘুমের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই আসন।


৩। উত্থিত পদ্মাসন পদ্ধতি (Utthita Padmasana):

সবার প্রথমে পদ্মাসনে বসুন । এবার দুটি হাতকে সমান করে কোমরের দুটি পাশ দিয়ে মাটিতে রাখুন। ও গভীর ভাবে নিশ্বাস নিন এবার হাতের উপর জোর দিয়ে নিজের বাকি শরীরকে মাটি থাকে উপরে তুলুন ও হোল্ড করুন দশ থাকে কুঁড়ি সেকেন্ড ।   

এরপর আস্তে আস্তে শরীরকে মাটিতে নামিয়ে পদ্মাসনের অবস্থায় বসুন । ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার করুন ।  অন্তত ৫ বার এটি রিপিট করুন একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ।

উপকারিতা : আপনার পেটের বাড়তি চর্বিকে কমিয়ে আপনার ক্ষিদে বাড়ায়, হাতের ও কাঁধের পেশী শক্ত করে এবং দেহে প্রচণ্ড শক্তি আনে ও নমনীয়তা বাড়ায় । শরীরের স্নায়ুগুলিকে সচল রাখে ও হৃদরোগ, রক্তচাপ কমায় । 


৪। উর্ধ্বপদ্মাসন (Urdhva-Padmasana):

সবার প্রথমে একটি পরিষ্কার যায়গা খুঁজে বার করুন ও সমান ভাবে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন । ও কোমর থেকে নিচের অংশকে ভাঁজ করে মুক্ত-পদ্মাসনের মত একটি পা অন্য পায়ের উপর রাখুন ।

এবার পিঠের উপর ভর দিয়ে হাত ও পাকে উপরের দিকে বা মাথার দিকে স্ট্রেচ করুন এবং এই পজিশনটিকে হোল্ড করুন 10 থাকে 20 সেকন্ড ।   

এরপর আস্তে আস্তে শরীরকে মাটিতে নামিয়ে বসুন । ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার করুন ।  অন্তত ৫ বার এটিকে রিপিট করুন এবং একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত সময় বাড়ান ।

https://youtu.be/Pup8xhAx7jE

উপকারিতা : আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও আপনার কোমরের ব্যথার সমসা থেকে আপনাকে চির মুক্তি দেয় । শরীরের কলেস্টেরলের লেভেলকে কনট্রোল করে এই আসন ও আপনার ঘুমের সমস্যা থেকে আপনাকে মুক্তি দেয় ।


৫। অর্ধ বদ্ধপদ্মাসন (Ardha Baddha Padmasana):

এই আসন-পদ্ধতিতে প্রথমে একটি পা অন্য পায়ের উপর স্থাপন করে হাত পেছন দিক থেকে ঘুরিয়ে এনে পা এর উপরে রেখে অন্য পায়ের বুড়ো আঙুলকে হাত দিয়ে ধরতে হবে ও হোল্ড করতে হবে 10 থাকে 20 সেকন্ড ।   

ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার এই আসনটিকে করতে হবে অন্তত ৫ বার, এবং একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ও সময় বাড়ান ।

উপকারিতা : এই আসন আপনার পা ও কাঁধের সমস্ত পেশীকে শক্ত করে । আপনার সমস্থ ধরনের পেটের সমস্যা দূর করে এবং বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি দেয় এই আসনটি|


৬। গুপ্ত পদ্মাসন (Gupta padmasana):

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসনের মতো করে বসুন তারপর হাতের সাহায্যে শরীরকে সামনের দিকে টানুন | তারপর যতটা সম্ভব আস্তে আস্তে আপনার চিবুককে মেঝেতে স্পর্শ করার চেষ্টা করুন ।

মেঝেতে পুরোপুরি সমান হয়ে এই আসনে কিছুক্ষন বসে থাকুন এবং পুরো শরীরটিকে রিল্যাক্স করার চেষ্টা করুন।

তারপর নিজের দুটি হাতকে পিছনে নিয়ে প্রণাম করার মত হাত জড়ো করুন ও আস্তে আস্তে শ্বাস নিন এবং এই অবস্থানটিকে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখুন অনন্ত ২০ সেকন্ড মতো | তারপরে আস্তে আস্তে প্রারম্ভিক অবস্থানে ফিরে আসুন।

ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে পা বদল করে আবার করুন অন্তত ৫ বার এই আসনটিকে, এবং একই ভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ও সময় বাড়ান।

উপকারিতা :   শরীর এর স্নায়ুগুলিকে সচল রাখে ও হৃদরোগ, রক্তচাপ কমায় এবং এতে মেরুদন্ডের alignment সম্পুর্ন সঠিক হয়ে যায় ।  


৭। পদ্ম-মত্‍শাসন (Padma Matsyasana) :

প্রথমে মুক্ত-পদ্মাসন বসুন তারপর আস্তে আস্তে পিছনে হাতের সাহায্যে ব্যালান্স রেখে শুয়ে পড়ুন । আস্তে আস্তে মাথার উপর ভার রেখে পিঠকে মাটি থেকে উপরে তুলুন যাতে ও আপনার শরীরকে ইংলিশের U শেপের মতো করুন স্ট্রেচ |

তারপর আস্তে আস্তে নিজের হাত দুটি কে বুকের উপরে রাখুন ও প্রণাম অবস্থায় জড় করুন ও হোল্ড করুন 10 থাকে 20 সেকন্ড অবধি । 

ক্ষাণিকটা বিশ্রাম নিয়ে আবার করুন অন্তত ৪ বার, এবং একইভাবে ধীরে ধীরে নিজের সুবিধা মত ও সময় বাড়ান ।

উপকারিতা : আপনার পেটের বাড়তি চর্বি কমিয়ে ক্ষিদে বাড়ায়, হাতের ও কাঁধের পেশী শক্ত করে এবং হাতের প্রচণ্ড শক্তি আনে ও নমনীয়তা বাড়ায় । শরীরের স্নায়ুগুলিকে সচল রাখে ও হৃদরোগ, রক্তচাপ কমায় । 


সতর্কতা

যাঁরা হার্টের অসুখ, রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি ইত্যাদি সমস্যার ভুগছেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যোগব্যায়াম অভ্যাস করবেন না । যোগ বা yoga প্র্যাক্টিসের সময় কোনও অভিজ্ঞ শিক্ষকের পরামর্শ নিন ।

সব সময় মনে রাখবেন যোগ অনুশীলন খালি পেটে করা উচিত কিন্তু ভরা পেটে যোগ অনুশীলন করা কখনোই উচিত না ।


আশা করি মেডিটেশন নিয়ে আপনার সমস্ত doubt আমরা clear করতে পেরেছি | লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই এটিকে সবার সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই কমেন্টে লিখে জানান আপনার মতামত |


এছাড়া আপনি যদি সত্যিই মেডিটেশন অনলাইন কিংবা আমাদের সেন্টারে এসে অফলাইনে শিখতে চান তাহলে এখুনি কল করুন +91 9433-657-349 এই নাম্বারে |

যোগ প্রকৃত অর্থ কি | What is Yoga in Bengali

যোগ আসন কী (What is Yoga) :

সংস্কৃত শব্দ “যোগ” কেই ইংরেজী ভাষাতে YOGA বলে । আসলে যোগ মানে কিন্তু ব্যায়াম নয় এটি শরীর, মন, ও আত্মার ক্রম উন্নয়নের পদ্ধতি যার দ্বারা সমাধী  স্তরে পৌঁছান সম্ভব ।

সঠিক ভবে যোগ প্রণালী বুঝতে হলে নিজের সংকীর্ন মনের গন্ডি ছেড়ে সৃষ্টির মূলের দিকে তাকাতে হবেই। কারণ যোগ মানে আদির সঙ্গে প্রান্তের যোগ, অসীমের সঙ্গে সসীমের যোগ এবং জীবাত্মার সঙ্গে পরমাত্মার যোগ ।

এবং কেমন করে পরম তন্ময়তা লাভ করা যায়, যাতে মনের আয়নায় স্পষ্টভাবে জেগে থাকবে নিজের আসল স্বরূপের ছবি, এবং এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়াই যোগের আসল প্রয়াস।

“যোগসূত্র” গ্রন্থের প্রথম অধ্যায়ের দ্বিতীয় সূত্রে মহর্ষি পতঞ্জলি যোগের বর্ননা দিয়েছেন – ‘চিত্তবৃত্তি নিরোধ’। চিত্ত অর্থাত্‍ মন যা যোগ প্রণালীতে ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত ।

চিত্তবৃত্তি নিরোধ’ অর্থ যোগ দ্বারা কাম, ক্রোধ, মোহ, অনুরাগ, স্নেহ এই পাঁচটি চিত্তবৃত্তি পরিহার। যা সম্পুর্ন করতে পারলে মানুষের মুক্তি লাভ ও নিজের জীবন কে নিজের নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব।


যোগেশারিরীক ও মানসিক সংযুক্তি :

জানলে অবাক লাগবে আমাদের শরীর, কোনও না কোনও ভাবে এই অসীম মহাবিশ্বের এর সাথে কানেকটেড ও আমাদের শরীরের মধ্যে লুকিয়ে আছে আমাদের সব সমসার সমাধানের পথ ।

আমাদের শরীর দেখতে সাধারন কিন্তু এটি খুবই জটিল | আপনি হয়তো জানেনই না এটি আসলে অনেক গুলি লেয়ার দিয়ে তৈরি | প্রতিটা স্তর এক এক প্রকার ভাবে মুক্তি ও জ্ঞানের দ্বার, শুধু আমাদের এই প্রণালীকে গভীরভাবে অনুভব করা ও প্রতি স্তরের সাথে সমতায় আসা প্রয়োজন ।

১। মনময় কোষ:

মনময় কোষের কাজ হলো মনকে উন্মুক্ত ও নিজের ভাবনাকে স্থিরতা প্রদান করা। কারণ আপনি যা ভাবছেন তার প্রভাব কোনও না কোন ভাবে আপনার শরীর ও আপনার জীবন এ প্রভাব ফেলে।

তাছাড়া ডাক্তাররাও মনে করেন আপনার সমস্থ শারিরীক সমসার 90 ভাগ আপনার মনের সাথে যুক্ত | আপনার চঞ্চল এবং সন্দেহবাতিক মনই হলো আপনার বেশিরভাগ রোগের মূল কারণ |

তাইতো মনের স্থিরতা থাকার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, আর সেই কাজকেই সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে মনময় কোষ | আর এই কোষের সর্বোচ্চ উপকারিতা তখনই পাওয়া সম্ভব যখন আপনি যেকোনো যোগ সাধনায় নিজেকে দীর্ঘদিন ধরে সময় দেবেন |

২। প্রাণময় কোষ:      

প্রাণময় কোষ আপনার শরীরের একপ্রকারে এনার্জি সিষ্টেম । যদি আপনার এই এনার্জি সিষ্টেম আপনার শরীরের alignment-এর সাথে সঠিক অবস্থায় থাকে তবে কোনোদিন আপনার শারিরীক সমস্যা হবে না ।

আমাদের শরীরে তখনই সমস্যা তৈরী হয় যখন এই alignment কোনো ভাবে নষ্ট হয় । তাই এই alignment-কে সঠিক রাখতে প্রাণময় কোষের নিয়ন্ত্রণ সাধনে প্রাণায়াম বিশেষ ভূমিকা পালন করে |

৩। বিজ্ঞানময় কোষ:

বিজ্ঞানময় কোষের উন্নতি সাধনে আপনি পেতে পারেন অভূতপূর্ব জ্ঞান । আপনার শরীর নিজের ভিতরেই অসীম জ্ঞানকে ধরে রেখেছে | যা আপনার জেনে অবিশ্বাস্য লাগতেই পারে | কিন্তু এটা সত্যি |

 আমরা আজ প্রত্যেকেই বাইরের সব জ্ঞান এতটাই খুঁজতে ব্যস্ত যে নিজের অন্তরের এই জ্ঞান হাতের কাছে থেকেও সেটাকে আমরা অনুভব করতে পারছি না | যেটা খুবই প্রয়োজন অনুভব করার ।

মন যখন বিস্তারিত হয়ে একটি বিশেষ স্তরে পৌঁছায় তখন তাঁর মধ্যে ‘বোধি জ্ঞান’ জাগ্রত হয়। ধারণার দ্বারা বিজ্ঞানময় কোষ পুষ্ট হয়।

৪। আনন্দময় কোষ:

আনন্দময় কোষ হচ্ছে যোগের সবচেয়ে উচ্চতম অবস্থা যেখানে আছে শুধু পরমানন্দের অনুভুতি । এই কোষে বৈয়ষ্টিক চেতনা বা ছোট আমি বোধ থাকে বটে তবে তা অস্পষ্ট ও আবছা ভাবে। এই অবস্থায় বড় আমি বোধ অর্থাৎ আমিই ঈশ্বর এই ভাব জেগে ওঠে।

এই স্তরে মন সেই অনন্ত সত্তাকে পেতে ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এই সূক্ষ্ম কারণ মন হ’ল পূর্ণত্বের দ্বার পথ। এখানে সামান্য একটা অতি সূক্ষ্ম আবরণ থেকে যায় মাত্র যা অতিক্রম করলেই আত্মার সেই আত্যুজ্জ্বল আলোকের দর্শন লাভ হয়। 

আমরা যা চাই সবই শরীর এর পক্ষে সম্ভব যেমন সুস্থ শরীর, সুস্থ মন, আনন্দ , শান্তি ও চিন্তা মুক্ত জীবন কিন্তু আমাদের শরীর সাধারণত সেই সমতায়ে নেই তাই যোগ বা yoga এমন এক প্রক্রিয়া যা আমাদের সেই সমতা প্রদান করে এই গুলো achieve করতে সাহায্য করে ।


আরো পড়ুন: যোগব্যায়াম করার টিপস

যোগের প্রকার (Types of Yoga) :

যোগ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত | যেমন- কর্ম যোগ, জ্ঞান যোগ, ভক্তি যোগ এবং রাজ যোগ |

১।   কর্ম যোগ:

কর্ম যোগে বলা হয়, ভালো কর্মই মনকে পরিশুদ্ধ করে এবং আমাদের সর্বদা ব্যক্তিগত ফলাফলের প্রতি আসক্ত না হয়ে ধর্ম অনুযায়ী কাজ করা উচিত । কর্মের মধ্যেই ধর্ম এবং ধর্মের মধ্যেই কর্ম লুকিয়ে রয়েছে | যে যোগী নিষ্কাম মনোভাব নিয়ে করে অর্থাৎ ফলের চিন্তা ছাড়া কাজই যার একমাত্র উদ্দেশ্য হয় সেই একমাত্র আত্মজ্ঞান কিংবা পরমাত্মাকে লাভ করতে পারে |

২।  জ্ঞান যোগ:

জ্ঞানযোগ হল নাম ও রূপের বাইরে গিয়ে পরম সত্যকে উপলব্ধির পথ । এই অনুসারে, সঠিক জ্ঞানের মাধ্যমেও মোক্ষ লাভ কিংবা আত্মজ্ঞান সম্ভব।

যে যোগী, সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে এগিয়ে যাবে, সে দ্রুতই নিজের আসল স্বরূপকে উপলব্ধি করতে পারবে এবং অবশেষে এর মাধ্যমে সে আত্মজ্ঞান কিংবা পরমাত্মাকেও লাভ করতে পারবে | 

৩।  ভক্তি যোগ:

ভক্তিযোগ হচ্ছে  ভগবানকে লাভ করার সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা। শ্রীমদ্ভাগবত গীতায় ভক্তির নয়টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে । যেমন – শ্রবণ, কীর্তন, স্মরণ, বন্দন,অর্চন, পাদসেবন, দাস্য,সখ্য ও আত্মনিবেদন ।

যে যোগী নিজেকে শুধু ভগবান কিংবা পরমাত্মার কাছে নিজেকে পুরোপুরি অর্পণ করে দেবেন ভক্তির মাধ্যমে, সেও শেষে আত্মজ্ঞান কিংবা পরমাত্মাকেও লাভ করতে পারবে|  

৪। রাজ যোগ :

রাজযোগের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে রাজার মতো নিজের অন্তরকে আত্মবিশ্বাসী, ভয়হীন এবং আত্মনিয়ন্ত্রিত বানানো | এই যোগকে অষ্টাঙ্গ যোগও বলা হয়ে থাকে |

যেটা এই ৮টি অংশ দ্বারা গঠিত- যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধারণা, ধ্যান ও সমাধি | যে যোগী এই অষ্টাঙ্গ যোগ সাধন করতে পারবে সেও আত্মজ্ঞান কিংবা পরমাত্মাকেও লাভ করতে পারবে অনায়াসে |  


এছাড়া আপনি যদি সত্যিই মেডিটেশন অনলাইন কিংবা আমাদের সেন্টারে এসে অফলাইনে শিখতে চান তাহলে এখুনি কল করুন +91 9433-657-349 এই নাম্বারে |

যোগব্যায়াম করার টিপস | Yoga Tips in Bengali

যোগব্যায়াম পৃথিবীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ একটি অনুশীলন প্রক্রিয়া | যে মানুষ রোজ যোগব্যায়াম করে, তার শরীর ও মন হয়ে ওঠে সতেজ এবং সুস্থ | কিন্তু এই যোগ ব্যায়াম করার আগে যোগ ব্যায়ামকারীর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জানার প্রয়োজন আছে |

সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি হলো:

১. যোগব্যায়াম করার নির্দিষ্ট একটি বয়স আছে | যেকোনো বয়স থেকেই যোগব্যায়াম শুরু করে দেওয়া যায় না | যোগব্যায়াম অভ্যাসকারীর কমপক্ষে ৫ বছরের উপরে বয়স হওয়া প্রয়োজন | যদি আপনার সন্তানের ৫ বছর উর্ধ্বে বয়স না হয়ে থাকে তাহলে তাকে কখনোই জোর করবেন না এটা করার জন্য |

2. যোগব্যায়াম কিন্তু নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আলাদা আলাদা হয়ে থাকে | যোগের অনেক ব্যায়াম কিন্তু একজন নারীর পক্ষে এবং একজন ৭০ বছর বয়সী কোনো ব্যক্তির পক্ষে করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা | তাই আপনি যদি এমন একটি যোগাসন কেন্দ্রে ভর্তি হয়ে থাকেন যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে সব ধরনের ব্যায়াম করানো হয়, তাহলে সাবধান হয়ে যান এবং দ্রুত নিজের যোগাসন কেন্দ্রটিকে পরিবর্তন করুন |

৩. বছর ১০-১৫ বয়সই ছেলে-মেয়েরা, প্রত্যেকটি যোগাসন প্রথম প্রথম ৩০ সেকেন্ড করে 8 বার অভ্যাস করবে | তারপর ধীরে ধীরে যখন তুমি প্রত্যেক আসন ৩০ সেকেন্ড করতে সাবলীল হয়ে যাবে তখন সেটা করার সময় সীমাকে আসতে আসতে ১৫ সেকেন্ড করে বাড়াও |  

8. অনেকদিন অভ্যাসের ফলে একআসনে বসে থাকার ক্ষমতা আমাদের বৃদ্ধি পায় | তখন সমস্ত যোগাসন অভ্যাসকারীরা একের পর এক আসন ৪বার করে অভ্যাস না করে বরং সেই প্রত্যেকটিকে অন্তত 8 থেকে ৫ মিনিট ধরে অভ্যাস করলে ভালো হয় | তারপর প্রত্যেকটি আসন এইভাবে 8-৫ মিনিট ধরে করার পর ১ মিনিটের শবাসনের মাধ্যমে বিরতি নেওয়া যেতে পারে |

৫. যোগাসন অভ্যাসকারীর প্রত্যেকটি আসন অভ্যাসকালে যেই আসনটি অভ্যাস করছে তার উপকারিতা সম্পর্কে নিজ মনে চিন্তা করা উচিত এবং নিজ শরীর ও মনের উপর সেটির প্রভাবকে উপলব্ধি করতে চেষ্টা করা উচিত |

৬. যোগব্যায়াম শেষে মিছরি, আখের রস কিংবা আখের গুড়ের সরবৎ একটু লবন মিশিয়ে পান করা স্বাস্থের পক্ষে ভালো |

৭. মেয়েদের পিরিয়ডসের সময় কখনোই যোগাসন করা উচিত নয়, অন্তত এক সপ্তাহের জন্য এইসবের থেকে বিশ্রাম নেওয়া উচিত |

৮. আপনি যদি রোজ যোগাসন করেন তাহলে সপ্তাহে একদিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিন | প্রতিদিন জোর করে এবং শরীরকে বিশ্রাম না দিয়ে যেকোনো ধরনের শারীরিক চর্চা আপনার স্বাস্থ্য অবনতির মূল কারণ হয়ে উঠতে পারে | তাই নিজেকে সপ্তাহে একদিন করে বিশ্রাম দিন |

৯. যোগাসন করার সময় পায়ের নীচে পাতলা গদির মতো কোনো আসন রাখলে যোগাসন করার ক্ষেত্রে আপনার অনেক সুবিধা হতে পারে |

১০. অনেকেই মনে করেন যোগব্যায়াম করার নির্দিষ্ট কোনো সময় আছে | তা কিন্তু মোটেই নয় | অভ্যাসকারী নিজের সুবিধা মত ভোরবেলা কিংবা রাত্রে শোবার আগে এটি অভ্যাস করতে পারে | কিন্তু সকালে ছাড়া অন্য কোনো সময়, খালি পেটে যোগাসন করা একদমই উচিত নয়, এমনকি ভরা পেটেও যোগাসন করা উচিত নয় |

১১. যোগাসন শুরু করার আগে খালি হাতের ব্যায়াম করে নেওয়া অবশ্যই প্রয়োজন | শরীরকে ওয়ার্ম আপ না করে ব্যায়াম করলে, আপনার ভয়াবহ চোট লাগতে পারে | তাই সাবধান |

১২. শীর্ষাসন করার পর কখনোই কিন্তু শবাসন করা উচিত নয় | যদি আপনি এটা করে থাকেন তাহলে আপনার মাথা যন্ত্রণা হবেই | কারণ আমরা যখন শীর্ষাসন করে থাকি তখন আমাদের শরীরের সমস্ত রক্ত মাথার দিকে যেতে শুরু করে, যদি তখনই আমরা আসনটি শেষ করার পর সাধারন আসনে না বসে থাকি এবং শবাসন করা শুরু করে দিই তাহলে মাথার রক্ত শরীরের সাথে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখতে পারেনা, যারফলে শুরু হয় মাথা ব্যথা |

১৩. আসন অভ্যাসকালে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিকভাবে নিতে এবং ছাড়তে হয় | কোনো অবস্থাতেই দম বন্ধ করে যোগাসন করা উচিত নয় |

১৪. যোগমুদ্রা ছাড়া আর অন্য কোনো মুদ্রা ১০ থেকে ১২ বছরের কম বয়সই ছেলেমেয়েদের করা উচিত নয় এমনকি ঋতুচক্র তৈরী হয়নি এমন মেয়েদেরও এটি করা উচিত নয় |

১৫. শুধুমাত্র রোগীরা যারা কোনো বিশেষ রোগ নিরাময়ের জন্য যোগাসন করবে, তারা কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতি আসনের শেষে প্রয়োজন মতো শবাসন অভ্যাস করবে |

১৬. রক্তচাপ অনেক বেশি হলে শবাসন ছাড়া আর কোনো আসন করা উচিত নয়, নাহলে আপনার জীবনহানি পর্যন্ত হতে পারে |

১৭. লিভার বড় হয়ে যাওয়ার সমস্যা থাকলে পশিমোত্তানাসন, শলভাষণ ও ভুজঙ্গাসন করা উচিত নয় |

১৮. হার্টের সমস্যা থাকলে শীর্ষাসন করা উচিত নয় |

১৯. প্রেগনেন্ট হওয়ার ৩ মাস পর্যন্ত যোগ ব্যায়াম করা যেতে পারে এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার ৩ মাস পর থেকে যোগ ব্যায়াম শুরু করা ভালো এতে প্রসবের পর থলথলে ঝোলা পেটের সমস্যা দূর হয়ে যাবে খুব তাড়াতাড়ি |

20. আপনার যদি অনিদ্রা কিংবা স্বপ্নদোষের সমস্যা থেকে থাকে তাহলে গোমুখাসন করা শুরু করুন | আপনার এই সমস্যা অতি তাড়াতাড়ি দূর হয়ে যাবে |

২১. যোগব্যায়াম এক প্রকার হালকা ধরনের অনুশীলন প্রক্রিয়া | এই ব্যায়াম অভ্যাসে মানুষের শরীরে স্নায়ুর ক্ষমতাবৃদ্ধি পায় এবং বয়সকালে বিভিন্ন মাংশপেশীর স্বাভাবিক গঠন এবং শক্তিলাভ সম্ভব হয় |

২২. হার্নিয়া হলে কোনো প্রকারের পেটের ব্যায়াম করা উচিত নয় | আপনি যদি তা করেন তাহলে আপনার হার্নিয়া ফেটে যেতে পারে |

বি: দ্র: যোগাসন সম্পর্কে আরো বিস্তরভাবে জানতে চাইলে অবশ্যই আপনি নীলমনি দাসের যোগাসনের বই পড়ুন |


আশা করি মেডিটেশন নিয়ে আপনার সমস্ত doubt আমরা clear করতে পেরেছি | লেখাটি পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই এটিকে সবার সাথে শেয়ার করুন এবং অবশ্যই কমেন্টে লিখে জানান আপনার মতামত |


এছাড়া আপনি যদি সত্যিই মেডিটেশন অনলাইন কিংবা আমাদের সেন্টারে এসে অফলাইনে শিখতে চান তাহলে এখুনি কল করুন +91 9433-657-349 এই নাম্বারে |

Exit mobile version
0